বিচার অর্থ কি সমন্ধে বল ? ...

বিচার অর্থ কি : বিচার অর্থ হল বিচার অর্ধ বিচার /বিশেষ্য পদ/ যুক্তির বিচার সাহায্যে সত্যাসত্য কি ন্যায়-অন্যায় ভালমন্দ ইত্যাদি নির্ণয়, অর্ধ কি বিবেচনা। /বি+র্চ‌+অ/। পরবর্তী শব্দ : বিচারক ,অর্ধ কি বিচারকর্তা, বিচারপতিপূর্ববর্তী শব্দ : বিচলন। বিচার অর্থ কি বিচার /বিশেষ্য পদ/ যুক্তির সাহায্যে সত্যাসত্য ন্যায়-অন্যায় ভালমন্দ ইত্যাদি নির্ণয়, বিবেচনা। ভেবেচিন্তে দেখা, বিবেচনা (ব্যাপারটা তোমার বিচারের উপরই ছেড়ে দিলাম); 2 যুক্তি প্রয়োগের দ্বারা স্বরূপনির্ণয়; 3 সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া, মীমাংসা, নিষ্পত্তি; 4 সত্য-মিথ্যা, হার-জিত, ন্যায়অন্যায় প্রভৃতি নিরূপণ; 5 রায় (আদালতের বিচার); 6 শুচিতার বাতিক, অতিরিক্ত বাছ (এঁটোর বিচার)। [সং. বি + √ চর্ + অ]। ক,কর্তা (-র্তৃ),পতি বি. যিনি বিচার করেন; জজ। ক্ষম বিণ. সুবিচার করতে সমর্থ। ণ,ণা বি. 1 বিচারকার্য; 2 বিবেচনা। ণীয়, বিচার্য বিণ. যুক্তির দ্বারা নিরুপণীয়; নির্ণয় বা বিচার করতে হবে এমন, বিবেচ্য (বিচার্য বিষয়)। ফল বি. বিচারকের রায় বা সিদ্ধান্ত। বিবেচনা বি. বিশেষভাবে চিন্তা ও বিচার। বিহীন,শূন্য বিণ. 1 ন্যায়বিচার-রহিত; 2 অবিবেচক। বুদ্ধি বি. যুক্তির দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় বা কর্তব্য-অকর্তব্য নিরূপণের ক্ষমতা; বিবেচনা করার ক্ষমতা। ব্যবস্হা বি. আদালতের মাধ্যমে বিচারের পদ্ধতি ও নিয়মকানুন। সাপেক্ষ বিণ. কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে বিচার করে দেখার প্রয়োজন আছে এমন; বিচারবিবেচনার যোগ্য। বিচারা ক্রি. (কাব্যে) বিচার বা বিবেচনা করা ('বিচারিল মনে')। বিচারাধীন বিণ. বিচারবিবেচনা করা হচ্ছে বা হবে এমন; বিচার্য। বিচারালয় বি. যেখানে বিচার করা হয়, আদালত, ধর্মাধিকরণ। বিচারিত বিণ. বিচার করা হয়েছে এমন, মীমাংসিত; বিবেচিত। বিচারী (-রিন্) বিণ. বিচারকারী। বিচার্য বিণ. বিচার করতে হবে বা করা উচিত এমন; বিবেচনীয়।
Romanized Version
বিচার অর্থ কি : বিচার অর্থ হল বিচার অর্ধ বিচার /বিশেষ্য পদ/ যুক্তির বিচার সাহায্যে সত্যাসত্য কি ন্যায়-অন্যায় ভালমন্দ ইত্যাদি নির্ণয়, অর্ধ কি বিবেচনা। /বি+র্চ‌+অ/। পরবর্তী শব্দ : বিচারক ,অর্ধ কি বিচারকর্তা, বিচারপতিপূর্ববর্তী শব্দ : বিচলন। বিচার অর্থ কি বিচার /বিশেষ্য পদ/ যুক্তির সাহায্যে সত্যাসত্য ন্যায়-অন্যায় ভালমন্দ ইত্যাদি নির্ণয়, বিবেচনা। ভেবেচিন্তে দেখা, বিবেচনা (ব্যাপারটা তোমার বিচারের উপরই ছেড়ে দিলাম); 2 যুক্তি প্রয়োগের দ্বারা স্বরূপনির্ণয়; 3 সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া, মীমাংসা, নিষ্পত্তি; 4 সত্য-মিথ্যা, হার-জিত, ন্যায়অন্যায় প্রভৃতি নিরূপণ; 5 রায় (আদালতের বিচার); 6 শুচিতার বাতিক, অতিরিক্ত বাছ (এঁটোর বিচার)। [সং. বি + √ চর্ + অ]। ক,কর্তা (-র্তৃ),পতি বি. যিনি বিচার করেন; জজ। ক্ষম বিণ. সুবিচার করতে সমর্থ। ণ,ণা বি. 1 বিচারকার্য; 2 বিবেচনা। ণীয়, বিচার্য বিণ. যুক্তির দ্বারা নিরুপণীয়; নির্ণয় বা বিচার করতে হবে এমন, বিবেচ্য (বিচার্য বিষয়)। ফল বি. বিচারকের রায় বা সিদ্ধান্ত। বিবেচনা বি. বিশেষভাবে চিন্তা ও বিচার। বিহীন,শূন্য বিণ. 1 ন্যায়বিচার-রহিত; 2 অবিবেচক। বুদ্ধি বি. যুক্তির দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় বা কর্তব্য-অকর্তব্য নিরূপণের ক্ষমতা; বিবেচনা করার ক্ষমতা। ব্যবস্হা বি. আদালতের মাধ্যমে বিচারের পদ্ধতি ও নিয়মকানুন। সাপেক্ষ বিণ. কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে বিচার করে দেখার প্রয়োজন আছে এমন; বিচারবিবেচনার যোগ্য। বিচারা ক্রি. (কাব্যে) বিচার বা বিবেচনা করা ('বিচারিল মনে')। বিচারাধীন বিণ. বিচারবিবেচনা করা হচ্ছে বা হবে এমন; বিচার্য। বিচারালয় বি. যেখানে বিচার করা হয়, আদালত, ধর্মাধিকরণ। বিচারিত বিণ. বিচার করা হয়েছে এমন, মীমাংসিত; বিবেচিত। বিচারী (-রিন্) বিণ. বিচারকারী। বিচার্য বিণ. বিচার করতে হবে বা করা উচিত এমন; বিবেচনীয়। Bichar Earth Ki : Bichar Earth Hall Bichar Ardha Bichar Bisheshya Pada Juktir Bichar Sahajye Satyasatya Ki Nyay Anyay Bhalamanda Ityadi Nirnay Ardha Ki Bibechana Be Rch‌ A Parabarti Shabd : Bicharak Ardha Ki Bicharakarta Bicharapatipurbabarti Shabd : Bichalan Bichar Earth Ki Bichar Bisheshya Pada Juktir Sahajye Satyasatya Nyay Anyay Bhalamanda Ityadi Nirnay Bibechana Bhebechinte Dekha Bibechana Byaparata Tomar Bicharer Uparai Chhere Dilam 2 Jukti Prayoger Dwara Swarupnirnay 3 Siddhante UPANITA Hwa Mimansa Nishpatti 4 SATHYA Mithya Her Jit Nyayanyay Prabhriti Nirupan 5 Rai Adalter Bichar 6 Shuchitar Batik Atirikta Bass Entor Bichar San Be + √ Char + A Ca Karta Rtri Pti Be Jini Bichar Curren Jojo Xam Bin Subichar Karate Samarth N Na Be 1 Bicharkarjya 2 Bibechana Niya Bicharjya Bin Juktir Dwara Nirupniya Nirnay Ba Bichar Karate Habe Eman Bibechya Bicharjya Vysya Fall Be Bicharker Rai Ba Siddhanta Bibechana Be Bisheshbhabe Chinta O Bichar Bihin Shunya Bin 1 Nyayabichar Rohit 2 Abibechak Buddhi Be Juktir Dwara Valu Monda Nyay Anyay Ba Kartabya Akartabya Nirupner Xamata Bibechana Karar Xamata Byabasha Be Adalter Madhyame Bicharer Paddhati O Niyamakanun Sapeksh Bin Kono Vise Siddhanta Grahaner Purbe Bichar Kare Dekhar Prayojan Ache Eman Bicharbibechnar Jogya Bichara Kri Kabye Bichar Ba Bibechana Kara Bicharil Money Bicharadhin Bin Bicharbibechna Kara Hachchhe Ba Habe Eman Bicharjya Bicharalay Be Jekhanay Bichar Kara Hya Adalat Dharmadhikaran Bicharit Bin Bichar Kara Hayechhe Eman Mimansit Bibechit Bichari Rin Bin Bicharkari Bicharjya Bin Bichar Karate Habe Ba Kara Uchit Eman Bibechniya
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিচার অর্থ কি বিচার বিভাগ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত, যথা হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ বিচারকার্য পর্যালোচনার ক্ষমতার অধিকারী। যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ প্রজাতন্ত্রের যেকোন কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিসহ যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর সংবিধানে প্রদত্ত যেকোন মৌলিক অধিকার কার্যকর করার নির্দেশনা বা আদেশ জারি করতে পারে। হাইকোর্ট মৌলিক অধিকারসমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি দেখতে পায় যে, কোনও আইন মৌলিক অধিকার বা সংবিধানের অন্য যে কোন অংশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তাহলে সে আইনের ততটুকু অকার্যকর ঘোষণা করতে পারে যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানি, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়, ট্রেডমার্ক ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেও হাইকোর্টের মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন কোনও মামলার ক্ষেত্রে যদি সংবিধানের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত আইনের প্রশ্ন বা জনগুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয় দেখা দেয়, তাহলে হাইকোর্ট সে মামলা অধস্তন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তার নিষ্পত্তি করতে পারে। হাইকোর্ট বিভাগের আপিল বিবেচনা ও পর্যালোচনার এখতিয়ার রয়েছে। হাইকোর্ট যদি এ মর্মে প্রত্যয়ন করে যে, হাইকোর্টে প্রদত্ত কোনও রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ সংবিধানের ব্যাখ্যার ব্যাপারে আইনের প্রশ্ন জড়িত, বা হাইকোর্ট কোনও ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তি প্রদান করেছে, তাহলে ওই সব রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগই রেকর্ড আদালত। ১৯২৬ সালের আদালত অবমাননা আইনের অধীনে যেকোন আদালত অবমাননার মামলা তদন্ত করা ও শাস্তি প্রদানের আইনগত এখতিয়ার উভয় বিভাগেরই রয়েছে। আপিল বিভাগের ঘোষিত আইন মেনে চলা হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্য পালনীয় এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের যেকোনটির ঘোষিত আইন মেনে চলা সকল অধস্তন আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। দেশের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা দান করবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত যেকোন আইনের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের কর্মকান্ড ও কার্যপ্রণালী পরিচালনার বিধিবিধান তৈরি করে। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোন কার্য সম্পাদনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট দুই বিভাগের যেকোন একটিকে বা এক বা একাধিক বিচারককে দায়িত্ব দিতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন প্রধান বিচারপতি বা তাঁর দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য বিচারক বা কর্মকর্তাগণ। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকুরির শর্তাবলি নির্ধারণের জন্য সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধানাবলির অনুসরণে সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করে থাকে। সকল অধস্তন আদালত ও আইন দ্বারা গঠিত ট্রাইব্যুনাল তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকে হাইকোর্ট বিভাগের হাতে। অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত। প্রত্যেক জেলার বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পার্বত্য জেলাসমূহে পৃথক কোনও দেওয়ানি আদালত নেই; সেসব জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ দেওয়ানি আদালতের কার্য সমাধা করেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রতিটি জেলার সকল দেওয়ানি আদালত পরিচালনার দায়িত্ব থাকে জেলা জজের হাতে। জেলা জজ প্রধানত আপিল মামলা বিচারের এখতিয়ার রাখেন, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর মূল মামলার বিচার এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জজের বিচার এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের সঙ্গে সমবিস্তৃত ও যৌথ। তিনি জেলা জজ কর্তৃক নির্ধারিত মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন বিচারকদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি ও আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পেশ করা হয় জেলা জজের আদালতে। একইভাবে সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির জন্য জেলা জেজ সেগুলি অধস্তন আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন। অধস্তন আদালতগুলোর হাতেই থাকে মূলত মূল দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তির অবাধ এখতিয়ার। উত্তরাধিকারী ও উত্তরাধিকার নির্ধারণ, বিবাহ, বর্ণ বা ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কিত মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতগুলো মামলার পক্ষ মুসলমান হলে মুসলিম আইন এবং পক্ষ হিন্দু হলে হিন্দু আইনের মাধ্যমে বিচারকার্য সম্পন্ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোন বিধিবলে ওই সব আইন পরিবর্তন বা বিলোপ না করা পর্যন্ত তা কার্যকর থাকে। অর্থ ঋণ আদালত অর্থ ঋণ আদালত আইন ১৯৯০-এর অধীনে সরকার প্রতিটি জেলায় একটি করে অর্থ ঋণ আদালত স্থাপন করেছে। সরকার সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এসব আদালতের বিচারক হিসেবে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ করে। ব্যাংক, বিনিয়োগ করপোরেশন, গৃহনির্মাণ অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান, লিজিং কোম্পানিসমূহ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন ১৯৯৩-এর বিধানাবলি অনুসারে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের ঋণ সংক্রান্ত সকল মামলা অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করতে হয় এবং শুধুমাত্র এ আদালতই এসব মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করে। অর্থ ঋণ আদালত একটি দেওয়ানি আদালত। দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতাই এ আদালতের রয়েছে। দেউলিয়া আদালত এ আদালত দেউলিয়া আইন ১৯৯৭-এর অধীনে গঠিত। প্রত্যেক জেলায় জেলা আদালতই হচ্ছে ঐ জেলার দেউলিয়া আদালত। জেলা জজ এ আদালতের প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। জেলার সীমানায় দেউলিয়া মামলাগুলি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত। প্রয়োজনবোধে তিনি একজন অতিরিক্ত (জেলা) জজের উপরও অনুরূপ মামলার বিচারকার্যের দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন। অধস্তন ফৌজদারি ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অধস্তন ফৌজদারি আদালত পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা দায়রা আদালত, মহানগর হাকিমের আদালত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তিনটি পার্বত্য জেলায় দায়রা আদালতের কাজ করেন বিভাগীয় কমিশনার। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মহানগর পৌর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা আদালত গঠন করা হয়। প্রতিটি থানায় ম্যাজিস্ট্রিয়াল কার্যাদি সম্পাদনের জন্য ন্যূনপক্ষে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকেন। এ কাজের জন্য সরকার সাধারণত তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের একজন জুনিয়র সিভিল সার্ভেন্টকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। অবশ্য সিভিল সার্ভেন্ট নন এমন যেকোন সম্মানিত ব্যক্তির হাতেও সরকার ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে। বেতনভুক সিভিল সার্ভেন্ট ম্যাজিস্ট্রেট থেকে পৃথক এ ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটদের বলা হয় অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট (জাস্টিস অব দ্য পিস)। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কোনও আইনবলে বা কোনও আইনের দ্বারা সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সম্পত্তি বা সরকারের ব্যবস্থাপনাধীন সম্পত্তি, প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনও ব্যক্তির চাকুরির শর্তাবলি ইত্যাদি সম্পর্কে উদ্ভূত বিষয়াদি নিষ্পত্তির আইনগত এখতিয়ার দিয়ে জাতীয় সংসদ আইনবলে এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে।
Romanized Version
বিচার অর্থ কি বিচার বিভাগ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত, যথা হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ বিচারকার্য পর্যালোচনার ক্ষমতার অধিকারী। যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ প্রজাতন্ত্রের যেকোন কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিসহ যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর সংবিধানে প্রদত্ত যেকোন মৌলিক অধিকার কার্যকর করার নির্দেশনা বা আদেশ জারি করতে পারে। হাইকোর্ট মৌলিক অধিকারসমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি দেখতে পায় যে, কোনও আইন মৌলিক অধিকার বা সংবিধানের অন্য যে কোন অংশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তাহলে সে আইনের ততটুকু অকার্যকর ঘোষণা করতে পারে যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানি, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়, ট্রেডমার্ক ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেও হাইকোর্টের মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন কোনও মামলার ক্ষেত্রে যদি সংবিধানের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত আইনের প্রশ্ন বা জনগুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয় দেখা দেয়, তাহলে হাইকোর্ট সে মামলা অধস্তন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তার নিষ্পত্তি করতে পারে। হাইকোর্ট বিভাগের আপিল বিবেচনা ও পর্যালোচনার এখতিয়ার রয়েছে। হাইকোর্ট যদি এ মর্মে প্রত্যয়ন করে যে, হাইকোর্টে প্রদত্ত কোনও রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ সংবিধানের ব্যাখ্যার ব্যাপারে আইনের প্রশ্ন জড়িত, বা হাইকোর্ট কোনও ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তি প্রদান করেছে, তাহলে ওই সব রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগই রেকর্ড আদালত। ১৯২৬ সালের আদালত অবমাননা আইনের অধীনে যেকোন আদালত অবমাননার মামলা তদন্ত করা ও শাস্তি প্রদানের আইনগত এখতিয়ার উভয় বিভাগেরই রয়েছে। আপিল বিভাগের ঘোষিত আইন মেনে চলা হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্য পালনীয় এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের যেকোনটির ঘোষিত আইন মেনে চলা সকল অধস্তন আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। দেশের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা দান করবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত যেকোন আইনের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের কর্মকান্ড ও কার্যপ্রণালী পরিচালনার বিধিবিধান তৈরি করে। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোন কার্য সম্পাদনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট দুই বিভাগের যেকোন একটিকে বা এক বা একাধিক বিচারককে দায়িত্ব দিতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন প্রধান বিচারপতি বা তাঁর দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য বিচারক বা কর্মকর্তাগণ। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকুরির শর্তাবলি নির্ধারণের জন্য সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধানাবলির অনুসরণে সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করে থাকে। সকল অধস্তন আদালত ও আইন দ্বারা গঠিত ট্রাইব্যুনাল তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকে হাইকোর্ট বিভাগের হাতে। অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত। প্রত্যেক জেলার বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পার্বত্য জেলাসমূহে পৃথক কোনও দেওয়ানি আদালত নেই; সেসব জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ দেওয়ানি আদালতের কার্য সমাধা করেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রতিটি জেলার সকল দেওয়ানি আদালত পরিচালনার দায়িত্ব থাকে জেলা জজের হাতে। জেলা জজ প্রধানত আপিল মামলা বিচারের এখতিয়ার রাখেন, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর মূল মামলার বিচার এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জজের বিচার এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের সঙ্গে সমবিস্তৃত ও যৌথ। তিনি জেলা জজ কর্তৃক নির্ধারিত মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন বিচারকদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি ও আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পেশ করা হয় জেলা জজের আদালতে। একইভাবে সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির জন্য জেলা জেজ সেগুলি অধস্তন আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন। অধস্তন আদালতগুলোর হাতেই থাকে মূলত মূল দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তির অবাধ এখতিয়ার। উত্তরাধিকারী ও উত্তরাধিকার নির্ধারণ, বিবাহ, বর্ণ বা ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কিত মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতগুলো মামলার পক্ষ মুসলমান হলে মুসলিম আইন এবং পক্ষ হিন্দু হলে হিন্দু আইনের মাধ্যমে বিচারকার্য সম্পন্ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোন বিধিবলে ওই সব আইন পরিবর্তন বা বিলোপ না করা পর্যন্ত তা কার্যকর থাকে। অর্থ ঋণ আদালত অর্থ ঋণ আদালত আইন ১৯৯০-এর অধীনে সরকার প্রতিটি জেলায় একটি করে অর্থ ঋণ আদালত স্থাপন করেছে। সরকার সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এসব আদালতের বিচারক হিসেবে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ করে। ব্যাংক, বিনিয়োগ করপোরেশন, গৃহনির্মাণ অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান, লিজিং কোম্পানিসমূহ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন ১৯৯৩-এর বিধানাবলি অনুসারে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের ঋণ সংক্রান্ত সকল মামলা অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করতে হয় এবং শুধুমাত্র এ আদালতই এসব মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করে। অর্থ ঋণ আদালত একটি দেওয়ানি আদালত। দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতাই এ আদালতের রয়েছে। দেউলিয়া আদালত এ আদালত দেউলিয়া আইন ১৯৯৭-এর অধীনে গঠিত। প্রত্যেক জেলায় জেলা আদালতই হচ্ছে ঐ জেলার দেউলিয়া আদালত। জেলা জজ এ আদালতের প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। জেলার সীমানায় দেউলিয়া মামলাগুলি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত। প্রয়োজনবোধে তিনি একজন অতিরিক্ত (জেলা) জজের উপরও অনুরূপ মামলার বিচারকার্যের দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন। অধস্তন ফৌজদারি ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অধস্তন ফৌজদারি আদালত পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা দায়রা আদালত, মহানগর হাকিমের আদালত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তিনটি পার্বত্য জেলায় দায়রা আদালতের কাজ করেন বিভাগীয় কমিশনার। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মহানগর পৌর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা আদালত গঠন করা হয়। প্রতিটি থানায় ম্যাজিস্ট্রিয়াল কার্যাদি সম্পাদনের জন্য ন্যূনপক্ষে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকেন। এ কাজের জন্য সরকার সাধারণত তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের একজন জুনিয়র সিভিল সার্ভেন্টকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। অবশ্য সিভিল সার্ভেন্ট নন এমন যেকোন সম্মানিত ব্যক্তির হাতেও সরকার ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে। বেতনভুক সিভিল সার্ভেন্ট ম্যাজিস্ট্রেট থেকে পৃথক এ ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটদের বলা হয় অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট (জাস্টিস অব দ্য পিস)। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কোনও আইনবলে বা কোনও আইনের দ্বারা সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সম্পত্তি বা সরকারের ব্যবস্থাপনাধীন সম্পত্তি, প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনও ব্যক্তির চাকুরির শর্তাবলি ইত্যাদি সম্পর্কে উদ্ভূত বিষয়াদি নিষ্পত্তির আইনগত এখতিয়ার দিয়ে জাতীয় সংসদ আইনবলে এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। Bichar Earth Ki Bichar Bibhag Bangladesher Bichar Bibhag Mulat Uchchatar Bichar Bibhag Supreme Court O Adhastan Bichar Bibhag Nimna Adalatasamuh A Dui Shrenite Bibhakta Supreme Court Supreme Court Desher Sarbochch Adalat Evan AT Duti Bibhager Samanwaye Gathit Jatha Haikorta Bibhag O Apil Bibhag Bangladesher Pradhan Bicharapati O Pratyek Bibhager Bicharapatider Samanwaye Supreme Court Gathit Sangbidhaner Bidhan Sapekshe Pradhan Bicharapati O Anyanya Bicharakagan Bichar Karjakram Parichalnar Xetre Sampurna Sweden Pradhanamantrir Paramarshakrame Rashtrapati Pradhan Bicharapati O Anyanya Bicharakader Niyog Dan Curren Supreme Korter Ainajibider Madhya Theke Supreme Korter Bicharakader Niyog Kara Hay Haikorta Bibhag Bicharkarjya Parjalochnar Xamatar Adhikari Jekon Sankshubdha Byaktir Abedner Pariprekshite Haikorta Bibhag Prajatantrer Jekon Karme Niyojit Byaktisah Jekon Byakti Ba Pratishthaner Opar Sangbidhane Pradatta Jekon Maulik Adhikar Karjakar Karar Nirdeshana Ba Adays Jari Karate Pare Haikorta Maulik Adhikarasamuh Bastabayner Xetre Jodi Dekhte Pay Je Konao Ain Maulik Adhikar Ba Sangbidhaner Anya Je Koun Angsher Sange Asamanjasyapurna Tahle Say Ainer Tatatuku Akarjakar Ghoshna Karate Pare Jatatuku Asamanjasyapurna Company Edamiralti Vivah Sankranta Bishay Trademark Ityadi Sankranta Mamlar Xetreo Haikorter Maulik Ekhatiyar Rayechhe Adhastan Adalate Bicharadhin Konao Mamlar Xetre Jodi Sangbidhaner Byakhya Samparkit Ainer Prashna Ba Janagurutbapurna Konao Bishay Dekha Dey Tahle Haikorta Say Mamla Adhastan Adalat Theke Pratyahar Kare Taur Nishpatti Karate Pare Haikorta Bibhager Apil Bibechana O Parjalochnar Ekhatiyar Rayechhe Haikorta Jodi A Marme Pratyayan Kare Je Haikorte Pradatta Konao Ray Dikri Adays Ba Dandadesher Sange Bangladesh Sangbidhaner Byakhyar Byapare Ainer Prashna Jarit Ba Haikorta Konao Byaktike Mrityudand Ba Jabajjiban Karadand Ba Adalat Abamannar Daye Shasti Pradan Karechhe Tahle We Sab Ray Dikri Adays Ba Dandadesher Biruddhe Apil Bibhage Apil Dayer Kara Jabe Bangladesh Supreme Korter Ubhay Bibhagai Record Adalat 1926 Saler Adalat Abamanna Ainer Adhine Jekon Adalat Abamannar Mamla Tadanta Kara O Shasti Pradaner Ainagat Ekhatiyar Ubhay Bibhagerai Rayechhe Apil Bibhager Ghoshit Ain Mene Chala Haikorta Bibhager Janya Abashya Palniya Evan Supreme Korter Ubhay Bibhager Jekontir Ghoshit Ain Mene Chala Sakal Adhastan Adalter Janya Badhyatamulak Desher Sakal Nirbahi O Bichar Bibhagiya Kartripaksh Supreme Kortake Sahayata Dan Karabe Jatiya Sansad Kartrik Pranit Jekon Ainer Adhine Supreme Court Rashtrapatir Anumodan Sapekshe Haikorta Bibhag O Apil Bibhager Karmakand O Karjapranali Parichalnar Bidhibidhan Tairi Kare Karmakarta Karmachari Niyoger Xetre Jekon Karjya Sampadaner Janya Supreme Court Dui Bibhager Jekon Ekatike Ba Ec Ba Ekadhik Bicharakake Dayitba Dite Pare Supreme Korter Karmakartader Niyog Than Pradhan Bicharapati Ba Tanr Dwara Dayitbaprapta Anyanya Bicharak Ba Karmakartagan Karmakarta Karmacharider Chakurir Shartabali Nirdharaner Janya Sansad Kartrik Pranit Ain Anujayi Rashtrapatir Anumodanakrame Supreme Korter Pranit Bidhanablir Anusarane Supreme Court Karmakarta Karmachari Niyog Kare Thake Sakal Adhastan Adalat O Ain Dwara Gathit Traibyunal Tattbabadhaner Xamata Thake Haikorta Bibhager Hate Adhastan Dewani Bichar Bibhag Adhastan Dewani Adalat Charti Shrenite Bibhakta Jatha Sahakari Jajer Adalat Sabajaj Adalat Atirikta Jajer Adalat Evan Jela Jajer Adalat Pratyek Jelar Bichar Bibhager Pradhan Halen Jela Jojo Parbatya Jelasmuhe Prithak Konao Dewani Adalat Nei Sesab Jelay Myajistretagan Dewani Adalter Karjya Samadha Curren Haikorta Bibhager Niyantranadhine Pratiti Jelar Sakal Dewani Adalat Parichalnar Dayitba Thake Jela Jajer Hate Jela Jojo Pradhanat Apil Mamla Bicharer Ekhatiyar Rakhen Tove Kichhu Kichhu Xetre Tanr Mul Mamlar Bichar Ekhatiyarao Rayechhe Atirikta Jajer Bichar Ekhatiyar Jela Jajer Ekhatiyarer Sange Samabistrit O Jauth Tini Jela Jojo Kartrik Nirdharit Mamlar Bicharkarjya Sampadan Curren Sahakari Jojo O Adhastan Bicharakader Pradatta Ray Dikri O Adesher Biruddhe Apil Paes Kara Hay Jela Jajer Adalate Ekaibhabe Sahakari Jajader Pradatta Ray Dikri Ba Adesher Biruddhe Apil Nishpattir Janya Jela Jej Seguli Adhastan Adalate Sthanantar Karate Paren Adhastan Adalatagulor Hatei Thake Mulat Mul Dewani Mamla Nishpattir Abadh Ekhatiyar Uttaradhikari O Uttaradhikar Nirdharan Vivah Burn Ba Dharmiya Ritiniti Samparkit Mamlar Nishpattir Xetre Dewani Adalatagulo Mamlar Pax Musalaman Hale Muslim Ain Evan Pax Hindu Hale Hindu Ainer Madhyame Bicharkarjya Sampann Kare Ainasabha Kartrik Pranit Koun Bidhibale We Sab Ain Parivartan Ba Bilop Na Kara Parjanta Ta Karjakar Thake Earth Rin Adalat Earth Rin Adalat Ain 1990 Aare Adhine Sarkar Pratiti Jelay Ekati Kare Earth Rin Adalat Sthapan Karechhe Sarkar Supreme Korter Sange Paramarshakrame Esab Adalter Bicharak Hisebe Adhastan Adalter Bicharakader Niyog Kare Bank Biniyog Karaporeshan Grihnirman Arthayan Pratisthan Lijing Kompanismuh Evan Arthik Pratisthan Sankranta Ain 1993 Aare Bidhanabli Anusare Pratishthit Bank Bahirbhut Arthik Pratishthanasamuher Rin Sankranta Sakal Mamla Earth Rin Adalate Dayer Karate Hay Evan Shudhumatra A Adalatai Esab Mamlar Bicharkarjya Sampann Kare Earth Rin Adalat Ekati Dewani Adalat Dewani Adalter Sakal Xamatai A Adalter Rayechhe Deuliya Adalat A Adalat Deuliya Ain 1997 Aare Adhine Gathit Pratyek Jelay Jela Adalatai Hachchhe Ae Jelar Deuliya Adalat Jela Jojo A Adalter Pradhan Bicharker Dayitba Palan Curren Jelar Simanay Deuliya Mamlaguli Nishpatti Karar Dayitba Tanr Opar Arpit Prayojanabodhe Tini Ekajan Atirikta Jela Jajer Uparao Anurup Mamlar Bicharkarjer Dayitba Arpan Karate Paren Adhastan Faujdari O Myajistret Adalat Adhastan Faujdari Adalat Panchati Shrenite Bibhakta Jatha Dayra Adalat Mahanagar Hakimer Adalat Pratham Shrenir Myajistret Adalat Dwitiya Shrenir Myajistret Adalat Evan Tritiya Shrenir Myajistret Adalat Tinti Parbatya Jelay Dayra Adalter Kaj Curren Bibhagiya Commissioner 1999 Saler Januyari Theke Dhaka O Chattagrame Mahanagar Paur Elakar Janya Mahanagar Dayra Adalat Gathan Kara Hay Pratiti Thanay Myajistriyal Karjadi Sampadaner Janya Nyunapakshe Ekajan Myajistret Niyojit Thaken A Kajer Janya Sarkar Sadharanat Tritiya Shrenir Myajistret Hisebe Prashasan Kyadarer Ekajan Juniyar Civil Sarbhentake Niyog Diye Thake Abashya Civil Servant Non Eman Jekon Sammanit Byaktir Hateo Sarkar Myajistriyal Xamata Arpan Karate Pare Betanabhuk Civil Servant Myajistret Theke Prithak A Dharaner Myajistretader Bala Hay Honorary Myajistret Jastis Av The Peace Prashasnik Traibyunal Konao Ainabale Ba Konao Ainer Dwara Sarkar Kartrik Prapta Humpty Ba Sorcerer Byabasthapanadhin Humpty Prajatantrer Karme Konao Byaktir Chakurir Shartabali Ityadi Samparke Udbhut Bishyadi Nishpattir Ainagat Ekhatiyar Diye Jatiya Sansad Ainabale Ec Ba Ekadhik Prashasnik Traibyunal Gathan Karate Pare
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichar Earth Ki Samandhe Ball ?,What Does Justice Mean?,


vokalandroid