অমিয় চক্রবর্তী জীবনী সম্বন্ধে লেখ। ...

অমিয় চক্রবর্তী ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দ ১০ এপ্রিল তারিখে রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের অন্যতম কবি অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম হয়েছিল মামা বাড়িতেক বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর তাঁর পুরো নাম অমিয় চন্দ্র চক্রবর্তী।, তাঁর পিতা দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী উচ্চ শিক্ষিত; তিনি ইংরেজিতে এম. এ. এবং বি.এল. পাস করে আসামে গৌরীপুর এস্টেটের দেওয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মা অনিন্দিতা দেবী ছিলেন সাহিত্যিক -- তিনি "বঙ্গনারী" ছদ্মনামে প্রবন্ধ-নিবিন্ধ প্রকাশ করতেন। তিনি সংস্কৃতে পারদর্শী ছিলেন আর চার সন্তানকে সংস্কৃত শিখিয়েছিলেন নিজেই। গৌরীপুরের সংস্কৃত টোল থেকে প্রখ্যাত পণ্ডিতকে তিনি নিযুক্ত করেছিলেন কালিদাস ভারবি প্রমুখের রচনা পাঠের সুবিধার্থে। এভাবেই অমিয় চক্রবর্তী শৈশবেই ব্যাকরণে পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।অমিয় চক্রবর্তীর বয়স যখন অল্প তখন জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা অরুণ চক্রবর্তী আত্মহত্যা করে।ভাইয়ের মৃত্যুতে তীব্র শোকে আক্রান্ত হন অমিয় চক্রবর্তী। তাঁর স্বভাবে চিরস্থায়ী পরিবর্তন আসে; চঞ্চলতা ও ক্রীড়ানুরাগ তিরোহিত হয়ে আসে অন্তর্মুখীনতা; তিনি স্বল্পবাক ও ভাবুক হয়ে ওঠেন। এরপর কলকাতায় এসে হেয়ার স্কুলে ভর্তি হলেন আর থাকতেন মামার বাড়িতে। উচ্চ শিক্ষিত মামাদের সংস্পর্শে তরুণ অমিয় চক্রবর্তীর মানস জগৎ আলোকিত হয়ে ওঠে। তাঁর বড় মামা নিখিলনাথ মৈত্র হয়ে উঠেন তাঁর "চিন্তা-কল্পনার প্রধান অধিনায়ক।" সঙ্গীত ও সাহিত্যে তাঁর বিশেষ অণুপ্রেরণা ছিল। বন্ধুস্থানীয় সেজ মামা সোমনাথ মৈত্রের প্রভাবও ছিল বেশ। অমিয় চক্রবর্তী তিরিশের অন্যান্য কবিদের তুলনায় ভিন্নরূপ ব্যক্তিত্ব নিয়ে গড়ে উঠেছিলেন। শিবনারায়ণ রায় লিখেছেন: “অমিয়-র কোনো নিজস্ব পত্রিকা অথবা গোষ্ঠী ছিল না। ক্ষীণকায় মৃদুভাষী মানুষটির কিছু গভীর প্রত্যয় ছিল, কিন্তু বিতর্কে তিনি অনাগ্রহী অথবা আস্থাহীন। অপরপক্ষে জীবনানন্দের মতো তিনি সঙ্গ-বিমুখ ছিলেন;- বস্তুত নরনারী, পশুপাখি, শহরগ্রাম, বিশ্বের বিচিত্র অধিবাসী এবং বিভিন্ন অঞ্চলের হরেক রকম প্রাকৃতিক রূপ সম্পর্কে তাঁর কৌতহল ছিল অপরিসীম। সঙ্গ ভালোবাসতেন, কিন্তু সব সময়েই মনে হয় তাঁর অস্তিত্বের কেন্দ্র এক গভীর নিরাসক্তি তাঁকে সচল রাখত। প্যাশন বা আবেগের আতিশয্যকে তিনি সচেতনভাবে এড়িয়ে চলতেন।”
Romanized Version
অমিয় চক্রবর্তী ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দ ১০ এপ্রিল তারিখে রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের অন্যতম কবি অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম হয়েছিল মামা বাড়িতেক বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর তাঁর পুরো নাম অমিয় চন্দ্র চক্রবর্তী।, তাঁর পিতা দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী উচ্চ শিক্ষিত; তিনি ইংরেজিতে এম. এ. এবং বি.এল. পাস করে আসামে গৌরীপুর এস্টেটের দেওয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মা অনিন্দিতা দেবী ছিলেন সাহিত্যিক -- তিনি "বঙ্গনারী" ছদ্মনামে প্রবন্ধ-নিবিন্ধ প্রকাশ করতেন। তিনি সংস্কৃতে পারদর্শী ছিলেন আর চার সন্তানকে সংস্কৃত শিখিয়েছিলেন নিজেই। গৌরীপুরের সংস্কৃত টোল থেকে প্রখ্যাত পণ্ডিতকে তিনি নিযুক্ত করেছিলেন কালিদাস ভারবি প্রমুখের রচনা পাঠের সুবিধার্থে। এভাবেই অমিয় চক্রবর্তী শৈশবেই ব্যাকরণে পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।অমিয় চক্রবর্তীর বয়স যখন অল্প তখন জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা অরুণ চক্রবর্তী আত্মহত্যা করে।ভাইয়ের মৃত্যুতে তীব্র শোকে আক্রান্ত হন অমিয় চক্রবর্তী। তাঁর স্বভাবে চিরস্থায়ী পরিবর্তন আসে; চঞ্চলতা ও ক্রীড়ানুরাগ তিরোহিত হয়ে আসে অন্তর্মুখীনতা; তিনি স্বল্পবাক ও ভাবুক হয়ে ওঠেন। এরপর কলকাতায় এসে হেয়ার স্কুলে ভর্তি হলেন আর থাকতেন মামার বাড়িতে। উচ্চ শিক্ষিত মামাদের সংস্পর্শে তরুণ অমিয় চক্রবর্তীর মানস জগৎ আলোকিত হয়ে ওঠে। তাঁর বড় মামা নিখিলনাথ মৈত্র হয়ে উঠেন তাঁর "চিন্তা-কল্পনার প্রধান অধিনায়ক।" সঙ্গীত ও সাহিত্যে তাঁর বিশেষ অণুপ্রেরণা ছিল। বন্ধুস্থানীয় সেজ মামা সোমনাথ মৈত্রের প্রভাবও ছিল বেশ। অমিয় চক্রবর্তী তিরিশের অন্যান্য কবিদের তুলনায় ভিন্নরূপ ব্যক্তিত্ব নিয়ে গড়ে উঠেছিলেন। শিবনারায়ণ রায় লিখেছেন: “অমিয়-র কোনো নিজস্ব পত্রিকা অথবা গোষ্ঠী ছিল না। ক্ষীণকায় মৃদুভাষী মানুষটির কিছু গভীর প্রত্যয় ছিল, কিন্তু বিতর্কে তিনি অনাগ্রহী অথবা আস্থাহীন। অপরপক্ষে জীবনানন্দের মতো তিনি সঙ্গ-বিমুখ ছিলেন;- বস্তুত নরনারী, পশুপাখি, শহরগ্রাম, বিশ্বের বিচিত্র অধিবাসী এবং বিভিন্ন অঞ্চলের হরেক রকম প্রাকৃতিক রূপ সম্পর্কে তাঁর কৌতহল ছিল অপরিসীম। সঙ্গ ভালোবাসতেন, কিন্তু সব সময়েই মনে হয় তাঁর অস্তিত্বের কেন্দ্র এক গভীর নিরাসক্তি তাঁকে সচল রাখত। প্যাশন বা আবেগের আতিশয্যকে তিনি সচেতনভাবে এড়িয়ে চলতেন।” Amiya Chakravorti 1901 Khrishtabda 10 April Tarikhe Rabindra Parabarti Juger Anyatam Cbe Amiya Chakrabartir Janma Hayechhil Mama Baritek Bartaman Pashchimabanger Shrirampur Tanr Puro NAM Amiya Chandra Chakravorti Tanr Pita Dwijeshachandra Chakravorti Uchch Shikshit Tini Ingrejite M A Evan Be L Pass Kare Asame Gouripur Esteter Dewan Hisebe Karmarat Chhilen Tanr MA Anindita DEVI Chhilen Sahityik -- Tini Banganari Chhadmaname Prabandha Nibindha Prakash Karaten Tini Sanskrite Paradarshi Chhilen Are CHAR Santanake Sanskrit Shikhiyechhilen Nijei Gauripurer Sanskrit Toll Theke Prakhyat Panditake Tini Nijukta Karechhilen Kalidas Verve Pramukher Rachana Pather Subidharthe Ebhabei Amiya Chakravorti Shaishbei Byakarane Panditya Arjan Karechhilen Amiya Chakrabartir Bayas Jakhan Alpa Takhan Jyeshtha Bhrata Arun Chakravorti Atmahatya Kare Bhaiyer Mrityute Tibra Shoke Akranta Hahn Amiya Chakravorti Tanr Swabhabe Chirasthayi Parivartan Ase Chanchalata O Kriranurag Tirohit Haye Ase Antarmukhinta Tini Swalpabak O Bhabuk Haye Othen Erapar Kalakatay Ese Heyar Skule Bharti Halen Are Thakten Mamar Barite Uchch Shikshit Mamader Sansparshe Tarun Amiya Chakrabartir Manas Jagt Alokit Haye Othe Tanr Bar Mama Nikhilnath Moitra Haye Uthen Tanr Chinta Kalpanar Pradhan Adhinayak Sangeeta O Sahitye Tanr Vishesha Anuprerana Chhil Bandhusthaniya Says Mama Somnath Maitrer Prabhabao Chhil Bash Amiya Chakravorti Tirisher Anyanya Kabider Tulnay Bhinnarup Byaktitba Niye Gare Uthechhilen Shibnarayan Ray Likhechhen “amiya Ra Kono Nijaswa Patrika Athaba Goshthi Chhil Na Xinakay Mridubhashi Manushtir Kichhu Gabhir Pratyay Chhil Kintu Bitarke Tini Anagrahi Athaba Asthahin Aparapakshe Jibnanander Mato Tini Hong Bimukh Chhilen Bastut Naranari Pashupakhi Shaharagram Bishwer Bichitra Adhibasi Evan Bibhinna Anchaler Harek Rakam Praakritik Roopa Samparke Tanr Kaut Hall Chhil Aparisim Hong Bhalobasten Kintu Sab Samayei Money Hay Tanr Astitber Kendra Ec Gabhir Nirasakti Tanke Sachal Rakht Passion Ba Abeger Atishajyake Tini Sachetanabhabe Eriye Chalaten ”
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


অমিয় চক্রবর্তী জীবনী :- চক্রবর্তী, অমিয় (১৯০১-১৯৮৬) কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। তাঁর পিতা দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী আসামের গৌরীপুর রাজ্যের দীউয়ান ছিলেন। অমিয় চক্রবর্তী পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রি লাভ (১৯২৬) করেন। পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। তিনি ১৯৩৩ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজে যোগ দেন এবং ১৯৩৭ সালে সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফিল ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৮-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত হাওয়ার্ড, বস্টন ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক প্রাচ্য ধর্ম ও সাহিত্যে অধ্যাপনা কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কবি ইয়েটস, জর্জ বার্নাড’শ, আলবার্ট আইনস্টাইন, রবার্টফ্রস্ট, আলবার্ট সোয়ইটজর, বোরিস পান্তেরনাক, পাবলো কাসালস্ প্রমুখ বিশ্ববরেণ্য লেখকদের সঙ্গে তাঁর ছিল অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। প্রায় সব ক’টি মহাদেশের অসংখ্য দেশে নানাবিধ কর্মসূত্রে তিনি ভ্রমণ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে বক্তৃতা দিয়েছেন। এ কারণে অমিয় চক্রবর্তীর কবিতায় আন্তর্জাতিক বিশ্বপরিবেশের অনেক ভৌগোলিক স্থানের নাম, বর্ণনা ও চিত্র লক্ষ করার মতো। তার কবিতা বিশ্বময়তাকে ধারণ করেছে; এটি তার কবিতাকে দিয়েছে বিশিষ্টতা। এ ছাড়া তাঁর কবিতায় আছে এ অঞ্চলের চিরায়ত বিষয় মরমী সুর ও আধ্যাত্মিকতা। অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন। তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে। আধুনিক কবিতায় ভাব, দর্শন ও রসের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সংযোজন ঘটিয়েছেন। অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫; তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: উপহার (১৯২৭), খসড়া (১৯৩৮), এক মুঠো (১৯৩৯), মাটির দেয়াল (১৯৪২), অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩), পারাপার (১৯৫৩), পালাবদল (১৯৫৫), ঘরে ফেরার দিন (১৯৬১), হারানো অর্কিড (১৯৬৬), পুষ্পিত ইমেজ (১৯৬৭), অমরাবতী (১৯৭২), অনিঃশেষ (১৯৭৬), নতুন কবিতা (১৯৮০), চলো যাই (১৯৬২), সাম্প্রতিক (১৯৬৩)। তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে। কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়। [শওকত হোসেন] অমিয় চক্রবর্তী যে সব পত্র-পত্রিকায় কম-বেশি নিয়মিত লিখেছেন তার মধ্যে রয়েছে কবিতা, বিচিত্রা, উত্তরসূরী, কবি ও কবিতা, পরিচয়, প্রবাসী প্রভৃতি। এর মধ্যে এক “কবিতা” পত্রিকাতেই অমিয় চক্রবর্তীর বেশ ক’টি গদ্য রচনা প্রকাশিত হয়েছিল: ‘এজরা পাউন্ড : কবিতা’র দরবারে পত্রাঘাত’ (পৌষ ১৩৫৫), ‘এলিয়টের নতুন কবিতা’ (পৌষ ১৩৫০), ‘জয়েস প্রাসঙ্গিকী’ (কার্তিক, ১৩৪৮), ‘মার্কিন প্রবাসীর পত্র’ (পৌষ, ১৩৬০), ‘রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টি’ (আশ্বিন, ১৩৪৮), ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্য’ (আশ্বিন, ১৩৫৩) এবং ‘সমালোচকের জল্পনা’ (আশ্বিন, ১৩৫০)।, এছাড়া বুদ্ধদেব বসুর “নতুন পাতা” এবং সমর সেনের “গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা” গ্রন্থদ্বয়ের সমালোচনাও প্রকাশিত হয়েছিল (যথাক্রমে পৌষ ১৩৪৭ এবং কার্তিক ১৩৪৭ সংখ্যায়)। “কবিতা” পত্রিকায় চৈত্র ১৩৬২ সংখ্যায় বুদ্ধদেব বসুকে লেখা একটি খোলা চিঠি মুদ্রিত হয়েছিল ‘ছন্দ ও কবিতা’ এই শিরোনামে । ‘কাব্যাদর্শ’ শীর্ষক প্রবন্ধটি মুদ্রিত হয়েছিল ত্রিকালী পত্রিকায় ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে। ‘দুটি ইংরেজী কবিতা’ প্রকাশিত হয়েছিল পরিচয় পত্রিকায়, বৈশাখ ১৩৪২ সংখ্যায়। ‘প্রমথ চৌধুরী - ক্ষুদ্র অর্ঘ্য’ প্রকাশিত হয়েছিল “বিশ্বভারতী পত্রিকা”-এর শ্রাবণ-আশ্বিন ১৩৭৫ সংখ্যায়। “পারাপার”-এর অন্তর্ভুক্ত ‘বৃষ্টি’ কবিতাটি নিয়ে কবি নরেশ গুহ একটি আলোচনা লেখেন কবিতা-পরিচয় পত্রিকায়, আষাঢ় ১৩৭৩ সংখ্যায়। এই আলোচনার সূত্রে, মনুজেশ মিত্র, প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত এবং সুতপা ভট্টাচার্য সমালোচনা করেন। অমিয় চক্রবর্তী জীবনী নিজেও এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করেন। একই পত্রিকায় পরবর্তীতে প্রকাশিত ঐ লেখাটিতে তিনি লেখেন, “ ‘বৃষ্টি’র আলোচনায় দু-একটি প্রশ্ন আছে, তার উত্তরে কিছু বলতে চাই।” দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার জন্য অমিয় চক্রবর্তীর অনেক প্রবন্ধ-নিবন্ধ পত্রাকারে রচিত। এ-প্রকৃতির রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মার্কিন প্রবাসীর পত্র’ এবং ‘ছন্দ ও কবিতা’। “কবিতা” পত্রিকায় বরিস পাস্টেরনাক ও তাঁর ড.জিভাগো নিয়ে দু’টি চিঠি লিখেছিলেন অমিয় চক্রবর্তী। এ-ছাড়া পত্রাকারে রচিত প্রবন্ধ-নিবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘ইয়োরোপে রবীন্দ্রনাথ’।, শ্রীযুক্ত সোমনাথ মিত্রকে লেখা এ প্রবন্ধলিপিটি “প্রবাসী” পত্রিকার কার্তিক ১৩৩৭ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল। “মস্কো-এর চিঠি’’ নামে দু’টি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছিল বিচিত্রা পত্রিকার বাংলা ১৩৩৮ সনের যথাক্রমে মাঘ ও ফাল্গুন সংখ্যায়। “প্রবাসী” পত্রিকায় আরও তিনটি পত্রাকার প্রবন্ধ-নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল; যথা ‘ফিনল্যান্ডের চিঠি’, কার্তিক, ১৩৪৩ সংখ্যায, ‘প্যালেষ্টাইন প্রাসঙ্গিক’ কার্তিক, ১৩৪৪ সংখ্যায এবং ‘প্যালেষ্টাইনে হেরফের’, অগ্রহায়ণ, ১৩৪৪ সংখ্যা। এই ধাঁচের লেখাগুলো সম্পর্কে সুমিতা চক্রবর্তীর মন্তব্য এরকম: “ ... ভ্রমণমমূলক প্রবন্ধগুলিতে অমিয় চক্রবর্তীর মানসিক গঠনের একটা মৌলিক প্রাথমিক সূত্র পাওয়া যায়।” এ-ছাড়া “বিচিত্রা” পত্রিকার শ্রাবণ, ১৩৩৫ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘সাহিত্য ব্যবসায়’।, একই পত্রিকার শ্রাবণ, ১৩৩৮ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘সংকলন’। স্টেলা ক্রামরিশের লেখা একটি প্রবন্ধ তিনি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদও করেছিলেন। এটি ‘ভারতীয় শিল্প প্রতিভা’ নামে “প্রবাসী”-এর আশ্বিন, ১৩২৯ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এ-ছাড়াও তিনি ইংরেজিতে বেশ কিছু সংখ্যক সংখ্যক প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা করেছেন। এ-সকল প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক জার্নাল সহ বিভিন্ন সংকলন-গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
Romanized Version
অমিয় চক্রবর্তী জীবনী :- চক্রবর্তী, অমিয় (১৯০১-১৯৮৬) কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। তাঁর পিতা দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী আসামের গৌরীপুর রাজ্যের দীউয়ান ছিলেন। অমিয় চক্রবর্তী পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রি লাভ (১৯২৬) করেন। পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। তিনি ১৯৩৩ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজে যোগ দেন এবং ১৯৩৭ সালে সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফিল ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৮-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত হাওয়ার্ড, বস্টন ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক প্রাচ্য ধর্ম ও সাহিত্যে অধ্যাপনা কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কবি ইয়েটস, জর্জ বার্নাড’শ, আলবার্ট আইনস্টাইন, রবার্টফ্রস্ট, আলবার্ট সোয়ইটজর, বোরিস পান্তেরনাক, পাবলো কাসালস্ প্রমুখ বিশ্ববরেণ্য লেখকদের সঙ্গে তাঁর ছিল অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। প্রায় সব ক’টি মহাদেশের অসংখ্য দেশে নানাবিধ কর্মসূত্রে তিনি ভ্রমণ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে বক্তৃতা দিয়েছেন। এ কারণে অমিয় চক্রবর্তীর কবিতায় আন্তর্জাতিক বিশ্বপরিবেশের অনেক ভৌগোলিক স্থানের নাম, বর্ণনা ও চিত্র লক্ষ করার মতো। তার কবিতা বিশ্বময়তাকে ধারণ করেছে; এটি তার কবিতাকে দিয়েছে বিশিষ্টতা। এ ছাড়া তাঁর কবিতায় আছে এ অঞ্চলের চিরায়ত বিষয় মরমী সুর ও আধ্যাত্মিকতা। অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন। তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে। আধুনিক কবিতায় ভাব, দর্শন ও রসের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সংযোজন ঘটিয়েছেন। অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫; তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: উপহার (১৯২৭), খসড়া (১৯৩৮), এক মুঠো (১৯৩৯), মাটির দেয়াল (১৯৪২), অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩), পারাপার (১৯৫৩), পালাবদল (১৯৫৫), ঘরে ফেরার দিন (১৯৬১), হারানো অর্কিড (১৯৬৬), পুষ্পিত ইমেজ (১৯৬৭), অমরাবতী (১৯৭২), অনিঃশেষ (১৯৭৬), নতুন কবিতা (১৯৮০), চলো যাই (১৯৬২), সাম্প্রতিক (১৯৬৩)। তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে। কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়। [শওকত হোসেন] অমিয় চক্রবর্তী যে সব পত্র-পত্রিকায় কম-বেশি নিয়মিত লিখেছেন তার মধ্যে রয়েছে কবিতা, বিচিত্রা, উত্তরসূরী, কবি ও কবিতা, পরিচয়, প্রবাসী প্রভৃতি। এর মধ্যে এক “কবিতা” পত্রিকাতেই অমিয় চক্রবর্তীর বেশ ক’টি গদ্য রচনা প্রকাশিত হয়েছিল: ‘এজরা পাউন্ড : কবিতা’র দরবারে পত্রাঘাত’ (পৌষ ১৩৫৫), ‘এলিয়টের নতুন কবিতা’ (পৌষ ১৩৫০), ‘জয়েস প্রাসঙ্গিকী’ (কার্তিক, ১৩৪৮), ‘মার্কিন প্রবাসীর পত্র’ (পৌষ, ১৩৬০), ‘রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টি’ (আশ্বিন, ১৩৪৮), ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্য’ (আশ্বিন, ১৩৫৩) এবং ‘সমালোচকের জল্পনা’ (আশ্বিন, ১৩৫০)।, এছাড়া বুদ্ধদেব বসুর “নতুন পাতা” এবং সমর সেনের “গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা” গ্রন্থদ্বয়ের সমালোচনাও প্রকাশিত হয়েছিল (যথাক্রমে পৌষ ১৩৪৭ এবং কার্তিক ১৩৪৭ সংখ্যায়)। “কবিতা” পত্রিকায় চৈত্র ১৩৬২ সংখ্যায় বুদ্ধদেব বসুকে লেখা একটি খোলা চিঠি মুদ্রিত হয়েছিল ‘ছন্দ ও কবিতা’ এই শিরোনামে । ‘কাব্যাদর্শ’ শীর্ষক প্রবন্ধটি মুদ্রিত হয়েছিল ত্রিকালী পত্রিকায় ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে। ‘দুটি ইংরেজী কবিতা’ প্রকাশিত হয়েছিল পরিচয় পত্রিকায়, বৈশাখ ১৩৪২ সংখ্যায়। ‘প্রমথ চৌধুরী - ক্ষুদ্র অর্ঘ্য’ প্রকাশিত হয়েছিল “বিশ্বভারতী পত্রিকা”-এর শ্রাবণ-আশ্বিন ১৩৭৫ সংখ্যায়। “পারাপার”-এর অন্তর্ভুক্ত ‘বৃষ্টি’ কবিতাটি নিয়ে কবি নরেশ গুহ একটি আলোচনা লেখেন কবিতা-পরিচয় পত্রিকায়, আষাঢ় ১৩৭৩ সংখ্যায়। এই আলোচনার সূত্রে, মনুজেশ মিত্র, প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত এবং সুতপা ভট্টাচার্য সমালোচনা করেন। অমিয় চক্রবর্তী জীবনী নিজেও এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করেন। একই পত্রিকায় পরবর্তীতে প্রকাশিত ঐ লেখাটিতে তিনি লেখেন, “ ‘বৃষ্টি’র আলোচনায় দু-একটি প্রশ্ন আছে, তার উত্তরে কিছু বলতে চাই।” দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার জন্য অমিয় চক্রবর্তীর অনেক প্রবন্ধ-নিবন্ধ পত্রাকারে রচিত। এ-প্রকৃতির রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মার্কিন প্রবাসীর পত্র’ এবং ‘ছন্দ ও কবিতা’। “কবিতা” পত্রিকায় বরিস পাস্টেরনাক ও তাঁর ড.জিভাগো নিয়ে দু’টি চিঠি লিখেছিলেন অমিয় চক্রবর্তী। এ-ছাড়া পত্রাকারে রচিত প্রবন্ধ-নিবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘ইয়োরোপে রবীন্দ্রনাথ’।, শ্রীযুক্ত সোমনাথ মিত্রকে লেখা এ প্রবন্ধলিপিটি “প্রবাসী” পত্রিকার কার্তিক ১৩৩৭ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল। “মস্কো-এর চিঠি’’ নামে দু’টি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছিল বিচিত্রা পত্রিকার বাংলা ১৩৩৮ সনের যথাক্রমে মাঘ ও ফাল্গুন সংখ্যায়। “প্রবাসী” পত্রিকায় আরও তিনটি পত্রাকার প্রবন্ধ-নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল; যথা ‘ফিনল্যান্ডের চিঠি’, কার্তিক, ১৩৪৩ সংখ্যায, ‘প্যালেষ্টাইন প্রাসঙ্গিক’ কার্তিক, ১৩৪৪ সংখ্যায এবং ‘প্যালেষ্টাইনে হেরফের’, অগ্রহায়ণ, ১৩৪৪ সংখ্যা। এই ধাঁচের লেখাগুলো সম্পর্কে সুমিতা চক্রবর্তীর মন্তব্য এরকম: “ ... ভ্রমণমমূলক প্রবন্ধগুলিতে অমিয় চক্রবর্তীর মানসিক গঠনের একটা মৌলিক প্রাথমিক সূত্র পাওয়া যায়।” এ-ছাড়া “বিচিত্রা” পত্রিকার শ্রাবণ, ১৩৩৫ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘সাহিত্য ব্যবসায়’।, একই পত্রিকার শ্রাবণ, ১৩৩৮ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘সংকলন’। স্টেলা ক্রামরিশের লেখা একটি প্রবন্ধ তিনি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদও করেছিলেন। এটি ‘ভারতীয় শিল্প প্রতিভা’ নামে “প্রবাসী”-এর আশ্বিন, ১৩২৯ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এ-ছাড়াও তিনি ইংরেজিতে বেশ কিছু সংখ্যক সংখ্যক প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা করেছেন। এ-সকল প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক জার্নাল সহ বিভিন্ন সংকলন-গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। Amiya Chakravorti Jibni Chakravorti Amiya 1901 1986 Cbe Gabeshak O Shikshabid Janma 10 April 1901 Shrirampur Hooghly Pashchimabanga Tanr Pita Dwijeshachandra Chakravorti Asamer Gouripur Rajyer Diuyan Chhilen Amiya Chakravorti Patna Bishwabidyalay Theke Be A Pass 1921 Kare Shantiniketner Gabeshana Bibhage Jogdan Curren Patna Bishwabidyalay Theke Darshan O Sahitye M A Digri Love 1926 Curren Pare Tini Rabindranather Sahitya Sachiv Hisebe Dayitba Palan Curren 1926 1933 Tini 1933 Sale Oxford Bishwabidyalaye Gabeshana Kaje Jog Than Evan 1937 Sale Say Bishwabidyalay Theke Difil Digri Love Curren Tini 1940 Theke 1948 Saala Parjanta Kolkata Bishwabidyalaye Ingreji Sahitye Adhyapana Curren 1948 1977 Saala Parjanta Tini Saparibare Amerikay Basabas Curren A Samayer Madhye Tini 1948 Theke 1967 Saala Parjanta Haward Bastan Ityadi Bishwabidyalaye Tulnamulak Prachya Dharm O Sahitye Adhyapana Kaje Niyojit Chhilen Cbe Iyetas George Barnadosh Albert Ainastain Rabartafrasta Albert Soyaitajar Boris Panteranak Pablo Kasalas Pramukh Bishwabarenya Lekhakader Sange Tanr Chhil Antaranga Sampark Pray Sab Koti Mahadesher Asankhya Deshe Nanabidh Karmasutre Tini Bhraman Curren Bishwer Bibhinna Bishwabidyalaye Atithi Adhyapak Hisebe Baktrita Diyechhen A Karne Amiya Chakrabartir Kabitay Antarjatik Bishwaparibesher Anek Bhaugolik Sthaner NAM Barnana O Chitra Laksha Karar Mato Taur Kavita Bishwamayatake Dharan Karechhe AT Taur Kabitake Diyechhe Bishishtata A Chhara Tanr Kabitay Ache A Anchaler Chirayat Bishay Marami Sur O Adhyatmikata Amiya Chakravorti Tanr Jibner Pratham Dike Rabindranath Thakurer Nikat Sannidhye Esechhilen Tirisher Panchakabir Madhye Tini Anyatam Ekajan Anya Charajan Halen Jibnananda Dash Sudhindranath Dutt Buddhadeb Basu O Vishnu They Adhunik Kabitay Bhaav Darshan O Raser Xetre Tini Vishesha Sangjojan Ghatiyechhen Amiya Chakrabartir Kabyagranther Sankhya 15 Tanr Pratham Prakashit By Kabitabli 1924 25 Tanr Anyanya Grantha Upahar 1927 Khasara 1938 Ec Mutho 1939 Matir Deyal 1942 Abhigyan Basanth 1943 Parapar 1953 Palabadal 1955 Ghare Ferar Dinh 1961 Harano Arkid 1966 Pushpit Image 1967 Amravati 1972 Anihshesh 1976 NATUN Kavita 1980 Chalo Jai 1962 Sampratik 1963 Tachhara Ingreji Bhashay Rachit Tanr 9ti By Rayechhe Kabitar Janya Tini Bahu Puraskar O Sammanana Peyechhen Ullekhajogya Puraskar Yunesko Puraskar 1960 Bhartiya Nyashanal Academy Puraskar Biswa Bharathi Bishwabidyalay Tanke ‘deshikottamo 1963 Evan Bharat Sarkar ‘padmabhushano 1970 Upadhite Bhushit Curren 1986 Saler 12jun Shantiniketne Tanr Mrityu Hay Saokat Hossain Amiya Chakravorti Je Sab Patra Patrikay Com Bedshee Niymit Likhechhen Taur Madhye Rayechhe Kavita Bichitra Uttarasu Ree Cbe O Kavita Parichay Prabasi Prabhriti Aare Madhye Ec “kabita” Patrikatei Amiya Chakrabartir Bash Koti Gudja Rachana Prakashit Hayechhil ‘ejara Lb : Kabitaor Darabare Patraghato Paush 1355 ‘eliyter NATUN Kabitao Paush 1350 ‘jayes Prasangikio Karthik 1348 ‘markin Prabasir Patro Paush 1360 ‘rabindranather Drishtio Ashwin 1348 ‘shesher Kabitaor Labanyo Ashwin 1353 Evan ‘samalochker Jalpanao Ashwin 1350 Echhara Buddhadeb Basur “natun Pata” Evan Samar Sener “grahan O Anyanya Kabita” Granthadwayer Samalochnao Prakashit Hayechhil Jathakrame Paush 1347 Evan Karthik 1347 Sankhyay “kabita” Patrikay Chaitra 1362 Sankhyay Buddhadeb Basuke Lekha Ekati Khola Chithi Mudrit Hayechhil ‘chhanda O Kabitao AE Shironame ‘kabyadarsho Sheershak Prabandhati Mudrit Hayechhil Trikali Patrikay 1945 Khrishtabde ‘duti Ingreji Kabitao Prakashit Hayechhil Parichay Patrikay Vaishakh 1342 Sankhyay ‘pramath Choudhury - Xudra Arghyo Prakashit Hayechhil “bishwabharti Patrika” Aare Shraban Ashwin 1375 Sankhyay “parapar” Aare Antarbhukta ‘brishtio Kabitati Niye Cbe Naresh Guha Ekati Alochana Lekhen Kavita Parichay Patrikay Ashadh 1373 Sankhyay AE Alochnar Sutre Manujesh Metri Pranabendu Dasgupta Evan SUTAPA Bhattacharjya Samalochna Curren Amiya Chakravorti Jibni Nijeo A Byapare Tanr Baktabya Prakash Curren Ekai Patrikay Parabartite Prakashit Ae Lekhatite Tini Lekhen “ ‘brishtior Alochnay Du Ekati Prashna Ache Taur Uttare Kichhu Volte Chai ” Dirghadin Prabase Thakur Janya Amiya Chakrabartir Anek Prabandha Nibandha Patrakare Rachit A Prakritir Rachanar Madhye Ullekhajogya ‘markin Prabasir Patro Evan ‘chhanda O Kabitao “kabita” Patrikay Baris Pasteranak O Tanr D Jibhago Niye Duoti Chithi Likhechhilen Amiya Chakravorti A Chhara Patrakare Rachit Prabandha Nibandher Madhye Rayechhe ‘iyorope Rabindranatho Shrijukta Somnath Mitrake Lekha A Prabandhalipiti “prabasi” Patrikar Karthik 1337 Sankhyay Chhapa Hayechhil “masko Aare Chithioo Name Duoti Prabandha Chhapa Hayechhil Bichitra Patrikar Bangla 1338 Saner Jathakrame Magh O Falgun Sankhyay “prabasi” Patrikay RO Tinti Patrakar Prabandha Nibandha Chhapa Hayechhil Jatha ‘finalyander Chithio Karthik 1343 Sankhyaj ‘pyaleshtain Prasangiko Karthik 1344 Sankhyaj Evan ‘pyaleshtaine Herfero Agrahayan 1344 Sankhya AE Dhancher Lekhagulo Samparke Sumita Chakrabartir Mantabya Erakam “ ... Bhramanamamulak Prabandhagulite Amiya Chakrabartir Mansik Gathaner Ekata Maulik Prathamik Sutra Pawa Jay ” A Chhara “bichitra” Patrikar Shraban 1335 Sankhyay Prakashit Hayechhil ‘sahitya Byabasayo Ekai Patrikar Shraban 1338 Sankhyay Prakashit Hayechhil ‘sankalano Stela Kramarisher Lekha Ekati Prabandha Tini Ingreji Theke Banglay Anubadao Karechhilen AT ‘bhartiya Shilpa Pratibhao Name “prabasi” Aare Ashwin 1329 Sankhyay Prakashit Hayechhil A Chharao Tini Ingrejite Bash Kichhu Sankhyak Sankhyak Prabandha Nibandha Rachana Karechhen A Sakal Prabandha Antarjatik Maner Academic Journal Huh Bibhinna Sankalan Granthe Prakashit Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Amiya Chakravorti Jibni Sombondhe Lekho,Write About The Biography Of Amiya Chakraborty.,


vokalandroid