বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি? ...

বিচার কাজ কি বিচার বিভাগ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত, যথা হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ। কাজ কি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করেন। কাজ কি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ বিচারকার্য পর্যালোচনার ক্ষমতার অধিকারী। যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ প্রজাতন্ত্রের যেকোন কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিসহ যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর সংবিধানে প্রদত্ত যেকোন মৌলিক অধিকার কার্যকর করার নির্দেশনা বা আদেশ জারি করতে পারে। হাইকোর্ট মৌলিক অধিকারসমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি দেখতে পায় যে, কোনও আইন মৌলিক অধিকার বা সংবিধানের অন্য যে কোন অংশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তাহলে সে আইনের ততটুকু অকার্যকর ঘোষণা করতে পারে যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানি, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়, ট্রেডমার্ক ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেও হাইকোর্টের মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন কোনও মামলার ক্ষেত্রে যদি সংবিধানের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত আইনের প্রশ্ন বা জনগুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয় দেখা দেয়, তাহলে হাইকোর্ট সে মামলা অধস্তন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তার নিষ্পত্তি করতে পারে। হাইকোর্ট বিভাগের আপিল বিবেচনা ও পর্যালোচনার এখতিয়ার রয়েছে। হাইকোর্ট যদি এ মর্মে প্রত্যয়ন করে যে, হাইকোর্টে প্রদত্ত কোনও রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ সংবিধানের ব্যাখ্যার ব্যাপারে আইনের প্রশ্ন জড়িত, বা হাইকোর্ট কোনও ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তি প্রদান করেছে, তাহলে ওই সব রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগই রেকর্ড আদালত। ১৯২৬ সালের আদালত অবমাননা আইনের অধীনে যেকোন আদালত অবমাননার মামলা তদন্ত করা ও শাস্তি প্রদানের আইনগত এখতিয়ার উভয় বিভাগেরই রয়েছে। আপিল বিভাগের ঘোষিত আইন মেনে চলা হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্য পালনীয় এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের যেকোনটির ঘোষিত আইন মেনে চলা সকল অধস্তন আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। দেশের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা দান করবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত যেকোন আইনের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের কর্মকান্ড ও কার্যপ্রণালী পরিচালনার বিধিবিধান তৈরি করে। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোন কার্য সম্পাদনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট দুই বিভাগের যেকোন একটিকে বা এক বা একাধিক বিচারককে দায়িত্ব দিতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন প্রধান বিচারপতি বা তাঁর দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য বিচারক বা কর্মকর্তাগণ। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকুরির শর্তাবলি নির্ধারণের জন্য সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধানাবলির অনুসরণে সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করে থাকে। সকল অধস্তন আদালত ও আইন দ্বারা গঠিত ট্রাইব্যুনাল তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকে হাইকোর্ট বিভাগের হাতে। অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত। প্রত্যেক জেলার বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পার্বত্য জেলাসমূহে পৃথক কোনও দেওয়ানি আদালত নেই; সেসব জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ দেওয়ানি আদালতের কার্য সমাধা করেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রতিটি জেলার সকল দেওয়ানি আদালত পরিচালনার দায়িত্ব থাকে জেলা জজের হাতে। জেলা জজ প্রধানত আপিল মামলা বিচারের এখতিয়ার রাখেন, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর মূল মামলার বিচার এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জজের বিচার এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের সঙ্গে সমবিস্তৃত ও যৌথ। তিনি জেলা জজ কর্তৃক নির্ধারিত মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন বিচারকদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি ও আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পেশ করা হয় জেলা জজের আদালতে। একইভাবে সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির জন্য জেলা জেজ সেগুলি অধস্তন আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন। অধস্তন আদালতগুলোর হাতেই থাকে মূলত মূল দেওয়ানি ম
Romanized Version
বিচার কাজ কি বিচার বিভাগ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত, যথা হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ। কাজ কি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করেন। কাজ কি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ বিচারকার্য পর্যালোচনার ক্ষমতার অধিকারী। যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ প্রজাতন্ত্রের যেকোন কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিসহ যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর সংবিধানে প্রদত্ত যেকোন মৌলিক অধিকার কার্যকর করার নির্দেশনা বা আদেশ জারি করতে পারে। হাইকোর্ট মৌলিক অধিকারসমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি দেখতে পায় যে, কোনও আইন মৌলিক অধিকার বা সংবিধানের অন্য যে কোন অংশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তাহলে সে আইনের ততটুকু অকার্যকর ঘোষণা করতে পারে যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানি, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়, ট্রেডমার্ক ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেও হাইকোর্টের মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন কোনও মামলার ক্ষেত্রে যদি সংবিধানের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত আইনের প্রশ্ন বা জনগুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয় দেখা দেয়, তাহলে হাইকোর্ট সে মামলা অধস্তন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তার নিষ্পত্তি করতে পারে। হাইকোর্ট বিভাগের আপিল বিবেচনা ও পর্যালোচনার এখতিয়ার রয়েছে। হাইকোর্ট যদি এ মর্মে প্রত্যয়ন করে যে, হাইকোর্টে প্রদত্ত কোনও রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ সংবিধানের ব্যাখ্যার ব্যাপারে আইনের প্রশ্ন জড়িত, বা হাইকোর্ট কোনও ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তি প্রদান করেছে, তাহলে ওই সব রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগই রেকর্ড আদালত। ১৯২৬ সালের আদালত অবমাননা আইনের অধীনে যেকোন আদালত অবমাননার মামলা তদন্ত করা ও শাস্তি প্রদানের আইনগত এখতিয়ার উভয় বিভাগেরই রয়েছে। আপিল বিভাগের ঘোষিত আইন মেনে চলা হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্য পালনীয় এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের যেকোনটির ঘোষিত আইন মেনে চলা সকল অধস্তন আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। দেশের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা দান করবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত যেকোন আইনের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের কর্মকান্ড ও কার্যপ্রণালী পরিচালনার বিধিবিধান তৈরি করে। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোন কার্য সম্পাদনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট দুই বিভাগের যেকোন একটিকে বা এক বা একাধিক বিচারককে দায়িত্ব দিতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন প্রধান বিচারপতি বা তাঁর দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য বিচারক বা কর্মকর্তাগণ। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকুরির শর্তাবলি নির্ধারণের জন্য সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধানাবলির অনুসরণে সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করে থাকে। সকল অধস্তন আদালত ও আইন দ্বারা গঠিত ট্রাইব্যুনাল তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকে হাইকোর্ট বিভাগের হাতে। অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত। প্রত্যেক জেলার বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পার্বত্য জেলাসমূহে পৃথক কোনও দেওয়ানি আদালত নেই; সেসব জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ দেওয়ানি আদালতের কার্য সমাধা করেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রতিটি জেলার সকল দেওয়ানি আদালত পরিচালনার দায়িত্ব থাকে জেলা জজের হাতে। জেলা জজ প্রধানত আপিল মামলা বিচারের এখতিয়ার রাখেন, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর মূল মামলার বিচার এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জজের বিচার এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের সঙ্গে সমবিস্তৃত ও যৌথ। তিনি জেলা জজ কর্তৃক নির্ধারিত মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন বিচারকদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি ও আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পেশ করা হয় জেলা জজের আদালতে। একইভাবে সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির জন্য জেলা জেজ সেগুলি অধস্তন আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন। অধস্তন আদালতগুলোর হাতেই থাকে মূলত মূল দেওয়ানি মBichar Kaj Ki Bichar Bibhag Bangladesher Bichar Bibhag Mulat Uchchatar Bichar Bibhag Supreme Court O Adhastan Bichar Bibhag Nimna Adalatasamuh A Dui Shrenite Bibhakta Supreme Court Supreme Court Desher Sarbochch Adalat Evan AT Duti Bibhager Samanwaye Gathit Jatha Haikorta Bibhag O Apil Bibhag Kaj Ki Bangladesher Pradhan Bicharapati O Pratyek Bibhager Bicharapatider Samanwaye Supreme Court Gathit Sangbidhaner Bidhan Sapekshe Pradhan Bicharapati O Anyanya Bicharakagan Bichar Karjakram Parichalnar Xetre Sampurna Sweden Pradhanamantrir Paramarshakrame Rashtrapati Pradhan Bicharapati O Anyanya Bicharakader Niyog Dan Curren Kaj Ki Supreme Korter Ainajibider Madhya Theke Supreme Korter Bicharakader Niyog Kara Hay Haikorta Bibhag Bicharkarjya Parjalochnar Xamatar Adhikari Jekon Sankshubdha Byaktir Abedner Pariprekshite Haikorta Bibhag Prajatantrer Jekon Karme Niyojit Byaktisah Jekon Byakti Ba Pratishthaner Opar Sangbidhane Pradatta Jekon Maulik Adhikar Karjakar Karar Nirdeshana Ba Adays Jari Karate Pare Haikorta Maulik Adhikarasamuh Bastabayner Xetre Jodi Dekhte Pay Je Konao Ain Maulik Adhikar Ba Sangbidhaner Anya Je Koun Angsher Sange Asamanjasyapurna Tahle Say Ainer Tatatuku Akarjakar Ghoshna Karate Pare Jatatuku Asamanjasyapurna Company Edamiralti Vivah Sankranta Bishay Trademark Ityadi Sankranta Mamlar Xetreo Haikorter Maulik Ekhatiyar Rayechhe Adhastan Adalate Bicharadhin Konao Mamlar Xetre Jodi Sangbidhaner Byakhya Samparkit Ainer Prashna Ba Janagurutbapurna Konao Bishay Dekha Dey Tahle Haikorta Say Mamla Adhastan Adalat Theke Pratyahar Kare Taur Nishpatti Karate Pare Haikorta Bibhager Apil Bibechana O Parjalochnar Ekhatiyar Rayechhe Haikorta Jodi A Marme Pratyayan Kare Je Haikorte Pradatta Konao Ray Dikri Adays Ba Dandadesher Sange Bangladesh Sangbidhaner Byakhyar Byapare Ainer Prashna Jarit Ba Haikorta Konao Byaktike Mrityudand Ba Jabajjiban Karadand Ba Adalat Abamannar Daye Shasti Pradan Karechhe Tahle We Sab Ray Dikri Adays Ba Dandadesher Biruddhe Apil Bibhage Apil Dayer Kara Jabe Bangladesh Supreme Korter Ubhay Bibhagai Record Adalat 1926 Saler Adalat Abamanna Ainer Adhine Jekon Adalat Abamannar Mamla Tadanta Kara O Shasti Pradaner Ainagat Ekhatiyar Ubhay Bibhagerai Rayechhe Apil Bibhager Ghoshit Ain Mene Chala Haikorta Bibhager Janya Abashya Palniya Evan Supreme Korter Ubhay Bibhager Jekontir Ghoshit Ain Mene Chala Sakal Adhastan Adalter Janya Badhyatamulak Desher Sakal Nirbahi O Bichar Bibhagiya Kartripaksh Supreme Kortake Sahayata Dan Karabe Jatiya Sansad Kartrik Pranit Jekon Ainer Adhine Supreme Court Rashtrapatir Anumodan Sapekshe Haikorta Bibhag O Apil Bibhager Karmakand O Karjapranali Parichalnar Bidhibidhan Tairi Kare Karmakarta Karmachari Niyoger Xetre Jekon Karjya Sampadaner Janya Supreme Court Dui Bibhager Jekon Ekatike Ba Ec Ba Ekadhik Bicharakake Dayitba Dite Pare Supreme Korter Karmakartader Niyog Than Pradhan Bicharapati Ba Tanr Dwara Dayitbaprapta Anyanya Bicharak Ba Karmakartagan Karmakarta Karmacharider Chakurir Shartabali Nirdharaner Janya Sansad Kartrik Pranit Ain Anujayi Rashtrapatir Anumodanakrame Supreme Korter Pranit Bidhanablir Anusarane Supreme Court Karmakarta Karmachari Niyog Kare Thake Sakal Adhastan Adalat O Ain Dwara Gathit Traibyunal Tattbabadhaner Xamata Thake Haikorta Bibhager Hate Adhastan Dewani Bichar Bibhag Adhastan Dewani Adalat Charti Shrenite Bibhakta Jatha Sahakari Jajer Adalat Sabajaj Adalat Atirikta Jajer Adalat Evan Jela Jajer Adalat Pratyek Jelar Bichar Bibhager Pradhan Halen Jela Jojo Parbatya Jelasmuhe Prithak Konao Dewani Adalat Nei Sesab Jelay Myajistretagan Dewani Adalter Karjya Samadha Curren Haikorta Bibhager Niyantranadhine Pratiti Jelar Sakal Dewani Adalat Parichalnar Dayitba Thake Jela Jajer Hate Jela Jojo Pradhanat Apil Mamla Bicharer Ekhatiyar Rakhen Tove Kichhu Kichhu Xetre Tanr Mul Mamlar Bichar Ekhatiyarao Rayechhe Atirikta Jajer Bichar Ekhatiyar Jela Jajer Ekhatiyarer Sange Samabistrit O Jauth Tini Jela Jojo Kartrik Nirdharit Mamlar Bicharkarjya Sampadan Curren Sahakari Jojo O Adhastan Bicharakader Pradatta Ray Dikri O Adesher Biruddhe Apil Paes Kara Hay Jela Jajer Adalate Ekaibhabe Sahakari Jajader Pradatta Ray Dikri Ba Adesher Biruddhe Apil Nishpattir Janya Jela Jej Seguli Adhastan Adalate Sthanantar Karate Paren Adhastan Adalatagulor Hatei Thake Mulat Mul Dewani Mo
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি : বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি হল বিচার বিভাগ, বিচার সংক্রান্ত কাজ ছাড়াও নানাবিধ কাজ করে। নিম্নে বিচার বিভাগের কার্যাবলি আলোচনা করা হল। (ক) বিচার সংক্রান্ত: দেশের প্রচলিত আইনের সাহায্যে বিচার বিভাগ বিচারকাজ সম্পাদন করে। অপরাধীর দণ্ড বিধানের মাধ্যমে বিচার বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে শাস্তি না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিচার বিভাগকে বিচারকাজ সম্পাদন করতে হয়। (খ) নাগরিক অধিকাররক্ষা সংক্রান্ত: স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ নাগরিক অধিকার রক্ষার অন্যতম রক্ষাকবচ। বিনা অপরাধে গ্রেফতার ও বিনা বিচারে আটক রেখে কেউ যাতে কাউকে হয়রানি করতে না পারে সেদিকে বিচার বিভাগ নজর রাখে। (গ) আইনের ব্যাখ্যাদান সংক্রান্ত: আদালতে কোনো মামলা দায়ের করা হলে উক্ত মামলা পরিচালনার জন্য প্রচলিত আইন যখন বিচারকের নিকট অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক মনে হয় তখন বিচারক উক্ত আইনের ব্যাখ্যা করে সঠিক অর্থ নির্ধারিত করেন এবং মামলা পরিচালনা করেন। (ঘ) আইন প্রণয়নমূলক: কোনো মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে বিচারকগণ যদি দেখেন যে, সেই মামলা সংক্রান্ত আইনের অভাব রয়েছে তখন বিচারকগণ আইন তৈরি করে উক্ত মামলা পরিচালনা করেন। (ঙ) সংবিধান রক্ষা সংক্রান্ত: যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে এবং সংবিধানকে সমুন্নত রাখে। কোনো পক্ষ সংবিধানের ধারা লঙ্ঘন করলে বিচার বিভাগ তাকে উক্ত ধারা মানতে বাধ্য করে। আইন পরিষদ কোনো আইন তৈরি করলে বিচার বিভাগ সেই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা যাচাই করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টের সাবেক বিচারপতি হিউজেস (Hughes) বলেছেন, “বিচারপতি যাকে সংবিধান বলে, আমরা তার অধীনে বাস করি।” (চ) পরামর্শদান সংক্রান্ত: আইনের কোনো জটিল প্রশ্নে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ বিচার বিভাগের নিকট ব্যাখ্যা চাইলে বিচার বিভাগ সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকে। (ছ) শাসন সংক্রান্ত আইন ব্যবসায়ীদের-লাইসেন্স প্রদান, আদালতের অধীনস্থ কর্মচারী নিয়োগ, নাবালকের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ, দেউলিয়া সংস্থার নিকট থেকে পাওনা আদায় ইত্যাদি নির্বাহী কাজ বিচার-বিভাগ সম্পাদন করে।
Romanized Version
বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি : বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি হল বিচার বিভাগ, বিচার সংক্রান্ত কাজ ছাড়াও নানাবিধ কাজ করে। নিম্নে বিচার বিভাগের কার্যাবলি আলোচনা করা হল। (ক) বিচার সংক্রান্ত: দেশের প্রচলিত আইনের সাহায্যে বিচার বিভাগ বিচারকাজ সম্পাদন করে। অপরাধীর দণ্ড বিধানের মাধ্যমে বিচার বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে শাস্তি না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিচার বিভাগকে বিচারকাজ সম্পাদন করতে হয়। (খ) নাগরিক অধিকাররক্ষা সংক্রান্ত: স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ নাগরিক অধিকার রক্ষার অন্যতম রক্ষাকবচ। বিনা অপরাধে গ্রেফতার ও বিনা বিচারে আটক রেখে কেউ যাতে কাউকে হয়রানি করতে না পারে সেদিকে বিচার বিভাগ নজর রাখে। (গ) আইনের ব্যাখ্যাদান সংক্রান্ত: আদালতে কোনো মামলা দায়ের করা হলে উক্ত মামলা পরিচালনার জন্য প্রচলিত আইন যখন বিচারকের নিকট অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক মনে হয় তখন বিচারক উক্ত আইনের ব্যাখ্যা করে সঠিক অর্থ নির্ধারিত করেন এবং মামলা পরিচালনা করেন। (ঘ) আইন প্রণয়নমূলক: কোনো মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে বিচারকগণ যদি দেখেন যে, সেই মামলা সংক্রান্ত আইনের অভাব রয়েছে তখন বিচারকগণ আইন তৈরি করে উক্ত মামলা পরিচালনা করেন। (ঙ) সংবিধান রক্ষা সংক্রান্ত: যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে এবং সংবিধানকে সমুন্নত রাখে। কোনো পক্ষ সংবিধানের ধারা লঙ্ঘন করলে বিচার বিভাগ তাকে উক্ত ধারা মানতে বাধ্য করে। আইন পরিষদ কোনো আইন তৈরি করলে বিচার বিভাগ সেই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা যাচাই করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টের সাবেক বিচারপতি হিউজেস (Hughes) বলেছেন, “বিচারপতি যাকে সংবিধান বলে, আমরা তার অধীনে বাস করি।” (চ) পরামর্শদান সংক্রান্ত: আইনের কোনো জটিল প্রশ্নে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ বিচার বিভাগের নিকট ব্যাখ্যা চাইলে বিচার বিভাগ সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকে। (ছ) শাসন সংক্রান্ত আইন ব্যবসায়ীদের-লাইসেন্স প্রদান, আদালতের অধীনস্থ কর্মচারী নিয়োগ, নাবালকের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ, দেউলিয়া সংস্থার নিকট থেকে পাওনা আদায় ইত্যাদি নির্বাহী কাজ বিচার-বিভাগ সম্পাদন করে।Bichar Bibhager Pradhan Kaj Ki Bichar Bibhager Pradhan Kaj Ki Hall Bichar Bibhag Bichar Sankranta Kaj Chharao Nanabidh Kaj Kare Nimne Bichar Bibhager Karjabali Alochana Kara Hall Ca Bichar Sankranta Desher Prachalit Ainer Sahajye Bichar Bibhag Bicharkaj Sampadan Kare Aparadhir Dand Bidhaner Madhyame Bichar Bibhag Nyayabichar Nishchit Kare Niraparadh Byakti Jate Shasti Na Pay Sedike Lakshya Rekhe Bichar Bibhagake Bicharkaj Sampadan Karate Hay Kh Nagrik Adhikararaksha Sankranta Sweden O Nirpeksh Bichar Bibhag Nagrik Adhikar Rakshar Anyatam Rakshakabach Vinaa Aparadhe Grefatar O Vinaa Bichare Atak Rekhe Keu Jate Kauke Hayarani Karate Na Pare Sedike Bichar Bibhag Nazr Rakhe G Ainer Byakhyadan Sankranta Adalate Kono Mamla Dayer Kara Hale Ukta Mamla Parichalnar Janya Prachalit Ain Jakhan Bicharker Nikat Aspashta O Dwyarthabodhak Money Hay Takhan Bicharak Ukta Ainer Byakhya Kare Sathik Earth Nirdharit Curren Evan Mamla Parichalna Curren Gho Ain Pranayanamulak Kono Mamla Parichalna Karate Giye Bicharakagan Jodi Dekhen Je Sei Mamla Sankranta Ainer Abhab Rayechhe Takhan Bicharakagan Ain Tairi Kare Ukta Mamla Parichalna Curren N Sangbidhan Raksha Sankranta Juktarashtriya Hasn Byabasthay Bichar Bibhag Kendra O Pradesher Madhye Birodh Mimansa Kare Evan Sangbidhanke Samunnat Rakhe Kono Pax Sangbidhaner Dhara Langhan Karale Bichar Bibhag Take Ukta Dhara Mante Badhya Kare Ain Parishad Kono Ain Tairi Karale Bichar Bibhag Sei Ainer Sangbidhanik Baidhta Jachai Kare Markin Juktarashtrer Suprimakorter Sabek Bicharapati Hiujes (Hughes) Balechhen “bicharapati Jake Sangbidhan Ble Amara Taur Adhine Bass Kari ” Shaw Paramarshadan Sankranta Ainer Kono Jatil Prashne Hasn Bibhag O Ain Bibhag Bichar Bibhager Nikat Byakhya Chaile Bichar Bibhag Say Byapare Paramarsh Diye Thake Chh Hasn Sankranta Ain Byabasayider License Pradan Adalter Adhinastha Karmachari Niyog Nabalker Humpty Rakshanabekshan Deuliya Sansthar Nikat Theke Paona Aday Ityadi Nirbahi Kaj Bichar Bibhag Sampadan Kare
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichar Bibhager Pradhan Kaj Ki,What Is The Main Function Of The Judiciary?,


vokalandroid