বিচার ছাড়াই ৪৬৬টি হত্যা তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার--- ব্যাখ্যা কর। ...

হত্যাগুলোর বিচার হওয়া দরকার দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজো বিচারের মুখোমুখি হয়নি বিজ্ঞানমনস্কতা-ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের পক্ষে লেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের খুনিরা। এটি রাষ্ট্রের জন্য সত্যিই লজ্জার, হতাশার।হত্যার মোটিভ ও টার্গেট কিলিং একটু লক্ষ করলে দেখবেন, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের ওপর জঙ্গিদের চাপাতি হামলার পর রাজীব হায়দারকে চাপাতির আঘাতে খুন করা হয় ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। ব্লগে লেখালেখির কারণে এটিই বাংলাদেশে প্রথম কোনো ব্লগার হত্যাকাণ্ড। মুক্তমনা নামে ব্লগ সাইটের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ও একই কায়দায় ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারিতে সস্ত্রীক চাপাতির আঘাতে প্রাণ হারান। তার স্ত্রী রাফিদা বন্যা আহমেদও মারাত্মক আহত হন। অভিজিৎ রায়কে হত্যার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ৩০ মার্চ ব্লগার ওয়াশিকুর রহমানকে ঢাকার তেজগাঁও এলাকার একটি সড়কে কুপিয়ে হত্যা করে। আবার সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে হত্যা করে ১২ মে। এটিও ঢাকার বাইরে একমাত্র ব্লগার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। অনন্ত বাসা থেকে বের হয়ে একটি ব্যাংকে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছে। সেও মুক্তমনা ব্লগে লিখতেন এবং সিলেট থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞানবিষয়ক একটি পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন। আবার ঠিক তার তিন মাসের মাথায় ৭ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর একটি বাড়িতে ঢুকে হত্যা করা হয় ব্লগার নিলয়কে। ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল সমকামী মানবাধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান এবং তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয়কে ঢাকার কলাবাগানের এক বাসায় কুপিয়ে হত্যা করে। আর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে সিলেটের গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। অন্যদিকে ২৩ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এখানে হত্যাকাণ্ডগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো- মুক্ত, সহনশীল, স্থিতিশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের পরিচয় মুছে দেয়া। তাই বøগার, লেখক, প্রকাশক, হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ, ধর্মীয় পুরোহিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মী, ভিন্নমতের ইসলামী ভাবধারার অনুসারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিদেশিদের ওপর একের পর এক এই ধরনের বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছিল। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কমিয়ে আনা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের এক বিশাল সাফল্য হলেও জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টার হামলার ঘটনার মাধ্যমে আবারো অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতীয়মান। আর এই ধরনের হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেক খুনিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি আবার অপরাধীদের বিচারকাজ শেষ বা অনেক ক্ষেত্রে শুরুও করতে পারেনি রাষ্ট্র। তবে, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন ব্লগারকে তাদের লেখালেখির কারণে হত্যা করা হলেও ওই মামলাগুলোর খুব বেশি অগ্রগতি নেই সরকারের ঝুলিতে। কিন্তু কেন? সরকারের কী আন্তরিকতার অভাব নাকি সরকারের ভেতরে মৌলবাদী সরকারের বাধার কারণে দীর্ঘ ১২ বছর পরেও অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে? ৩ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো কী কারণে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়ের খুনিদের (?)- প্রশ্নগুলো ঘুরেফিরে আসবেই। একটি রাষ্ট্র কতটুকু দুর্বল হলে একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ১২ বছর সময় নিতে পারে- এটি দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়! সর্বশেষ ৩ মার্চ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে উচ্চকণ্ঠ জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টার হামলার ঘটনা ঘটে। এখানে একেবারেই স্পষ্ট, ঘাতক ফয়জুল একা নন। তার নেপথ্যে আরো অনেকে পরিকল্পনা করেছে। ফয়জুলকে মাঠে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র। অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রাক্তন শিক্ষক অজয় রায়ের মতো আমিও আশাবাদী, লেখক হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার অভিজিৎ রায়, জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টাসহ সব অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করবে সরকার। এটা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালনে সর্বপ্রথম সরকারের ভেতরের মৌলবাদী সরকারকে চিহ্নিত করতে হবে। তাদের অপশক্তির ডাল-পালা ধ্বংস করতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করা এবং অপরাধ প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে আন্দোল গড়ে তোলা সময়ের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
Romanized Version
হত্যাগুলোর বিচার হওয়া দরকার দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজো বিচারের মুখোমুখি হয়নি বিজ্ঞানমনস্কতা-ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের পক্ষে লেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের খুনিরা। এটি রাষ্ট্রের জন্য সত্যিই লজ্জার, হতাশার।হত্যার মোটিভ ও টার্গেট কিলিং একটু লক্ষ করলে দেখবেন, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের ওপর জঙ্গিদের চাপাতি হামলার পর রাজীব হায়দারকে চাপাতির আঘাতে খুন করা হয় ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। ব্লগে লেখালেখির কারণে এটিই বাংলাদেশে প্রথম কোনো ব্লগার হত্যাকাণ্ড। মুক্তমনা নামে ব্লগ সাইটের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ও একই কায়দায় ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারিতে সস্ত্রীক চাপাতির আঘাতে প্রাণ হারান। তার স্ত্রী রাফিদা বন্যা আহমেদও মারাত্মক আহত হন। অভিজিৎ রায়কে হত্যার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ৩০ মার্চ ব্লগার ওয়াশিকুর রহমানকে ঢাকার তেজগাঁও এলাকার একটি সড়কে কুপিয়ে হত্যা করে। আবার সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে হত্যা করে ১২ মে। এটিও ঢাকার বাইরে একমাত্র ব্লগার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। অনন্ত বাসা থেকে বের হয়ে একটি ব্যাংকে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছে। সেও মুক্তমনা ব্লগে লিখতেন এবং সিলেট থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞানবিষয়ক একটি পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন। আবার ঠিক তার তিন মাসের মাথায় ৭ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর একটি বাড়িতে ঢুকে হত্যা করা হয় ব্লগার নিলয়কে। ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল সমকামী মানবাধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান এবং তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয়কে ঢাকার কলাবাগানের এক বাসায় কুপিয়ে হত্যা করে। আর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে সিলেটের গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। অন্যদিকে ২৩ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এখানে হত্যাকাণ্ডগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো- মুক্ত, সহনশীল, স্থিতিশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের পরিচয় মুছে দেয়া। তাই বøগার, লেখক, প্রকাশক, হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ, ধর্মীয় পুরোহিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মী, ভিন্নমতের ইসলামী ভাবধারার অনুসারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিদেশিদের ওপর একের পর এক এই ধরনের বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছিল। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কমিয়ে আনা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের এক বিশাল সাফল্য হলেও জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টার হামলার ঘটনার মাধ্যমে আবারো অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতীয়মান। আর এই ধরনের হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেক খুনিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি আবার অপরাধীদের বিচারকাজ শেষ বা অনেক ক্ষেত্রে শুরুও করতে পারেনি রাষ্ট্র। তবে, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন ব্লগারকে তাদের লেখালেখির কারণে হত্যা করা হলেও ওই মামলাগুলোর খুব বেশি অগ্রগতি নেই সরকারের ঝুলিতে। কিন্তু কেন? সরকারের কী আন্তরিকতার অভাব নাকি সরকারের ভেতরে মৌলবাদী সরকারের বাধার কারণে দীর্ঘ ১২ বছর পরেও অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে? ৩ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো কী কারণে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়ের খুনিদের (?)- প্রশ্নগুলো ঘুরেফিরে আসবেই। একটি রাষ্ট্র কতটুকু দুর্বল হলে একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ১২ বছর সময় নিতে পারে- এটি দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়! সর্বশেষ ৩ মার্চ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে উচ্চকণ্ঠ জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টার হামলার ঘটনা ঘটে। এখানে একেবারেই স্পষ্ট, ঘাতক ফয়জুল একা নন। তার নেপথ্যে আরো অনেকে পরিকল্পনা করেছে। ফয়জুলকে মাঠে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র। অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রাক্তন শিক্ষক অজয় রায়ের মতো আমিও আশাবাদী, লেখক হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার অভিজিৎ রায়, জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টাসহ সব অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করবে সরকার। এটা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালনে সর্বপ্রথম সরকারের ভেতরের মৌলবাদী সরকারকে চিহ্নিত করতে হবে। তাদের অপশক্তির ডাল-পালা ধ্বংস করতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করা এবং অপরাধ প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে আন্দোল গড়ে তোলা সময়ের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।Hatyagulor Bichar Hwa Darakar Dirgh 12 Bachhar Periye Geleo Ajo Bicharer Mukhomukhi Hayani Bigyanamanaskata Byaktiswatantryer Pakshe Lekha Dhaka Bishwabidyalayer Bangla Bibhager Adhyapak D Humayun Ajader Khunira AT Rashtrer Janya Satyii Lajjar Hatashar Hotjar Motibh O Target Killing Ekatu Laksha Karale Dekhben 2004 Saler 27 Februyari Adhyapak D Humayun Ajader Opar Jangider Chapati Hamlar Par Rajib Haydarke Chapatir Aghate Khoon Kara Hay 2013 Saler 15 Februyari Blage Lekhalekhir Karne ATE Bangladeshe Pratham Kono Blagar Hatyakand Muktamana Name Blog Saiter Pratishthata Abhijit Rayao Ekai Kayday 2015 Saler 26 Februyarite Sastrik Chapatir Aghate Pran Haran Taur Stri Rafida Banya Ahamedao Maratmak Ahat Hahn Abhijit Rayke Hotjar Ec Maserao Com Samayer Madhye 30 Marsa Blagar Washikur Rahamanke Dhakar Tejagaon Elakar Ekati Sadqay Kupiye Hatya Kare Abar Silete Blagar Ananta Vijay Dashke Hatya Kare 12 May ATO Dhakar Baire Ekamatra Blagar Hatyakander Ghatana Ananta Basha Theke Ber Huye Ekati Byanke Jawar Pathe Hamlar Shikar Hayechhe Sao Muktamana Blage Likhten Evan Silet Theke Prakashit Bigyanabishayak Ekati Patrikar Sampadakao Chhilen Abar Thik Taur Tin Maser Mathay 7 Agasta Dupure Rajdhanir Ekati Barite Dhuke Hatya Kara Hay Blagar Nilayake 2016 Saler 25 April Samakami Manbadhikarakarmi Julhaj Mannan Evan Taur Bandhu Mahbub Rabbi Tanayake Dhakar Kalabaganer Ec Basay Kupiye Hatya Kare Are Epriler Pratham Saptahe Sileter Ganajagaran Muncher Karmi Jagannath Bishwabidyalayer Chhatra Najimuddin Samadake Kupiye O Gully Kare Hatya Kare Anyadike 23 April Rajshahi Bishwabidyalayer Ingreji Bibhager Adhyapak Rejaul Karim Siddikike Kupiye Hatya Kara Hay Ekhane Hatyakandagulor Mul Uddeshya Holo Mukta Sahanashil Sthitishil O Sambhabanamay Bangladesher Parichay Muchhe Dea Tai Bøgar Lekhak Prakashak Hindu Khristan Bauddha Dharmiya Purohit Bishwabidyalayer Shikshak Manbadhikarakarmi Bhinnamater Isalami Bhabdharar Anusari Ainashrinkhala Rakshakari Bahinir Karmakarta O Bideshider Opar Eker Par Ec AE Dharaner Barbara Hamla Abyahat Rekhechhil A Dharaner Hatyakand Kamiye Ana Ba Niyantrane Rakha Sorcerer Ec Vishal Safalya Haleo Janapriya Lekhak D Muhammed Zafar Iqbal Hatyacheshtar Hamlar Ghatanar Madhyame Abaro Abyahat Rayechhe Ble Pratiyman Are AE Dharaner Hotjar Sange Samprikta Anek Khunike Greptar Kara Sambhab Hayani Abar Aparadhider Bicharkaj Sesh Ba Anek Xetre Shuruo Karate Pareni Rashtra Tove 2013 Saala Theke Ekhan Parjanta Mot Panchajan Blagarake Tader Lekhalekhir Karne Hatya Kara Haleo We Mamlagulor Khub Bedshee Agragati Nei Sorcerer Jhulite Kintu Can Sorcerer Key Antariktar Abhab Naki Sorcerer Bhetre Maulbadi Sorcerer Badhar Karne Dirgh 12 Bachhar Pareo Adhyapak Humayun Azad Hatyakander Aparadhider Drishtanta Shasti Nishchit Karate Byartha Hachchhe 3 Bachhar Atibahit Haleo Ekhano Key Karne Bicharer Mukhomukhi Kara Sambhab Hayani Lekhak Blagar Abhijit Rayer Khunider (?)- Prashnagulo Ghurefire Asabei Ekati Rashtra Katatuku Durbal Hale Ekati Hatyakander Bichar Karate 12 Bachhar Camay Nite Pare AT Dushchintar Vysya Huye Danray Sarbashesh 3 Marsa Asampradayik Bangladesh Pratishthar Andolane Uchchakantha Janapriya Lekhak Zafar Ikabalke Hatyacheshtar Hamlar Ghatana Ghate Ekhane Ekebarei Spashta Ghatak Fayajul Eyka Non Taur Nepathye Aro Aneke Parikalpana Karechhe Fayajulke Mathe Byabahar Kara Hayechhe Maatr Abhijiter Baba Dhaka Bishwabidyalayer Padarthabigyaner Praktan Shikshak Ajay Rayer Mato Amio Ashabadi Lekhak Humayun Azad Blagar Abhijit Rai Zafar Iqbal Hatyacheshtasah Sab Aparadhider Drishtanta Shasti Nishchit Karabe Sarkar Etah Sorcerer Sangbidhanik Dayitba Are AE Dayitba Palne Sarbapratham Sorcerer Bhetrer Maulbadi Sarakarke Chihnit Karate Habe Tader Apashaktir Dal Pala Dhbans Karate Habe Aparadhider Drishtanta Shasti Nishchit Karar Madhyame Ainer Hasn Sunishchit Kara Evan Aparadh Prabanata Rodh Karar Lakshye Samajik O Rashtriyabhabe Andol Gare Tola Samayer Prayojan Huye Parechhe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

গণহত্যার’ অভিযোগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের অবশ্যই বিচার হতে হবে -- ব্যাখ্যা কর। ...

বিচার হতে হবে : গণহত্যার’ অভিযোগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের অবশ্যই বিচার হতে হবে : মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটনের অভিযোগে দেশটির সেনাপ্রধান ও অপর পাঁচ শীর্ষ সেনা কমান্ডারকে বजवाब पढ़िये
ques_icon

"বিচার বিভাগ যথেষ্ট ধৈর্য ধরছে --- প্রধান বিচার পতি " ব্যাখ্যা কর। ...

বিচার বিভাগ যথেষ্ট ধৈর্য ধরছে : প্রধান বিচার পতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, ‘আমরা বিচার বিভাগ ধৈর্য ধরছি। যথেষ্ট ধৈর্য ধরছি।’ অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আজ রোববার রजवाब पढ़िये
ques_icon

More Answers


বিচার হওয়া দরকার : বিচার ছাড়াই ৪৬৬টি হত্যা তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার : মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) ২০১৮ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর হাতে মানুষের বিচারবহির্ভূত প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা আসক নিজেই গত বছরের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবং তাদের হেফাজতে মোট ৪৬৬ জন নিহত হয়েছেন। অন্য মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের হিসাবে, গত বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ৪৫৬ জন। ২০১৭ সালের তুলনায় তিন গুণ মানুষ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। ক্ষমতাসীন সরকারের দাবিÑ দেশে গণতান্ত্রিক শাসন চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে আবার বলা হচ্ছে, এই গণতন্ত্রে উন্নয়ন প্রাধান্য পাচ্ছে। কিন্তু মানুষ যদি বিচার না পায় আর বাঁচতে না পারে, তাহলে এ ধরনের উন্নয়ন দিয়ে কী হবে। প্রথমে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে সরকারকে। ২০১৮ সালে বিচারবহির্ভূত হত্যা আগের বছরের চেয়ে তিন গুণ বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানকে দেখা যাচ্ছে। ওই বছরের ৪ মে থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ওই অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ২৯২ জন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে এত মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। সেটি যদি মাদক নির্মূলের জন্যও হয়, তাহলে সেটি বৈধ হয়ে যায় না। প্রকাশিত বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও নিখোঁজ হয়েছেন ৩৪ জন। এর মধ্যে ১৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে, যাদের বেশির ভাগই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার রয়েছেন। গত বছর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে অন্তত ৪৭০টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও অন্যান্য দলের এবং নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরে ৭০১টি রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং সাত হাজার ২৮৭ জন আহত হয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের কয়েকটি স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এই সময়ে দেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৩২ জন। তাদের মধ্যে ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৬৩ জন আর ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। গত বছর গৃহকর্মী নির্যাতন ও এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে ৫৪টি আর যৌতুকের কারণে এবং পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৯৫ জন নারী। গত বছর ২০৭ জন সংবাদিক আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, প্রভাবশালী ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সন্ত্রাসী, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা শারীরিক নির্যাতন ও হামলার শিকার হয়েছেন। হত্যার শিকার হয়েছেন তিনজন সাংবাদিক। এক হাজার ১১টি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৪৪টি শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়। গত বছর গায়েবি মামলার বিষয়টিও আসকের প্রতিবেদনে উঠে আসে। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় পুলিশ বাদি হয়ে ৫৭৮টি নাশকতার মামলা করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিচারবিভাগীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত-পরবর্তী বিচারের জোর দাবি জানাই। হত্যাকাণ্ড ছাড়াও অসংখ্য মানবাধিকার হরণের ঘটনা উঠে এসেছে মানবাধিকার প্রতিবেদনে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের অধিকার হরণের ঘটনা অবলীলায় চলতে পারে না।
Romanized Version
বিচার হওয়া দরকার : বিচার ছাড়াই ৪৬৬টি হত্যা তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার : মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) ২০১৮ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর হাতে মানুষের বিচারবহির্ভূত প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা আসক নিজেই গত বছরের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবং তাদের হেফাজতে মোট ৪৬৬ জন নিহত হয়েছেন। অন্য মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের হিসাবে, গত বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ৪৫৬ জন। ২০১৭ সালের তুলনায় তিন গুণ মানুষ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। ক্ষমতাসীন সরকারের দাবিÑ দেশে গণতান্ত্রিক শাসন চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে আবার বলা হচ্ছে, এই গণতন্ত্রে উন্নয়ন প্রাধান্য পাচ্ছে। কিন্তু মানুষ যদি বিচার না পায় আর বাঁচতে না পারে, তাহলে এ ধরনের উন্নয়ন দিয়ে কী হবে। প্রথমে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে সরকারকে। ২০১৮ সালে বিচারবহির্ভূত হত্যা আগের বছরের চেয়ে তিন গুণ বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানকে দেখা যাচ্ছে। ওই বছরের ৪ মে থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ওই অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ২৯২ জন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে এত মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। সেটি যদি মাদক নির্মূলের জন্যও হয়, তাহলে সেটি বৈধ হয়ে যায় না। প্রকাশিত বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও নিখোঁজ হয়েছেন ৩৪ জন। এর মধ্যে ১৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে, যাদের বেশির ভাগই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার রয়েছেন। গত বছর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে অন্তত ৪৭০টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও অন্যান্য দলের এবং নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরে ৭০১টি রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং সাত হাজার ২৮৭ জন আহত হয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের কয়েকটি স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এই সময়ে দেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৩২ জন। তাদের মধ্যে ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৬৩ জন আর ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। গত বছর গৃহকর্মী নির্যাতন ও এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে ৫৪টি আর যৌতুকের কারণে এবং পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৯৫ জন নারী। গত বছর ২০৭ জন সংবাদিক আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, প্রভাবশালী ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সন্ত্রাসী, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা শারীরিক নির্যাতন ও হামলার শিকার হয়েছেন। হত্যার শিকার হয়েছেন তিনজন সাংবাদিক। এক হাজার ১১টি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৪৪টি শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়। গত বছর গায়েবি মামলার বিষয়টিও আসকের প্রতিবেদনে উঠে আসে। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় পুলিশ বাদি হয়ে ৫৭৮টি নাশকতার মামলা করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিচারবিভাগীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত-পরবর্তী বিচারের জোর দাবি জানাই। হত্যাকাণ্ড ছাড়াও অসংখ্য মানবাধিকার হরণের ঘটনা উঠে এসেছে মানবাধিকার প্রতিবেদনে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের অধিকার হরণের ঘটনা অবলীলায় চলতে পারে না।Bichar Hwa Darakar Bichar Chharai 466ti Hatya Tadanta O Bichar Hwa Darakar Manbadhikar Sanstha Ain O Salis Kendra Ack 2018 Saler Sarbik Manbadhikar Paristhiti Niye Tader Parjabekshan Tule Dharechhe We Pratibedan Anujayi Rashtriya Bibhinna Bahinir Hate Manusher Bicharabahirbhut Pranahanir Sankhya Atyanta Udwegajanak Ble Pratiyman Hachchhe Manbadhikar Sanstha Ack Nijei Gata Bachharer Sarbik Manbadhikar Paristhiti Niye Udweg Prakash Karechhe Tader Parjabekshane Dekha Gechhe 2018 Sale Ainashrinkhala Rakshay Niyojit Bibhinna Bahinir Sathe ‘bandukajuddheo Evan Tader Hefajate Mot 466 John Nihat Hayechhen Anya Manbadhikar Sanstha Adhikarer Hisabe Gata Bachhar 1 Januyari Theke 30 Nabhembarer Madhye Bicharabahirbhut Hotjar Shikar Hayechhen 456 John 2017 Saler Tulnay Tin Goon Manus Ainashrinkhalabahinir Hate Bicharabahirbhut Hotjar Shikar Hayechhen Xamatasin Sorcerer DabiÑ Deshe Ganatantrik Hasn Chalachhe Sorcerer Pax Theke Abar Bala Hachchhe AE Ganatantre Unnayan Pradhanya Pachchhe Kintu Manus Jodi Bichar Na Pay Are Banchate Na Pare Tahle A Dharaner Unnayan Diye Key Habe Prathame Manusher Jibner Nirapatta Dite Habe Sarakarke 2018 Sale Bicharabahirbhut Hatya Ager Bachharer Cheye Tin Goon Bere Jawar Karan Hisebe Ainashrinkhalabahinir Madakabirodhi Abhijanke Dekha Jachchhe We Bachharer 4 May Theke 31 Disembar Parjanta Parichalit We Abhijane ‘bandukajuddheo Nihat Hayechhen 292 John ‘bandukajuddhero Name Et Manusher Pranahani Konobhabe Mene Neya Jay Na Seti Jodi Madoka Nirmuler Jonyo Hay Tahle Seti Baidh Huye Jay Na Prakashit Bistarit Pratibedne Bala Hay 2018 Sale Ainashrinkhalabahinir Parichaye Apaharan Gum O Nikhonj Hayechhen 34 John Aare Madhye 19 Janer Sandhan Powa Gechhe Jader Beshir Bhagai Bibhinna Mamlay Grefatar Rayechhen Gata Bachhar Jatiya Nirbachaner Tafasil Ghoshnar Par Theke 31 Disembar Parjanta Sara Deshe Antat 470ti Sahinsatar Ghatanay 34 John Nihat Hayechhen Bibhinna Rajnaitik Daler Sathe Ainashrinkhalabahini O Anyanya Daler Evan Nijeder Madhye Kondaler Jere 701ti Rajnaitik Sanghater Ghatanay 67 John Nihat Evan Saat Hajar 287 John Ahat Hayechhen Nirbachanake Kendra Kare Desher Kayekati Sthane Hindu Sampradayer Barighar Bhangchur O Agnisangjoger Ghatanao Ghatechhe AE Some Deshe Dharshan O Ganadharshaner Shikar Hayechhen 732 John Tader Madhye Dharshan Parabarti Hotjar Shikar Hayechhen 63 John Are Dharshaner Par Atmahatya Karechhen Satajan Gata Bachhar Grihakarmi Nirjatan O Esid Niksheper Ghatana Ghate 54ti Are Jautuker Karne Evan Paribarik Nirjataner Shikar Hayechhen 195 John Nari Gata Bachhar 207 John Sangbadik Ainashrinkhalabahini Prabhabshali Byakti Janapratinidhi Santrasi Xamatasin Rajnaitik Daler Netakarmider Dwara Sharirik Nirjatan O Hamlar Shikar Hayechhen Hotjar Shikar Hayechhen Tinajan Sangbadik Ec Hajar 11ti Sishu Nirjataner Shikar Hayechhe Eder Madhye 444ti Sishu Jaun Hayaranir Shikar Hay Gata Bachhar Gayebi Mamlar Bishayatio Asaker Pratibedne Uthe Ase Shudhu Septembar Masei Dhaka Mahanagarer Bibhinna Thanay Pulish Badi Huye 578ti Nashakatar Mamla Karechhe Bicharabahirbhut Hatya Niye Manbadhikar Sangathaner Pax Theke Bicharbibhagiya Tadanta Anushthaner Ahban Janano Hayechhe Amara A Dharaner Hatyakander Sathik Tadanta Parabarti Bicharer Jor Dabi Janai Hatyakand Chharao Asankhya Manbadhikar Haraner Ghatana Uthe Esechhe Manbadhikar Pratibedne Ekati Ganatantrik Samaje A Dharaner Adhikar Haraner Ghatana Abalilay Chalate Pare Na
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichar Chharai 466ti Hatya Tadanta O Bichar Hwa Darakar Byakhya Cor,466 Killings Should Be Investigated And Judged Without Trial - Explain.,


vokalandroid