বিচার করা হয় সমন্ধে বল ? ...

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) সংক্ষেপে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি অপরাধ ট্রাইবুনাল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচার করা। এর আওতায় পড়ে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ।বাংলাদেশে ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ নামক রাজনৈতিক দলটির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইশতেহার ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা। সে নির্বাচনে তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে বিজয়ী হয় । প্রতিশ্রুতি অণুযায়ী আওয়ামী লীগের একজন সাংসদ ২০০৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রস্তাব পেশ করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।অবশেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ ট্রাইবুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়।ট্রাইব্যুনাল গঠন সম্পাদনা ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার বিষয়ে ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশে বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সচেতনতার সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই গণদাবী অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০৮-এর ২৯শে ডিসেম্বর অণুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নিরংকুশভাবে বিজয় লাভ করার পর পরই নির্বাচিত দল আওয়ামী লীগ কর্তৃক গঠিত সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অণুযায়ী বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।এরপর ২০০৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি জাতীয় সংসদে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয় ।বিচারের উদ্যোগ নেওয়ার এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সিলেট-৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীসহ সিনিয়র সাংসদরা প্রস্তাবটিকে সমর্থন জানালে স্পিকার তা অণুমোদন দেওয়া হবে কিনা এই প্রশ্ন ভোটে নেন। মৌখিক ভোটে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয় । সংসদে গৃহীত প্রস্তাবের বাস্তবায়নে সরকার বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস অ্যাক্ট ১৯৭৩ অণুযায়ী অভিযুক্তদের তদন্ত এবং বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত ঘোষণাটি আসে ২০০৯ সালের ২৫শে মার্চ। বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ এবং শীর্ষ আইনজীবীদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সরকার ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার ২০০৯ সালের ২১শে মে বিশেষজ্ঞদের মতামত চেয়ে ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টটি আইন কমিশনে পাঠায়।এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইন কমিশন দেশের বিশেষজ্ঞ আইনজীবী, বিচারপতি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং আরও কয়েকজন আইনজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে ১৯৭৩ সালে প্রণীত ট্রাইব্যুনালে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে সংশোধন আনার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেয়।অতঃপর আইন কমিশনের সুপারিশ বিবেচনা করে ১৯৭৩ সালে প্রণীত আইনকে যুগোপযোগী করার জন্য ২০০৯ সালের ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কিছু সংশোধনী জাতীয় সংসদে মৌখিক ভোটে পাশ করা হয় ।সংশোধনীর মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীকেও বিচারের আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা এবং 'ট্রাইব্যুনাল স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করবে' এই মর্মে সুস্পষ্ট আইনগত বিধান সন্নিবেশ করা সহ আরও কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়।অবশেষে স্বাধীনতা লাভের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয় । এরই ধারাবাহিকতায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার এবং তাদের অপরাধের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেয় ট্রাইব্যুনাল। নাগরিক সমাজের দাবি এবং তাদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন হাইকোর্ট ভবনকে আদালত হিসেবে প্রস্তুত করা হয় ।
Romanized Version
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) সংক্ষেপে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি অপরাধ ট্রাইবুনাল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচার করা। এর আওতায় পড়ে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ।বাংলাদেশে ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ নামক রাজনৈতিক দলটির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইশতেহার ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা। সে নির্বাচনে তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে বিজয়ী হয় । প্রতিশ্রুতি অণুযায়ী আওয়ামী লীগের একজন সাংসদ ২০০৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রস্তাব পেশ করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।অবশেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ ট্রাইবুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়।ট্রাইব্যুনাল গঠন সম্পাদনা ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার বিষয়ে ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশে বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সচেতনতার সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই গণদাবী অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০৮-এর ২৯শে ডিসেম্বর অণুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নিরংকুশভাবে বিজয় লাভ করার পর পরই নির্বাচিত দল আওয়ামী লীগ কর্তৃক গঠিত সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অণুযায়ী বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।এরপর ২০০৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি জাতীয় সংসদে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয় ।বিচারের উদ্যোগ নেওয়ার এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সিলেট-৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীসহ সিনিয়র সাংসদরা প্রস্তাবটিকে সমর্থন জানালে স্পিকার তা অণুমোদন দেওয়া হবে কিনা এই প্রশ্ন ভোটে নেন। মৌখিক ভোটে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয় । সংসদে গৃহীত প্রস্তাবের বাস্তবায়নে সরকার বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস অ্যাক্ট ১৯৭৩ অণুযায়ী অভিযুক্তদের তদন্ত এবং বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত ঘোষণাটি আসে ২০০৯ সালের ২৫শে মার্চ। বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ এবং শীর্ষ আইনজীবীদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সরকার ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার ২০০৯ সালের ২১শে মে বিশেষজ্ঞদের মতামত চেয়ে ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টটি আইন কমিশনে পাঠায়।এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইন কমিশন দেশের বিশেষজ্ঞ আইনজীবী, বিচারপতি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং আরও কয়েকজন আইনজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে ১৯৭৩ সালে প্রণীত ট্রাইব্যুনালে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে সংশোধন আনার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেয়।অতঃপর আইন কমিশনের সুপারিশ বিবেচনা করে ১৯৭৩ সালে প্রণীত আইনকে যুগোপযোগী করার জন্য ২০০৯ সালের ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কিছু সংশোধনী জাতীয় সংসদে মৌখিক ভোটে পাশ করা হয় ।সংশোধনীর মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীকেও বিচারের আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা এবং 'ট্রাইব্যুনাল স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করবে' এই মর্মে সুস্পষ্ট আইনগত বিধান সন্নিবেশ করা সহ আরও কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়।অবশেষে স্বাধীনতা লাভের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয় । এরই ধারাবাহিকতায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার এবং তাদের অপরাধের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেয় ট্রাইব্যুনাল। নাগরিক সমাজের দাবি এবং তাদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন হাইকোর্ট ভবনকে আদালত হিসেবে প্রস্তুত করা হয় ।Antarjatik Aparadh Traibyunal Bangladesh Sankshepe Bangladeshe Pratishthit Ekati Aparadh Tribunal Jar Uddeshya Hachchhe 1971 Sale Bangladesher Swadhinata Juddha Chalakale Sanghatit Antarjatik Aparadhasamuher Bichar Kara Aare Aotay Pare Juddhaparadh Ganahatya Manabatar Biruddhe Aparadh Evan Shantir Biruddhe Aparadh Bangladeshe 2008 Saler Sadharan Nirbachaner Samay Awami League Namak Rajnaitik Dalatir Anyatam Pradhan Rajnaitik Ishatehar Chhil Juddhaparadhider Bichar Prakriya Shuru Kara Say Nirbachane Tara Nirankush Sankhyagarishthata Love Kare Bijyi Hay Pratishruti Anujayi Awami Liger Ekajan Sansad 2009 Saler 29she Januyari Jatiya Sansade Juddhaparadhider Bicharer Prastab Paes Karale Ta Sarbasammatikrame Grihit Hay Abasheshe Bangladesher Swadhinata Labher 39 Bachhar Par Juddhaparadher Daye Abhijuktader Bicharer Janya 2010 Saler 25she Marsa Tribunal Ainajibi Panel Evan Tadanta Sanstha Gathan Kara Hay Traibyunal Gathan Sampadana 1971 Sale Ttkalin Purba Pakistane Sanghatit Manabata Birodhi Aparadher Daye Abhijuktader Bichar Bishye 2008 Saler Sadharan Nirbachaner Prakkale Bangladeshe Bisheshat Tarun Prajanmer Majhe Byapak Sachetanatar Srishti Hay Awami League Tader Nirbachani Ishatehare AE Ganadabi Antarbhukta Kare 2008 Aare 29she Disembar Anushthit Sadharan Nirbachane Nirankushabhabe Bijay Love Karar Par Parai Nirbachit Dal Awami League Kartrik Gathit Sarkar Nirbachani Pratishruti Anujayi Bicharer Udyog Grahan Kare Erapar 2009 Saler 29she Januyari Jatiya Sansade AE Bishye Ekati Prastab Pash Kara Hay Bicharer Udyog Newar AE Prastabati Utthapan Curren Silet 3 Asaner Sansad Mahmud Us Samad Choudhury Pradhanamantrisah Siniyar Sansadara Prastabatike Samarthan Janale Spikar Ta Anumodan Dewa Habe Qina AE Prashna Bhote Nen Maukhik Bhote Prastabati Sarbasammatabhabe Grihit Hay Sansade Grihit Prastaber Bastabayne Sarkar Bidyaman Antarjatik Aparadh Traibyunalas Act 1973 Anujayi Abhijuktader Tadanta Evan Bicharer Udyog Grahan Kare Evan Sorcerer Pax Theke A Sankranta Ghoshnati Ase 2009 Saler 25she Marsa Bangladesher Nagrik Samaj Evan Shirsh Ainajibider Matamat O Paramarsher Bhittite Sarkar Traibyunal Act Sangshodhner Udyog Ney AE Udyoger Angsh Hisebe Sarkar 2009 Saler 21she May Bisheshagyader Matamat Cheye Traibyunal Aktati Ain Kamishane Pathay Erai Pariprekshite Ain Commission Desher Bisheshagya Ainajibi Bicharapati Bibhinna Bishwabidyalayer Adhyapak Evan RO Kayekajan Ainagyer Matamter Bhittite 1973 Sale Pranit Traibyunale Kichhu Nirdishta Bishye Sangshodhan Anar Janya Sarakarke Paramarsh Dey Atahpar Ain Kamishner Suparish Bibechana Kare 1973 Sale Pranit Ainake Jugopajogi Karar Janya 2009 Saler 9 Gooli Antarjatik Aparadh Traibyunaler Kichhu Sangshodhani Jatiya Sansade Maukhik Bhote Pash Kara Hay Sangshodhnir Madhyame Traibyunale Byakti Evan Goshthikeo Bicharer Aotay Anar Bidhan Jukta Kara Evan Traibyunal Swadhinbhabe Bicharkarjya Parichalna Karabe AE Marme Suspashta Ainagat Bidhan Sannibesh Kara Huh RO Kayekati Bishye Parivartan Ana Hay Abasheshe Swadhinata Labher 39 Bachhar Par Juddhaparadher Daye Abhijuktader Bicharer Janya 2010 Saler 25 Marsa Traibyunal Ainajibi Panel Evan Tadanta Sanstha Gathan Kara Hay Erai Dharabahiktay Juddhaparadhe Abhijukta Byaktider Grefatar Evan Tader Aparadher Bishye Tadanter Udyog Ney Traibyunal Nagrik Samajer Dabi Evan Tader Sathe Alochnar Bhittite Bichar Karjakram Parichalnar Janya Puratan Haikorta Bhabanake Adalat Hisebe Prastut Kara Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিচার করা নুরেমবার্গ বিচার (ইংরেজি ভাষায়: Nuremberg Trials, জার্মান ভাষায়: Nürnberger Prozesse) ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির ন্যুর্নবের্গ বা নুরেমবার্গ শহরে করা অনুষ্ঠিত কিছু বিচার প্রক্রিয়ার নাম। তখন ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে। তাদের বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরণের: এক, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, যেমন, আন্তর্জাতিক চুক্তি লংঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা; দুই, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যেমন, মানুষকে সমূলে বিনাশ, বাসস্থান থেকে বিতারণ এবং গণহত্যা; তিন, যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন এবং চার, এই তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা। ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল এই বিচার করার অধিকার পেয়েছিল ১৯৪৫ সালের ৮ই আগস্ট লন্ডনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মাধ্যমে। সেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ফ্রান্সের প্রাদেশিক সরকারের প্রতিনিধিরা লন্ডনে মিলিত হয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে যাতে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অক্ষশক্তির কর্মকর্তাদের দ্বারা পৃথিবীর যেকোন স্থানে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে বলা হয়। পরবর্তীতে আরও ১৯টি দেশ চুক্তিটিকে সমর্থন করে। উপরে বর্ণীত প্রথম তিনটি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত যেকোন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা বা যেকোন সংগঠনকে এসবের অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কারণে চরিত্রগতভাবেই অপরাধী ঘোষণার অধিকার ট্রাইব্যুনালকে দেয়া হয়েছিল। দোষীকে তার বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগগুলোর একটি কপি দেয়া হতো যাতে অপরাধগুলোর ব্যাখ্যা দেয়া থাকতো, অপরাধীর নিজস্ব আইনজীবী বা কাউন্সেল থাকতো এবং সাক্ষীদেরকে পুর্নর্নিরীক্ষা ও প্রশ্নের মুখোমুখি করার অধিকারও তাদের ছিল।
Romanized Version
বিচার করা নুরেমবার্গ বিচার (ইংরেজি ভাষায়: Nuremberg Trials, জার্মান ভাষায়: Nürnberger Prozesse) ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির ন্যুর্নবের্গ বা নুরেমবার্গ শহরে করা অনুষ্ঠিত কিছু বিচার প্রক্রিয়ার নাম। তখন ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে। তাদের বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরণের: এক, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, যেমন, আন্তর্জাতিক চুক্তি লংঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা; দুই, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যেমন, মানুষকে সমূলে বিনাশ, বাসস্থান থেকে বিতারণ এবং গণহত্যা; তিন, যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন এবং চার, এই তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা। ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল এই বিচার করার অধিকার পেয়েছিল ১৯৪৫ সালের ৮ই আগস্ট লন্ডনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মাধ্যমে। সেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ফ্রান্সের প্রাদেশিক সরকারের প্রতিনিধিরা লন্ডনে মিলিত হয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে যাতে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অক্ষশক্তির কর্মকর্তাদের দ্বারা পৃথিবীর যেকোন স্থানে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে বলা হয়। পরবর্তীতে আরও ১৯টি দেশ চুক্তিটিকে সমর্থন করে। উপরে বর্ণীত প্রথম তিনটি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত যেকোন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা বা যেকোন সংগঠনকে এসবের অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কারণে চরিত্রগতভাবেই অপরাধী ঘোষণার অধিকার ট্রাইব্যুনালকে দেয়া হয়েছিল। দোষীকে তার বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগগুলোর একটি কপি দেয়া হতো যাতে অপরাধগুলোর ব্যাখ্যা দেয়া থাকতো, অপরাধীর নিজস্ব আইনজীবী বা কাউন্সেল থাকতো এবং সাক্ষীদেরকে পুর্নর্নিরীক্ষা ও প্রশ্নের মুখোমুখি করার অধিকারও তাদের ছিল।Bichar Kara Nurembarg Bichar Ingreji Bhashay Nuremberg Trials, Jarman Bhashay Ü Prozesse) 1945 46 Sale Jarmanir Nyurnaberg Ba Nurembarg Shahare Kara Anushthit Kichhu Bichar Prakriyar NAM Takhan Intaranyashanal Militari Traibyunal Natsi Bahinir Netader Biruddhe Juddhaparadher Abhijog Gathan Kare Evan Tader Bichar Kare Tader Biruddhe Gathit Abhijoggulo Chhil Mulat CHAR Dharaner Ec Shantir Biruddhe Aparadh Jeman Antarjatik Chukti Langhan Kare Dhbansatmak Juddher Parikalpana Juddher Jogar Evan Juddha Shuru Kara Dui Manabatar Biruddhe Aparadh Jeman Manushake Samule Binash Basasthan Theke Bitaran Evan Ganahatya Tin Juddhaparadh Tatha Juddher Ainasamuh Langhan Evan CHAR AE Tinti Aparadh Karar Sadharan Parikalpana Ba Sharajantra Kara Intaranyashanal Militari Traibyunal AE Bichar Karar Adhikar Peyechhil 1945 Saler 8i Agasta Landane Swaksharit Ekati Chuktir Madhyame Sedin Markin Juktarashtra Juktarajya Sobhiyet Yuniyan Evan Franser Pradeshik Sorcerer Pratinidhira Landane Milit Haye Chuktiti Swakshar Kare Jate Ekati Antarjatik Samrik Traibyunal Gathaner Madhyame Dwitiya Bishwajuddher Akshashaktir Karmakartader Dwara Prithibir Jekon Sthane Sanghatit Aparadher Bichar Karate Bala Hay Parabartite RO 19ti Desh Chuktitike Samarthan Kare Upare Barnit Pratham Tinti Aparadher Daye Abhijukta Jekon Byaktike Khunje Ber Kara Ba Jekon Sangathanake Esaber Aparadher Sathe Jarit Thakur Karne Charitragatabhabei Aparadhi Ghoshnar Adhikar Traibyunalke Deya Hayechhil Doshike Taur Biruddhe Gathit Abhijoggulor Ekati Copy Deya Hato Jate Aparadhgulor Byakhya Deya Thakto Aparadhir Nijaswa Ainajibi Ba Counsel Thakto Evan Sakshiderke Purnarniriksha O Prashner Mukhomukhi Karar Adhikarao Tader Chhil
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichar Kara Hay Samandhe Ball ?,What About The Trial?,


vokalandroid