বাংলায় প্রথম মুদ্রণ খানা কোথায়? ...

বাংলা মূদ্রণশিল্প ও ভাষা উন্নয়ন সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন কে? উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সংস্কৃত কলেজের কত সালে স্থাপিত হয়? উঃ ১৭৯১ সাল। শ্রীরামপুরে ব্যাপ্টিষ্ট মিশন ও ছাপাখানা কখন গড়ে উঠেছিল? উঃ ১৭৯৯ সাল। শ্রীরামপুরে মিশন কখন পত্তন হয়? উঃ ১৮১৮ সাল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন স্থাপিত হয়? উঃ ১৮০০ সাল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কে? উঃ উইলিয়াম কেরি। বাংলা একাডেমী কোন বৎসর প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ ১৯৫৫ সালে। উপমহাদেশে প্রথম কারা ছাপাখানা আমদানী করে? উঃ পর্তুগীজরা। উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কোথায় স্থাপিত হয়? উঃ পর্তুগীজ বসতি এলাকা গোয়ায়। উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কবে স্থাপিত হয়? উঃ ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দে। উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বইয়ের নাম কি? উঃ পর্তুগীজ ভাষার 'কনুকসোজ'। সম্পূর্ণ বাংলা অক্ষরের সর্বপ্রথম নকশা প্রস্তুতকারীর নাম কি? উঃ চার্লস উইলকিনস। কোন বাঙালি প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন? উঃ পঞ্চানন কর্মকার। বাংলা মুদ্রনশিল্পের জন্মদাতা কাকে বলা হয়? উঃ চার্লস উইলকিনস। বাংলাদেশে প্রথম কোথায় ও কবে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ রংপুরে। ১৮৪৭-৪৮ সালে। ঢাকায় প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন কে? উঃ সুন্দর মিত্র। বাংলা প্রেস নামে। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে। বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্রের কোনটি? উঃ রংপুর বার্তাবহ। রংপুর থেকে। ঢাকার প্রথম ছাপাখানা কত সালে চালু হয়? উঃ ১৮৪৮/৪৯ সালে। বাংলা মুদ্রণ জগতের স্মরণীয় সন কোনটি? উঃ ১৭৭৮। ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই কোনটি? উঃ কৃপার শাস্ত্রে অর্থভেদ।
Romanized Version
বাংলা মূদ্রণশিল্প ও ভাষা উন্নয়ন সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন কে? উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সংস্কৃত কলেজের কত সালে স্থাপিত হয়? উঃ ১৭৯১ সাল। শ্রীরামপুরে ব্যাপ্টিষ্ট মিশন ও ছাপাখানা কখন গড়ে উঠেছিল? উঃ ১৭৯৯ সাল। শ্রীরামপুরে মিশন কখন পত্তন হয়? উঃ ১৮১৮ সাল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন স্থাপিত হয়? উঃ ১৮০০ সাল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কে? উঃ উইলিয়াম কেরি। বাংলা একাডেমী কোন বৎসর প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ ১৯৫৫ সালে। উপমহাদেশে প্রথম কারা ছাপাখানা আমদানী করে? উঃ পর্তুগীজরা। উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কোথায় স্থাপিত হয়? উঃ পর্তুগীজ বসতি এলাকা গোয়ায়। উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কবে স্থাপিত হয়? উঃ ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দে। উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বইয়ের নাম কি? উঃ পর্তুগীজ ভাষার 'কনুকসোজ'। সম্পূর্ণ বাংলা অক্ষরের সর্বপ্রথম নকশা প্রস্তুতকারীর নাম কি? উঃ চার্লস উইলকিনস। কোন বাঙালি প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন? উঃ পঞ্চানন কর্মকার। বাংলা মুদ্রনশিল্পের জন্মদাতা কাকে বলা হয়? উঃ চার্লস উইলকিনস। বাংলাদেশে প্রথম কোথায় ও কবে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ রংপুরে। ১৮৪৭-৪৮ সালে। ঢাকায় প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন কে? উঃ সুন্দর মিত্র। বাংলা প্রেস নামে। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে। বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্রের কোনটি? উঃ রংপুর বার্তাবহ। রংপুর থেকে। ঢাকার প্রথম ছাপাখানা কত সালে চালু হয়? উঃ ১৮৪৮/৪৯ সালে। বাংলা মুদ্রণ জগতের স্মরণীয় সন কোনটি? উঃ ১৭৭৮। ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই কোনটি? উঃ কৃপার শাস্ত্রে অর্থভেদ।Bangla Mudranashilpa O Bhasha Unnayan Sanskrit Kalejer Adhyaksh Chhilen K Uh Ishwarachandra Bidyasagar Sanskrit Kalejer Kat Sale Sthapit Hay Uh 1791 Saala Shrirampure Byaptishta Mission O Chhapakhana Kakhan Gare Uthechhil Uh 1799 Saala Shrirampure Mission Kakhan Patan Hay Uh 1818 Saala Fort Uiliyam College Kakhan Sthapit Hay Uh 1800 Saala Fort Uiliyam Kalejer Pratishthata K Uh Uiliyam Keri Bangla Academy Koun Btsar Pratishthit Hay Uh 1955 Sale Upamahadeshe Pratham Kara Chhapakhana Amadani Kare Uh Partugijra Upamahadeshe Pratham Chhapakhana Kothay Sthapit Hay Uh Partugij Basati Elaka Gway Upamahadeshe Pratham Chhapakhana Kabe Sthapit Hay Uh 1498 Khrishtabde Upamahadesher Pratham Chhapakhanay Mudrit Pratham Baiyer NAM Ki Uh Partugij Bhashar Kanuksoj Sampurna Bangla Aksharer Sarbapratham Nakasha Prastutakarir NAM Ki Uh Charlas Uilakinas Koun Bangali Pratham Bangla Uqsur Khodai Curren Uh Panchanan Karmakar Bangla Mudranashilper Janmadata Kake Bala Hay Uh Charlas Uilakinas Bangladeshe Pratham Kothay O Kabe Chhapakhana Pratishthit Hay Uh Rangpure 1847 48 Sale Dhakay Pratham Bangla Chhapakhana Pratishtha Curren K Uh Sundar Metri Bangla Press Name 1860 Khrishtabde Bangladesher Pratham Sangbadapatrer Konti Uh Rangpur Bartabah Rangpur Theke Dhakar Pratham Chhapakhana Kat Sale Chalu Hay Uh 1848 49 Sale Bangla Mudran Jagater Smaraniya Son Konti Uh 1778 Chhapar Aksaray Pratham Bangla By Konti Uh Kripar Shastre Arthabhed
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রথম এসেছিলেন? ...

উর্বর বাংলায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের বণিকেরা বাণিজ্য করতে আসে। বাণিজ্য করতে এলেও তারা বাংলার সম্পদের মোহে এক সময় শাসন ক্ষমতাও দখল করে। এদের মধ্যে পর্তুগীজ ও ওলন্দাজরা অন্যতম। আজ বাংলায় ইউরোপীয় বণিকजवाब पढ़िये
ques_icon

More Answers


বাংলায় প্রথম মুদ্রণ খানা কোথায় মুদ্রণ শিল্প প্রযুক্তি হিসেবে সর্বপ্রথম ভারতে চালু করেন পর্তুগিজগণ। প্রথম মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় গোয়ায়। এরপর মুদ্রণ প্রযুক্তি বোম্বাইয়ে চালু হয় ১৬৭০ সালে। ইউরোপীয় মিশনারিদের প্রচেষ্টায় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছাপাখানা চালু হয়। এই সকল ছাপাখানার অধিকাংশই অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ও ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে স্থাপিত হতে থাকে। পর্তুগিজ ধর্মপ্রচারকগণ লিসবন থেকে রোমান হরফে বাংলা বই ছাপিয়ে আনেন। সবচেয়ে পুরাতন বাংলা মুদ্রণের নমুনা পাওয়া গেছে ১৬৮২ সালে প্যারিসে মুদ্রিত একটি গ্রন্থে। এসব বাংলা মুদ্রণ ছিল তামার পাতে, তখনও বাংলা অক্ষর ঢালাইয়ের কোন ব্যবস্থা হয়নি। মুদ্রণের জন্য বাংলা অক্ষরের নকশা প্রথম প্রস্ত্তত করেন চার্লস উইলকিন্স। তাঁর ডিজাইনকৃত অক্ষরে ছাপা হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত A Grammar of the Bengal Language (১৭৭৮) গ্রন্থটি। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা উইলকিন্স ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় একটি ছাপাখানা স্থাপন করেন। প্রথম দফায় উইলকিন্স যে টাইপ নির্মাণ করেন তাকে পরবর্তী সময়ে পঞ্চানন কর্মকার আরও মার্জিত করে উন্নতমানের টাইপ নির্মাণ করেছিলেন। উইলকিন্সের সহকারী পঞ্চানন কর্মকার ছিলেন বাংলা টাইপ খোদাই করতে জানা প্রথম বাঙালি। বাংলা টাইপকে আরও উন্নত করে লাইনো টাইপে উন্নীত করার কৃতিত্ব সুরেশচন্দ্র মজুমদারের। বিশ শতকের গোড়ার দিকে লাইনো-এর বাংলা অক্ষর বিন্যাস মনোটাইপ, ইস্টার্ন টাইপ এবং টাইপ রাইটার-এ বাংলা অক্ষর বিন্যাসে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখে। লেটার প্রেস মেশিন উনিশ শতকে ছেনিকাটা ফিক্সড টাইপ দিয়ে বই ছাপা হতো আর ছবি ছাপার জন্য ব্যবহূত হতো কাঠে খোদাই ব্লক। উপেন্দ্রকিশোর উন্নতমানের ছবি ছাপার কৌশল উদ্ভাবন করেন। এসব পদ্ধতির মধ্যে ছিল ষাট ডিগ্রি স্ক্রিন, ডায়াফ্রাম পদ্ধতি, স্ক্রিন অ্যাডজাস্টার যন্ত্র, ডায়োটাইপ ও রিপ্রিন্ট। উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী ১৮৮৫ সালে ইউরোপীয় কোম্পানি নামে ব্লক তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৫ সালে এর নাম দেওয়া হয় ইউ রায় অ্যান্ড সন্স। কাঠের পরিবর্তে তামা ও দস্তার পাতে খোদাই করে ছাপলে সেই ছাপা অনেক উন্নতমানের হয়, এটি বুঝতে পেরে উপেন্দ্রকিশোর অন্ধকার ঘরে বসে তা পরীক্ষা করে দেখতেন। অন্ধকার ঘরে আলোর প্রতিফলনও প্রতিসরণ লক্ষ্য করে তিনি হাফটোন ব্লক তৈরির সূত্র উদ্ভাবন করে স্ক্রিন তৈরির নকশা করেন। ১৮৪৭-৪৮ সালে রংপুরে প্রথম ছাপাখানা বার্তাবহ যন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বপ্রথম একজন ইংরেজ আলেকজান্ডার ফারবেখ ঢাকায় ছাপাখানা স্থাপন করেন। ছাপাখানাটির নাম ছিল ‘ঢাকা প্রেস’। এই ছাপাখানাটিতে অবশ্য বাংলা মুদ্রণের কোন ব্যবস্থা ছিল না। এখান থেকে ঢাকা নিউজ নামে ইংরেজি সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। ১৮৬০ সালে বাংলা প্রেস বা বাংলা যন্ত্র নামে ঢাকায় দ্বিতীয় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানাটি প্রথমদিকে শুধু বাংলা মুদ্রণের কাজ করত। ১৮৬৬ সালে ঢাকায় তিনটি ছাপাখানা ছিল। আর একটি প্রাচীন ছাপাখানা ছিল ফরিদপুরে এবং সেখান থেকে বাংলা অমৃতবাজার পত্রিকা প্রকাশিত হতো। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পূর্ববাংলায় যে মুদ্রণ শিল্পের অস্তিত্ব ছিল তা ছিল নিতান্তই ক্ষুদ্রাকৃতির। তখন অধিকাংশ প্রকাশনা কলকাতা থেকে মুদ্রিত হতো। ক্রমে ঢাকায় নিজের প্রয়োজনে আধুনিক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। সরকারি ফরম, গেজেট, নানাপ্রকার পুস্তক-পুস্তিকা ছাপার প্রয়োজন তো ছিলই, সেই সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক ও সংবাদপত্র মুদ্রণের বিপুল চাহিদা থাকার কারণে সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রে দ্রুত মুদ্রণ শিল্পের প্রসার ঘটতে থাকে। বিদেশ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশলসহ যন্ত্রপাতি সরকারি ও বেসরকারি খাতে আমদানি হয়ে মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে লাগল। অবশ্য বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে এই সকল যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ ছিল না। উন্নতমানের মুদ্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তিরও অভাব ছিল। ঢাকার ইডেন প্রেসে সর্বপ্রথম বাংলা লাইনো টাইপ মেশিন স্থাপিত হয়েছিল। মনোটাইপ মেশিন স্থাপিত হয়েছিল প্যারামাউন্ট প্রেসে ও বলিয়াদি প্রেসে। তারা মনো সুপার কাস্টিং মেশিন বসিয়ে তাতে তৈরি নানাপ্রকার ইংরেজি-বাংলা টাইপ অন্যান্য প্রেসের নিকট বিক্রয় করত। অন্যান্য প্রেস সেই টাইপ দিয়ে কম্পোজ করে প্লাটেন অথবা ফ্লাটবেড মুদ্রণযন্ত্রে বই ও পত্র-পত্রিকা ছাপত। পঞ্চাশের দশক থেকে যে সকল প্রেস উন্নতমানের মুদ্রণের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিল তারা হচ্ছে আলেকজান্ডার মেশিন প্রেস, স্টার প্রেস, জিনাত প্রেস ইত্যাদি। হরাইজন্টাল প্রসেস ক্যামেরা দৈনিক আজাদ পত্রিকা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগেই কলকাতা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতো। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর বেশ কিছুদিন কলকাতা থেকেই এই পত্রিকা মুদ্রিত হয়ে আসত। অবশেষে যন্ত্রপাতি কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় এবং ঢাকা থেকে পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে। এদিকে হামিদুল হক চৌধুরী ‘আল হেলাল প্রিন্টিং প্রেস’ নাম দিয়ে একটি ছাপাখানা স্থাপন করে দ্য পাকিস্তান অবজারভার নামে দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করতে আরম্ভ করেন। প্রেসের ম্যানেজার ছিলেন আবদুল গনি হাজারী। হাজারী মুদ্রণ বিষয়ে স্বশিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন। প্রেসের যন্ত্রপাতি আমদানি করতে গিয়ে কোন যন্ত্রের কী ক্ষমতা ও গুণাগুণ সে সম্পর্কে তিনি বিশেষভাবে পড়াশোনা করে অবহিত হতেন আর এভাবেই তিনি মুদ্রণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। কবি সিকান্ন্দার আবু জাফর সমকাল মুদ্রণ নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এই ছাপাখানা থেকে সেকালের পূর্ব পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা সমকাল প্রকাশিত হতো। সিকান্দার আবু জাফর হাতে কম্পোজ করা টাইপ দিয়ে উন্নতমানের রুচিসম্মত পত্রিকা ছাপতেন। সে সময়ের অধিকাংশ মুদ্রাকর একই সঙ্গে ছিলেন শিক্ষিত পন্ডিত ও মুদ্রাকর বা প্রকৌশলবিদ। বাংলাদেশে একই গুণে গুণান্বিত ছিলেন আবদুল গনি হাজারী ও সিকান্দার আবু জাফর। ফোনেটিক ও গাণিতিক চিহ্ন-সম্বলিত জটিল মুদ্রণ কাজের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিল এশিয়াটিক প্রেস।
Romanized Version
বাংলায় প্রথম মুদ্রণ খানা কোথায় মুদ্রণ শিল্প প্রযুক্তি হিসেবে সর্বপ্রথম ভারতে চালু করেন পর্তুগিজগণ। প্রথম মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় গোয়ায়। এরপর মুদ্রণ প্রযুক্তি বোম্বাইয়ে চালু হয় ১৬৭০ সালে। ইউরোপীয় মিশনারিদের প্রচেষ্টায় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছাপাখানা চালু হয়। এই সকল ছাপাখানার অধিকাংশই অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ও ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে স্থাপিত হতে থাকে। পর্তুগিজ ধর্মপ্রচারকগণ লিসবন থেকে রোমান হরফে বাংলা বই ছাপিয়ে আনেন। সবচেয়ে পুরাতন বাংলা মুদ্রণের নমুনা পাওয়া গেছে ১৬৮২ সালে প্যারিসে মুদ্রিত একটি গ্রন্থে। এসব বাংলা মুদ্রণ ছিল তামার পাতে, তখনও বাংলা অক্ষর ঢালাইয়ের কোন ব্যবস্থা হয়নি। মুদ্রণের জন্য বাংলা অক্ষরের নকশা প্রথম প্রস্ত্তত করেন চার্লস উইলকিন্স। তাঁর ডিজাইনকৃত অক্ষরে ছাপা হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত A Grammar of the Bengal Language (১৭৭৮) গ্রন্থটি। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা উইলকিন্স ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় একটি ছাপাখানা স্থাপন করেন। প্রথম দফায় উইলকিন্স যে টাইপ নির্মাণ করেন তাকে পরবর্তী সময়ে পঞ্চানন কর্মকার আরও মার্জিত করে উন্নতমানের টাইপ নির্মাণ করেছিলেন। উইলকিন্সের সহকারী পঞ্চানন কর্মকার ছিলেন বাংলা টাইপ খোদাই করতে জানা প্রথম বাঙালি। বাংলা টাইপকে আরও উন্নত করে লাইনো টাইপে উন্নীত করার কৃতিত্ব সুরেশচন্দ্র মজুমদারের। বিশ শতকের গোড়ার দিকে লাইনো-এর বাংলা অক্ষর বিন্যাস মনোটাইপ, ইস্টার্ন টাইপ এবং টাইপ রাইটার-এ বাংলা অক্ষর বিন্যাসে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখে। লেটার প্রেস মেশিন উনিশ শতকে ছেনিকাটা ফিক্সড টাইপ দিয়ে বই ছাপা হতো আর ছবি ছাপার জন্য ব্যবহূত হতো কাঠে খোদাই ব্লক। উপেন্দ্রকিশোর উন্নতমানের ছবি ছাপার কৌশল উদ্ভাবন করেন। এসব পদ্ধতির মধ্যে ছিল ষাট ডিগ্রি স্ক্রিন, ডায়াফ্রাম পদ্ধতি, স্ক্রিন অ্যাডজাস্টার যন্ত্র, ডায়োটাইপ ও রিপ্রিন্ট। উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী ১৮৮৫ সালে ইউরোপীয় কোম্পানি নামে ব্লক তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৫ সালে এর নাম দেওয়া হয় ইউ রায় অ্যান্ড সন্স। কাঠের পরিবর্তে তামা ও দস্তার পাতে খোদাই করে ছাপলে সেই ছাপা অনেক উন্নতমানের হয়, এটি বুঝতে পেরে উপেন্দ্রকিশোর অন্ধকার ঘরে বসে তা পরীক্ষা করে দেখতেন। অন্ধকার ঘরে আলোর প্রতিফলনও প্রতিসরণ লক্ষ্য করে তিনি হাফটোন ব্লক তৈরির সূত্র উদ্ভাবন করে স্ক্রিন তৈরির নকশা করেন। ১৮৪৭-৪৮ সালে রংপুরে প্রথম ছাপাখানা বার্তাবহ যন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বপ্রথম একজন ইংরেজ আলেকজান্ডার ফারবেখ ঢাকায় ছাপাখানা স্থাপন করেন। ছাপাখানাটির নাম ছিল ‘ঢাকা প্রেস’। এই ছাপাখানাটিতে অবশ্য বাংলা মুদ্রণের কোন ব্যবস্থা ছিল না। এখান থেকে ঢাকা নিউজ নামে ইংরেজি সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। ১৮৬০ সালে বাংলা প্রেস বা বাংলা যন্ত্র নামে ঢাকায় দ্বিতীয় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানাটি প্রথমদিকে শুধু বাংলা মুদ্রণের কাজ করত। ১৮৬৬ সালে ঢাকায় তিনটি ছাপাখানা ছিল। আর একটি প্রাচীন ছাপাখানা ছিল ফরিদপুরে এবং সেখান থেকে বাংলা অমৃতবাজার পত্রিকা প্রকাশিত হতো। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পূর্ববাংলায় যে মুদ্রণ শিল্পের অস্তিত্ব ছিল তা ছিল নিতান্তই ক্ষুদ্রাকৃতির। তখন অধিকাংশ প্রকাশনা কলকাতা থেকে মুদ্রিত হতো। ক্রমে ঢাকায় নিজের প্রয়োজনে আধুনিক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। সরকারি ফরম, গেজেট, নানাপ্রকার পুস্তক-পুস্তিকা ছাপার প্রয়োজন তো ছিলই, সেই সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক ও সংবাদপত্র মুদ্রণের বিপুল চাহিদা থাকার কারণে সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রে দ্রুত মুদ্রণ শিল্পের প্রসার ঘটতে থাকে। বিদেশ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশলসহ যন্ত্রপাতি সরকারি ও বেসরকারি খাতে আমদানি হয়ে মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে লাগল। অবশ্য বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে এই সকল যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ ছিল না। উন্নতমানের মুদ্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তিরও অভাব ছিল। ঢাকার ইডেন প্রেসে সর্বপ্রথম বাংলা লাইনো টাইপ মেশিন স্থাপিত হয়েছিল। মনোটাইপ মেশিন স্থাপিত হয়েছিল প্যারামাউন্ট প্রেসে ও বলিয়াদি প্রেসে। তারা মনো সুপার কাস্টিং মেশিন বসিয়ে তাতে তৈরি নানাপ্রকার ইংরেজি-বাংলা টাইপ অন্যান্য প্রেসের নিকট বিক্রয় করত। অন্যান্য প্রেস সেই টাইপ দিয়ে কম্পোজ করে প্লাটেন অথবা ফ্লাটবেড মুদ্রণযন্ত্রে বই ও পত্র-পত্রিকা ছাপত। পঞ্চাশের দশক থেকে যে সকল প্রেস উন্নতমানের মুদ্রণের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিল তারা হচ্ছে আলেকজান্ডার মেশিন প্রেস, স্টার প্রেস, জিনাত প্রেস ইত্যাদি। হরাইজন্টাল প্রসেস ক্যামেরা দৈনিক আজাদ পত্রিকা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগেই কলকাতা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতো। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর বেশ কিছুদিন কলকাতা থেকেই এই পত্রিকা মুদ্রিত হয়ে আসত। অবশেষে যন্ত্রপাতি কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় এবং ঢাকা থেকে পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে। এদিকে হামিদুল হক চৌধুরী ‘আল হেলাল প্রিন্টিং প্রেস’ নাম দিয়ে একটি ছাপাখানা স্থাপন করে দ্য পাকিস্তান অবজারভার নামে দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করতে আরম্ভ করেন। প্রেসের ম্যানেজার ছিলেন আবদুল গনি হাজারী। হাজারী মুদ্রণ বিষয়ে স্বশিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন। প্রেসের যন্ত্রপাতি আমদানি করতে গিয়ে কোন যন্ত্রের কী ক্ষমতা ও গুণাগুণ সে সম্পর্কে তিনি বিশেষভাবে পড়াশোনা করে অবহিত হতেন আর এভাবেই তিনি মুদ্রণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। কবি সিকান্ন্দার আবু জাফর সমকাল মুদ্রণ নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এই ছাপাখানা থেকে সেকালের পূর্ব পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা সমকাল প্রকাশিত হতো। সিকান্দার আবু জাফর হাতে কম্পোজ করা টাইপ দিয়ে উন্নতমানের রুচিসম্মত পত্রিকা ছাপতেন। সে সময়ের অধিকাংশ মুদ্রাকর একই সঙ্গে ছিলেন শিক্ষিত পন্ডিত ও মুদ্রাকর বা প্রকৌশলবিদ। বাংলাদেশে একই গুণে গুণান্বিত ছিলেন আবদুল গনি হাজারী ও সিকান্দার আবু জাফর। ফোনেটিক ও গাণিতিক চিহ্ন-সম্বলিত জটিল মুদ্রণ কাজের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিল এশিয়াটিক প্রেস। Banglay Pratham Mudran Khana Kothay Mudran Shilpa Prajukti Hisebe Sarbapratham Bharte Chalu Curren Partugijagan Pratham Mudranajantra Pratishthit Hay Gway Erapar Mudran Prajukti Bombaiye Chalu Hay 1670 Sale Yuropiya Mishnarider Pracheshtay Bharter Bibhinna Anchale Chhapakhana Chalu Hay AE Sakal Chhapakhanar Adhikangshai Ashtadash Shatabdir Sesh Bhage O Unabingsh Shatabdir Pratham Bhage Sthapit Hate Thake Partugij Dharmapracharakagan Lisaban Theke Roman Harafe Bangla By Chhapiye Anen Sabacheye Puratan Bangla Mudraner Namuna Pawa Gechhe 1682 Sale Pyarise Mudrit Ekati Granthe Esab Bangla Mudran Chhil Tamar Pate Takhanao Bangla Uqsur Dhalaiyer Koun Byabastha Hayani Mudraner Janya Bangla Aksharer Nakasha Pratham Prasttat Curren Charlas Uilakins Tanr Dijainakrit Aksaray Chhapa Hay Nathaniyel Brasi Hyalahed Rachit A Grammar Of The Bengal Language 1778 Granthati Isti Indiya Kompanir Karmakarta Uilakins 1778 Khristabde Hooghly Jelar Chunchuray Ekati Chhapakhana Sthapan Curren Pratham Dafay Uilakins Je Type Nirman Curren Take Parabarti Samaye Panchanan Karmakar RO Marjit Kare Unnatamaner Type Nirman Karechhilen Uilakinser Sahakari Panchanan Karmakar Chhilen Bangla Type Khodai Karate Jaana Pratham Bangali Bangla Taipake RO Unnat Kare Laino Taipe Unnit Karar Krititba Sureshchandra Majumdarer Bish Shataker Gorar Dike Laino Aare Bangla Uqsur Binyas Manotaip Istarna Type Evan Type Writer A Bangla Uqsur Binyase Suduraprasari Bhumika Rakhe Later Press Machine Unish Shatake Chhenikata Fixed Type Diye By Chhapa Hato Are Sbi Chhapar Janya Byabahut Hato Kathe Khodai Block Upendrakishor Unnatamaner Sbi Chhapar Kaushal Udbhaban Curren Esab Paddhatir Madhye Chhil Saat Digri Skrin Dayafram Paddhati Skrin Adjastar Jantra Dayotaip O Reprint Upendrakishor Ray Choudhury 1885 Sale Yuropiya Company Name Block Tairir Karkhana Pratishtha Curren 1895 Sale Aare NAM Dewa Hay You Ray And Sons Kather Paribarte Tama O Dastar Pate Khodai Kare Chhaple Sei Chhapa Anek Unnatamaner Hay AT Bujhte Pere Upendrakishor Andhakar Ghare Base Ta Pariksha Kare Dekhten Andhakar Ghare Alor Pratifalanao Pratisaran Lakshya Kare Tini Hafton Block Tairir Sutra Udbhaban Kare Skrin Tairir Nakasha Curren 1847 48 Sale Rangpure Pratham Chhapakhana Bartabah Jantra Pratishthit Hay Sarbapratham Ekajan Ingrej Alekjandar Farbekh Dhakay Chhapakhana Sthapan Curren Chhapakhanatir NAM Chhil ‘dhaka Preso AE Chhapakhanatite Abashya Bangla Mudraner Koun Byabastha Chhil Na Ekhan Theke Dhaka News Name Ingreji Sangbadapatra Prakashit Hato 1860 Sale Bangla Press Ba Bangla Jantra Name Dhakay Dwitiya Chhapakhana Pratishthit Hay AE Chhapakhanati Prathamadike Shudhu Bangla Mudraner Kaj Karat 1866 Sale Dhakay Tinti Chhapakhana Chhil Are Ekati Prachin Chhapakhana Chhil Faridpure Evan Sekhan Theke Bangla Amritbajar Patrika Prakashit Hato 1947 Sale Bharat Bibhager Par Purbabanglay Je Mudran Shilper Astitva Chhil Ta Chhil Nitantai Xudrakritir Takhan Adhikangsh Prakashana Kolkata Theke Mudrit Hato Krame Dhakay Nizar Prayojane Adhunik Chhapakhana Pratishthit Hate Thake Sarakari Faram Gadget Nanaprakar Pustak Pustika Chhapar Prayojan Toh Chhilai Sei Sange Pathyapustak O Sangbadapatra Mudraner Bipul Sahida Thakur Karne Sarakari O Besarakari Ubhayakshetre Drut Mudran Shilper Prasar Ghatate Thake Bidesh Theke Adhunik Prajukti O Kaushalasah Jantrapati Sarakari O Besarakari Khate Amadani Haye Mudranajantra Pratishthit Hate Lagal Abashya Baideshik Mudrar Abhabe AE Sakal Jantrapati Amadani Suhaj Chhil Na Unnatamaner Mudran Paddhati Samparke Prashikshanaprapta Janashaktirao Abhab Chhil Dhakar Eden Prese Sarbapratham Bangla Laino Type Machine Sthapit Hayechhil Manotaip Machine Sthapit Hayechhil Pyaramaunta Prese O Baliyadi Prese Tara Mano Super Casting Machine Basiye Tate Tairi Nanaprakar Ingreji Bangla Type Anyanya Preser Nikat Bikray Karat Anyanya Press Sei Type Diye Kampoj Kare Platen Athaba Flatabed Mudranajantre By O Patra Patrika Chhapat Panchasher Dashak Theke Je Sakal Press Unnatamaner Mudraner Janya Khyati Love Karechhil Tara Hachchhe Alekjandar Machine Press Star Press Jinat Press Ityadi Horizontal Process Camera Dainik Azad Patrika Pakistan Pratishthar Agei Kolkata Theke Mudrit O Prakashit Hato 1947 Sale Pakistan Sweden Hwar Par Bash Kichhudin Kolkata Thekei AE Patrika Mudrit Haye Asat Abasheshe Jantrapati Kolkata Theke Dhakay Niye Asa Hay Evan Dhaka Theke Patrika Prakashit Hate Thake Edike Hamidul Haque Choudhury ‘al Halal Printing Preso NAM Diye Ekati Chhapakhana Sthapan Kare The Pakistan Abajarbhar Name Dainik Patrika Prakash Karate Arambha Curren Preser Manager Chhilen Abadul Gani Hajari Hajari Mudran Bishye Swashikshit Byakti Chhilen Preser Jantrapati Amadani Karate Giye Koun Jantrer Key Xamata O Gunagun Say Samparke Tini Bisheshbhabe Parashona Kare Abahit Haten Are Ebhabei Tini Mudran Bishye Bisheshagya Haye Othen Cbe Sikanndar Abu Zafar Samakal Mudran Name Ekati Chhapakhana Pratishtha Curren AE Chhapakhana Theke Sekaler Purba Pakistaner Shrestha Sahitya Patrika Samakal Prakashit Hato Sikandar Abu Zafar Hate Kampoj Kara Type Diye Unnatamaner Ruchisammat Patrika Chhapten Say Samayer Adhikangsh Mudrakar Ekai Sange Chhilen Shikshit Pandit O Mudrakar Ba Prakaushalabid Bangladeshe Ekai Gune Gunanwit Chhilen Abadul Gani Hajari O Sikandar Abu Zafar Phonetic O Ganitik Chihna Sambalit Jatil Mudran Kajer Janya Khyati Love Karechhil Eshiyatik Press
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Banglay Pratham Mudran Khana Kothay,Where Is The First Printing House In Bengal?,


vokalandroid