আইনের খসড়া কি? ...

মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে আইনের খসড়াগুলো ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আট সদস্যের একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (আইন) আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রণয়ন করা প্রস্তাবিত আইনের ভাষাগত উৎকর্ষ সাধন, বিষয়গত যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও সমন্বয় করবে এ কমিটি। এ ছাড়া আইনের খসড়া খসড়া কি পর্যালোচনার সময় এই কমিটি প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রবিধান, রীতি, উচ্চ খসড়া কি আদালতের সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ (যদি থাকে), আইন খসড়া কি প্রণয়ন বা সংশোধনের উদ্দেশ্য ও এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি, কনভেনশন, সমঝোতা স্মারক, সিদ্ধান্ত, প্রটোকল খসড়া কি বিবেচনা করবে।
Romanized Version
মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে আইনের খসড়াগুলো ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আট সদস্যের একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (আইন) আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রণয়ন করা প্রস্তাবিত আইনের ভাষাগত উৎকর্ষ সাধন, বিষয়গত যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও সমন্বয় করবে এ কমিটি। এ ছাড়া আইনের খসড়া খসড়া কি পর্যালোচনার সময় এই কমিটি প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রবিধান, রীতি, উচ্চ খসড়া কি আদালতের সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ (যদি থাকে), আইন খসড়া কি প্রণয়ন বা সংশোধনের উদ্দেশ্য ও এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি, কনভেনশন, সমঝোতা স্মারক, সিদ্ধান্ত, প্রটোকল খসড়া কি বিবেচনা করবে।Mantrisabhay Upasthapaner Age Ainer Khasaragulo Thik Ache Ki Na Ta Pariksha Nirikshar Janya At Sadasyer Ekati Antamantranalay Kamiti Gathan Karechhe Mantriparishad Bibhag Az Robbar Mantriparishad Bibhager Atirikta Sachibake Ain Ahbayak Kare A Kamiti Gathan Kara Hya Sangshlishta Mantranalayagulor Pranayan Kara Prastabit Ainer Bhashagat Utkarsh Sadhan Bishayagat Jatharthata Pariksha Niriksha Anyanya Ainer Sange Samanjasya O Samanway Karabe A Kamiti A Chhara Ainer Khasara Khasara Ki Parjalochnar Camay AE Kamiti Prastabit Ainer Sange Sangshlishta Ain Bidhi Prabidhan Riti Uchch Khasara Ki Adalter Siddhanta Ba Parjabekshan Jodi Thake Ain Khasara Ki Pranayan Ba Sangshodhner Uddeshya O Aare Sambhabya Prabhab Evan Sangshlishta Antarjatik Ain Chukti Convention Samajhota Smarak Siddhanta Pratokal Khasara Ki Bibechana Karabe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে আইনের খসড়া গুলো ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আট সদস্যের একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (আইন) আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রণয়ন করা প্রস্তাবিত আইনের ভাষাগত উৎকর্ষ সাধন, বিষয়গত যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও সমন্বয় করবে এ কমিটি। এ ছাড়া আইনের খসড়া পর্যালোচনার সময় এই কমিটি প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রবিধান, রীতি, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ (যদি থাকে), আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের উদ্দেশ্য ও এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি, কনভেনশন, সমঝোতা স্মারক, সিদ্ধান্ত, প্রটোকল বিবেচনা করবে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন আইন প্রণয়নে উদ্যোগী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (সিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব (ড্রাফটিং), জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (আইন প্রণয়ন), অর্থ বিভাগের উপসচিব (বাজেট-২৩, আর্থিক সংশ্লেষ থাকলে) এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষের অ্যাসাইনমেন্ট কর্মকর্তা। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব বা জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (আইন)। কমিটি প্রয়োজন হলে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অধিশাখা এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। আইন প্রণয়ন সংসদের মাধ্যমে আইন প্রণয়নের বিষয়টি ১৭৭৩ সাল পর্যন্ত এদেশের মানুষের কাছে অপরিচিত ছিল। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৭৭৩ সালে গভর্নর জেনারেল-ইন-কাউন্সিলকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা এবং ১৮৮৩ সাল থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পদ্ধতি অনুসরণ করে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করে। ১৮৬১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৪৭ সালে ভারতে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পূর্ব পর্যন্ত কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক আইন পরিষদ যথাক্রমে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক বিষয়ে আইন প্রণয়ন করে আসছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত শাসনতন্ত্রের অধীনে নির্বাচিত সংসদ আইন পাশ করত। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র বলবৎ হবার পর আইন প্রণয়নের জন্য ভোটের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচিত হয়। প্রায় সব বিল উত্থাপন করে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। খুব অল্পসংখ্যক বেসরকারি সদস্যের বিল সংসদীয় বিধিবিধান অনুযায়ী সংসদের কোনো সদস্য দ্বারা উত্থাপন করা হয়। সাধারণত সংশিষ্ট মন্ত্রণালয় নীতিনির্দেশনা সংক্রান্ত নথিপত্র তৈরি করে এবং একটি প্রাথমিক বিলের খসড়া তৈরি করে সারাংশসহ বিলের খসড়া ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অনুমোদনের জন্য ক্যাবিনেট ডিভিশনে প্রেরণ করা হয়। ক্যাবিনেটের অনুমোদনের পর যে মন্ত্রণালয় এ বিল উত্থাপন করেছে সেই মন্ত্রনালয়কে বিলের চুড়ান্ত খসড়া তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্যাবিনেট তা বিবেচনা করে দেখেন। তারপর আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে হয় একটা চূড়ান্ত খসড়া বিল তৈরি করবে নয়ত খসড়া বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ে দেখবে। তারপর চূড়ান্ত খসড়া বিল অথবা খতিয়ে দেখা বিল উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হয় এবং অনুমোদন প্রাপ্তির পর এটাকে সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ড্রাফট বিল পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ল’কমিশনে পাঠাতে পারে এবং কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিলটি কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমার্জন করা হয়।
Romanized Version
মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে আইনের খসড়া গুলো ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আট সদস্যের একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (আইন) আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রণয়ন করা প্রস্তাবিত আইনের ভাষাগত উৎকর্ষ সাধন, বিষয়গত যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও সমন্বয় করবে এ কমিটি। এ ছাড়া আইনের খসড়া পর্যালোচনার সময় এই কমিটি প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রবিধান, রীতি, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ (যদি থাকে), আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের উদ্দেশ্য ও এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি, কনভেনশন, সমঝোতা স্মারক, সিদ্ধান্ত, প্রটোকল বিবেচনা করবে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন আইন প্রণয়নে উদ্যোগী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (সিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব (ড্রাফটিং), জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (আইন প্রণয়ন), অর্থ বিভাগের উপসচিব (বাজেট-২৩, আর্থিক সংশ্লেষ থাকলে) এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষের অ্যাসাইনমেন্ট কর্মকর্তা। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব বা জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (আইন)। কমিটি প্রয়োজন হলে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অধিশাখা এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। আইন প্রণয়ন সংসদের মাধ্যমে আইন প্রণয়নের বিষয়টি ১৭৭৩ সাল পর্যন্ত এদেশের মানুষের কাছে অপরিচিত ছিল। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৭৭৩ সালে গভর্নর জেনারেল-ইন-কাউন্সিলকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা এবং ১৮৮৩ সাল থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পদ্ধতি অনুসরণ করে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করে। ১৮৬১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৪৭ সালে ভারতে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পূর্ব পর্যন্ত কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক আইন পরিষদ যথাক্রমে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক বিষয়ে আইন প্রণয়ন করে আসছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত শাসনতন্ত্রের অধীনে নির্বাচিত সংসদ আইন পাশ করত। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র বলবৎ হবার পর আইন প্রণয়নের জন্য ভোটের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচিত হয়। প্রায় সব বিল উত্থাপন করে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। খুব অল্পসংখ্যক বেসরকারি সদস্যের বিল সংসদীয় বিধিবিধান অনুযায়ী সংসদের কোনো সদস্য দ্বারা উত্থাপন করা হয়। সাধারণত সংশিষ্ট মন্ত্রণালয় নীতিনির্দেশনা সংক্রান্ত নথিপত্র তৈরি করে এবং একটি প্রাথমিক বিলের খসড়া তৈরি করে সারাংশসহ বিলের খসড়া ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অনুমোদনের জন্য ক্যাবিনেট ডিভিশনে প্রেরণ করা হয়। ক্যাবিনেটের অনুমোদনের পর যে মন্ত্রণালয় এ বিল উত্থাপন করেছে সেই মন্ত্রনালয়কে বিলের চুড়ান্ত খসড়া তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্যাবিনেট তা বিবেচনা করে দেখেন। তারপর আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে হয় একটা চূড়ান্ত খসড়া বিল তৈরি করবে নয়ত খসড়া বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ে দেখবে। তারপর চূড়ান্ত খসড়া বিল অথবা খতিয়ে দেখা বিল উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হয় এবং অনুমোদন প্রাপ্তির পর এটাকে সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ড্রাফট বিল পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ল’কমিশনে পাঠাতে পারে এবং কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিলটি কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমার্জন করা হয়। Mantrisabhay Upasthapaner Age Ainer Khasara Gulo Thik Ache Ki Na Ta Pariksha Nirikshar Janya At Sadasyer Ekati Antamantranalay Kamiti Gathan Karechhe Mantriparishad Bibhag Az Robbar Mantriparishad Bibhager Atirikta Sachibake Ain Ahbayak Kare A Kamiti Gathan Kara Hya Sangshlishta Mantranalayagulor Pranayan Kara Prastabit Ainer Bhashagat Utkarsh Sadhan Bishayagat Jatharthata Pariksha Niriksha Anyanya Ainer Sange Samanjasya O Samanway Karabe A Kamiti A Chhara Ainer Khasara Parjalochnar Camay AE Kamiti Prastabit Ainer Sange Sangshlishta Ain Bidhi Prabidhan Riti Uchch Adalter Siddhanta Ba Parjabekshan Jodi Thake Ain Pranayan Ba Sangshodhner Uddeshya O Aare Sambhabya Prabhab Evan Sangshlishta Antarjatik Ain Chukti Convention Samajhota Smarak Siddhanta Pratokal Bibechana Karabe Kamitite Sadasya Hisebe Thakben Ain Pranayane Udyogi Mantranalyer Sangshlishta Anubibhager Pradhan Janaprashasan Mantranalyer Jugma Sachiv CR Lejisletibh O Sansadabishayak Bibhager Jugma Sachiv Drafating Jatiya Sansad Sachibalyer Jugma Sachiv Ain Pranayan Earth Bibhager Upasachib Budget 23 Arthik Sangshlesh Thakle Evan Janaprashasan Mantranalyer Bangla Bhasha Bastabayan Kosher Assignment Karmakarta Kamitite Sadasyasachib Hisebe Thakben Mantriparishad Bibhager Upasachib Ba Jyeshtha Sahakari Sachiv Ain Kamiti Prayojan Hale NATUN Sadasya Antarbhukta Karate Parbe Mantriparishad Bibhager Ain Adhishakha A Kamitike Sachibik Sahayata Dewey Ain Pranayan Sansader Madhyame Ain Pranayaner Bishayati 1773 Saala Parjanta Edesher Manusher Kachhe Aparichit Chhil British Parliament 1773 Sale Gov Jenarel In Kaunsilake Bidhi Pranayaner Xamata Evan 1883 Saala Theke British Parlamenter Paddhati Anusaran Kare Ain Pranayaner Xamata Pradan Kare 1861 Saala Theke Shuru Kare 1947 Sale Bharte British Hasn Abasaner Purba Parjanta Kendriya Evan Pradeshik Ain Parishad Jathakrame Kendriya O Pradeshik Bishye Ain Pranayan Kare Asachhil Parabarti Samaye 1971 Saala Parjanta Shasanatantrer Adhine Nirbachit Sansad Ain Pash Karat 1972 Saler 16 Disembar Bangladesher Shasanatantra Balabt Habar Par Ain Pranayaner Janya Bhoter Madhyame Jatiya Sansad Nirbachit Hay Pray Sab Bill Utthapan Kare Sorcerer Sangshlishta Mantranalay Khub Alpasankhyak Besarakari Sadasyer Bill Sansadiya Bidhibidhan Anujayi Sansader Kono Sadasya Dwara Utthapan Kara Hay Sadharanat Sangshishta Mantranalay Nitinirdeshana Sankranta Nathipatra Tairi Kare Evan Ekati Prathamik Biler Khasara Tairi Kare Sarangshasah Biler Khasara Cabinet Mitingye Anumodner Janya Cabinet Dibhishane Preran Kara Hay Kyabineter Anumodner Par Je Mantranalay A Bill Utthapan Karechhe Sei Mantranalayake Biler Churanta Khasara Tairi Karar Nirdesh Dewa Hay Evan Cabinet Ta Bibechana Kare Dekhen Tarapar Ain Bichar O Sansad Bishayak Mantranalay Udyokta Mantranalyer Anurodhe Hay Ekata Churanta Khasara Bill Tairi Karabe Nayat Khasara Bilti Punkhanupunkha Khatiye Dekhbe Tarapar Churanta Khasara Bill Athaba Khatiye Dekha Bill Udyokta Mantranalyer Kachhe Pathano Hay Evan Anumodan Praptir Par Etake Sansad Sachibalye Pathano Hay Ain Bichar O Sansad Bishayak Mantranalay Drafat Bill Pariksha Nirikshar Janya Lokamishne Pathate Pare Evan Kamishner Pratibedan Pawar Par Bilti Kamishner Paramarsh Anujayi Parimarjan Kara Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Ainer Khasara Ki,What Is The Draft Of The Law?,


vokalandroid