বিজ্ঞান পিডিএফ? ...

বিজ্ঞান পিডিএফ : বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা pdf বাংলা বই। বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর লেখা একটি বাংলা ছোটদের গণিত ও বিজ্ঞান বই। তার “বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা” বইয়ের একটি পিডিএফ (pdf) ফাইল ই বুক (eBook) আমরা অনলাইনে খুজে পেয়েছি এবং মুহম্মদ জাফর ইকবাল (muhammed zafar iqbal) এর অসাধারণ বইটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। আপনারা যেকোন সময় বইটি আমাদের ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে এবং অনলাইনে পড়তে পারবেন। ৭৮ পাতার বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা বাংলা বইটি (Bangla Boi) একটি অধিক পঠিত ছোটদের গণিত ও বিজ্ঞান যা ১৯৯৪ সালে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রথম প্রকাশ করে। 1000 এরও বেশি সাধারণ বিজ্ঞান -এর উপর প্রশ্ন - ... সহ বাকি অংশ অর্থাৎ সব প্রশ্ন-উত্তর গুলি পাওয়ার জন্য PDF FILE টি ডাউনলোড।
Romanized Version
বিজ্ঞান পিডিএফ : বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা pdf বাংলা বই। বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর লেখা একটি বাংলা ছোটদের গণিত ও বিজ্ঞান বই। তার “বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা” বইয়ের একটি পিডিএফ (pdf) ফাইল ই বুক (eBook) আমরা অনলাইনে খুজে পেয়েছি এবং মুহম্মদ জাফর ইকবাল (muhammed zafar iqbal) এর অসাধারণ বইটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। আপনারা যেকোন সময় বইটি আমাদের ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে এবং অনলাইনে পড়তে পারবেন। ৭৮ পাতার বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা বাংলা বইটি (Bangla Boi) একটি অধিক পঠিত ছোটদের গণিত ও বিজ্ঞান যা ১৯৯৪ সালে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রথম প্রকাশ করে। 1000 এরও বেশি সাধারণ বিজ্ঞান -এর উপর প্রশ্ন - ... সহ বাকি অংশ অর্থাৎ সব প্রশ্ন-উত্তর গুলি পাওয়ার জন্য PDF FILE টি ডাউনলোড।Bigyan PDF Bigyaner Ekash Majar Khela Pdf Bangla By Bigyaner Ekash Majar Khela – Muhammed Zafar Iqbal Aare Lekha Ekati Bangla Chhotder Ganit O Bigyan By Taur “bigyaner Ekash Majar Khela” Baiyer Ekati PDF (pdf) File E Book (eBook) Amara Analaine Khuje Peyechhi Evan Muhammed Zafar Iqbal (muhammed Zafar Iqbal) Aare Asadharan Baiti Apanader Majhe Share Karachhi Apanara Jekon Camay Baiti Amader Web Site Theke Download Kare Evan Analaine Parate Paraben 78 Pathar Bigyaner Ekash Majar Khela Bangla Baiti (Bangla Boi) Ekati Adhik Pathit Chhotder Ganit O Bigyan Ja 1994 Sale Gyanakosh Prakashani Pratham Prakash Kare Erao Bedshee Sadharan Bigyan Aare Upar Prashna - ... Huh Bace Angsh Arthat Sab Prashna Uttar Gully Pawar Janya PDF FILE Te Download
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিজ্ঞান পিডিএফ নৈহাটির কাঁঠালপাড়ার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্য রচনার ধারা শুরু করেছিলেন কবিতা দিয়ে। তারপর গল্প এবং উপন্যাস লিখেছেন এবং তার ফাঁকে কিছু বিজ্ঞানও লিখেছেন। সেই সব লেখা সংকলিত হয়ে বইয়ের আকারে প্রকাশিত হয়। সালটা ছিল ১৮৭৫, বইয়ের নাম “বিজ্ঞানরহস্য”। পাটিগণিতের সরল নিয়মে বইয়ের বয়স হল ১৪০, তাই এই শিরোনাম। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে “বঙ্গদর্শন” পত্রিকা নিঃসন্দেহে বড় জায়গা নিয়ে আছে। ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন বঙ্কিমচন্দ্র। তিনিই সম্পাদক। পত্রিকার নানা পৃষ্ঠায় কোন্ কোন্ লেখা ছাপা হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একান্তভাবেই তাঁর। বঙ্কিমচন্দ্র ঠিক করলেন, দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে বঙ্গদর্শনে আর সবকিছুর সঙ্গে বিজ্ঞানও থাকবে। কে লিখবেন? উনবিংশ শতকের শুরু থেকেই খ্রীষ্টধর্মের প্রচারকরা অর্থাৎ মিশনারীরা বাংলা ভাষায় পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের মূল কথাগুলো প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। শরীরের গঠনে পেশী ও হাড়ের ভূমিকা সম্পর্কে ফেলিক্স কেরীর বই বিদ্যাহারাবলী, পিয়ার্সনের ভূগোল, লোসনের পশ্বাবলী বা ইয়েট্স-এর জ্যোতির্বিদ্যা তিরিশের দশকের মধ্যেই প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে যাকে আমরা বলি ম্যাগাজিন, সেই সাময়িক পত্রিকার মধ্যেও কমবেশি বিজ্ঞান লিখছিলেন মিশনারীরা। তবে বিজ্ঞান লেখার কাজ যে শুধু তাঁরাই করেছিলেন সেটা ভাবলে ভুল হবে। বেশ কয়েকজন বাঙালি এ ব্যাপারে কৃতিত্ব দেখান। প্রথমে অবশ্যই নাম করতে হয় অক্ষয়কুমার দত্তের (১৮২০-১৮৮৬)। মাত্র একুশ বছর বয়সে তিনি একটা বিজ্ঞানের বই লেখেন – ভূগোল। বাংলা ভাষায় বাঙালির হাতে রচিত এটাই প্রথম বিজ্ঞানের বই। ১৮৫৬ সালে তিনি পদার্থবিদ্যা নামেও একটা বই লেখেন। অক্ষয়কুমারের বই সে সময়ে বহু প্রতিষ্ঠানে পাঠ্য ছিল। রবীন্দ্রনাথও তারঁ লেখা বই পড়ে শিক্ষার পালা শুরু করেন। যাই হোক্, অক্ষয়কুমার ছাড়া আরও যাঁদের নাম করতে হয় তাঁরা হলেন কৃষ্ণমোহন বন্দোপাধ্যায় (১৮১৩-১৮৮৫) এবং রাজেন্দ্রলাল মিত্র (১৮২২-১৮৭১)। বাংলাভাষায় জ্যামিতির কথা আলোচনা করে তাক্ লাগিয়ে দেন কৃষ্ণমোহন। রাজেন্দ্রলাল লিখেছেন অনেক বিষয়ে। তবে তাঁর খ্যাতি ভূগোলের বিজ্ঞান সহজবোধ্য ভাষায় তুলে ধরায়। সে সময় বেশ কিছু পত্রিকাও নাম করে নিয়েছে। অন্যতম অবশ্যই তত্ত্ববোধিনী। ১৮৪৩ খ্রীষ্টাব্দের অগাস্ট মাসে প্রকাশিত হয় সেটা। সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার। আশেপাশে আরও কয়েকটা পত্রিকা বিজ্ঞানের কথা পরিবেশন করলেও তত্ত্ববোধিনীর লেখা তথ্যে ও বাঁধুনিতে এগিয়ে ছিল অনেকটাই। তত্ত্ববোধিনী প্রকাশের প্রায় এক দশক আগে জ্ঞানান্বেষণ, জ্ঞানোদয়, বিজ্ঞানসেবধি, বিজ্ঞানসার সংগ্রহ প্রভৃতি বিজ্ঞান জনপ্রিয় করার চেষ্টা করেছে তাদের মত করে। ফলে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েই ছিল। লেখক ছিল না বললে ভুল হবে। বঙ্কিমচন্দ্র বিজ্ঞানের জন্য এঁদের কাউকে ধরেছিলেন? একেবারেই না ! দায়িত্ব নিয়েছিলেন নিজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক কতটা বিজ্ঞান পড়েছিলেন তার নিখুঁত বর্ণনা নেই হাতের কাছে। তবে বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞানের উপস্হিতি নিয়ে গবেষণা করে যে ব্যক্তি আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন সেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের লেখা থেকে কিছুটা উদ্ধৃত করা যেতে পারে। তিনি লিখেছেন, “ পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের প্রতি বরাবরই বঙ্কিমচন্দ্রের আকর্ষণ ছিল। বাল্যকালে সাহিত্যের সঙ্গে সঙ্গে গণিত ও ভূগোলেও তিনি পারদর্শিতা দেখান। গণিতে প্রায়ই তিনি ক্লাশের ছাত্রদের থেকে এগিয়ে থাকতেন। কলেজে বঙ্কিমচন্দ্রের পাঠ্যবিষয়ের মধ্যে ছিল মনস্তত্ত্ব, প্রাকৃতিক ভূগোল, গণিত, জরীপবিজ্ঞান ইত্যাদি।” (বঙ্গসাহিত্যে বিজ্ঞান) ।
Romanized Version
বিজ্ঞান পিডিএফ নৈহাটির কাঁঠালপাড়ার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্য রচনার ধারা শুরু করেছিলেন কবিতা দিয়ে। তারপর গল্প এবং উপন্যাস লিখেছেন এবং তার ফাঁকে কিছু বিজ্ঞানও লিখেছেন। সেই সব লেখা সংকলিত হয়ে বইয়ের আকারে প্রকাশিত হয়। সালটা ছিল ১৮৭৫, বইয়ের নাম “বিজ্ঞানরহস্য”। পাটিগণিতের সরল নিয়মে বইয়ের বয়স হল ১৪০, তাই এই শিরোনাম। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে “বঙ্গদর্শন” পত্রিকা নিঃসন্দেহে বড় জায়গা নিয়ে আছে। ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন বঙ্কিমচন্দ্র। তিনিই সম্পাদক। পত্রিকার নানা পৃষ্ঠায় কোন্ কোন্ লেখা ছাপা হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একান্তভাবেই তাঁর। বঙ্কিমচন্দ্র ঠিক করলেন, দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে বঙ্গদর্শনে আর সবকিছুর সঙ্গে বিজ্ঞানও থাকবে। কে লিখবেন? উনবিংশ শতকের শুরু থেকেই খ্রীষ্টধর্মের প্রচারকরা অর্থাৎ মিশনারীরা বাংলা ভাষায় পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের মূল কথাগুলো প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। শরীরের গঠনে পেশী ও হাড়ের ভূমিকা সম্পর্কে ফেলিক্স কেরীর বই বিদ্যাহারাবলী, পিয়ার্সনের ভূগোল, লোসনের পশ্বাবলী বা ইয়েট্স-এর জ্যোতির্বিদ্যা তিরিশের দশকের মধ্যেই প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে যাকে আমরা বলি ম্যাগাজিন, সেই সাময়িক পত্রিকার মধ্যেও কমবেশি বিজ্ঞান লিখছিলেন মিশনারীরা। তবে বিজ্ঞান লেখার কাজ যে শুধু তাঁরাই করেছিলেন সেটা ভাবলে ভুল হবে। বেশ কয়েকজন বাঙালি এ ব্যাপারে কৃতিত্ব দেখান। প্রথমে অবশ্যই নাম করতে হয় অক্ষয়কুমার দত্তের (১৮২০-১৮৮৬)। মাত্র একুশ বছর বয়সে তিনি একটা বিজ্ঞানের বই লেখেন – ভূগোল। বাংলা ভাষায় বাঙালির হাতে রচিত এটাই প্রথম বিজ্ঞানের বই। ১৮৫৬ সালে তিনি পদার্থবিদ্যা নামেও একটা বই লেখেন। অক্ষয়কুমারের বই সে সময়ে বহু প্রতিষ্ঠানে পাঠ্য ছিল। রবীন্দ্রনাথও তারঁ লেখা বই পড়ে শিক্ষার পালা শুরু করেন। যাই হোক্, অক্ষয়কুমার ছাড়া আরও যাঁদের নাম করতে হয় তাঁরা হলেন কৃষ্ণমোহন বন্দোপাধ্যায় (১৮১৩-১৮৮৫) এবং রাজেন্দ্রলাল মিত্র (১৮২২-১৮৭১)। বাংলাভাষায় জ্যামিতির কথা আলোচনা করে তাক্ লাগিয়ে দেন কৃষ্ণমোহন। রাজেন্দ্রলাল লিখেছেন অনেক বিষয়ে। তবে তাঁর খ্যাতি ভূগোলের বিজ্ঞান সহজবোধ্য ভাষায় তুলে ধরায়। সে সময় বেশ কিছু পত্রিকাও নাম করে নিয়েছে। অন্যতম অবশ্যই তত্ত্ববোধিনী। ১৮৪৩ খ্রীষ্টাব্দের অগাস্ট মাসে প্রকাশিত হয় সেটা। সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার। আশেপাশে আরও কয়েকটা পত্রিকা বিজ্ঞানের কথা পরিবেশন করলেও তত্ত্ববোধিনীর লেখা তথ্যে ও বাঁধুনিতে এগিয়ে ছিল অনেকটাই। তত্ত্ববোধিনী প্রকাশের প্রায় এক দশক আগে জ্ঞানান্বেষণ, জ্ঞানোদয়, বিজ্ঞানসেবধি, বিজ্ঞানসার সংগ্রহ প্রভৃতি বিজ্ঞান জনপ্রিয় করার চেষ্টা করেছে তাদের মত করে। ফলে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েই ছিল। লেখক ছিল না বললে ভুল হবে। বঙ্কিমচন্দ্র বিজ্ঞানের জন্য এঁদের কাউকে ধরেছিলেন? একেবারেই না ! দায়িত্ব নিয়েছিলেন নিজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক কতটা বিজ্ঞান পড়েছিলেন তার নিখুঁত বর্ণনা নেই হাতের কাছে। তবে বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞানের উপস্হিতি নিয়ে গবেষণা করে যে ব্যক্তি আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন সেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের লেখা থেকে কিছুটা উদ্ধৃত করা যেতে পারে। তিনি লিখেছেন, “ পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের প্রতি বরাবরই বঙ্কিমচন্দ্রের আকর্ষণ ছিল। বাল্যকালে সাহিত্যের সঙ্গে সঙ্গে গণিত ও ভূগোলেও তিনি পারদর্শিতা দেখান। গণিতে প্রায়ই তিনি ক্লাশের ছাত্রদের থেকে এগিয়ে থাকতেন। কলেজে বঙ্কিমচন্দ্রের পাঠ্যবিষয়ের মধ্যে ছিল মনস্তত্ত্ব, প্রাকৃতিক ভূগোল, গণিত, জরীপবিজ্ঞান ইত্যাদি।” (বঙ্গসাহিত্যে বিজ্ঞান) ।Bigyan PDF Naihatir Kanthalparar Bankimachandra Chattopadhyay Tanr Sahitya Rachanar Dhara Shuru Karechhilen Kavita Diye Tarapar Galpa Evan Upanyas Likhechhen Evan Taur Fanke Kichhu Bigyanao Likhechhen Sei Sab Lekha Sankalit Huye Baiyer Akare Prakashit Hay Salta Chhil 1875 Baiyer NAM “bigyanarahasya” Patigniter Soral Niamey Baiyer Boy Hall 140 Tai AE Shironam Bangla Sahityer Itihase “bangadarshan” Patrika Nihsandehe Bar Jayga Niye Ache 1872 Saler April Mase AE Patrika Prakash Curren Bankimachandra Tinii Sampadak Patrikar Nana Prishthay Kon Kon Lekha Chhapa Habe Say Samparke Siddhanta Newar Adhikar Ekantabhabei Tanr Bankimachandra Thik Karalen Dwitiya Sankhya Theke Bangadarshane Are Sabakichhur Sange Bigyanao Thakbe K Likhben Unabingsh Shataker Shuru Thekei Khrishtadharmer Pracharakara Arthat Mishnarira Bangla Bhashay Pashchatya Bigyaner Mul Kathagulo Prakash Karate Shuru Karechhen Sharirer Gathane Peshi O Hader Bhumika Samparke Feliks Kerir By Bidyaharabli Piyarsaner Bhugol Losner Pashwabali Ba Iyets Aare Jyotirbidya Tirisher Dashaker Madhyei Prakashit Huye Giyechhil Anyadike Jake Amara Bali Myagajin Sei Samyik Patrikar Madhyeo Kamabeshi Bigyan Likhchhilen Mishnarira Tove Bigyan Lekhar Kaj Je Shudhu Tanrai Karechhilen SATA Bhable Bhool Habe Bash Kayekajan Bangali A Byapare Krititba Dekhan Prathame Abashyai NAM Karate Hay Akshayakumar Datter 1820 1886 Maatr Ekush Bachhar Bayase Tini Ekata Bigyaner By Lekhen – Bhugol Bangla Bhashay Bangalir Hate Rachit Etai Pratham Bigyaner By 1856 Sale Tini Padarthabidya Nameo Ekata By Lekhen Akshayakumarer By Say Some Bahu Pratishthane Pathya Chhil Rabindranathao Taran Lekha By Pare Shikshar Pala Shuru Curren Jai Hok Akshayakumar Chhara RO Jander NAM Karate Hay Tanra Halen Krishnamohan Bandopadhyay 1813 1885 Evan Rajendralal Metri 1822 1871 Banglabhashay Jyamitir Katha Alochana Kare Tak Lagiye Than Krishnamohan Rajendralal Likhechhen Anek Vise Tove Tanr Khyati Bhugoler Bigyan Sahajabodhya Bhashay Tule Dharay Say Camay Bash Kichhu Patrikao NAM Kare Niyechhe Anyatam Abashyai Tattbabodhini 1843 Khrishtabder August Mase Prakashit Hay SATA Sampadak Chhilen Akshayakumar Ashepashe RO Kayekata Patrika Bigyaner Katha Paribeshan Karaleo Tattbabodhinir Lekha Tathye O Bandhunite Egiye Chhil Anektai Tattbabodhini Prakasher Pray Ec Dashak Age Gyananweshan Gyanoday Bigyanasebdhi Bigyanasar Sangrah Prabhriti Bigyan Janapriya Karar Cheshta Karechhe Tader Matt Kare Fale Ekata Paribesh Tairi Hayei Chhil Lekhak Chhil Na Balale Bhool Habe Bankimachandra Bigyaner Janya Ender Kauke Dharechhilen Ekebarei Na ! Dayitba Niyechhilen Nije Kolkata Bishwabidyalaye Thik Katata Bigyan Parechhilen Taur Nikhunt Barnana Nei Hater Kachhe Tove Bangla Sahitye Bigyaner Upashiti Niye Gabeshana Kare Je Byakti Amader Samriddha Karechhen Sei Buddhadeb Bhattacharjer Lekha Theke Kichhuta Uddhrit Kara Jete Pare Tini Likhechhen “ Pashchatya Bigyaner Prati Barabarai Bankimachandrer Akarshan Chhil Balyakale Sahityer Sange Sange Ganit O Bhugoleo Tini Paradarshita Dekhan Ganite Prayai Tini Klasher Chhatrader Theke Egiye Thakten Kaleje Bankimachandrer Pathyabishyer Madhye Chhil Manastattba Praakritik Bhugol Ganit Jaripbigyan Ityadi ” Bangasahitye Bigyan
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan PDF,Science Pdf?,


vokalandroid