বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার লেখ। ...

পৃথিবীর সব দেশেই জীবনের সকল তৎপরতাকে মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এই সকল তৎপরতা সামগ্রিকভাবে নির্ণয় করে দেশগুলোর কৃষ্টি ও সভ্যতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা এবং গবেষণা মানব জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষজ্ঞ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও একথা সত্যি যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখনও আমাদের কৃষ্টির অঙ্গ হয়ে ওঠেনি। অথচ আমরা যদি উন্নত বিশ্বের দিকে তাকাই এবং সেখানকার বিজ্ঞানের সাথে জীবনের যোগসূত্র লক্ষ্য করি তাহলে এটা একেবারেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখন মানুষের কৃষ্টির এক অপরিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে অতি বৃহৎ জিনিস এবং অতি ক্ষুদ্র জিনিসের উপর যে গবেষণা চালানো হয়েছে তা সকলের মনে দুটি প্রশ্নের জবাব খুঁজবার প্রয়াস পেয়েছে। প্রশ্ন দুটি হলো(১) মহাবিশ্বের উদ্ভব ঘটল কী করে(২) প্রাণের উদ্ভব ঘটল কী করে? এ দুটি প্রশ্ন আদি মানুষের মনেও ছিল কিন্তু তখনকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মত অবস্থায় ছিল না। হালে কণা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কসমোলজিতে অসাধারণ অগ্রগতির ফলে এই প্রশ্নগুলোর জবাব পাওয়া শুরু হয়েছে। তবে শেষ কথাটি যে বলা গেছে তা নয়। যাহোক এই প্রশ্নগুলো যেহেতু মানব মনের তাই এগুলো তার চিন্তা, তার বিশ্বাস, তার সংস্কৃতিরই একটা অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Romanized Version
পৃথিবীর সব দেশেই জীবনের সকল তৎপরতাকে মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এই সকল তৎপরতা সামগ্রিকভাবে নির্ণয় করে দেশগুলোর কৃষ্টি ও সভ্যতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা এবং গবেষণা মানব জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষজ্ঞ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও একথা সত্যি যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখনও আমাদের কৃষ্টির অঙ্গ হয়ে ওঠেনি। অথচ আমরা যদি উন্নত বিশ্বের দিকে তাকাই এবং সেখানকার বিজ্ঞানের সাথে জীবনের যোগসূত্র লক্ষ্য করি তাহলে এটা একেবারেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখন মানুষের কৃষ্টির এক অপরিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে অতি বৃহৎ জিনিস এবং অতি ক্ষুদ্র জিনিসের উপর যে গবেষণা চালানো হয়েছে তা সকলের মনে দুটি প্রশ্নের জবাব খুঁজবার প্রয়াস পেয়েছে। প্রশ্ন দুটি হলো(১) মহাবিশ্বের উদ্ভব ঘটল কী করে(২) প্রাণের উদ্ভব ঘটল কী করে? এ দুটি প্রশ্ন আদি মানুষের মনেও ছিল কিন্তু তখনকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মত অবস্থায় ছিল না। হালে কণা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কসমোলজিতে অসাধারণ অগ্রগতির ফলে এই প্রশ্নগুলোর জবাব পাওয়া শুরু হয়েছে। তবে শেষ কথাটি যে বলা গেছে তা নয়। যাহোক এই প্রশ্নগুলো যেহেতু মানব মনের তাই এগুলো তার চিন্তা, তার বিশ্বাস, তার সংস্কৃতিরই একটা অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।Prithibir Sab Desayi Jibner Sakal Ttparatake Matribhashar Madhyame Prakash Kara Hay AE Sakal Ttparata Samagrikabhabe Nirnay Kare Deshgulor Krishti O Sabhyata Bigyan O Prajukti Siksha Evan Gabeshana Menabe Jibner Ekata Gurutbapurna Anushagya Kintu Duhkhajanak Haleo Ekatha Satyi Je Bigyan O Prajukti Ekhanao Amader Krishtir Ong Huye Otheni Athos Amara Jodi Unnat Bishwer Dike Takai Evan Sekhankar Bigyaner Sathe Jibner Jogsutra Lakshya Kari Tahle Etah Ekebarei Spashta Huye Jay Je Bigyan O Prajukti Ekhan Manusher Krishtir Ec Aparichchhedya Ong Bingsh Shatabdir Sheshbhage Atti Briht Zeneca Evan Atti Xudra Jiniser Upar Je Gabeshana Chalano Hayechhe Ta Sakaler Money Duti Prashner Jabab Khunjabar Prayas Peyechhe Prashna Duti Holo 1 Mahabishwer Udbhav Ghatal Key Kare 2 Praner Udbhav Ghatal Key Kare A Duti Prashna Adi Manusher Maneo Chhil Kintu Takhanakar Bigyan O Prajukti Byabahar A Prashner Uttar Dewar Matt Abasthay Chhil Na Hale Kuna Bigyan O Prajuktir Kasamoljite Asadharan Agragatir Fale AE Prashnagulor Jabab Powa Shuru Hayechhe Tove Sesh Kathati Je Bala Gechhe Ta Noy Jahok AE Prashnagulo Jehetu Menabe Maner Tai Egulo Taur Chinta Taur Biswas Taur Sanskritirai Ekata Ong Huye Danriyechhe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Science and Technology) একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতির লালনভূমি হিসেবে বাংলাদেশ অতি প্রাচীনকাল থেকেই সুপরিচিত। মৌসুমি জলবায়ু আর উর্বর বদ্বীপীয় পাললিক ভূমিসমৃদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের এ অঞ্চলে বিজ্ঞান ও ললিতকলারও বিকাশ ঘটে। আবার ভৌগোলিক সুবিধাও এ অঞ্চলের ছিল, অর্থাৎ ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ তথা ভারতে বৈদেশিক আক্রমণের প্রচলিত পথ থেকে অনেক দূরে ছিল বাংলাদেশের অবস্থান। ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের সময় পাকিস্তানে মাত্র দুটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল- পশ্চিম পাকিস্তানে ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় এবং পূর্ব পাকিস্তানে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাঁচে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। যুক্তিসংগত কারণেই কখনও কখনও এটিকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবেও আখ্যায়িত করা হতো, কেননা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যের অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের বাংলা অংশের মুসলিম পুনর্জাগরণ ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড ও চর্চা অপেক্ষাকৃত ধীর গতিসম্পন্ন ছিল। পাকিস্তান সরকার তার মোট জাতীয় উৎপাদনের মাত্র ০.১ শতাংশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ রাখে, যার মাত্র এক দশমাংশেরও কম পেত পূর্ব পাকিস্তান। পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব এবং জাতীয় সম্পদ পারমাণবিক যুদ্ধোপকরণ অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যয় সংক্রান্ত পাকিস্তান সরকারের ভ্রান্ত বিজ্ঞান নীতির কারণে এতদঞ্চলের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি ছিল খুবই সামান্য। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংগঠন স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য অবকাঠামো ছিল বিপর্যস্ত। তখন দেশে বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে সম্পদ বলতে ছিল ভবন ও জনশক্তি আর সীমিত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি যার বেশির ভাগই ছিল অচল। এ সকল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সচল করার জন্য প্রচুর আর্থিক বিনিয়োগের প্রয়োজন দেখা দেয়। মূলত স্বাধীনতার পরই বাংলাদেশে বিজ্ঞানের নতুন নতুন গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এবং আধুনিক গবেষণাগার সজ্জিত একাধিক কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। বিশেষ করে কৃষি ও জৈব চিকিৎসা (biomedical) ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের গবেষণার জন্য বেশ কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মকান্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- প্রথমত, সরাসরি সরকারি অনুদানে পরিচালিত হয় এমন প্রতিষ্ঠান, যেগুলি মূলত গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্যই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে; দ্বিতীয়ত, প্রকৌশল ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগগুলি পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহ। জাতীয় গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহ সরাসরি জাতীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ের উভয় ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পেশার দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক গবেষণা কর্মকান্ডও পরিচালনা করে থাকে। দেশের প্রাতিষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতা শুরু হয় ১৯৪২ সালে ভারতে ব্রিটিশ কর্তৃক ‘কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যা ১৮৯০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট-২১-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই আইনটি ছিল একটি মাইল ফলক যা আজও ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিজ্ঞান সমাজ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই আইনের আওতায় ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (PCSIR) প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আরও বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি সাধিত হয়। পিসিএসআইআর ১৯৫৫ সালে ঢাকায় প্রথম তার পূর্বাঞ্চলীয় গবেষণাগার স্থাপন করে। এর পরে ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রামে এবং ১৯৬৭ সালে রাজশাহীতে আরও দুটি গবেষণাগার স্থাপিত হয়। গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার জন্য এসময় ছয়টি সংস্থা কর্মরত ছিল, যেগুলি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ উত্তরাধিকার সূত্রে পাকিস্তানের কাছ থেকে পেয়েছে। এই সংস্থাগুলি হচ্ছে: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), পূর্ত ও গৃহায়ণ কাউন্সিল এবং সেচ, নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ গবেষণা কাউন্সিল। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কর্তৃক শাসিত এই কাউন্সিলসমূহের আওতায় সেসময় প্রায় কুড়িটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্মরত ছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালে যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠন, ধ্বসংপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ প্রভৃতি নানামুখী সমস্যা মোকাবেলায় নতুন বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ ছিল খুবই সামান্য। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানি শাসনের শেষ সময়ের পরিকল্পনা অনুসারে প্রায় অর্ধ ডজন গবেষণা প্রতিষ্ঠান উক্ত সময়কালে কার্যক্রম শুরু করে। এ ধারা অনুসরণ করে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত আরও প্রায় দশটি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। ১৯৯০-এর দশকে আরও অধিক সংখ্যক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং ১৯৯৯ সাল নাগাদ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪টিতে।
Romanized Version
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Science and Technology) একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতির লালনভূমি হিসেবে বাংলাদেশ অতি প্রাচীনকাল থেকেই সুপরিচিত। মৌসুমি জলবায়ু আর উর্বর বদ্বীপীয় পাললিক ভূমিসমৃদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের এ অঞ্চলে বিজ্ঞান ও ললিতকলারও বিকাশ ঘটে। আবার ভৌগোলিক সুবিধাও এ অঞ্চলের ছিল, অর্থাৎ ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ তথা ভারতে বৈদেশিক আক্রমণের প্রচলিত পথ থেকে অনেক দূরে ছিল বাংলাদেশের অবস্থান। ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের সময় পাকিস্তানে মাত্র দুটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল- পশ্চিম পাকিস্তানে ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় এবং পূর্ব পাকিস্তানে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাঁচে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। যুক্তিসংগত কারণেই কখনও কখনও এটিকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবেও আখ্যায়িত করা হতো, কেননা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যের অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের বাংলা অংশের মুসলিম পুনর্জাগরণ ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড ও চর্চা অপেক্ষাকৃত ধীর গতিসম্পন্ন ছিল। পাকিস্তান সরকার তার মোট জাতীয় উৎপাদনের মাত্র ০.১ শতাংশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ রাখে, যার মাত্র এক দশমাংশেরও কম পেত পূর্ব পাকিস্তান। পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব এবং জাতীয় সম্পদ পারমাণবিক যুদ্ধোপকরণ অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যয় সংক্রান্ত পাকিস্তান সরকারের ভ্রান্ত বিজ্ঞান নীতির কারণে এতদঞ্চলের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি ছিল খুবই সামান্য। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংগঠন স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য অবকাঠামো ছিল বিপর্যস্ত। তখন দেশে বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে সম্পদ বলতে ছিল ভবন ও জনশক্তি আর সীমিত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি যার বেশির ভাগই ছিল অচল। এ সকল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সচল করার জন্য প্রচুর আর্থিক বিনিয়োগের প্রয়োজন দেখা দেয়। মূলত স্বাধীনতার পরই বাংলাদেশে বিজ্ঞানের নতুন নতুন গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এবং আধুনিক গবেষণাগার সজ্জিত একাধিক কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। বিশেষ করে কৃষি ও জৈব চিকিৎসা (biomedical) ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের গবেষণার জন্য বেশ কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মকান্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- প্রথমত, সরাসরি সরকারি অনুদানে পরিচালিত হয় এমন প্রতিষ্ঠান, যেগুলি মূলত গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্যই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে; দ্বিতীয়ত, প্রকৌশল ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগগুলি পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহ। জাতীয় গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহ সরাসরি জাতীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ের উভয় ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পেশার দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক গবেষণা কর্মকান্ডও পরিচালনা করে থাকে। দেশের প্রাতিষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতা শুরু হয় ১৯৪২ সালে ভারতে ব্রিটিশ কর্তৃক ‘কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যা ১৮৯০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট-২১-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই আইনটি ছিল একটি মাইল ফলক যা আজও ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিজ্ঞান সমাজ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই আইনের আওতায় ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (PCSIR) প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আরও বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি সাধিত হয়। পিসিএসআইআর ১৯৫৫ সালে ঢাকায় প্রথম তার পূর্বাঞ্চলীয় গবেষণাগার স্থাপন করে। এর পরে ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রামে এবং ১৯৬৭ সালে রাজশাহীতে আরও দুটি গবেষণাগার স্থাপিত হয়। গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার জন্য এসময় ছয়টি সংস্থা কর্মরত ছিল, যেগুলি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ উত্তরাধিকার সূত্রে পাকিস্তানের কাছ থেকে পেয়েছে। এই সংস্থাগুলি হচ্ছে: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), পূর্ত ও গৃহায়ণ কাউন্সিল এবং সেচ, নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ গবেষণা কাউন্সিল। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কর্তৃক শাসিত এই কাউন্সিলসমূহের আওতায় সেসময় প্রায় কুড়িটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্মরত ছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালে যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠন, ধ্বসংপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ প্রভৃতি নানামুখী সমস্যা মোকাবেলায় নতুন বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ ছিল খুবই সামান্য। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানি শাসনের শেষ সময়ের পরিকল্পনা অনুসারে প্রায় অর্ধ ডজন গবেষণা প্রতিষ্ঠান উক্ত সময়কালে কার্যক্রম শুরু করে। এ ধারা অনুসরণ করে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত আরও প্রায় দশটি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। ১৯৯০-এর দশকে আরও অধিক সংখ্যক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং ১৯৯৯ সাল নাগাদ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪টিতে। Bigyan O Prajuktir Byabahar : Bigyan O Prajukti (Science And Technology) Ekati Samriddha Sanskritir Lalanabhumi Hisebe Bangladesh Atti Prachinkal Thekei Suprichit Mausumi Jalabayu Are Urbar Badwipiya Pallik Bhumismriddha Bhartiya Upamahadesher A Anchale Bigyan O Lalitakalarao Vikas Ghate Abar Bhaugolik Subidhao A Anchaler Chhil Arthat Bharter Uttar Purba Angsh Tatha Bharte Baideshik Akramaner Prachalit Path Theke Anek Dure Chhil Bangladesher Abasthan Ingrej Hasn Theke Swadhinata Labher Samay Pakistane Maatr Duti Sadharan Bishwabidyalay Chhil Pashchim Pakistane 1882 Sale Pratishthit Punjab Bishwabidyalay Evan Purba Pakistane 1921 Sale Pratishthit Dhaka Bishwabidyalay Pratishthar Par Dhaka Bishwabidyalayake Inglyander Oxford Bishwabidyalayer Dhanche Gare Tolar Cheshta Kara Hay Juktisangat Karnei Kakhanao Kakhanao ATK Prachyer Oxford Hisebeo Akhyayit Kara Hato Kenna Dhaka Bishwabidyalay Janma Diyechhe Bigyan Shilpa O Sahityer Anek Khyatanama Byaktitba AE Bishwabidyalay Chhil Ttkalin Bhartiya Upamahadesher Bangla Angsher Muslim Punarjagaran O Sahitya Sanskriti Charchar Anyatam Pranakendra Pakistan Amole Purba Pakistaner Siksha Pratishthanasamuhe Baigyanik Karmakand O Charcha Apekshakrit Dhir Gatisampanna Chhil Pakistan Sarkar Taur Mot Jatiya Utpadner Maatr 0 1 Shatangsh Bigyan O Prajukti Khate Baradda Rakhe Jar Maatr Ec Dashamangsherao Com Pet Purba Pakistan Parjapta Baradder Abhab Evan Jatiya Sampada Parmanbik Juddhopakaran Arjaner Uddeshye Byay Sankranta Pakistan Sorcerer Bhranta Bigyan Nitir Karne Etadanchaler Arthanaitik Swanirbharata Arjaner Lakshye Bigyan O Prajukti Xetre Tatparjapurna Agragati Chhil Khubai Samanya Bigyan O Prajukti Sangathan Swadhintar Par Bangladesher Arthaniti O Anyanya Abakathamo Chhil Biparjasta Takhan Deshe Bidyaman Ullekhajogya Sankhyak Gabeshana O Unnayan Pratishthane Sampada Volte Chhil Bhawan O Janashakti Are Shimit Sankhyak Baigyanik Jantrapati Jar Beshir Bhagai Chhil Oslo A Sakal Baigyanik Jantrapati Sachal Karar Janya Prachur Arthik Biniyoger Prayojan Dekha Dey Mulat Swadhintar Parai Bangladeshe Bigyaner NATUN NATUN Gabeshana O Unnayan Pratisthan Evan Adhunik Gabeshnagar Sajjit Ekadhik Karigari Bishwabidyalay Sthapit Hay Vishesha Kare Krishi O Jaib Chikitsa (biomedical) Xetre Math Parjayer Gabeshnar Janya Bash Kichhu Gabeshana Pratisthan Pratishthit Hay Sarbikabhabe Bangladesher Bigyan O Prajukti Karmakand Parichalnakari Pratishthanagulike Duti Shrenite Bhag Kara Jay Prathamat Sarasari Sarakari Anudane Parichalit Hay Eman Pratisthan Jeguli Mulat Gabeshana O Unnayan Karmakand Parichalnar Janyai Pratishtha Kara Hayechhe Dwitiyat Prakaushal O Krishi Bishwabidyalay Evan Sadharan Bishwabidyalayer Bigyan Bibhagguli Parichalit Pratishthanasamuh Jatiya Gabeshana O Unnayan Pratishthanasamuh Sarasari Jatiya Earth Samajik Unnayan Samparkit Bishye Gabeshnagar O Math Parjayer Ubhay Dharaner Baigyanik Gabeshana Karmakand Parichalna Kare Thake Anyadike Bishwabidyalayaguli Bibhinna Baigyanik Peshar Daksh Janashakti Tairir Lakshye Bigyan O Prajukti Bishye Siksha Pradaner Pashapashi Tattbik O Prayogik Gabeshana Karmakandao Parichalna Kare Thake Desher Pratishthanik Baigyanik Gabeshana Karmakander Dharabahikta Shuru Hay 1942 Sale Bharte British Kartrik ‘kaunsil Of Sayentifik And Indastriyal Risarcho Pratishthar Madhyame Ja 1890 Saler Sosaitij Registration Act 21 Aare Aotay Pratishthit Hay AE Ainati Chhil Ekati Mile Falak Ja Ajao Bharat Pakistan O Bangladesher Bigyan Samaj Evan Gabeshana Pratishthanasamuhke Niyantran Kare Thake AE Ainer Aotay 1953 Sale Pakistan Bigyan O Shilpa Gabeshana Parishad (PCSIR) Pratishthit Hay A Samay Ttkalin Purba Pakistane RO Bash Kichhu Baigyanik Agragati Sadhit Hay PCSIR 1955 Sale Dhakay Pratham Taur Purbanchaliya Gabeshnagar Sthapan Kare Aare Pare 1965 Sale Chattagrame Evan 1967 Sale Rajshahite RO Duti Gabeshnagar Sthapit Hay Gabeshana O Unnayan Karmakand Samparkit Nitimala Pranayan O Ta Karjakar Karar Janya Esamay Chhayati Sanstha Karmarat Chhil Jeguli Swadhintar Par Bangladesh Uttaradhikar Sutre Pakistaner Kachh Theke Peyechhe AE Sansthaguli Hachchhe Bangladesh Krishi Gabeshana Council Bark Bangladesh Paramanu Shakti Commission BAEC Bangladesh Bigyan O Shilpa Gabeshana Parishad BCSIR Bangladesh Medical Research Council BMRC Purta O Grihayan Council Evan Sech Nishkashan O Banya Niyantran Gabeshana Council Bibhinna Mantranalay Kartrik Shasit AE Kaunsilasamuher Aotay Sesamay Pray Kuriti Gabeshana Pratisthan Karmarat Chhil Swadhintar Par 1971 Theke 1975 Saala Parjanta Samayakale Juddhabidhbasta Arthanitir Punargathan Dhbasangprapta Abakathamo Punarnirman Prabhriti Nanamukhi Samasya Mokabelay NATUN Baigyanik Pratisthan Gare Tolar Sujog Chhil Khubai Samanya Ta Sattbeo Pakistani Shasner Sesh Samayer Parikalpana Anusare Pray Ardha Doesn Gabeshana Pratisthan Ukta Samayakale Karjakram Shuru Kare A Dhara Anusaran Kare 1976 Theke 1980 Saala Parjanta RO Pray Dosti Pratisthan Sthapit Hay 1990 Aare Dashake RO Adhik Sankhyak Gabeshana O Unnayan Pratisthan Chalu Hay Evan 1999 Saala Nagad Gabeshana O Unnayan Pratishthanasamuher Mot Sankhya Danray 74tite
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan O Prajuktir Byabahar Lekh,Write About The Use Of Science And Technology.,


vokalandroid