বিজ্ঞান নগরী ...

বিজ্ঞান নগরী ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত সরকার সাইবেরিয়ার গভীরে একটা বিজ্ঞান নগরী গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। শহরের নাম দেওয়া হয় একাডেমিক সিটি বা আকাদেমগোরোদক। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শিক্ষাবিদদের শহর নামে পরিচিত হয়ে ওঠা ওই শহরে কাজ করতে যাবেন হাজার হাজার বিজ্ঞানী। একাডেমিক সিটিতে প্রথম যেসব বিজ্ঞানী কাজ করতে গিয়েছিলেন তাদের একজন ছিলেন ভিক্টর ভারান্ড। সেখানে সবকিছুই ছিল আলাদা। বাড়িগুলো একেবারে জঙ্গলের মাঝখানে। চারদিক নিঝুম। বাতাস খুব পরিস্কার। নভেম্বরে যখন তুষার পড়ত, রাস্তাঘাট সব সাদা হয়ে যেত। একদিন-দুই দিন-এক সপ্তাহ পর্যন্ত বরফ গলত না। ভিক্টর ভারান্ড সেখানে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে। ১৯৬২ সাল থেকে সেখানে তিনি কাজ করেছিলেন ৪৬ বছর। ইনস্টিটিউট অব ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রি সংস্থায় রসায়ন বিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে তিনি সেখানে কাজে যোগ দেন। ওই নতুন শহরে ২৫ হাজার বাসিন্দার প্রায় সবাই হয় বিজ্ঞানী, নয় বিজ্ঞানী হতে যাচ্ছেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করছেন তাদের গড় বয়স ৩০-এর নিচে। সাইবেরিয়ার বরফ-ঢাকা বিরান ভূমির মাঝখানেই শহরটি গড়ে তোলা হয়, একেবারে গহীন জঙ্গলে। কিন্তু ভিক্টর ভারান্ডের মতে, ওই গহীন জঙ্গলের মাঝে বিজ্ঞানীদের জন্য শহর বানানোর একটা যৌক্তিকতা ছিল। সেখানে গভীর বন-জঙ্গলে ছিল প্রচুর গাছগাছালি। খনিজ সম্পদ ছিল অঢেল। এসব সম্পদের সন্ধান এবং কীভাবে সেসব আহরণ করতে হয় ব্যবহারের জন্য, তা জানা দরকার ছিল। আর সে কারণেই ওই বনভূমিতে তৈরি হয়েছিল আকাদেমগোরোদক। তিনি বলছেন, সোভিয়েতরা বিজ্ঞানের সেবায় উৎসর্গ করতে একটা নগরী গড়ে তুলতে ১৯৫৭ সালটা বেছে নিয়েছিল। ১৯৩০-এর দশকে সোভিয়েতরা বিজ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে পড়েছিল। কারণ বহু নামকরা, প্রথম সারির বিজ্ঞানী, এমনকি নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীরাও হয় দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, নয় তাদের জেলে ভরা হয়েছিল। কাজেই নতুন বিজ্ঞানী তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। জারের সময় থেকে লোকজনকে নির্বাসনে পাঠাতে হলে পাঠানো হতো সাইবেরিয়ায়। সাইবেরিয়া বলতে লোকের মনে একটা ভয়ঙ্কর জায়গার ছবি ভাসত; যেখানে নেকড়ে মানুষ খেয়ে ফেলে। বিজ্ঞানীরা সাইবেরিয়ায় যাওয়ার কথা শুনে ভয় পেতেন। ভিক্টর ভারান্ড বলছিলেন, কেননা মস্কো বা লেনিনগ্রাদ থেকে সাইবেরিয়া ছিল অনেক অনেক দূরে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ওই একাডেমিক সিটি বা বিজ্ঞান নগরীতে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলো বিজ্ঞানের বিশেষ বিশেষ শাখা নিয়ে গবেষণার কাজ করত। কিন্তু তাদের পরস্পরের মধ্যে সমন্বয় ছিল, সংযোগ ছিল।
Romanized Version
বিজ্ঞান নগরী ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত সরকার সাইবেরিয়ার গভীরে একটা বিজ্ঞান নগরী গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। শহরের নাম দেওয়া হয় একাডেমিক সিটি বা আকাদেমগোরোদক। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শিক্ষাবিদদের শহর নামে পরিচিত হয়ে ওঠা ওই শহরে কাজ করতে যাবেন হাজার হাজার বিজ্ঞানী। একাডেমিক সিটিতে প্রথম যেসব বিজ্ঞানী কাজ করতে গিয়েছিলেন তাদের একজন ছিলেন ভিক্টর ভারান্ড। সেখানে সবকিছুই ছিল আলাদা। বাড়িগুলো একেবারে জঙ্গলের মাঝখানে। চারদিক নিঝুম। বাতাস খুব পরিস্কার। নভেম্বরে যখন তুষার পড়ত, রাস্তাঘাট সব সাদা হয়ে যেত। একদিন-দুই দিন-এক সপ্তাহ পর্যন্ত বরফ গলত না। ভিক্টর ভারান্ড সেখানে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে। ১৯৬২ সাল থেকে সেখানে তিনি কাজ করেছিলেন ৪৬ বছর। ইনস্টিটিউট অব ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রি সংস্থায় রসায়ন বিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে তিনি সেখানে কাজে যোগ দেন। ওই নতুন শহরে ২৫ হাজার বাসিন্দার প্রায় সবাই হয় বিজ্ঞানী, নয় বিজ্ঞানী হতে যাচ্ছেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করছেন তাদের গড় বয়স ৩০-এর নিচে। সাইবেরিয়ার বরফ-ঢাকা বিরান ভূমির মাঝখানেই শহরটি গড়ে তোলা হয়, একেবারে গহীন জঙ্গলে। কিন্তু ভিক্টর ভারান্ডের মতে, ওই গহীন জঙ্গলের মাঝে বিজ্ঞানীদের জন্য শহর বানানোর একটা যৌক্তিকতা ছিল। সেখানে গভীর বন-জঙ্গলে ছিল প্রচুর গাছগাছালি। খনিজ সম্পদ ছিল অঢেল। এসব সম্পদের সন্ধান এবং কীভাবে সেসব আহরণ করতে হয় ব্যবহারের জন্য, তা জানা দরকার ছিল। আর সে কারণেই ওই বনভূমিতে তৈরি হয়েছিল আকাদেমগোরোদক। তিনি বলছেন, সোভিয়েতরা বিজ্ঞানের সেবায় উৎসর্গ করতে একটা নগরী গড়ে তুলতে ১৯৫৭ সালটা বেছে নিয়েছিল। ১৯৩০-এর দশকে সোভিয়েতরা বিজ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে পড়েছিল। কারণ বহু নামকরা, প্রথম সারির বিজ্ঞানী, এমনকি নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীরাও হয় দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, নয় তাদের জেলে ভরা হয়েছিল। কাজেই নতুন বিজ্ঞানী তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। জারের সময় থেকে লোকজনকে নির্বাসনে পাঠাতে হলে পাঠানো হতো সাইবেরিয়ায়। সাইবেরিয়া বলতে লোকের মনে একটা ভয়ঙ্কর জায়গার ছবি ভাসত; যেখানে নেকড়ে মানুষ খেয়ে ফেলে। বিজ্ঞানীরা সাইবেরিয়ায় যাওয়ার কথা শুনে ভয় পেতেন। ভিক্টর ভারান্ড বলছিলেন, কেননা মস্কো বা লেনিনগ্রাদ থেকে সাইবেরিয়া ছিল অনেক অনেক দূরে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ওই একাডেমিক সিটি বা বিজ্ঞান নগরীতে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলো বিজ্ঞানের বিশেষ বিশেষ শাখা নিয়ে গবেষণার কাজ করত। কিন্তু তাদের পরস্পরের মধ্যে সমন্বয় ছিল, সংযোগ ছিল।Bigyan Nagari 1957 Sale Sobhiyet Sarkar Saiberiyar Gabhire Ekata Bigyan Nagari Gare Tolar Siddhanta Ney Shaharer NAM Dewa Hay Academic City Ba Akademgorodak Siddhanta Newa Hay Shikshabidder Sahor Name Parichit Huye Otha We Shahare Kaj Karate Jaben Hajar Hajar Bigyani Academic Sitite Pratham Jesab Bigyani Kaj Karate Giyechhilen Tader Ekajan Chhilen Victor Bharand Sekhane Sabakichhui Chhil Alada Barigulo Ekebare Jangaler Majhkhane Chardik Nijhum Bates Khub Pariskar Nabhembare Jakhan Tushar Parhat Rastaghat Sab Sadda Huye Jet Ekadin Dui Dinh Ec Saptah Parjanta Baraf Glut Na Victor Bharand Sekhane Giyechhilen Taur Stri O Sishu Santanake Niye 1962 Saala Theke Sekhane Tini Kaj Karechhilen 46 Bachhar Institute Av Inaragyanik Kemistri Sansthay Rasayan Bigyaner Gabeshak Hisebe Tini Sekhane Kaje Jog Than We NATUN Shahare 25 Hajar Basindar Pray Sabai Hay Bigyani Noy Bigyani Hate Jachchhen Gabeshana Pratishthane Jara Kaj Karachhen Tader Gade Boy 30 Aare Niche Saiberiyar Baraf Dhaka Biran Bhumir Majhkhanei Shaharati Gare Tola Hay Ekebare Gahin Jangale Kintu Victor Bharander Mate We Gahin Jangaler Majhe Bigyanider Janya Sahor Bananor Ekata Jauktikata Chhil Sekhane Gabhir Ban Jangale Chhil Prachur Gachhgachhali Khanij Sampada Chhil Adhel Esab Sampader Sandhan Evan Kibhabe Sesab Aharan Karate Hay Byabaharer Janya Ta Jaana Darakar Chhil Are Say Karnei We Banabhumite Tairi Hayechhil Akademgorodak Tini Balachhen Sobhiyetra Bigyaner Sebay Utsarg Karate Ekata Nagari Gare Tulte 1957 Salta Bechhe Niyechhil 1930 Aare Dashake Sobhiyetra Bigyanacharchay Pichhiye Presil Karan Bahu Namakara Pratham Sarir Bigyani Emanaki Novel Bijyi Bigyanirao Hay Desh Chhere Chale Giyechhilen Noy Tader Jele Bhara Hayechhil Kajei NATUN Bigyani Tairi Kara Jaruri Huye Presil Jarer Camay Theke Lokajanake Nirbasane Pathate Hale Pathano Hato Saiberiyay Saiberiya Volte Loker Money Ekata Bhayankar Jaygar Sbi Bhasat Jekhanay Nekre Manus Kheye Fele Bigyanira Saiberiyay Jawar Katha Shune Vy Peten Victor Bharand Balachhilen Kenna Masko Ba Leninagrad Theke Saiberiya Chhil Anek Anek Dure Bishwabidyalay Chhara We Academic City Ba Bigyan Nagarite Gare Uthechhil Bibhinna Dharaner Baigyanik Pratisthan Jegulo Bigyaner Vishesha Vishesha Shakha Niye Gabeshnar Kaj Karat Kintu Tader Parasparer Madhye Samanway Chhil Sangjog Chhil
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


১৯৫৭ সালে সোভিয়েত সরকার সাইবেরিয়ার গভীরে একটা বিজ্ঞান নগরী গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। শহরের নাম দেওয়া হয় একাডেমিক সিটি বা আকাদেমগোরোদক। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শিক্ষাবিদদের শহর নামে পরিচিত হয়ে ওঠা ওই শহরে কাজ করতে যাবেন হাজার হাজার বিজ্ঞানী। একাডেমিক সিটিতে প্রথম যেসব বিজ্ঞানী কাজ করতে গিয়েছিলেন তাদের একজন ছিলেন ভিক্টর ভারান্ড। সেখানে সবকিছুই ছিল আলাদা। বাড়িগুলো একেবারে জঙ্গলের মাঝখানে। চারদিক নিঝুম। বাতাস খুব পরিস্কার। নভেম্বরে যখন তুষার পড়ত, রাস্তাঘাট নগরী সব সাদা হয়ে যেত। একদিন-দুই দিন-এক সপ্তাহ পর্যন্ত বরফ গলত না। ভিক্টর ভারান্ড সেখানে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে। ১৯৬২ সাল থেকে সেখানে তিনি কাজ করেছিলেন ৪৬ বছর। ইনস্টিটিউট অব ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রি সংস্থায় রসায়ন বিজ্ঞান গবেষক হিসেবে তিনি সেখানে কাজে যোগ দেন।
Romanized Version
১৯৫৭ সালে সোভিয়েত সরকার সাইবেরিয়ার গভীরে একটা বিজ্ঞান নগরী গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। শহরের নাম দেওয়া হয় একাডেমিক সিটি বা আকাদেমগোরোদক। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শিক্ষাবিদদের শহর নামে পরিচিত হয়ে ওঠা ওই শহরে কাজ করতে যাবেন হাজার হাজার বিজ্ঞানী। একাডেমিক সিটিতে প্রথম যেসব বিজ্ঞানী কাজ করতে গিয়েছিলেন তাদের একজন ছিলেন ভিক্টর ভারান্ড। সেখানে সবকিছুই ছিল আলাদা। বাড়িগুলো একেবারে জঙ্গলের মাঝখানে। চারদিক নিঝুম। বাতাস খুব পরিস্কার। নভেম্বরে যখন তুষার পড়ত, রাস্তাঘাট নগরী সব সাদা হয়ে যেত। একদিন-দুই দিন-এক সপ্তাহ পর্যন্ত বরফ গলত না। ভিক্টর ভারান্ড সেখানে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে। ১৯৬২ সাল থেকে সেখানে তিনি কাজ করেছিলেন ৪৬ বছর। ইনস্টিটিউট অব ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রি সংস্থায় রসায়ন বিজ্ঞান গবেষক হিসেবে তিনি সেখানে কাজে যোগ দেন। 1957 Sale Sobhiyet Sarkar Saiberiyar Gabhire Ekata Bigyan Nagari Gare Tolar Siddhanta Ney Shaharer NAM Dewa Hay Academic City Ba Akademgorodak Siddhanta Newa Hay Shikshabidder Sahor Name Parichit Huye Otha We Shahare Kaj Karate Jaben Hajar Hajar Bigyani Academic Sitite Pratham Jesab Bigyani Kaj Karate Giyechhilen Tader Ekajan Chhilen Victor Bharand Sekhane Sabakichhui Chhil Alada Barigulo Ekebare Jangaler Majhkhane Chardik Nijhum Bates Khub Pariskar Nabhembare Jakhan Tushar Parhat Rastaghat Nagari Sab Sadda Huye Jet Ekadin Dui Dinh Ec Saptah Parjanta Baraf Glut Na Victor Bharand Sekhane Giyechhilen Taur Stri O Sishu Santanake Niye 1962 Saala Theke Sekhane Tini Kaj Karechhilen 46 Bachhar Institute Av Inaragyanik Kemistri Sansthay Rasayan Bigyan Gabeshak Hisebe Tini Sekhane Kaje Jog Than
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan Nagari,Science City,


vokalandroid