আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা সম্পর্কে আলোচনা কর? ...

আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা - ১২ জানুয়ারি প্রকাশিত মানিকগঞ্জে ‘যৌন ব্যবসার অভিযোগে আসক নেতা গ্রেপ্তার’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্র (আসক)। আজ বুধবার পাঠানো প্রতিবাদে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) দুটি ভিন্ন সংগঠন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের একমাত্র কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। উক্ত কার্যালয় ব্যতীত বাংলাদেশের কোথাও আমাদের কোনো কার্যালয় নেই। আমরা আরো জানাতে চাই যে উল্লেখিত প্রচারিত এবং প্রকাশিত সংবাদের ঘটনার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের বা সংগঠনের কোনো কর্মীর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।’ আমাদের মানিকগঞ্জের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আহমেদ সাব্বির সোহেল জানিয়েছেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং আইন সহায়তা কেন্দ্র-দুটি সংগঠন তাদের সংক্ষিপ্ত রূপ আসক ব্যবহার করায় সংবাদের বর্ণনায় ভুলবশত আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্রের নাম লেখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের লিখিত প্রতিবাদ পাওয়ার আগেই আজ ওই সংবাদ সংশোধন করে প্রকাশ করা হয়েছে। অসহায়কে আইন ও মানবিক সহায়তা দেওয়া দেশের সবচেয়ে সুপরিচিত মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। আসক-এর প্রধান দাতা সংস্থা বাংলাদেশে সব ধরনের অনুদান বন্ধ করে দেওয়ায় সস্থাটি এই সংকটে পড়েছে। এর দুই তৃতীয়াংশ কর্মীকে বছরের শেষ কর্মদিবস ২৯ ডিসেম্বর বিদায় দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে কেন্দ্রটির অনেকগুলো ইউনিট। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আসক বন্ধ হয়ে গেলে মানবাধিকারের প্রশ্নে একটি শক্তিশালী কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে যাবে, যা চূড়ান্তভাবে বিপুলসংখ্যক অসহায় নারী, শিশু ও সংটাপন্ন মানুষকে ক্ষ​তিগ্রস্ত করবে। “মূলত: অর্থ সংকটের কারণে সংগঠনটি এই অবস্থায় পড়েছে। দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো তহবিল দিচ্ছে না,” বেনার নিউজকে জানিয়েছেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন। আসক সূত্র জানায়, জনস্বার্থে হাইকোর্টে অর্ধশতাধিক রিট মামলার আবেদনকারী আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্র । জনগুরুত্বপূর্ণ এবং মানবিক আবেদনময় বেশ কিছু মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। অথচ হাইকোর্টে রিট মামলা দেখার জন্য আসকের যে পিআইএল (পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন) ইউনিট সেটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। নরওয়ের উন্নয়ন সংস্থা-নোরাডের কাছ থেকে ৪২ শতাংশ অনুদান পেত আসক। বছর দুয়েক আগে তারা বাংলাদেশের সব অনুদান বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে বড় অনুদান বন্ধের পর আসক এ ধরনের বড় দাতা আর খুঁজে পায়নি। এখন কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থার ছোট ছোট অনুদান রয়েছে। এর মধ্যে আছে সুইজারল্যান্ডের এসবিসি, ডেনমার্কের ডানিডা, কানাডার সিডা, জার্মানির নেট বাংলাদেশ এবং সেভ দা চিলড্রেন। আসক সূত্র জানায়, এসব ছোট ছোট প্রকল্প বা অনুদান দিয়ে এত বড় মানবাধিকার সংস্থার কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যেসব আলোচিত মামলা ও কর্মসূচি বিপন্ন নিজের নিরাপত্তা সংকট তুলে ধরে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে। ব্যাপক গণ অসন্তোষ ও বিক্ষোভের মুখে সরকার তাকে দু’দিন পর ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু দায়েরকৃত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি এখনো আছে। প্রবীর শিকদারকে আইন সহায়তা দিয়ে আসছে আসক। এ প্রসঙ্গে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রবীর শিকদার বেনারকে বলেন, “আশা করি আইন ও সালিশ কেন্দ্র এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই আসকের পাশে দাঁড়াবে।” নারায়ণগঞ্জের স্কুলশিক্ষক শ্যামলকান্তি ভক্তকে জনসমক্ষে হেনস্তা, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং কল্যাণপুর বস্তি উচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিটসহ আসকের অনেক মামলায় গণমানুষের আবেগ ও আন্দোলন জড়িত। মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেখভালের অভাবে মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেলে দেশ ও মানুষের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। আসকের সদ্য বিদায়ী সিনিয়র আইনজীবী মাহজাবীন রব্বানী দীপা বলেন, “এর ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও আইনি ব্যাখ্যা থেকে দেশ ও জাতি বঞ্চিত হবে। আসকের চারটি লিগ্যাল এইড ক্লিনিক বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকার জজ কোর্টেই অন্তত: সাড়ে আটশ’ মামলা ঝুলে আছে। আসকের লিটিগেশন ইউনিট এই মামলাগুলো পরিচালনা করত। এই ইউনিটে বর্তমানে আইনজীবী আছেন মাত্র দু’জন। রাজধানীর বাইরেও এ রকম অনেক মামলা ঝুলে আছে। নির্যাতিত অসহায় শিশু এবং নারী ভিকটিমদের পক্ষে আসক এসব মামলা পরিচালনা করত বলে বেনার নিউজকে জানান অ্যাডভোকেট স্নীগ্ধা সাহা। রাজধানীতে বস্তিবাসী, সুবিধা বঞ্চিত ও পথ শিশুদের জন্য আসক পরিচালিত “যখন-তখন” স্কুলগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব স্কুলে শিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি এক বেলা খাবার এবং চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হতো। স্কুলগুলোর সমন্বয়ক হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন নার্গিস আখতার। সম্প্রতি তাকেও প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। ছয়টি স্কুলের মধ্যে চারটি স্কুল ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বলে তিনি বেনার নিউজকে জানান। সালিশি বৈঠক ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবার (কাউন্সেলিং) মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য কলহ নিরসন করা আসকের অন্যতম প্রধান কাজ। আসকের আইনজীবীরা বিবদমান পক্ষগুলোকে ডেকে সালিস মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করতেন। ওই ইউনিটের সাবেক আইনজীবী কুহেলি সুলতানা বেনার নিউজকে বলেছেন, “বছরে কম পক্ষে ১২ হাজার পারিবারিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির টার্গেট নিয়ে আমরা কাজ করেছি। সফলতার হার ছিল ৮০ শতাংশ।” অনেকের মতো কুহেলি সুলতানাও ২৯ তারিখ সংগঠনটি থেকে বিদায় নিয়েছেন। ওই ইউনিটে এখনো ২৪ শ’ বিরোধ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে বলে তিনি জানিয়েছেন। আসক সূত্র জানায়, ওই ইউনিটে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে চারজনকে রাখা হয়েছে। লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও পলিসি রিফর্ম ইউনিট, পিআইএল ইউনিট, কাউন্সেলিং ইউনিট এবং আউটরিচ ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
Romanized Version
আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা - ১২ জানুয়ারি প্রকাশিত মানিকগঞ্জে ‘যৌন ব্যবসার অভিযোগে আসক নেতা গ্রেপ্তার’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্র (আসক)। আজ বুধবার পাঠানো প্রতিবাদে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) দুটি ভিন্ন সংগঠন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের একমাত্র কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। উক্ত কার্যালয় ব্যতীত বাংলাদেশের কোথাও আমাদের কোনো কার্যালয় নেই। আমরা আরো জানাতে চাই যে উল্লেখিত প্রচারিত এবং প্রকাশিত সংবাদের ঘটনার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের বা সংগঠনের কোনো কর্মীর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।’ আমাদের মানিকগঞ্জের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আহমেদ সাব্বির সোহেল জানিয়েছেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং আইন সহায়তা কেন্দ্র-দুটি সংগঠন তাদের সংক্ষিপ্ত রূপ আসক ব্যবহার করায় সংবাদের বর্ণনায় ভুলবশত আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্রের নাম লেখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের লিখিত প্রতিবাদ পাওয়ার আগেই আজ ওই সংবাদ সংশোধন করে প্রকাশ করা হয়েছে। অসহায়কে আইন ও মানবিক সহায়তা দেওয়া দেশের সবচেয়ে সুপরিচিত মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। আসক-এর প্রধান দাতা সংস্থা বাংলাদেশে সব ধরনের অনুদান বন্ধ করে দেওয়ায় সস্থাটি এই সংকটে পড়েছে। এর দুই তৃতীয়াংশ কর্মীকে বছরের শেষ কর্মদিবস ২৯ ডিসেম্বর বিদায় দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে কেন্দ্রটির অনেকগুলো ইউনিট। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আসক বন্ধ হয়ে গেলে মানবাধিকারের প্রশ্নে একটি শক্তিশালী কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে যাবে, যা চূড়ান্তভাবে বিপুলসংখ্যক অসহায় নারী, শিশু ও সংটাপন্ন মানুষকে ক্ষ​তিগ্রস্ত করবে। “মূলত: অর্থ সংকটের কারণে সংগঠনটি এই অবস্থায় পড়েছে। দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো তহবিল দিচ্ছে না,” বেনার নিউজকে জানিয়েছেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন। আসক সূত্র জানায়, জনস্বার্থে হাইকোর্টে অর্ধশতাধিক রিট মামলার আবেদনকারী আইন ও সালিশ ঢাকা কেন্দ্র । জনগুরুত্বপূর্ণ এবং মানবিক আবেদনময় বেশ কিছু মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। অথচ হাইকোর্টে রিট মামলা দেখার জন্য আসকের যে পিআইএল (পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন) ইউনিট সেটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। নরওয়ের উন্নয়ন সংস্থা-নোরাডের কাছ থেকে ৪২ শতাংশ অনুদান পেত আসক। বছর দুয়েক আগে তারা বাংলাদেশের সব অনুদান বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে বড় অনুদান বন্ধের পর আসক এ ধরনের বড় দাতা আর খুঁজে পায়নি। এখন কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থার ছোট ছোট অনুদান রয়েছে। এর মধ্যে আছে সুইজারল্যান্ডের এসবিসি, ডেনমার্কের ডানিডা, কানাডার সিডা, জার্মানির নেট বাংলাদেশ এবং সেভ দা চিলড্রেন। আসক সূত্র জানায়, এসব ছোট ছোট প্রকল্প বা অনুদান দিয়ে এত বড় মানবাধিকার সংস্থার কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যেসব আলোচিত মামলা ও কর্মসূচি বিপন্ন নিজের নিরাপত্তা সংকট তুলে ধরে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে। ব্যাপক গণ অসন্তোষ ও বিক্ষোভের মুখে সরকার তাকে দু’দিন পর ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু দায়েরকৃত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি এখনো আছে। প্রবীর শিকদারকে আইন সহায়তা দিয়ে আসছে আসক। এ প্রসঙ্গে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রবীর শিকদার বেনারকে বলেন, “আশা করি আইন ও সালিশ কেন্দ্র এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই আসকের পাশে দাঁড়াবে।” নারায়ণগঞ্জের স্কুলশিক্ষক শ্যামলকান্তি ভক্তকে জনসমক্ষে হেনস্তা, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং কল্যাণপুর বস্তি উচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিটসহ আসকের অনেক মামলায় গণমানুষের আবেগ ও আন্দোলন জড়িত। মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেখভালের অভাবে মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেলে দেশ ও মানুষের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। আসকের সদ্য বিদায়ী সিনিয়র আইনজীবী মাহজাবীন রব্বানী দীপা বলেন, “এর ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও আইনি ব্যাখ্যা থেকে দেশ ও জাতি বঞ্চিত হবে। আসকের চারটি লিগ্যাল এইড ক্লিনিক বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকার জজ কোর্টেই অন্তত: সাড়ে আটশ’ মামলা ঝুলে আছে। আসকের লিটিগেশন ইউনিট এই মামলাগুলো পরিচালনা করত। এই ইউনিটে বর্তমানে আইনজীবী আছেন মাত্র দু’জন। রাজধানীর বাইরেও এ রকম অনেক মামলা ঝুলে আছে। নির্যাতিত অসহায় শিশু এবং নারী ভিকটিমদের পক্ষে আসক এসব মামলা পরিচালনা করত বলে বেনার নিউজকে জানান অ্যাডভোকেট স্নীগ্ধা সাহা। রাজধানীতে বস্তিবাসী, সুবিধা বঞ্চিত ও পথ শিশুদের জন্য আসক পরিচালিত “যখন-তখন” স্কুলগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব স্কুলে শিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি এক বেলা খাবার এবং চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হতো। স্কুলগুলোর সমন্বয়ক হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন নার্গিস আখতার। সম্প্রতি তাকেও প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। ছয়টি স্কুলের মধ্যে চারটি স্কুল ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বলে তিনি বেনার নিউজকে জানান। সালিশি বৈঠক ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবার (কাউন্সেলিং) মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য কলহ নিরসন করা আসকের অন্যতম প্রধান কাজ। আসকের আইনজীবীরা বিবদমান পক্ষগুলোকে ডেকে সালিস মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করতেন। ওই ইউনিটের সাবেক আইনজীবী কুহেলি সুলতানা বেনার নিউজকে বলেছেন, “বছরে কম পক্ষে ১২ হাজার পারিবারিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির টার্গেট নিয়ে আমরা কাজ করেছি। সফলতার হার ছিল ৮০ শতাংশ।” অনেকের মতো কুহেলি সুলতানাও ২৯ তারিখ সংগঠনটি থেকে বিদায় নিয়েছেন। ওই ইউনিটে এখনো ২৪ শ’ বিরোধ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে বলে তিনি জানিয়েছেন। আসক সূত্র জানায়, ওই ইউনিটে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে চারজনকে রাখা হয়েছে। লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও পলিসি রিফর্ম ইউনিট, পিআইএল ইউনিট, কাউন্সেলিং ইউনিট এবং আউটরিচ ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। Ain O Salish Kendra Dhaka - 12 Januyari Prakashit Manikaganje ‘jaun Byabasar Abhijoge Ack Neta Greptaro Sheershak Sangbader Pratibad Janiyechhe Ain O Salish Dhaka Kendra Ack Az Budhbar Pathano Pratibade Ain O Salish Kendra Janiyechhe ‘amara Spashta Bhashay Janate Chai Je Ain O Salish Kendra Ack O Ain Sahayata Kendra Ack Duti Bhinna Sangathan Ain O Salish Kendrer Ekamatra Karjalay Dhakay Abasthit Ukta Karjalay Byatit Bangladesher Kothao Amader Kono Karjalay Nei Amara Aro Janate Chai Je Ullekhit Pracharit Evan Prakashit Sangbader Ghatanar Sange Amader Sangathaner Ba Sangathaner Kono Karmir Kono Dharaner Sampriktata Nei ’ Amader Manikaganjer Stuff Karesapandenta Ahmeda Sabbir Sohail Janiyechhen Ain O Salish Kendra Evan Ain Sahayata Kendra Duti Sangathan Tader Sankshipta Roopa Ack Byabahar Karay Sangbader Barnanay Bhulabashat Ain O Salish Dhaka Kendrer NAM Lekha Hayechhil A Byapare Amara Antarikbhabe Duhkhit Ain O Salish Kendrer Likhit Pratibad Power Agei Az We Sangbad Sangshodhan Kare Prakash Kara Hayechhe Asahayke Ain O Manbik Sahayata Dewa Desher Sabacheye Suprichit Manbadhikar Sanstha Ain O Salish Kendra Ack Astitva Sankate Parechhe Ack Aare Pradhan Data Sanstha Bangladeshe Sab Dharaner Anudan Bandh Kare Deway Sasthati AE Sankate Parechhe Aare Dui Tritiyangsh Karmike Bachharer Sesh Karmadibas 29 Disembar Biday Dewa Hayechhe Bandh Huye Gechhe Kendratir Anekgulo Unit Manbadhikar Karmira Balachhen Ack Bandh Huye Gele Manbadhikarer Prashne Ekati Shaktishali Kantha Stabdha Huye Jabe Ja Churantabhabe Bipulasankhyak Asahay Nari Sishu O Sangtapanna Manushake X​tigrasta Karabe “mulat Earth Sankater Karne Sangathanati AE Abasthay Parechhe Data Desh O Sansthagulo Tahabil Dichchhe Na ” Benar Niujake Janiyechhen Sangathaner Bharaprapta Nirbahi Parichalak Noor Khan Liton Ack Sutra Janay Janaswarthe Haikorte Ardhashatadhik Rit Mamlar Abedanakari Ain O Salish Dhaka Kendra Janagurutbapurna Evan Manbik Abedanamay Bash Kichhu Mamla Churanta Parjaye Chale Esechhe Athos Haikorte Rit Mamla Dekhar Janya Asaker Je PIL Pablik Interest Litigation Unit Seti Sampurna Bandh Huye Gechhe Naraoyer Unnayan Sanstha Norader Kachh Theke 42 Shatangsh Anudan Pet Ack Bachhar Duyek Age Tara Bangladesher Sab Anudan Bandh Kare Dey Sabacheye Bar Anudan Bandher Par Ack A Dharaner Bar Data Are Khunje Payni Ekhan Kayekati Unnayan Sansthar Chhot Chhot Anudan Rayechhe Aare Madhye Ache Suijaralyander SBC Denmarker Danida Kanadar Sida Jarmanir Net Bangladesh Evan Save The Chiladren Ack Sutra Janay Esab Chhot Chhot Prakalpa Ba Anudan Diye Et Bar Manbadhikar Sansthar Kaj Chalano Kathin Huye Parechhe Jesab Alochit Mamla O Karmasuchi Bipanna Nizar Nirapatta Sankat Tule Dhare Ekajan Prabhabshali Mantrir NAM Jariye Fesbuke Ekati Post Dewar Karne Greptar Kara Hayechhil Sangbadik Prabir Shikdarke Byapak Gan Asantosh O Bikshobher Mukhe Sarkar Take Duodin Par Chhere Dite Badhya Hya Kintu Dayerkrit Tathya O Jogajog Prajukti Ainer 57 Dharay Taur Biruddhe Mamlati Ekhano Ache Prabir Shikdarke Ain Sahayata Diye Ashche Ack A Prasange Nizar Udweger Katha Janie Prabir Shikdar Benarake Baleno “asha Kari Ain O Salish Kendra AE Sankat Katiye Uthate Parbe Sankat Theke Uttaraner Janya Sangshlishta Sabai Asaker PAUSE Danrabe ” Narayanaganjer Skulashikshak Shyamalakanti Bhaktake Janasamakshe Henasta Gaibandhar Gobindaganje Sanotalder Barighare Agun Dewa Evan Kalyanpur Basti Uchchhed Challenge Kare Dayerkrit Ritasah Asaker Anek Mamlay Ganamanusher Abeg O Andolan Jarit Mamlagulor Bhabishyt Niye Anishchayata Tairi Hayechhe Dekhbhaler Abhabe Mamlagulo Kharij Huye Gele Desh O Manusher Xati Hate Pare Ble Money Karachhen Ainagyara Asaker Sadya Bidayi Siniyar Ainajibi Mahjabin Rabbani Deepa Baleno “er Fale Anek Gurutbapurna Vise Haikorter Parjabekshan O Aini Byakhya Theke Desh O JATI Banchit Habe Asaker Charti Legal Aid Clinic Bandh Huye Gechhe Dhakar Jojo Kortei Antat Sare Atasho Mamla Jhule Ache Asaker Litigation Unit AE Mamlagulo Parichalna Karat AE Yunite Bartamane Ainajibi Achhen Maatr Duojan Rajdhanir Baireo A Rakam Anek Mamla Jhule Ache Nirjatit Asahay Sishu Evan Nari Bhiktimder Pakshe Ack Esab Mamla Parichalna Karat Ble Benar Niujake Janan Advocates Snigdha Saha Rajdhanite Bastibasi Subidha Banchit O Path Shishuder Janya Ack Parichalit “jakhan Takhan” Skulaguloo Bandh Huye Jachchhe Esab Skule Shishuder Shikshar Pashapashi Ec Bella Khabar Evan Chikitsa Subidha Dewa Hato Skulagulor Samanwayak Hisebe Dirghakal Dayitba Palan Karechhen Nargis Akhtar Samprati Takeo Pratishthanati Theke Biday Dewa Hayechhe Chhayati Skuler Madhye Charti School Itomadhye Bandh Huye Gechhe Ble Tini Benar Niujake Janan Salishi Baithak O Mansik Swasthya Sebar Counseling Madhyame Paribarik Birodh O Dampatya Kolah Niroshan Kara Asaker Anyatam Pradhan Kaj Asaker Ainajibira Bibadaman Pakshaguloke Deke Salis Mimansar Madhyame Birodh Nishpatti Karaten We Yuniter Sabek Ainajibi Kuheli Sultana Benar Niujake Balechhen “bachhare Com Pakshe 12 Hajar Paribarik Birodh Alochnar Madhyame Nishpattir Target Niye Amara Kaj Karechhi Safalatar Her Chhil 80 Shatangsh ” Aneker Mato Kuheli Sultanao 29 Tarikh Sangathanati Theke Biday Niyechhen We Yunite Ekhano 24 Sho Birodh Nishpattir Apekshay Jhule Ache Ble Tini Janiyechhen Ack Sutra Janay We Yunite 12 John Ainajibir Madhye Charajanake Rakha Hayechhe Legal Adbhokesi O Policy Reform Unit PIL Unit Counseling Unit Evan Autarich Unit Puropuri Bandh Huye Gechhe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা এছাড়াও সংস্থাটি বাংলাদেশী আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঘটা মানবাধিকার লঙ্ঘনসমূহ বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে থাকে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে সংস্থাটি গঠন করেন। বর্তমানে সুলতানা কামাল সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
Romanized Version
আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা এছাড়াও সংস্থাটি বাংলাদেশী আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঘটা মানবাধিকার লঙ্ঘনসমূহ বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্র ঢাকা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে থাকে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে সংস্থাটি গঠন করেন। বর্তমানে সুলতানা কামাল সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।Ain O Salish Kendra Dhaka Ain O Salish Kendra Ack Bangladesher Ekati Besarakari Sanstha Jara Manbadhikar Niye Kaj Karar Pashapashi Ainagat Sahaytao Diye Thake AT Bangladesher Pratham Sarir Ekati Manbadhikar Sangathan Jara Bisheshbhabe Shramik O Nari Adhikar Niye Kaj Curren Ain O Salish Kendra Dhaka Echharao Sansthati Bangladeshi Ain O Salish Kendra Dhaka Ainashrinkhala Bahini Kartrik Ghata Manbadhikar Langhanasamuh Bibhinna Samay Tule Dharen Ain O Salish Kendra Dhaka Antarjatik Parjaye Sansthati Amnesti Intaranyashanal Evan Jatisangha Arthanaitik O Samajik Parishder Paramarshak Hisebe Kaj Kare Thake 1986 Sale Bangladesher Prakhyat Ainajibira Ekatrit Haye Sansthati Gathan Curren Bartamane Sultana Kamal Sansthatir Nirbahi Parichalak Hisebe Dayitba Palan Karachhen
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Ain O Salish Kendra Dhaka Somporke Alochana Kor ,Discuss About The Law And Arbitration Centers Dhaka?,


vokalandroid