অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ? ...

অশ্বগন্ধা গাছের মূল এবং পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। এই গাছ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকায় পাওয়া যায়। ঘুম আনার ওষুধ হিসাবে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া এবং মিশরে এর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধার মূল, পাতা, ফুল, ফল, ছাল, ডাল সবই অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গাছটি সাধারণত দুই-আড়াই হাত উঁচু হয় এবং শাখাবহুল। এতে ছোট ছোট মটরের মতো ফল হয়। অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ভেষজ গুণ শক্তিবর্ধক: এ গাছের রস শক্তিবর্ধক। শুক্রাণু বাড়াতে অশ্বগন্ধার নাম অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় সুবিদিত। অশ্বগন্ধার এর মূল ও পাতা স্নায়ুবিক বিভিন্ন রোগে উপশম আনে। দুধ ও ঘিয়ের সঙ্গে পাতা ফুটিয়ে খেলে শরীরে বল পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ইনসমনিয়ায় বা অনিদ্রায় ভুগলে অশ্বগন্ধা উত্তম ওষুধ হিসাবে কার্যকর হতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য অশ্বগন্ধা গুঁড়ো চিনিসহ ঘুমানোর আগে খেতে পারেন।
Romanized Version
অশ্বগন্ধা গাছের মূল এবং পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। এই গাছ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকায় পাওয়া যায়। ঘুম আনার ওষুধ হিসাবে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া এবং মিশরে এর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধার মূল, পাতা, ফুল, ফল, ছাল, ডাল সবই অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গাছটি সাধারণত দুই-আড়াই হাত উঁচু হয় এবং শাখাবহুল। এতে ছোট ছোট মটরের মতো ফল হয়। অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ভেষজ গুণ শক্তিবর্ধক: এ গাছের রস শক্তিবর্ধক। শুক্রাণু বাড়াতে অশ্বগন্ধার নাম অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় সুবিদিত। অশ্বগন্ধার এর মূল ও পাতা স্নায়ুবিক বিভিন্ন রোগে উপশম আনে। দুধ ও ঘিয়ের সঙ্গে পাতা ফুটিয়ে খেলে শরীরে বল পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় ইনসমনিয়ায় বা অনিদ্রায় ভুগলে অশ্বগন্ধা উত্তম ওষুধ হিসাবে কার্যকর হতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য অশ্বগন্ধা গুঁড়ো চিনিসহ ঘুমানোর আগে খেতে পারেন।Ashwagandha Gachher Mul Evan Pata Snayur Bibhinna Roge Byabahrit Hya AE Gachh Bangladesh Bharat Pakistan Shrilankay Powa Jay Ghum Anar Oshudh Hisabe Prachin Mesoptemiya Evan Mysore Aare Byabaharer Praman Powa Jay Ashwagandhar Mul Pata Full Fall Chhal Dal Sabai Ashwagandha Kothay Pawa Jay Oshudh Hisabe Byabahar Kara Hya Gachhti Sadharanat Dui Arai Haut Unchu Hya Evan Shakhabhul Ete Chhot Chhot Matarer Mato Fall Hya Ashwagandha Kothay Pawa Jay Bheshaj Goon Shaktibardhak A Gachher Ross Shaktibardhak Shukranu Barate Ashwagandhar NAM Ashwagandha Kothay Pawa Jay Subidit Ashwagandhar Aare Mul O Pata Snayubik Bibhinna Roge Upasham Aane Doodh O Ghiyer Sange Pata Futiye Khele Sharire Ball Powa Jay Ashwagandha Kothay Pawa Jay Inasamaniyay Ba Anidray Bhugle Ashwagandha Uttam Oshudh Hisabe Karjakar Hate Pare Valu Ghumer Janya Ashwagandha Gunro Chinisah Ghumanor Age Khete Paren
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় : অশ্বগন্ধা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। এই গাছের পাতা সেদ্ধ করলে ঘোড়ার মূত্রের মতো গন্ধ বেরোয় বলে একে অশ্বগন্ধা বলে হয়।এই পাতার বৈজ্ঞানিক নাম ‘উইথানিয়া সোমনিফেরা (এল) ডুনাল’। আয়ুর্বেদে একে বলা হয় বলদা ও বাজিকরি। অশ্বগন্ধা গাছের মূল এবং পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। এই গাছ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকায় পাওয়া যায়। ঘুম আনার ওষুধ হিসাবে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া এবং মিশরে এর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধার মূল, পাতা, ফুল, ফল, ছাল, ডাল সবই ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গাছটি সাধারণত দুই-আড়াই হাত উঁচু হয় এবং শাখাবহুল। এতে ছোট ছোট মটরের মতো ফল হয়। ভেষজ গুণ শক্তিবর্ধক: এ গাছের রস শক্তিবর্ধক। শুক্রাণু বাড়াতে অশ্বগন্ধার নাম সুবিদিত। অশ্বগন্ধার এর মূল ও পাতা স্নায়ুবিক বিভিন্ন রোগে উপশম আনে। দুধ ও ঘিয়ের সঙ্গে পাতা ফুটিয়ে খেলে শরীরে বল পাওয়া যায়। ইনসমনিয়ায় বা অনিদ্রায় ভুগলে অশ্বগন্ধা উত্তম ওষুধ হিসাবে কার্যকর হতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য অশ্বগন্ধা গুঁড়ো চিনিসহ ঘুমানোর আগে খেতে পারেন। সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে খাওয়া যেতে পারে। চোখের ব্যথা দূর করতে অশ্বগন্ধা বিশেষ উপকারী। ক্রনিক ব্রংকাইটিসের ক্ষেত্রেও অশ্বগন্ধা একটি কার্যকর ওষধু। অশ্বগন্ধার মূল অন্তর্ধুমে পুড়িয়ে (ছোট মাটির হাঁড়িতে মূলগুলো ভরে সরা দিয়ে ঢেকে পুনঃমাটি লেপে শুকিয়ে ঘুটের আগুনে পুড়ে নিতে হয়। আগুন নিভে গেলে হাঁড়ি থেকে মূলগুলো বের করে গুঁড়ো করে নিতে হয়) ভালো করে গুঁড়িয়ে নিয়ে আধা গ্রাম মাত্রায় একটু মধুসহ চেটে খেলে ক্রনিক ব্রংকাইটিসে উপকার হয়। মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা, যেমন মাথা ঝিমঝিম করে ওঠা, সংজ্ঞাহীনতা, অবসাদ প্রভৃতি দূর করে অশ্বগন্ধা। মনোযোগ বাড়ায়। ক্লান্তি দূর করে সঞ্জীবনী শক্তি পুনরুদ্ধার করে। অম্বল-অজীর্ন, পেট ফাঁপা এবং পেটের ব্যথা নিরাময় সহ যকৃতের জন্য ভীষণ উপকারী অশ্বগন্ধার ফল। হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে অশোধিত অশ্বগন্ধা গুঁড়ো বা পাউডার হজমে গোলমাল সৃষ্টি করে। এর ফলে তলপেটে ব্যথা উঠতে পারে। সুতরাং যাদের হজমশক্তি দুর্বল, তাদের অবশ্যই ভালো মানের অশ্বগন্ধা সেবন করতে হবে। এটা ছোট, শক্ত কাষ্ঠলবিশিষ্ট, খাড়া ও শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট গাছ। এটি ৩-৪ ফুট পর্যন্ত উচ্চ হয়। এর পাতাগুলো দেখতে অনেকটা খচ্চরের কানের মত, বিপরীত দিকে ৮-১২ সে.মি. দীর্ঘ হয়। ঝোপঝাড় ও উচ্চতায় এবং কাণ্ডের গঠন অনেকটা বেগুন গাছের মতো, পাতা ও ডাঁটার গায়ে রয়েছে সূক্ষ্ম লোম। বীজগুলো বেগুনের মতো ও লালচে বর্ণের হয়। গাছটিতে ছোট ছোট ফুল ধরে। বাংলাদেশের মতো নাতিশীতোষ্ণ দেশসমূহে জন্মালেও উষ্ণপ্রধান দেশেই এর বৃদ্ধি বেশি। রাসায়নিক উপাদান : এলকালয়েড ও স্টেরইডাল লেক্টন্স অশ্বগন্ধার প্রধান উপাদান। তাছাড়া এতে আরও আছে উইথেনাইন, সোমনিফেরি, মোনাইন, সোমনিফেরিনিন, এডাপটোজেন, উথেনিনিন, সিউডো ট্রপিন, সিউডো উথেনিন ট্রপিন, কোলাইন, এনাফেরিন, এনাহাইড্রিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামাইনো অ্যাসিড ও নারারকম চিনি। অশ্বগন্ধার পাতায় আছে স্টেরয়ডাল লেক্টন সেটা সাধারণভাবে উইথেনোলিডস। অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিটিউমার কার্যকারিতা থাকায় অশ্বগন্ধার উপাদান উইতোকোরিন বেশ মনোযোগ আকর্ষণ করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে অশ্বগন্ধা ব্যবহারের ইতিহাস : প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে অশ্বগন্ধার ব্যবহার হয়ে আসছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রায় তিন হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে অশ্বগন্ধা ট্র্যাডিশনাল হার্বস হিসেবে ব্যাপক ব্যবহারের ইতিহাস পাওয়া যায়।
Romanized Version
অশ্বগন্ধা কোথায় পাওয়া যায় : অশ্বগন্ধা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। এই গাছের পাতা সেদ্ধ করলে ঘোড়ার মূত্রের মতো গন্ধ বেরোয় বলে একে অশ্বগন্ধা বলে হয়।এই পাতার বৈজ্ঞানিক নাম ‘উইথানিয়া সোমনিফেরা (এল) ডুনাল’। আয়ুর্বেদে একে বলা হয় বলদা ও বাজিকরি। অশ্বগন্ধা গাছের মূল এবং পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। এই গাছ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকায় পাওয়া যায়। ঘুম আনার ওষুধ হিসাবে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া এবং মিশরে এর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধার মূল, পাতা, ফুল, ফল, ছাল, ডাল সবই ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গাছটি সাধারণত দুই-আড়াই হাত উঁচু হয় এবং শাখাবহুল। এতে ছোট ছোট মটরের মতো ফল হয়। ভেষজ গুণ শক্তিবর্ধক: এ গাছের রস শক্তিবর্ধক। শুক্রাণু বাড়াতে অশ্বগন্ধার নাম সুবিদিত। অশ্বগন্ধার এর মূল ও পাতা স্নায়ুবিক বিভিন্ন রোগে উপশম আনে। দুধ ও ঘিয়ের সঙ্গে পাতা ফুটিয়ে খেলে শরীরে বল পাওয়া যায়। ইনসমনিয়ায় বা অনিদ্রায় ভুগলে অশ্বগন্ধা উত্তম ওষুধ হিসাবে কার্যকর হতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য অশ্বগন্ধা গুঁড়ো চিনিসহ ঘুমানোর আগে খেতে পারেন। সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে খাওয়া যেতে পারে। চোখের ব্যথা দূর করতে অশ্বগন্ধা বিশেষ উপকারী। ক্রনিক ব্রংকাইটিসের ক্ষেত্রেও অশ্বগন্ধা একটি কার্যকর ওষধু। অশ্বগন্ধার মূল অন্তর্ধুমে পুড়িয়ে (ছোট মাটির হাঁড়িতে মূলগুলো ভরে সরা দিয়ে ঢেকে পুনঃমাটি লেপে শুকিয়ে ঘুটের আগুনে পুড়ে নিতে হয়। আগুন নিভে গেলে হাঁড়ি থেকে মূলগুলো বের করে গুঁড়ো করে নিতে হয়) ভালো করে গুঁড়িয়ে নিয়ে আধা গ্রাম মাত্রায় একটু মধুসহ চেটে খেলে ক্রনিক ব্রংকাইটিসে উপকার হয়। মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা, যেমন মাথা ঝিমঝিম করে ওঠা, সংজ্ঞাহীনতা, অবসাদ প্রভৃতি দূর করে অশ্বগন্ধা। মনোযোগ বাড়ায়। ক্লান্তি দূর করে সঞ্জীবনী শক্তি পুনরুদ্ধার করে। অম্বল-অজীর্ন, পেট ফাঁপা এবং পেটের ব্যথা নিরাময় সহ যকৃতের জন্য ভীষণ উপকারী অশ্বগন্ধার ফল। হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে অশোধিত অশ্বগন্ধা গুঁড়ো বা পাউডার হজমে গোলমাল সৃষ্টি করে। এর ফলে তলপেটে ব্যথা উঠতে পারে। সুতরাং যাদের হজমশক্তি দুর্বল, তাদের অবশ্যই ভালো মানের অশ্বগন্ধা সেবন করতে হবে। এটা ছোট, শক্ত কাষ্ঠলবিশিষ্ট, খাড়া ও শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট গাছ। এটি ৩-৪ ফুট পর্যন্ত উচ্চ হয়। এর পাতাগুলো দেখতে অনেকটা খচ্চরের কানের মত, বিপরীত দিকে ৮-১২ সে.মি. দীর্ঘ হয়। ঝোপঝাড় ও উচ্চতায় এবং কাণ্ডের গঠন অনেকটা বেগুন গাছের মতো, পাতা ও ডাঁটার গায়ে রয়েছে সূক্ষ্ম লোম। বীজগুলো বেগুনের মতো ও লালচে বর্ণের হয়। গাছটিতে ছোট ছোট ফুল ধরে। বাংলাদেশের মতো নাতিশীতোষ্ণ দেশসমূহে জন্মালেও উষ্ণপ্রধান দেশেই এর বৃদ্ধি বেশি। রাসায়নিক উপাদান : এলকালয়েড ও স্টেরইডাল লেক্টন্স অশ্বগন্ধার প্রধান উপাদান। তাছাড়া এতে আরও আছে উইথেনাইন, সোমনিফেরি, মোনাইন, সোমনিফেরিনিন, এডাপটোজেন, উথেনিনিন, সিউডো ট্রপিন, সিউডো উথেনিন ট্রপিন, কোলাইন, এনাফেরিন, এনাহাইড্রিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামাইনো অ্যাসিড ও নারারকম চিনি। অশ্বগন্ধার পাতায় আছে স্টেরয়ডাল লেক্টন সেটা সাধারণভাবে উইথেনোলিডস। অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিটিউমার কার্যকারিতা থাকায় অশ্বগন্ধার উপাদান উইতোকোরিন বেশ মনোযোগ আকর্ষণ করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে অশ্বগন্ধা ব্যবহারের ইতিহাস : প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে অশ্বগন্ধার ব্যবহার হয়ে আসছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রায় তিন হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে অশ্বগন্ধা ট্র্যাডিশনাল হার্বস হিসেবে ব্যাপক ব্যবহারের ইতিহাস পাওয়া যায়। Ashwagandha Kothay Pawa Jay : Ashwagandha Ekati Bheshaj Udbhid AE Gachher Pata Seddha Karale Ghorar Mutrer Mato Gandha Beroy Ble Aka Ashwagandha Ble Hya AE Pathar Baigyanik NAM ‘uithaniya Somnifera L Dunalo Ayurbede Aka Bala Hya Balada O Bajikari Ashwagandha Gachher Mul Evan Pata Snayur Bibhinna Roge Byabahrit Hya AE Gachh Bangladesh Bharat Pakistan Shrilankay Powa Jay Ghum Anar Oshudh Hisabe Prachin Mesoptemiya Evan Mysore Aare Byabaharer Praman Powa Jay Ashwagandhar Mul Pata Full Fall Chhal Dal Sabai Oshudh Hisabe Byabahar Kara Hya Gachhti Sadharanat Dui Arai Haut Unchu Hya Evan Shakhabhul Ete Chhot Chhot Matarer Mato Fall Hya Bheshaj Goon Shaktibardhak A Gachher Ross Shaktibardhak Shukranu Barate Ashwagandhar NAM Subidit Ashwagandhar Aare Mul O Pata Snayubik Bibhinna Roge Upasham Aane Doodh O Ghiyer Sange Pata Futiye Khele Sharire Ball Powa Jay Inasamaniyay Ba Anidray Bhugle Ashwagandha Uttam Oshudh Hisabe Karjakar Hate Pare Valu Ghumer Janya Ashwagandha Gunro Chinisah Ghumanor Age Khete Paren Sordi Kashi Theke Mukti Pete Ashwagandhar Mul Gunro Kare Khawa Jete Pare Chokher Byatha Dur Karate Ashwagandha Vishesha Upakari Kranik Brankaitiser Xetreo Ashwagandha Ekati Karjakar Oshadhu Ashwagandhar Mul Antardhume Puriye Chhot Matir Hanrite Mulgulo Bhare Sara Diye Dheke Punahmati Lepe Shukiye Ghuter Agune Pure Nite Hya Agun Nibhe Gele Harry Theke Mulgulo Ber Kare Gunro Kare Nite Hya Valu Kare Gunriye Niye Adha Gram Matray Ekatu Madhusah Chete Khele Kranik Brankaitise Upakar Hya Mansik O Sharirik Durbalata Jeman Matha Jhimjhim Kare Otha Sanggyahinta Abasad Prabhriti Dur Kare Ashwagandha Manojog Baray Klanti Dur Kare Sanjeevani Shakti Punruddhar Kare Ambal Ajirna Pet Fanpa Evan Peter Byatha Niramay Huh Jakriter Janya Bhishan Upakari Ashwagandhar Fall Hajamer Samasya Theke Mukti Powa Jay Tove Ashodhit Ashwagandha Gunro Ba Powder Hajame Golmaal Srishti Kare Aare Fale Talapete Byatha Uthate Pare Sutarang Jader Hajamashakti Durbal Tader Abashyai Valu Maner Ashwagandha Seban Karate Habe Etah Chhot Shakta Kashthalabishishta Khara O Shakha Prashakhabishishta Gachh AT 3 4 Foot Parjanta Uchch Hya Aare Patagulo Dekhte Anekata Khachcharer Kaner Matt Biprit Dike 8 12 Say Me Dirgh Hya Jhopjhar O Uchchatay Evan Kander Gathan Anekata Begun Gachher Mato Pata O Dantar Gaye Rayechhe Sukshma Lom Bijgulo Beguner Mato O Lalche Barner Hya Gachhtite Chhot Chhot Full Dhare Bangladesher Mato Natishitoshna Deshasamuhe Janmaleo Ushnapradhan Desayi Aare Briddhi Bedshee Rasaynik Upadan : Elakalyed O Steraidal Lektans Ashwagandhar Pradhan Upadan Tachhara Ete RO Ache Uithenain Somniferi Monain Somniferinin Edaptojen Utheninin Pseudo Trapin Pseudo Uthenin Trapin Kolain Enaferin Enahaidrin Fyati Acid Amaino Acid O Nararakam Cine Ashwagandhar Patay Ache Sterayadal Lektan SATA Sadharanabhabe Uithenolidas Antibiotic O Antitiumar Karjakarita Thakay Ashwagandhar Upadan Uitokorin Bash Manojog Akarshan Karachhe Chikitsa Bigyane Ashwagandha Byabaharer Itihas : Prachinkal Thekei Ayurbedik Chikitsashastre Ashwagandhar Byabahar Huye Ashche Parshwabarti Desh Bharte Pray Tin Hajar Bachharerao Bedshee Camay Dhare Ashwagandha Tryadishnal Herbs Hisebe Byapak Byabaharer Itihas Powa Jay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Ashwagandha Kothay Pawa Jay ?,Where Are Horses Available?,


vokalandroid