আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা কর? ...

আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা বিরোধীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহের মাস্টার মাইন্ড বলে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমকে। তবে তিনি যে এলাকায় ১৯৭১ সালে থাকতেন সেই এলাকার কোন রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর কোন সদস্য বা শান্তি কমিটির কোন সদস্যেরও নাম জানেন না। তিনি রাজাকার বাহিনীর পরিচালক, ঢাকা জেলা বা অন্য কোন জেলা এডজুটেন্টের নামও বলতে পারেন না। অধ্যাপক গোলাম আযমের আইন জীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সুলতানা কামাল কোন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী নন। তিনি অন্যের সরবরাহকৃত তথ্য ও সংবাদের ভিত্তিতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের কোন ঘটনাই তিনি দেখেননি। পুরোপুরিই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন। অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষী সুলতানা কামাল গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দী দেন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় বিচারপতি নিজামুল হক, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক ট্রাইব্যুনাল-১ এর এজলাসে বসলে সুলতানা কামাল তার অসমাপ্ত জবানবন্দী দেয়া শুরু করেন। বেলা ১২টায় তার শালিস জবানবন্দী শেষ হলে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম তাকে জেরা করেন। সকালের সেশনে ১ ঘণ্টা এবং মধ্যাহ্ন বিরতির পর আরও সোয়া ১ ঘণ্টা জেরা করা হয় সুলতানা কামালকে। আজ বুধবার তাকে পুনরায় জেরা করা হবে। সুলতানা কামালের জেরায় সহযোগিতা করেন এডভোকেট মনজুর আহেমদ আনসারী। অপরদিকে জবানবন্দী গ্রহণ করেন প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম। চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, নূরজাহান মুক্তা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। সাক্ষ্য গ্রহণের দিন উপলক্ষে অধ্যাপক গোলাম আযমকে গতকাল ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তবে দুপুরের পরে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সাক্ষী সুলতানা কামালের গতকালের জবানবন্দী নিম্নরূপ : শুধুমাত্র যারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ছিল তারাই নয় বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এবং স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিটি সাধারণ মানুষের চেতনাকে আঘাত করে তাদের উপরে নির্যাতন করা হয়েছে। তবে বিশেষভাবে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টানদের ধর্মীয়, শালিস কেন্দ্রের ধর্মীয় কারণে চিহ্নিত করে হত্যা, লুণ্ঠন, নির্যাতন ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ করা হয়েছে। ২৫ শে মার্চের অপারেশন সার্চলাইট পৃথিবীর অন্যতম নিকৃষ্টতম গণহত্যা বলে চিহ্নিত এই কারণে যে একটি গণতন্ত্রকামী জনগোষ্ঠীর ওপর যারা মূলত নিরস্ত্র ছিলো তাদের ধরে সশস্ত্র হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। এখানে উল্লেখ করতে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর নির্যাতন, ইকবাল হল পুড়িয়ে দেয়া, জগন্নাথ হলে ছাত্র হত্যা, রোকেয়া হলে ঢুকে ছাত্রী নির্যাতন, শাখারীবাজার, রায়ের বাজার, হাটখোলাসহ যেসব এলাকা হিন্দু অধ্যুষিত বলে পরিচিত কার্ফিউ দিয়ে অগ্নিসংযোগ করা, আবার একই সাথে রাজারবাগে অবরুদ্ধ পুলিশ বাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া, একই রকমভাবে জেলখানায় রাইফেলস সদস্যদের ওপর আক্রমণ করা একটি ঘৃণ্য গণহত্যার উদাহরণ সচেতনতা কার্যক্রম স্থাপন করে। একইভাবে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ২৫শে মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধরনের গণহত্যা চলতে থাকে। বরিশালের একটি উদাহরণ দেই, বাজারে সমবেত জনগোষ্ঠীর ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলীবর্ষণ করা হয়। ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষ যখন দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দিতে গেছে তখন লঞ্চ থেকে সেনাবাহিনী তাদের ওপর অপর দিক থেকেও গুলীবর্ষণ করেছে। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এই ধরনের ঘটনা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না সর্বত্রই এটা হচ্ছিল। এই ছিল পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষা করার কৌশল। সেই কৌশলকে সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা যারা দিয়েছিল তারাও ঐ একই ধরনের অপরাধের সমান ভাগিদার এবং আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও বেতারের মাধ্যমে যা সেই সময়কার তথ্য সরবরাহের মূল মাধ্যম ছিল তার মাধ্যমে জানতে পারি এর সমর্থন ও সহযোগিতার মাস্টার মাইন্ড দিলেন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এবং শান্তি কমিটিরও অন্যতম শীর্ষ নেতা গোলাম আযম। মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা চলেছে। ২৩ আগস্ট লাহোরে এবং ৩১ আগস্ট হায়দ্রাবাদে গোলাম আযম নিজে উপস্থিত থেকে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এসব কর্মকান্ডের সমর্থন দিয়েছেন এবং মুক্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন এবং মুক্তিবাহিনীকে নির্মূল করার আহবান জানিয়েছেন। লক্ষ্য করা যেতে পারে, সেপ্টেম্বর মাসে যখন পূর্ব পাকিস্তানে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয় সেখানে জামায়াতে ইসলামীর সম্ভবত ২ জন সদস্যকে সচেতনতা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের উদ্দেশ্য করে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে গোলাম আযম বলেন, ঠিক এই লক্ষ্যে শান্তি বাহিনী এবং রাজাকার গঠন করা হয়েছে একই লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে একটি প্রশ্ন পরিষ্কার করা উচিত যে, শান্তি কমিটি কখনো সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করেছে কিনা। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে তাতে তারা কখনো কখনো পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে সশস্ত্র অভিযানে অংশ নিয়েছে। রাজাকারদের কাছে অস্ত্র ছিল এটা সকলেরই জানা আছে। আমরা আরও লক্ষ্য করি, ১ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তখনো গোলাম আযম ইয়াহিয়া খানের সাথে সাক্ষাৎ করে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন যে, তখনো মুক্তিবাহিনীকে পরাভূত করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তিনি দম্ভ করে একথাও বলেন যে, সে ব্যাপারে রাজাকাররাই যথেষ্ট। লক্ষণীয় যে, একই ব্যক্তি একটি গণহত্যা পরিচালনাকারী সরকারের কতখানি কাছের লোক ও আস্থাভাজন হলে তাদের সাক্ষাৎ পান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। আমরা রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর একটি মরিয়া ও নৃশংস আচরণ প্রত্যক্ষ করি ১০-১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে। যে উপায়ে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয় নাৎসী আমলেরও অনেক হত্যাকান্ড তা দেখে লজ্জিত হয়। আমরা জানি, রাজাকার, শান্তি কমিটি এবং আল বদর ও আল শামস বাহিনীর দার্শনিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন গোলাপ আযম। ১০ নবেম্বর আমরা কলকাতায় চলে যাই এবং ৪ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসি। ১৬ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের কথা আমরা কলকাতায় বসেই জানতে পারি। তখন যাতায়াতের ব্যবস্থা খুবই খারাপ ছিল। আমরা বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেনে এসে তারপর বিভিন্নভাবে কখনো রিকশা, কখনো নৌকা, কখনো বাসে আসি। কারণ যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত ছিল। এমন এক পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসি যেখানে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশী তাদের পরিবারের কেউ না কেউ নিহত হয়েছেন। কোন কোন পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছে, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদেরকে হারিয়েছি, সহকর্মীদের হারিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে সচেতনতা কার্যক্রম যোগদানকারী বন্ধুদের হারিয়েছি। একেকটি পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির নিহত হওয়ায় দুরবস্থায় পতিত হয়েছে। নারীদের অবস্থা ততোধিক খারাপ ছিল। কারণ তারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা জানি, দুই লক্ষ নারী এই মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আরও দুই লক্ষ নারী নানাভাবে অত্যাচারিত হয়েছে এবং পুরুষ শাসিত সমাজে পুরুষ অভিভাবক হারা হয়ে অসহায় অবস্থায় নিপতিত হয়েছে। তারা অনেকেই আমার মা সুফিয়া কামালের কাছে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলতে আসেন এবং বাঁচার উপায় খুঁজে দিতে সাহায্য করার অনুরোধ করেন। '৭১ সালে ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে আমার মা সুফিয়া কামাল তার অন্যান্য সহকর্মীদের নিয়ে নারীদের পুনর্বাসনের জন্য নানা ধরনের উদ্যোগ নিজেই শুরু করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, ব্রাক নামে পরিচিত যে বেসরকারী সংস্থাটি আছে তার প্রথম চেয়ারপার্সন ছিলেন আমার মা। ব্রাক এবং নারী পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে এসব সংগঠনের মাধ্যমে তিনি তার সহকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং যুদ্ধ বিধস্ত দেশের মানুষের পুনর্বাসনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। আমরা পরিবারের সদস্যরাও তার সেই কাজে যুক্ত হয়ে যাই। সেই কারণে নরী পুনর্বাসনের কাজে বলিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাই। একই সঙ্গে মানবাধিকার এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এই ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করতে শুরু করি। এরই ধারাবাহিকতায় মানবাধিকার কাজে আইন বিষয়ে অধ্যায়ন করতে শুরু করি যা শেষ করি ১৯৭৮ সালে। পুনর্বাসন কেন্দ্রে যেসব কাজ করা হতো তা ছিল মূলত যারা সাহায্যপ্রাপ্তি হয়ে আসতেন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। তাদের অধিকাংশ অত্যাচারের শিকার হয়েছিল। তাদের নিরাপদে থাকা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রয়োজন মেটানো, তারা যাতে করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সমাজে পুনর্বাসিত হতে পারে সে জন্য তাদের জন্য নানা সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া এবং যারা পরিবারে ফিরে যেতে চেয়েছেন তারা যেন সসম্মানে পরিবারে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করা। আমি একটি বিশেষ এ্যাসাইনমেন্টের কারণে ১৯ জন অত্যাচারিত নারী সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম যারা সবাই পাকিস্তানী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিল এবং তাদের অনেকেই স্থানীয় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর দোসরেরা তাদের কাছে হস্তান্তরিত করেছে। এরা মানসিকভাবে ভীষণভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল এবং তাদের মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ার জন্য বিশেষ করে এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল। এই পুনর্বাসন কেন্দ্রে ডা. ডেভিসসহ বিদেশী ও দেশীয় পুরুষ ও নারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন যারা স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন। সার্বক্ষণিকভাবে সুফিয়া কামাল, রাজনীতিবিদ বদরুন্নেছা, সমাজসেবী সায়েরা বানু, মালেকা খান, আফিফা হক প্রমুখ এই পুনর্বাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এই পুনর্বাসন কেন্দ্রটি ঢাকার ইস্কাটনে অবস্থিত ছিল। পুনর্বাসন কেন্দ্রে যেসব দুগ্ধ শিশু ছিল তাদের মাদেরকে একটা সুযোগ দেয়া হয়েছিল তারা রাজি থাকলে ঐ শিশুদেরকে দত্তক দেয়া যেতে পারে। ২০১৮ সালের নভেম্বরের ১ তারিখ। বাংলাদেশের বেওয়ারিশ লাশ দাফনের দাতব্য সংস্থা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম একটি মরদেহ ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল করে আঞ্জুমান মফিদুলের কাছে দিয়ে দেয় বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি দাফনের জন্য। ঘটনা এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারতো আরো হাজার খানেক বেওয়ারিশ লাশের মতই। কিন্তু ঘটনার মোড় নেয় যখন আঞ্জুমান মফিদুলের কর্মীরা তাকে দাফনের আগে গোশলের জন্য নেন। মৃতব্যক্তির কোমরে কিছু কাগজ খুঁজে পান তারা। সেই সময় উপস্থিত থাকা একজন কর্মী ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন এভাবে, তিনি বলছিলেন "আমরা তার কোমরে আইডি কার্ড আর ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাই। আইডি কার্ড দিয়ে সনাক্ত করা যায় নি। এরপর পুলিশকে জানালে তারা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার পরিচয় বের করেন। দেখা যায় তিনি চট্টগ্রামের বিশাল বড়লোক ফ্যামিলির লোক। পরে তাদের খবর দিলে তারা এসে লাশ নিয়ে যায়"। চট্টগ্রামের এই পরিবারটির সাথে আমি কথা বলেছি। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। কিন্তু পরিবারটি বলেছেন তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন,এবং এই ঘটনায় এতটাই বিপর্যস্ত যে এখন আর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলেন না তারা।
Romanized Version
আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা বিরোধীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহের মাস্টার মাইন্ড বলে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমকে। তবে তিনি যে এলাকায় ১৯৭১ সালে থাকতেন সেই এলাকার কোন রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর কোন সদস্য বা শান্তি কমিটির কোন সদস্যেরও নাম জানেন না। তিনি রাজাকার বাহিনীর পরিচালক, ঢাকা জেলা বা অন্য কোন জেলা এডজুটেন্টের নামও বলতে পারেন না। অধ্যাপক গোলাম আযমের আইন জীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সুলতানা কামাল কোন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী নন। তিনি অন্যের সরবরাহকৃত তথ্য ও সংবাদের ভিত্তিতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের কোন ঘটনাই তিনি দেখেননি। পুরোপুরিই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন। অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষী সুলতানা কামাল গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দী দেন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় বিচারপতি নিজামুল হক, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক ট্রাইব্যুনাল-১ এর এজলাসে বসলে সুলতানা কামাল তার অসমাপ্ত জবানবন্দী দেয়া শুরু করেন। বেলা ১২টায় তার শালিস জবানবন্দী শেষ হলে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম তাকে জেরা করেন। সকালের সেশনে ১ ঘণ্টা এবং মধ্যাহ্ন বিরতির পর আরও সোয়া ১ ঘণ্টা জেরা করা হয় সুলতানা কামালকে। আজ বুধবার তাকে পুনরায় জেরা করা হবে। সুলতানা কামালের জেরায় সহযোগিতা করেন এডভোকেট মনজুর আহেমদ আনসারী। অপরদিকে জবানবন্দী গ্রহণ করেন প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম। চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, নূরজাহান মুক্তা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। সাক্ষ্য গ্রহণের দিন উপলক্ষে অধ্যাপক গোলাম আযমকে গতকাল ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তবে দুপুরের পরে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সাক্ষী সুলতানা কামালের গতকালের জবানবন্দী নিম্নরূপ : শুধুমাত্র যারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ছিল তারাই নয় বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এবং স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিটি সাধারণ মানুষের চেতনাকে আঘাত করে তাদের উপরে নির্যাতন করা হয়েছে। তবে বিশেষভাবে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টানদের ধর্মীয়, শালিস কেন্দ্রের ধর্মীয় কারণে চিহ্নিত করে হত্যা, লুণ্ঠন, নির্যাতন ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ করা হয়েছে। ২৫ শে মার্চের অপারেশন সার্চলাইট পৃথিবীর অন্যতম নিকৃষ্টতম গণহত্যা বলে চিহ্নিত এই কারণে যে একটি গণতন্ত্রকামী জনগোষ্ঠীর ওপর যারা মূলত নিরস্ত্র ছিলো তাদের ধরে সশস্ত্র হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। এখানে উল্লেখ করতে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর নির্যাতন, ইকবাল হল পুড়িয়ে দেয়া, জগন্নাথ হলে ছাত্র হত্যা, রোকেয়া হলে ঢুকে ছাত্রী নির্যাতন, শাখারীবাজার, রায়ের বাজার, হাটখোলাসহ যেসব এলাকা হিন্দু অধ্যুষিত বলে পরিচিত কার্ফিউ দিয়ে অগ্নিসংযোগ করা, আবার একই সাথে রাজারবাগে অবরুদ্ধ পুলিশ বাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া, একই রকমভাবে জেলখানায় রাইফেলস সদস্যদের ওপর আক্রমণ করা একটি ঘৃণ্য গণহত্যার উদাহরণ সচেতনতা কার্যক্রম স্থাপন করে। একইভাবে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ২৫শে মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধরনের গণহত্যা চলতে থাকে। বরিশালের একটি উদাহরণ দেই, বাজারে সমবেত জনগোষ্ঠীর ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলীবর্ষণ করা হয়। ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষ যখন দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দিতে গেছে তখন লঞ্চ থেকে সেনাবাহিনী তাদের ওপর অপর দিক থেকেও গুলীবর্ষণ করেছে। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এই ধরনের ঘটনা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না সর্বত্রই এটা হচ্ছিল। এই ছিল পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষা করার কৌশল। সেই কৌশলকে সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা যারা দিয়েছিল তারাও ঐ একই ধরনের অপরাধের সমান ভাগিদার এবং আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও বেতারের মাধ্যমে যা সেই সময়কার তথ্য সরবরাহের মূল মাধ্যম ছিল তার মাধ্যমে জানতে পারি এর সমর্থন ও সহযোগিতার মাস্টার মাইন্ড দিলেন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এবং শান্তি কমিটিরও অন্যতম শীর্ষ নেতা গোলাম আযম। মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা চলেছে। ২৩ আগস্ট লাহোরে এবং ৩১ আগস্ট হায়দ্রাবাদে গোলাম আযম নিজে উপস্থিত থেকে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এসব কর্মকান্ডের সমর্থন দিয়েছেন এবং মুক্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন এবং মুক্তিবাহিনীকে নির্মূল করার আহবান জানিয়েছেন। লক্ষ্য করা যেতে পারে, সেপ্টেম্বর মাসে যখন পূর্ব পাকিস্তানে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয় সেখানে জামায়াতে ইসলামীর সম্ভবত ২ জন সদস্যকে সচেতনতা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের উদ্দেশ্য করে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে গোলাম আযম বলেন, ঠিক এই লক্ষ্যে শান্তি বাহিনী এবং রাজাকার গঠন করা হয়েছে একই লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে একটি প্রশ্ন পরিষ্কার করা উচিত যে, শান্তি কমিটি কখনো সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করেছে কিনা। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে তাতে তারা কখনো কখনো পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে সশস্ত্র অভিযানে অংশ নিয়েছে। রাজাকারদের কাছে অস্ত্র ছিল এটা সকলেরই জানা আছে। আমরা আরও লক্ষ্য করি, ১ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তখনো গোলাম আযম ইয়াহিয়া খানের সাথে সাক্ষাৎ করে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন যে, তখনো মুক্তিবাহিনীকে পরাভূত করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তিনি দম্ভ করে একথাও বলেন যে, সে ব্যাপারে রাজাকাররাই যথেষ্ট। লক্ষণীয় যে, একই ব্যক্তি একটি গণহত্যা পরিচালনাকারী সরকারের কতখানি কাছের লোক ও আস্থাভাজন হলে তাদের সাক্ষাৎ পান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। আমরা রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর একটি মরিয়া ও নৃশংস আচরণ প্রত্যক্ষ করি ১০-১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে। যে উপায়ে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয় নাৎসী আমলেরও অনেক হত্যাকান্ড তা দেখে লজ্জিত হয়। আমরা জানি, রাজাকার, শান্তি কমিটি এবং আল বদর ও আল শামস বাহিনীর দার্শনিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন গোলাপ আযম। ১০ নবেম্বর আমরা কলকাতায় চলে যাই এবং ৪ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসি। ১৬ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের কথা আমরা কলকাতায় বসেই জানতে পারি। তখন যাতায়াতের ব্যবস্থা খুবই খারাপ ছিল। আমরা বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেনে এসে তারপর বিভিন্নভাবে কখনো রিকশা, কখনো নৌকা, কখনো বাসে আসি। কারণ যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত ছিল। এমন এক পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসি যেখানে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশী তাদের পরিবারের কেউ না কেউ নিহত হয়েছেন। কোন কোন পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছে, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদেরকে হারিয়েছি, সহকর্মীদের হারিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে সচেতনতা কার্যক্রম যোগদানকারী বন্ধুদের হারিয়েছি। একেকটি পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির নিহত হওয়ায় দুরবস্থায় পতিত হয়েছে। নারীদের অবস্থা ততোধিক খারাপ ছিল। কারণ তারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা জানি, দুই লক্ষ নারী এই মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আরও দুই লক্ষ নারী নানাভাবে অত্যাচারিত হয়েছে এবং পুরুষ শাসিত সমাজে পুরুষ অভিভাবক হারা হয়ে অসহায় অবস্থায় নিপতিত হয়েছে। তারা অনেকেই আমার মা সুফিয়া কামালের কাছে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলতে আসেন এবং বাঁচার উপায় খুঁজে দিতে সাহায্য করার অনুরোধ করেন। '৭১ সালে ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে আমার মা সুফিয়া কামাল তার অন্যান্য সহকর্মীদের নিয়ে নারীদের পুনর্বাসনের জন্য নানা ধরনের উদ্যোগ নিজেই শুরু করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, ব্রাক নামে পরিচিত যে বেসরকারী সংস্থাটি আছে তার প্রথম চেয়ারপার্সন ছিলেন আমার মা। ব্রাক এবং নারী পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে এসব সংগঠনের মাধ্যমে তিনি তার সহকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং যুদ্ধ বিধস্ত দেশের মানুষের পুনর্বাসনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। আমরা পরিবারের সদস্যরাও তার সেই কাজে যুক্ত হয়ে যাই। সেই কারণে নরী পুনর্বাসনের কাজে বলিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাই। একই সঙ্গে মানবাধিকার এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এই ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করতে শুরু করি। এরই ধারাবাহিকতায় মানবাধিকার কাজে আইন বিষয়ে অধ্যায়ন করতে শুরু করি যা শেষ করি ১৯৭৮ সালে। পুনর্বাসন কেন্দ্রে যেসব কাজ করা হতো তা ছিল মূলত যারা সাহায্যপ্রাপ্তি হয়ে আসতেন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। তাদের অধিকাংশ অত্যাচারের শিকার হয়েছিল। তাদের নিরাপদে থাকা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রয়োজন মেটানো, তারা যাতে করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সমাজে পুনর্বাসিত হতে পারে সে জন্য তাদের জন্য নানা সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া এবং যারা পরিবারে ফিরে যেতে চেয়েছেন তারা যেন সসম্মানে পরিবারে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করা। আমি একটি বিশেষ এ্যাসাইনমেন্টের কারণে ১৯ জন অত্যাচারিত নারী সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম যারা সবাই পাকিস্তানী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিল এবং তাদের অনেকেই স্থানীয় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর দোসরেরা তাদের কাছে হস্তান্তরিত করেছে। এরা মানসিকভাবে ভীষণভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল এবং তাদের মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ার জন্য বিশেষ করে এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল। এই পুনর্বাসন কেন্দ্রে ডা. ডেভিসসহ বিদেশী ও দেশীয় পুরুষ ও নারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন যারা স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন। সার্বক্ষণিকভাবে সুফিয়া কামাল, রাজনীতিবিদ বদরুন্নেছা, সমাজসেবী সায়েরা বানু, মালেকা খান, আফিফা হক প্রমুখ এই পুনর্বাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এই পুনর্বাসন কেন্দ্রটি ঢাকার ইস্কাটনে অবস্থিত ছিল। পুনর্বাসন কেন্দ্রে যেসব দুগ্ধ শিশু ছিল তাদের মাদেরকে একটা সুযোগ দেয়া হয়েছিল তারা রাজি থাকলে ঐ শিশুদেরকে দত্তক দেয়া যেতে পারে। ২০১৮ সালের নভেম্বরের ১ তারিখ। বাংলাদেশের বেওয়ারিশ লাশ দাফনের দাতব্য সংস্থা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম একটি মরদেহ ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল করে আঞ্জুমান মফিদুলের কাছে দিয়ে দেয় বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি দাফনের জন্য। ঘটনা এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারতো আরো হাজার খানেক বেওয়ারিশ লাশের মতই। কিন্তু ঘটনার মোড় নেয় যখন আঞ্জুমান মফিদুলের কর্মীরা তাকে দাফনের আগে গোশলের জন্য নেন। মৃতব্যক্তির কোমরে কিছু কাগজ খুঁজে পান তারা। সেই সময় উপস্থিত থাকা একজন কর্মী ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন এভাবে, তিনি বলছিলেন "আমরা তার কোমরে আইডি কার্ড আর ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাই। আইডি কার্ড দিয়ে সনাক্ত করা যায় নি। এরপর পুলিশকে জানালে তারা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার পরিচয় বের করেন। দেখা যায় তিনি চট্টগ্রামের বিশাল বড়লোক ফ্যামিলির লোক। পরে তাদের খবর দিলে তারা এসে লাশ নিয়ে যায়"। চট্টগ্রামের এই পরিবারটির সাথে আমি কথা বলেছি। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। কিন্তু পরিবারটি বলেছেন তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন,এবং এই ঘটনায় এতটাই বিপর্যস্ত যে এখন আর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলেন না তারা। Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram : Tattbabadhayak Sorcerer Sabek Upadeshta Ain O Shalis Kendrer Nirbahi Parichalak Sultana Kamal 1971 Sale Swadhinata Birodhider Dwara Sanghatit Aparadhasamuher Muster Maind Ble Akhyayit Karechhen Bangladesh Jamayate Isalamir Sabek Ameer Bhasha Sainik Adhyapak Golam Ajamake Tove Tini Je Elakay 1971 Sale Thakten Sei Elakar Koun Rajakar Al Badar Al Shamas Bahinir Koun Sadasya Ba Shanti Kamitir Koun Sadasyerao NAM Janen Na Tini Rajakar Bahinir Parichalak Dhaka Jela Ba Anya Koun Jela Edajutenter Namao Volte Paren Na Adhyapak Golam Ajamer Ain GB Edabhoket Mijanul Islam Sangbadikder Baleno Sultana Kamal Koun Pratyakshadarshi Sakshi Non Tini Anyer Sarabarahkrit Tathya O Sangbader Bhittite Sakshya Diyechhen 1971 Saler Koun Ghatanai Tini Dekhenani Puropurii Rajnaitik Uddeshye Tini Sakshya Diyechhen Adhyapak Golam Ajamer Biruddhe Rashtrapaksher Tritiya Sakshi Sultana Kamal Gata Sombar Antarjatik Aparadh Traibyunale Jabanabandi Than Gatakal Mangalabar Bella Paune 11tay Bicharapati Nijamul Haque Bicharapati Jehangir Hossain O Bicharapati Anwarul Haque Traibyunal 1 Aare Ejalase Basale Sultana Kamal Taur Asamapta Jabanabandi Dea Shuru Curren Bella 12tay Taur Shalis Jabanabandi Sesh Hale Abhijukta Paksher Ainajibi Edabhoket Mijanul Islam Take Jera Curren Sakaler Seshne 1 Ghanta Evan Madhyahna Birtir Par RO Soya 1 Ghanta Jera Kara Hya Sultana Kamalake Az Budhbar Take Punray Jera Kara Habe Sultana Kamaler Jeray Sahajogita Curren Edabhoket Manjoor Ahemad Anasari Aparadike Jabanabandi Grahan Curren Prasikiutar Jiada Al Malum Chief Prasikiutar Golam Arif Tipu Prasikiutar Sayyad Haider Ali Nurjahan Mukta A Camay Upasthit Chhilen Pare Sangbadikder Brif Curren Edabhoket Mijanul Islam Sakshya Grahaner Dinh Upalakshe Adhyapak Golam Ajamake Gatakal Traibyunale Ana Hya Tove Dupurer Pare Take Haspatale Pathiye Dea Hya Sakshi Sultana Kamaler Gatakaler Jabanabandi Nimnarup Shudhumatra Jara Hindu Bauddha Khristan Chhil Tarai Noy Bengali Jatiytabade Bishwasi Evan Swadhintar Paksher Pratiti Sadharan Manusher Chetnake Aghat Kare Tader Upare Nirjatan Kara Hayechhe Tove Bisheshbhabe Sankhyalaghu Hindu Bauddha Khristanader Dharmiya Shalis Kendrer Dharmiya Karne Chihnit Kare Hatya Lunthan Nirjatan Dharshanasah Bibhinna Aparadh Kara Hayechhe 25 She Marcher Operation Sarchalait Prithibir Anyatam Nikrishtatam Ganahatya Ble Chihnit AE Karne Je Ekati Ganatantrakami Janagoshthir Opar Jara Mulat Nirastra Chhilo Tader Dhare Sashastra Hatyakand Ghatano Hayechhe Ekhane Ullekh Karate Hya Dhaka Bishwabidyalayer Shikshakader Opar Nirjatan Iqbal Hall Puriye Dea Jagannath Hale Chhatra Hatya Rokeya Hale Dhuke Chhatri Nirjatan Shakharibajar Rayer Bazaar Hatkholasah Jesab Elaka Hindu Adhyushit Ble Parichit Karfiu Diye Agnisangjog Kara Abar Ekai Sathe Rajarbage Abaruddha Pulish Bahinike Nishchihna Kare Dea Ekai Rakamabhabe Jelkhanay Raifelas Sadasyader Opar Akraman Kara Ekati Ghrinya Ganahatyar Udaharan Sachetanata Karjakram Sthapan Kare Ekaibhabe Desher Pratiti Anchale 25she Marsa Theke Shuru Kare 16 Disembar Parjanta AE Dharaner Ganahatya Chalate Thake Barishaler Ekati Udaharan Dei Bajare Samabet Janagoshthir Opar Helicopter Theke Gulibarshan Kara Hya Vita Santrasta Manus Jakhan Daure Nadite Jhanp Dite Gechhe Takhan Launch Theke Senabahini Tader Opar Apr Dik Thekeo Gulibarshan Karechhe Pakistan Hanadar Bahinir AE Dharaner Ghatana Koun Bichchhinna Ghatana Chhil Na Sarbatrai Etah Hachchhil AE Chhil Pakistan Hanadar Bahinir Pakistaner Akhandata Raksha Karar Kaushal Sei Kaushalake Shukriya Samarthan O Sahajogita Jara Diyechhil Tarao Ae Ekai Dharaner Aparadher Saman Bhagidar Evan Amara Bibhinna Patra Patrika O Betarer Madhyame Ja Sei Samayakar Tathya Sarabaraher Mul Madhyam Chhil Taur Madhyame Jante Pari Aare Samarthan O Sahajogitar Muster Maind Dilen Jamayate Isalamir Shirsh Neta Evan Shanti Kamitirao Anyatam Shirsh Neta Golam Ajam Marsa Theke Disembar Parjanta AE Dharabahikta Chalechhe 23 Agasta Lahore Evan 31 Agasta Hayadrabade Golam Ajam Nije Upasthit Theke Pakistan Hanadar Bahinir Esab Karmakander Samarthan Diyechhen Evan Muktibahinir Biruddhe Bishodagar Karechhen Evan Muktibahinike Nirmul Karar Ahaban Janiyechhen Lakshya Kara Jete Pare Septembar Mase Jakhan Purba Pakistane NATUN Mantrisabha Gathan Kara Hya Sekhane Jamayate Isalamir Sambhabat 2 John Sadasyake Sachetanata Karjakram Antarbhukta Kara Hya Tader Uddeshya Kare Sangbardhana Dite Giye Golam Ajam Baleno Thik AE Lakshye Shanti Bahini Evan Rajakar Gathan Kara Hayechhe Ekai Lakshye Jamayate Isalamir Sadasyader Mantrisabhay Antarbhukta Kara Hayechhe Ekhane Ekati Prashna Parishkar Kara Uchit Je Shanti Kamiti Kakhano Sashastra Abhijan Parichalna Karechhe Qina Amader Kachhe Je Tathya Ache Tate Tara Kakhano Kakhano Pakistani Hanadar Bahinir Sathe Sashastra Abhijane Angsh Niyechhe Rajakarder Kachhe Astra Chhil Etah Sakalerai Jaana Ache Amara RO Lakshya Kari 1 Disembar 1971 Sale Jakhan Muktijuddha Jayer Lakshye Egiye Jachchhe Takhano Golam Ajam Iyahiya Khaner Sathe Sakshat Kare Sangbad Sammelan Kare Balechhen Je Takhano Muktibahinike Parabhut Kare Taderake Shastir Aotay Anate Habe Tini Dambha Kare Ekathao Baleno Je Say Byapare Rajakarrai Jatheshta Lakshaniya Je Ekai Byakti Ekati Ganahatya Parichalnakari Sorcerer Katakhani Kachher Loka O Asthabhajan Hale Tader Sakshat Pene Evan Tader Sathe Katha Baleno Amara Rajakar Al Badar Al Shamas Bahinir Ekati Morya O Nrishans Acharan Pratyaksh Kari 10 14 Disembar 1971 Buddhijibi Hatyakander Madhya Diye Je Upaye Buddhijibider Hatya Kara Hya Natsi Amalerao Anek Hatyakand Ta Dekhe Lajita Hya Amara JANI Rajakar Shanti Kamiti Evan Al Badar O Al Shamas Bahinir Darshanik O Kaushalagat Parikalpanay Netritba Diyechhen Golapa Ajam 10 Nabembar Amara Kalakatay Chale Jai Evan 4 Januyari Sweden Bangladeshe Fire Asi 16 Disembar Hanadar Bahinir Atmasamarpaner Katha Amara Kalakatay Basei Jante Pari Takhan Jatayater Byabastha Khubai Kharap Chhil Amara Benapol Parjanta Trene Ese Tarapar Bibhinnabhabe Kakhano Riksha Kakhano Nauka Kakhano Bace Asi Karan Jatayat Byabastha Sampurna Biparjasta Chhil Eman Ec Paristhitite Deshe Fire Asi Jekhanay Atmiya Swajan Bandhu Pratibeshi Tader Paribarer Keu Na Keu Nihat Hayechhen Koun Koun Paribarer Ekadhik Sadasya Nihat Hayechhe Shraddhey Shikshakaderke Hariyechhi Sahakarmider Hariyechhe Muktijuddhe Sachetanata Karjakram Jogdankari Bandhuder Hariyechhi Ekekati Paribar Tader Ekamatra Uparjanaksham Byaktir Nihat Hway Durabasthay Patit Hayechhe Narider Abastha Tatodhik Kharap Chhil Karan Tara Bibhinnabhabe Xatigrasta Hayechhe Amara JANI Dui Laksha Nari AE Muktijuddhakalin Some Dharshaner Shikar Hayechhe RO Dui Laksha Nari Nanabhabe Atyacharit Hayechhe Evan Purush Shasit Samaje Purush Abhibhabak HARA Huye Asahay Abasthay Niptit Hayechhe Tara Anekei Amar MA Sufiya Kamaler Kachhe Tader Duhkh Durdashar Katha Volte Asen Evan Banchar Upaay Khunje Dite Sahajya Karar Anurodh Curren 71 Sale Disembar Maser Shesher Dike Amar MA Sufiya Kamal Taur Anyanya Sahakarmider Niye Narider Punarbasaner Janya Nana Dharaner Udyog Nijei Shuru Curren Ullekh Kara Jete Pare Brak Name Parichit Je Besarakari Sansthati Ache Taur Pratham Chairperson Chhilen Amar MA Brak Evan Nari Punarbasan Kendra Pratishtha Kare Esab Sangathaner Madhyame Tini Taur Sahakarmider Niye Bangladesher Punargathan Evan Juddha Bidhasta Desher Manusher Punarbasaner Kaje Atmaniyog Curren Amara Paribarer Sadasyarao Taur Sei Kaje Jukta Huye Jai Sei Karne Nari Punarbasaner Kaje Balishthabhabe Jukta Hwar Sujog Pai Ekai Sange Manbadhikar Evan Manabatar Biruddhe Aparadh AE Isyugulo Niye Kaj Karate Shuru Kari Erai Dharabahiktay Manbadhikar Kaje Ain Vise Adhyayan Karate Shuru Kari Ja Sesh Kari 1978 Sale Punarbasan Kendre Jesab Kaj Kara Hato Ta Chhil Mulat Jara Sahajyaprapti Huye Asaten Tader Chikitsar Byabastha Kara Tader Adhikangsh Atyacharer Shikar Hayechhil Tader Nirapade Thaka O Anyanya Anushangik Prayojan Metano Tara Jate Kare Nizar Paye Danriye Samaje Punarbasit Hate Pare Say Janya Tader Janya Nana Sujog Srishti Kare Dea Evan Jara Paribare Fire Jete Cheyechhen Tara Jen Sasammane Paribare Fire Jete Pare Sei Byabastha Kara Aami Ekati Vishesha Eyasainamenter Karne 19 John Atyacharit Nari Sakshatkar Niyechhilam Jara Sabai Pakistani Bahinir Sadasyader Dwara Dharshit Hayechhil Evan Tader Anekei Sthaniya Pakistani Hanadar Bahinir Dosrera Tader Kachhe Hastantarit Karechhe Era Mansikbhabe Bhishanabhabe Biparjasta Abasthay Chhil Evan Tader Mansik Chikitsar Prayojniyta Dekha Their Janya Vishesha Kare AE Sakshatkar Grahan Kara Hayechhil AE Punarbasan Kendre Da Debhisasah Bideshi O Deshiya Purush O Nari Bisheshagya Chikitsakara Chhilen Jara Swechchhasebi Chhilen Sarbakshanikbhabe Sufiya Kamal Rajnitibid Badarunnechha Samajsebi Sayera BANU Maleka Khan Afifa Haque Pramukh AE Punarbasan Kendrer Tattbabadhane Chhilen AE Punarbasan Kendrati Dhakar Iskatane Abasthit Chhil Punarbasan Kendre Jesab Dugdha Sishu Chhil Tader Maderake Ekata Sujog Dea Hayechhil Tara Raji Thakle Ae Shishuderke Dattak Dea Jete Pare 2018 Saler Nabhembarer 1 Tarikh Bangladesher Bewarish Lush Dafner Databya Sanstha Anjuman Mafidul Islam Ekati Maradeh Dhaka Kamalapur Relasteshan Elaka Theke Uddhar Kare Pare Pulishake Khabar Dile Pulish Prathamik Suratahal Kare Anjuman Mafiduler Kachhe Diye Dey Bewarish Hisebe Maradehti Dafner Janya Ghatana Ekhanei Sesh Haye Jete Parto Aro Hajar Khanek Bewarish Lasher Matai Kintu Ghatanar Mor Ney Jakhan Anjuman Mafiduler Karmira Take Dafner Age Goshler Janya Nen Mritabyaktir Komre Kichhu Kaagaz Khunje Pene Tara Sei Samay Upasthit Thaka Ekajan Karmi Ghatanar Barnana Dichchhilen Ebhabe Tini Balachhilen Amara Taur Komre ID Card Are Byanker Credit Card Pai ID Card Diye Sanakta Kara Jay Ni Erapar Pulishake Janale Tara Byanker Credit Card Diye Taur Parichay Ber Curren Dekha Jay Tini Chattagramer Vishal Baralok Fyamilir Loka Pare Tader Khabar Dile Tara Ese Lush Niye Jay Chattagramer AE Paribartir Sathe Aami Katha Balechhi Tara Ghatanar Satyata Sweekar Karechhen Kintu Paribarti Balechhen Tini Mansik Bharsamya Hariye Felechhilen Evan AE Ghatanay Etatai Biparjasta Je Ekhan Are AE Bishay Niye Katha Volte Chachchhilen Na Tara
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম এছাড়াও সংস্থাটি বাংলাদেশী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঘটা মানবাধিকার লঙ্ঘনসমূহ বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন।আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘ আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে থাকে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে সংস্থাটি গঠন করেন। বর্তমানে সুলতানা কামাল সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম ।
Romanized Version
আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম এছাড়াও সংস্থাটি বাংলাদেশী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঘটা মানবাধিকার লঙ্ঘনসমূহ বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন।আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘ আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে থাকে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে সংস্থাটি গঠন করেন। বর্তমানে সুলতানা কামাল সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সচেতনতা কার্যক্রম । Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram Ain O Salish Kendra Ack Bangladesher Ekati Besarakari Sanstha Jara Manbadhikar Niye Kaj Karar Pashapashi Ainagat Sahaytao Diye Thake AT Bangladesher Pratham Sarir Ekati Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram Manbadhikar Sangathan Jara Bisheshbhabe Shramik O Nari Adhikar Niye Kaj Curren Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram Echharao Sansthati Bangladeshi Ainashrinkhala Bahini Kartrik Ghata Manbadhikar Langhanasamuh Bibhinna Samay Tule Dharen Antarjatik Parjaye Sansthati Amnesti Intaranyashanal Evan Jatisangha Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram Arthanaitik O Samajik Parishder Paramarshak Hisebe Kaj Kare Thake 1986 Sale Bangladesher Prakhyat Ainajibira Ekatrit Haye Sansthati Gathan Curren Bartamane Sultana Kamal Sansthatir Nirbahi Parichalak Hisebe Dayitba Palan Karachhen Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Ain O Shalis Kendrer Sachetanata Karjakram Somporke Alochana Kor ,Discuss The Awareness Programs Of The Law And The Charity Center?,


vokalandroid