জানেন, হলুদ ফুলের কি অর্থ? ...

এবার কৃষি ও শস্যসমৃদ্ধ অঞ্চল শেরপুরের নকলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এলাকার বেশ কিছু প্রান্তিক চাষী হলুদ চাষে লাভবান হয়ে সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন। অনুর্বর জমিতে, কম পুঁজিতে অর্থ হচ্ছে ও নামমাত্র শ্রমে অধিক মুনাফা হওয়ায় এলাকার অনেকেই এখন হলুদ চাষে উৎসাহ হয়ে উঠছেন। জানা যায়, নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা, পাঠাকাটা, চরঅষ্টধর, বানেশ্বর্দী, গণপদ্দী ও উরফা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শত বছর আগ থেকেই কৃষকরা হলুদ চাষ করে আসছেন। স্বল্পব্যয়ে অর্থ হচ্ছে অধিক মুনাফা পাওয়ায় উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও হলুদ চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ৫শ’ একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে হলুদ চাষ করা হয়েছে। তাছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে বাড়ির আঙিনায় নিজেদের ব্যবহারের জন্য আরও প্রায় ১শ’ একর জমিতে হলুদ চাষ করেছেন কৃষক। এবার উপজেলার চন্দ্রকোনা, পাঠাকাটা, চরঅষ্টধর ও বানেশ্বর্দী ইউনিয়নেই হলুদের চাষ হয়েছে বেশি। তাছাড়া ভূরদী খন্দকারপাড়া কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যাণ সংস্থার ২৫ জন সদস্যের সবাই হলুদ চাষ করেছেন। লাভ বেশি পাওয়ায় ওই সংস্থার চাষীরা দিন দিন ওই মশলাজাতীয় ফসলের চাষ বাড়াচ্ছেন। আশানুরূপ দাম পাওয়ায় নকলা অঞ্চলে আগামীতে হলুদ চাষীর সংখ্যা ও পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে। অন্যদিকে উৎপাদিত হলুদে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হয় আশপাশের জেলাগুলোয়। উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে উন্নত জাতের ডিমলা ও সুন্দরী হলুদ চাষ করা হলেও দেশীয় জাতের হলুদই বেশি চাষ করা হয়। সাধারণত বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে হলুদ রোপণ করা হয়। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে হলুদ তোলা হয়। রোপণের আগে আড়াআড়ি ৪ থেকে ৫টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করে রোপণ করতে হচ্ছে । লাঙল দিয়ে ৩ থেকে ৪ সেন্টিমিটার গভীর করে লাইন টেনে ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি অন্তর চোখসহ হলুদের দানা রোপণ করে মাটি চাপা দিতে হচ্ছে । গজানো গাছ মাটির ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি উপরে উঠে এলে কোদাল দিয়ে অনেকটা আলু ক্ষেতের মতো মাটি দিতে হয়। তাছাড়া ৬ মাসের এ মশলাজাতীয় ফসলে সর্বোচ্চ ২ বার নিড়ানি দিতে হয়। জমি তৈরি, রোপণ, নিড়ানি ও ফসল তোলা ছাড়া আর কোন খরচ নেই। জমি তৈরি থেকে তোলা পর্যন্ত প্রতি কাঠায় (৫ শতাংশ) খরচ হয় সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা। মঙ্গলবার সরেজমিনে গেলে বানেশ্বর্দী এলাকার হলুদ চাষী মেহেদি হাসান জানান, প্রতি কাঠায় বীজ হলুদ লাগে ২০ থেকে ২২ কেজি এবং উৎপাদন হয় ৮ থেকে ১২ মণ। বর্তমান বাজার মূল্য শুকনা প্রতি কেজি ২শ’ থেকে ২২০ টাকা এবং কাঁচা হলুদ প্রতি মণ ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা। ফলে বর্তমান অর্থ অনুযায়ী প্রতি কাঠায় লাভ থাকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, যা অন্য কোন কৃষিপণ্যে সম্ভব নয়। কেল্লির মোড় এলাকার নাজিমউদ্দিন বলেন, তার ১ একর জমিতে ১৫ থেকে ১৭ হাজার অর্থ খরচ হয়েছে। তিনি আশা করছেন ৭৫ থেকে ৮৫ হাজার টাকার হলুদ পাবেন। তিনি বলেন, আগামীতে কমপক্ষে আরও ২ একর জমিতে হলুদ চাষ বাড়াবেন। এছাড়া স্থানীয় ফিরোজ মিয়া ও রইছ উদ্দিন এবং পার্শ্ববর্তী চরকৈয়া গ্রামের রুহুল আমিন, গুঞ্জুর মিয়া ও বকুল মিয়াসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্বল্প ব্যয়ে, স্বল্প শ্রমে হলুদ চাষে লাভবান হওয়ার কথা। এ বিষয়ে নকলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ বলেন, এ বছর উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শসহ আনুষঙ্গিক সেবার কারণে এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ৫শ’ একর এবং নিজের ব্যবহারের জন্য আরও প্রায় ১শ’ একর জমিতে হলুদ চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুর্বর জমিতে হলুদ চাষ হওয়ায় জমির যেমন সুষ্ঠু ব্যবহার হচ্ছে, পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন চাষিরাও। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে হলুদ চাষ। কারণ এখন হলুদ চাষে জীবনকে রঙিন বা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন অনেকেই। হলুদ বড় আকারের পাতাঝরা বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। ঢাকা শহরের মিরপুর বোটানিকেল গার্ডেনে কয়েকটি গাছ আছে। শহরে বেশি দেখা না গেলেও দেশের পাবর্ত্য অঞ্চলে হলুদ গাছ রয়েছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশে হলুদ গাছ জন্মে। ৩০০ থেকে ১ হাজার মিটার উচ্চতায় পাতাঝরা রেইন ফরেস্টেও এই গাছ জন্মাতে পারে। গাছের বাকল ধূসর রঙের, ১০ থেকে ১২ মিলিমিটার পুরু। পাতা আকারে বড়, সরল, বিপরীত, উপবৃত্তাকার, আগা কিছুটা চিকন। লম্বায় ১০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার। রঙ গাঢ় সবুজ এবং শিরাগুলো স্পষ্ট। অনেক সময় পাতায় ডুমুর পাতার মতো গোটা গোটা হয়ে থাকে। পাতার কুক্ষি থেকে পুষ্পদণ্ড বের হয়ে ৪ থেকে ১০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। একটি পুষ্পদণ্ডের মাঝ থেকে ছোট এক জোড়া লম্বা চিকন পাতা গজায় এবং সেই পাতার কুক্ষি থেকেও পুষ্পদণ্ড বের হয়। পুষ্পদণ্ডের মাথা থেকে ছোট ছোট সবুজ রঙের গোল গোল কলি বড় হয়ে ফুলে পরিণত হয়। একটি পূর্ণ মঞ্জুরিকে একটি ফুল বলে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি অনেক ফুলের সমাহার। পুষ্প মঞ্জুরির আকার ২ থেকে ২.৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। প্রথমে ফুলের রঙ সাদা-হলুদ হলেও পরে হলুদ রং ধারণ করে। ফুল দেখতে ঠিক কদমের মতো। তবে আকারে ছোট। ফুলটি কদমের মতো বর্ষাকালে ফোটে না, ফোটে শরৎ ও হেমন্তকালে। ফুল পরাগায়ণের মাধ্যমে ফলে পরিণত হয়। একটি ফলে অনেক ছোট ছোট লম্বা বীজ থাকে। বীজ থেকে নতুন গাছ জন্মে। অনেকে হলুদকে কেলিকদমও বলে। বাংলায় ফুলটিকে বলা হয় হলুদ ফুল। হিন্দিতে হল্দু। ইংরেজি নাম Yellwo teak, Saffron teak. হলুদের বৈজ্ঞানিক নাম Haldina cordifolia, সমনাম Adina cordifolia, পরিবার Rubiaceae. হলুদ গাছের কাঠে আসবাবপত্র, কৃষি কাজের সরঞ্জাম, বাড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকল অ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে। লোকায়ত চিকিৎসায় হলুদ গাছের ব্যবহার আছে। বাকল ও পাতা থেকে তৈরি পেস্ট চর্মরোগ, শরীরের ক্ষত রোগ ও জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
Romanized Version
এবার কৃষি ও শস্যসমৃদ্ধ অঞ্চল শেরপুরের নকলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এলাকার বেশ কিছু প্রান্তিক চাষী হলুদ চাষে লাভবান হয়ে সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন। অনুর্বর জমিতে, কম পুঁজিতে অর্থ হচ্ছে ও নামমাত্র শ্রমে অধিক মুনাফা হওয়ায় এলাকার অনেকেই এখন হলুদ চাষে উৎসাহ হয়ে উঠছেন। জানা যায়, নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা, পাঠাকাটা, চরঅষ্টধর, বানেশ্বর্দী, গণপদ্দী ও উরফা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শত বছর আগ থেকেই কৃষকরা হলুদ চাষ করে আসছেন। স্বল্পব্যয়ে অর্থ হচ্ছে অধিক মুনাফা পাওয়ায় উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও হলুদ চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ৫শ’ একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে হলুদ চাষ করা হয়েছে। তাছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে বাড়ির আঙিনায় নিজেদের ব্যবহারের জন্য আরও প্রায় ১শ’ একর জমিতে হলুদ চাষ করেছেন কৃষক। এবার উপজেলার চন্দ্রকোনা, পাঠাকাটা, চরঅষ্টধর ও বানেশ্বর্দী ইউনিয়নেই হলুদের চাষ হয়েছে বেশি। তাছাড়া ভূরদী খন্দকারপাড়া কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যাণ সংস্থার ২৫ জন সদস্যের সবাই হলুদ চাষ করেছেন। লাভ বেশি পাওয়ায় ওই সংস্থার চাষীরা দিন দিন ওই মশলাজাতীয় ফসলের চাষ বাড়াচ্ছেন। আশানুরূপ দাম পাওয়ায় নকলা অঞ্চলে আগামীতে হলুদ চাষীর সংখ্যা ও পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে। অন্যদিকে উৎপাদিত হলুদে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হয় আশপাশের জেলাগুলোয়। উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে উন্নত জাতের ডিমলা ও সুন্দরী হলুদ চাষ করা হলেও দেশীয় জাতের হলুদই বেশি চাষ করা হয়। সাধারণত বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে হলুদ রোপণ করা হয়। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে হলুদ তোলা হয়। রোপণের আগে আড়াআড়ি ৪ থেকে ৫টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করে রোপণ করতে হচ্ছে । লাঙল দিয়ে ৩ থেকে ৪ সেন্টিমিটার গভীর করে লাইন টেনে ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি অন্তর চোখসহ হলুদের দানা রোপণ করে মাটি চাপা দিতে হচ্ছে । গজানো গাছ মাটির ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি উপরে উঠে এলে কোদাল দিয়ে অনেকটা আলু ক্ষেতের মতো মাটি দিতে হয়। তাছাড়া ৬ মাসের এ মশলাজাতীয় ফসলে সর্বোচ্চ ২ বার নিড়ানি দিতে হয়। জমি তৈরি, রোপণ, নিড়ানি ও ফসল তোলা ছাড়া আর কোন খরচ নেই। জমি তৈরি থেকে তোলা পর্যন্ত প্রতি কাঠায় (৫ শতাংশ) খরচ হয় সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা। মঙ্গলবার সরেজমিনে গেলে বানেশ্বর্দী এলাকার হলুদ চাষী মেহেদি হাসান জানান, প্রতি কাঠায় বীজ হলুদ লাগে ২০ থেকে ২২ কেজি এবং উৎপাদন হয় ৮ থেকে ১২ মণ। বর্তমান বাজার মূল্য শুকনা প্রতি কেজি ২শ’ থেকে ২২০ টাকা এবং কাঁচা হলুদ প্রতি মণ ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা। ফলে বর্তমান অর্থ অনুযায়ী প্রতি কাঠায় লাভ থাকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, যা অন্য কোন কৃষিপণ্যে সম্ভব নয়। কেল্লির মোড় এলাকার নাজিমউদ্দিন বলেন, তার ১ একর জমিতে ১৫ থেকে ১৭ হাজার অর্থ খরচ হয়েছে। তিনি আশা করছেন ৭৫ থেকে ৮৫ হাজার টাকার হলুদ পাবেন। তিনি বলেন, আগামীতে কমপক্ষে আরও ২ একর জমিতে হলুদ চাষ বাড়াবেন। এছাড়া স্থানীয় ফিরোজ মিয়া ও রইছ উদ্দিন এবং পার্শ্ববর্তী চরকৈয়া গ্রামের রুহুল আমিন, গুঞ্জুর মিয়া ও বকুল মিয়াসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্বল্প ব্যয়ে, স্বল্প শ্রমে হলুদ চাষে লাভবান হওয়ার কথা। এ বিষয়ে নকলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ বলেন, এ বছর উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শসহ আনুষঙ্গিক সেবার কারণে এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ৫শ’ একর এবং নিজের ব্যবহারের জন্য আরও প্রায় ১শ’ একর জমিতে হলুদ চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুর্বর জমিতে হলুদ চাষ হওয়ায় জমির যেমন সুষ্ঠু ব্যবহার হচ্ছে, পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন চাষিরাও। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে হলুদ চাষ। কারণ এখন হলুদ চাষে জীবনকে রঙিন বা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন অনেকেই। হলুদ বড় আকারের পাতাঝরা বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। ঢাকা শহরের মিরপুর বোটানিকেল গার্ডেনে কয়েকটি গাছ আছে। শহরে বেশি দেখা না গেলেও দেশের পাবর্ত্য অঞ্চলে হলুদ গাছ রয়েছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশে হলুদ গাছ জন্মে। ৩০০ থেকে ১ হাজার মিটার উচ্চতায় পাতাঝরা রেইন ফরেস্টেও এই গাছ জন্মাতে পারে। গাছের বাকল ধূসর রঙের, ১০ থেকে ১২ মিলিমিটার পুরু। পাতা আকারে বড়, সরল, বিপরীত, উপবৃত্তাকার, আগা কিছুটা চিকন। লম্বায় ১০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার। রঙ গাঢ় সবুজ এবং শিরাগুলো স্পষ্ট। অনেক সময় পাতায় ডুমুর পাতার মতো গোটা গোটা হয়ে থাকে। পাতার কুক্ষি থেকে পুষ্পদণ্ড বের হয়ে ৪ থেকে ১০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। একটি পুষ্পদণ্ডের মাঝ থেকে ছোট এক জোড়া লম্বা চিকন পাতা গজায় এবং সেই পাতার কুক্ষি থেকেও পুষ্পদণ্ড বের হয়। পুষ্পদণ্ডের মাথা থেকে ছোট ছোট সবুজ রঙের গোল গোল কলি বড় হয়ে ফুলে পরিণত হয়। একটি পূর্ণ মঞ্জুরিকে একটি ফুল বলে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি অনেক ফুলের সমাহার। পুষ্প মঞ্জুরির আকার ২ থেকে ২.৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। প্রথমে ফুলের রঙ সাদা-হলুদ হলেও পরে হলুদ রং ধারণ করে। ফুল দেখতে ঠিক কদমের মতো। তবে আকারে ছোট। ফুলটি কদমের মতো বর্ষাকালে ফোটে না, ফোটে শরৎ ও হেমন্তকালে। ফুল পরাগায়ণের মাধ্যমে ফলে পরিণত হয়। একটি ফলে অনেক ছোট ছোট লম্বা বীজ থাকে। বীজ থেকে নতুন গাছ জন্মে। অনেকে হলুদকে কেলিকদমও বলে। বাংলায় ফুলটিকে বলা হয় হলুদ ফুল। হিন্দিতে হল্দু। ইংরেজি নাম Yellwo teak, Saffron teak. হলুদের বৈজ্ঞানিক নাম Haldina cordifolia, সমনাম Adina cordifolia, পরিবার Rubiaceae. হলুদ গাছের কাঠে আসবাবপত্র, কৃষি কাজের সরঞ্জাম, বাড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকল অ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে। লোকায়ত চিকিৎসায় হলুদ গাছের ব্যবহার আছে। বাকল ও পাতা থেকে তৈরি পেস্ট চর্মরোগ, শরীরের ক্ষত রোগ ও জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।Ebar Krishi O Shasyasamriddha Anchal Sherpurer Nakalay Banijyik Bhittite Halud Chashabad Shuru Hayechhe Itomadhye Elakar Bash Kichhu Prantik Chashi Halud Chashe Labhban Huye Sansare Sachchhalata Enechhen Anurbar Jamite Com Punjite Earth Hachchhe O Nammatra Shrame Adhik Munafa Hway Elakar Anekei Ekhan Halud Chashe Utsah Huye Uthachhen Jaana Jay Nakala Upajelar Chandrakona Pathakata Charashtadhar Baneshwardi Ganapaddi O Urafa Yuniyner Pratyanta Anchale Shat Bachhar Aug Thekei Krishakara Halud Chash Kare Asachhen Swalpabyaye Earth Hachchhe Adhik Munafa Paway Upajelar Anyanya Yuniyneo Halud Chash Samprasarit Hachchhe A Bachhar Upajelay 5sho Ecru Jamite Banijyikabhabe Halud Chash Kara Hayechhe Tachhara Bichchhinnabhabe Barir Anginay Nijeder Byabaharer Janya RO Pray 1sho Ecru Jamite Halud Chash Karechhen Krishak Ebar Upajelar Chandrakona Pathakata Charashtadhar O Baneshwardi Yuniynei Haluder Chash Hayechhe Bedshee Tachhara Bhurdi Khandakarpara Krishipanya Utpadak Kalyan Sansthar 25 John Sadasyer Sabai Halud Chash Karechhen Love Bedshee Paway We Sansthar Chashira Dinh Dinh We Mashalajatiya Fasaler Chash Barachchhen Ashanurup Daam Paway Nakala Anchale Agamite Halud Chashir Sankhya O Pariman Dwigun Hate Pare Anyadike Utpadit Halude Sthaniya Sahida Mitiye Sarabarah Kara Hya Ashapasher Jelaguloy Upajela Krishi Bibhager Tathyamate Bartamane Deshe Unnat Jater Dimla O Sundari Halud Chash Kara Haleo Deshiya Jater Haludai Bedshee Chash Kara Hya Sadharanat Vaishakh Jyaishtha Mase Halud Ropan Kara Hya Agrahayan Paush Mase Halud Tola Hya Ropner Age Araari 4 Theke 5ti Chash O Mai Diye Jami Tairi Kare Ropan Karate Hachchhe Langal Diye 3 Theke 4 Centimetre Gabhir Kare Line Tene 6 Theke 8 Inch Antar Chokhasah Haluder Dana Ropan Kare Mete Chapa Dite Hachchhe Gajano Gachh Matir 6 Theke 8 Inch Upare Uthe Alley Kodal Diye Anekata Alu Xeter Mato Mete Dite Hya Tachhara 6 Maser A Mashalajatiya Fasale Sarbochch 2 Bar Nirani Dite Hya Jami Tairi Ropan Nirani O Focal Tola Chhara Are Koun Kharach Nei Jami Tairi Theke Tola Parjanta Prati Kathay 5 Shatangsh Kharach Hya Sarbochch 1 Hajar Taka Mangalabar Sarejmine Gele Baneshwardi Elakar Halud Chashi Mehedi HASAN Janan Prati Kathay Wiz Halud Lage 20 Theke 22 KG Evan Utpadan Hya 8 Theke 12 Man Bartaman Bazaar Mulya Shukna Prati KG 2sho Theke 220 Taka Evan Kancha Halud Prati Man 480 Theke 520 Taka Fale Bartaman Earth Anujayi Prati Kathay Love Thake 4 Theke 5 Hajar Taka Ja Anya Koun Krishipanye Sambhab Noy Kellir Mor Elakar Najimauddin Baleno Taur 1 Ecru Jamite 15 Theke 17 Hajar Earth Kharach Hayechhe Tini Asha Karachhen 75 Theke 85 Hajar Takar Halud Paben Tini Baleno Agamite Kamapakshe RO 2 Ecru Jamite Halud Chash Baraben Echhara Sthaniya Firoj Mia O Raichh Uddin Evan Parshwabarti Charakaiya Gramer Ruhul Amin Gunjur Mia O Bakul Miyasah Bash Kayekajaner Sathe Katha Ble Jaana Jay Swalpa Byaye Swalpa Shrame Halud Chashe Labhban Hwar Katha A Vise Nakala Upajela Krishi Samprasaran Karmakarta Abadul Wadud Baleno A Bachhar Upajela Krishi Bibhager Paramarshasah Anushangik Sebar Karne Elakay Banijyikabhabe 5sho Ecru Evan Nizar Byabaharer Janya RO Pray 1sho Ecru Jamite Halud Chash Karechhen Sthaniya Krishakara Anurbar Jamite Halud Chash Hway Jamir Jeman Sushthu Byabahar Hachchhe Pashapashi Labhban Hssen Chashirao Bhabishyate RO Barbe Halud Chash Karan Ekhan Halud Chashe Jibanake Rangin Ba Swabalambi Hwar Swapna Dekhchhen Anekei Halud Bar Akarer Patajhara Brikshajatiya Udbhid 30 Meter Parjanta Unchu Huye Thake Dhaka Shaharer Mirpur Botanikel Gardene Kayekati Gachh Ache Shahare Bedshee Dekha Na Geleo Desher Pabartya Anchale Halud Gachh Rayechhe Bharat Shrilanka Bangladesh Seen Miyanmar Laos Bhiyetnam Kambodiya Thailyand Malyeshiya Ityadi Deshe Halud Gachh Janmay 300 Theke 1 Hajar Meter Uchchatay Patajhara Rain Faresteo AE Gachh Janmate Pare Gachher Buckle Dhusar Ranger 10 Theke 12 Millimetre Puru Pata Akare Bar Soral Biprit Upabrittakar Agha Kichhuta Chikan Lambay 10 Theke 30 Centimetre Rang Gadh Sabuj Evan Shiragulo Spashta Anek Camay Patay Dumur Pathar Mato Gutta Gutta Huye Thake Pathar Kukshi Theke Pushpadand Ber Huye 4 Theke 10 Centimetre Lamba Hya Ekati Pushpadander Mujhe Theke Chhot Ec Jodhaa Lamba Chikan Pata Gajay Evan Sei Pathar Kukshi Thekeo Pushpadand Ber Hya Pushpadander Matha Theke Chhot Chhot Sabuj Ranger GOAL GOAL Kali Bar Huye Fule Parinat Hya Ekati Purna Manjurike Ekati Full Ble Money Haleo Prakritapakshe AT Anek Fuler Samahar PUSHPA Manjurir Akar 2 Theke 2 5 Centimetre Huye Thake Prathame Fuler Rang Sadda Halud Haleo Pare Halud Wrong Dharan Kare Full Dekhte Thik Kadamer Mato Tove Akare Chhot Fulti Kadamer Mato Barshakale Fote Na Fote Sarat O Hemantakale Full Paragayner Madhyame Fale Parinat Hya Ekati Fale Anek Chhot Chhot Lamba Wiz Thake Wiz Theke NATUN Gachh Janmay Aneke Haludake Kelikadamao Ble Banglay Fultike Bala Hya Halud Full Hindite Haldu Ingreji NAM Yellwo Teak, Saffron Teak. Haluder Baigyanik NAM Haldina Cordifolia, Samanam Adina Cordifolia, Paribar Halud Gachher Kathe Asababapatra Krishi Kajer Saranjam Bari Tairir Kaje Byabahrit Hya Buckle Antiseptiker Kaj Kare Lokayat Chikitsay Halud Gachher Byabahar Ache Buckle O Pata Theke Tairi Pest Charmarog Sharirer Xat Rogue O Jbarer Chikitsay Byabahar Kara Hya
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


মনে করুন, আপনাকে কেউ একজন সাদা গোলাপ পাঠিয়েছেন। সাবধান, হুট করে তাকে ভুল বুঝবেন না যেন! ধরেই নেবেন না যে, সে আপনার প্রেমে পড়েছে। অর্থ হচ্ছে হলুদ কারণ সাদা ফুলের অর্থ হচ্ছে শ্রদ্ধা, ভদ্রতা এবং নম্রতা। অবশ্য হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। হচ্ছে হলুদ কেননা বিভিন্ন রঙের ফুলের রয়েছে বিভিন্ন হচ্ছে হলুদ রকম সাংকেতিক অর্থ। নির্দিষ্ট ফুলের নির্দিষ্ট একটা অর্থ আছে। অর্থগুলো ঐতিহাসিকভাবে এবং সার্বজনীন স্বীকৃত। এ কারণে অনেক সচেতন ব্যক্তি আছেন, যারা ফুল ও ফুলের রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনো ভুল করেন না। আর তা যদি হয়- কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান বা ঘটনাকে উপলক্ষ করে, তাহলে তো কথাই নেই। জেনে নিন, ফুলের সাংকেতিক অর্থ লাল হচ্ছে ভালোবাসা এবং আবেগের রঙ। বেশির ভাগ প্রেমিক তীব্র কামনা প্রকাশের জন্য লাল ফুলকেই বেছে নেন। কমলা রঙের ফুল আত্মবিশ্বাস, সাহস ও জীবনের প্রতি গভীর উচ্চাশা প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। হলুদ ফুল সুখ এবং আনন্দের নিবিড় কোনো কথা জানাতে পারে অব্যর্থভাবে। এটি বন্ধুত্বের রঙ।
Romanized Version
মনে করুন, আপনাকে কেউ একজন সাদা গোলাপ পাঠিয়েছেন। সাবধান, হুট করে তাকে ভুল বুঝবেন না যেন! ধরেই নেবেন না যে, সে আপনার প্রেমে পড়েছে। অর্থ হচ্ছে হলুদ কারণ সাদা ফুলের অর্থ হচ্ছে শ্রদ্ধা, ভদ্রতা এবং নম্রতা। অবশ্য হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। হচ্ছে হলুদ কেননা বিভিন্ন রঙের ফুলের রয়েছে বিভিন্ন হচ্ছে হলুদ রকম সাংকেতিক অর্থ। নির্দিষ্ট ফুলের নির্দিষ্ট একটা অর্থ আছে। অর্থগুলো ঐতিহাসিকভাবে এবং সার্বজনীন স্বীকৃত। এ কারণে অনেক সচেতন ব্যক্তি আছেন, যারা ফুল ও ফুলের রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনো ভুল করেন না। আর তা যদি হয়- কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান বা ঘটনাকে উপলক্ষ করে, তাহলে তো কথাই নেই। জেনে নিন, ফুলের সাংকেতিক অর্থ লাল হচ্ছে ভালোবাসা এবং আবেগের রঙ। বেশির ভাগ প্রেমিক তীব্র কামনা প্রকাশের জন্য লাল ফুলকেই বেছে নেন। কমলা রঙের ফুল আত্মবিশ্বাস, সাহস ও জীবনের প্রতি গভীর উচ্চাশা প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। হলুদ ফুল সুখ এবং আনন্দের নিবিড় কোনো কথা জানাতে পারে অব্যর্থভাবে। এটি বন্ধুত্বের রঙ।Money Karoon Apanake Keu Ekajan Sadda Golapa Pathiyechhen Savdhaan Hut Kare Take Bhool Bujhben Na Jen Dharei Neben Na Je Say Apanar Preme Parechhe Earth Hachchhe Halud Karan Sadda Fuler Earth Hachchhe Shraddha Bhadrata Evan Namratha Abashya Hatash Hwarao Kichhu Nei Hachchhe Halud Kenna Bibhinna Ranger Fuler Rayechhe Bibhinna Hachchhe Halud Rakam Sanketik Earth Nirdishta Fuler Nirdishta Ekata Earth Ache Arthagulo Aitihasikbhabe Evan Sarbajanin Swikrit A Karne Anek Sachetan Byakti Achhen Jara Full O Fuler Rang Nirbachaner Xetre Kakhano Bhool Curren Na Are Ta Jodi Hya Kono Vishesha Anushthan Ba Ghatanake Upalaksh Kare Tahle Toh Kathai Nei Jene Nin Fuler Sanketik Earth Lal Hachchhe Bhalobasa Evan Abeger Rang Beshir Bhag Premik Tibra Kamna Prakasher Janya Lal Fulkei Bechhe Nen Kamala Ranger Full Atmabishwas Sahas O Jibner Prati Gabhir Uchchasha Prakasher Xetre Byabahrit Hya Halud Full Sukh Evan Anander Nibir Kono Katha Janate Pare Abyarthabhabe AT Bandhutber Rang
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Janen Halud Phuler Ki Ortho,What Does The Yellow Flower Mean?,


vokalandroid