বিচার বিভাগের গঠন সম্পর্ক এ বল। ...

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গড়ে উঠেছে উর্দ্ধতন বিচার বিভাগ (সুপ্রীম কোর্ট) এবং অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)-এর সমন্বয়ে। বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের অন্যতম বিচার বিভাগ। সরকারের অন্য দুটি বিভাগ হল আইন বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ।উর্দ্ধতন বিচার বিভাগ সম্পাদনা আপীল বিভাগ সম্পাদনা বাংলাদেশের উচ্চ আদালত দুই ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে আপীল বিভাগ উচ্চতম। প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। হাইকোর্ট বিভাগ সম্পাদনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্পাদনা অধস্তন বিচার বিভাগ সম্পাদনা দেওয়ানি বিচার বিভাগ সম্পাদনা পাঁচ শ্রেণির অধস্তন দেওয়ানি আদালত আছে, যথা *সহকারি জজ আদালত, * উর্ধতন সহকারি জজের আদালত, *যুগ্ম জেলা জজের আদালত, *অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত ও *জেলা জজের আদালত। প্রতিটি জেলায় বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পাবর্ত্য জেলাগুলোতে যেখানে পৃথক কোনো দেওয়ানি আদালত ছিল না সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটরাই দেওয়ানি আদালতের দায়িত্ব পালন করতেন। তবে সম্প্রতি সেখানে দেওয়ানি আদালত গঠিত হয়েছে এবং কাজ করছে। হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান সাপেক্ষে জেলা জজের গোটা জেলার সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। জেলা জজের প্রধানত আপীল মামলার বিচার করার ও মামলা পর্যালোচনা করার এখতিয়ার আছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার মৌলিক এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা জজের এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের মতোই সমবিস্তৃত। তিনি জেলা জজ কর্তৃক তার উপর অর্পিত বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন জজের প্রদত্ত রায়, ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল জেলা জজদের কাছে করা হয়। অনুরূপভাবে জেলা জজ সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আনীত আপিলগুলো যুগ্ম জেলা জজদের কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারেন। যুগ্ম জেলা জজদের দেওয়ানি বিষয়ক সীমাহীন মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে।দেওয়ানি আদালতগুলো উত্তরাধিকার, বিবাহ বা জাতপাত কিম্বা কোনো ধর্মীয় রীতিনীতি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত যেকোন প্রশ্নের নিষ্পত্তিকালে পক্ষগুলো যেখানে মুসলমান সেক্ষেত্রে মুসলিম আইন আর হিন্দু হলে হিন্দু আইন প্রয়োগ করে থাকে। তবে আইনসভা প্রণীত কোনো অধিনিয়মের দ্বারা এ জাতীয় আইনের পরিবর্তন বা বিলোপ ঘটে থাকলে সেসব ক্ষেত্রেই এর ব্যত্যয় ঘটে। অর্থঋণ আদালত সম্পাদনা সরকার অর্থঋণ আদালত আইন, ১৯৯০ এর বিধানাবলির অধীনে প্রতি জেলায় একটি অর্থঋণ আদালত গঠন করেছেন এবং সুপ্রীম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অধস্তন বিচারকদের এই আদালতের বিচারক পদে নিয়োগ দিয়েছেন। ব্যাংক, বিনিয়োগ কর্পোরেশন, গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, লিজিং কোম্পানি ইত্যাদির মতো অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান এবং অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর বিধানাবলির অধীনে গঠিত ব্যাংক বহির্ভূত অর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনাদায়ী ঋণ আদায়ের সকল মামলা অর্থঋণ আদালতে দায়ের করতে হয় এবং এজাতীয় মামলাগুলো এককভাবে এই শ্রেণির আদালতে বিচারযোগ্য। অর্থঋণ আদালত একটি দেওয়ানি আদালত এবং দেওয়ানি আদালতের যাবতীয় ক্ষমতা এই আদালতের রয়েছে। পারিবারিক আদালত সম্পাদনা পারিবারিক বিষয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করে পারিবারিক আদালত। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন পারিবারিক আদালতের পাঁচটি বিষয়াদির সকল অথবা যেকোনটির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে যেকোন মামলা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তি করার একক এখতিয়ার থাকবে ৷ বিষয়গুলো হলো: (ক) বিবাহবিচ্ছেদ, (খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, (গ) দেনমোহর, (ঘ) ভরণপোষণ এবং (ঙ) সন্তান-সন্ততিগণের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান ৷ দেউলিয়া আদালত সম্পাদনা দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭ এর অধীনে গঠিত হয়েছে। প্রতি জেলার জেলা আদালত সেই জেলার দেউলিয়া আদালত, এবং জেলা জজ হলেন সেই আদালতের পরিচালনাকারী বিচারক। জেলার অভ্যন্তরে উদ্ভূত দেউলিয়া মামলাগুলোর বিচার ও নিষ্পত্তি করার কর্তৃত্ব তার হাতে ন্যস্ত এবং তিনি অতিরিক্ত (জেলা) জজকে এজাতীয় যেকোন মামলার বিচার ও নিষ্পত্তি করার কর্তৃত্ব অর্পণ করতে পারেন।সহকারি জজ, সিনিয়র সহকারি জজ এবং যুগ্ম জেলা জজদের ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের মামলা এবং কোনো বাড়ির ১২ মাসের ভাড়া উপরোক্ত অংকের অর্থের সমপরিমাণ হলে সেই বাড়ির মালিক কর্তৃক মাসওয়ারি ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদের মামলা গ্রহণ ও বিচার করার জন্য স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের কাছে আপিল করা ছাড়া স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জারিকৃত ডিক্রী বা অধিকাংশ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না। তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ডিক্রি বা আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা পুনর্বিবেচনার আর্জি পেশ করতে পারেন। সহকারি জজ ও সিনিয়র সহকারি জজরা ভাড়া নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন এবং বকেয়া ভাড়া আদায়ের মামলা বা ভাড়া দেয়া জায়গা থেকে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদের মামলা বাদে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের মধ্যেকার বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করে থাকেন যেমন, বাড়ির মালিক ।
Romanized Version
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গড়ে উঠেছে উর্দ্ধতন বিচার বিভাগ (সুপ্রীম কোর্ট) এবং অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)-এর সমন্বয়ে। বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের অন্যতম বিচার বিভাগ। সরকারের অন্য দুটি বিভাগ হল আইন বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ।উর্দ্ধতন বিচার বিভাগ সম্পাদনা আপীল বিভাগ সম্পাদনা বাংলাদেশের উচ্চ আদালত দুই ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে আপীল বিভাগ উচ্চতম। প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। হাইকোর্ট বিভাগ সম্পাদনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্পাদনা অধস্তন বিচার বিভাগ সম্পাদনা দেওয়ানি বিচার বিভাগ সম্পাদনা পাঁচ শ্রেণির অধস্তন দেওয়ানি আদালত আছে, যথা *সহকারি জজ আদালত, * উর্ধতন সহকারি জজের আদালত, *যুগ্ম জেলা জজের আদালত, *অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত ও *জেলা জজের আদালত। প্রতিটি জেলায় বিচার বিভাগের প্রধান হলেন জেলা জজ। পাবর্ত্য জেলাগুলোতে যেখানে পৃথক কোনো দেওয়ানি আদালত ছিল না সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটরাই দেওয়ানি আদালতের দায়িত্ব পালন করতেন। তবে সম্প্রতি সেখানে দেওয়ানি আদালত গঠিত হয়েছে এবং কাজ করছে। হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান সাপেক্ষে জেলা জজের গোটা জেলার সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। জেলা জজের প্রধানত আপীল মামলার বিচার করার ও মামলা পর্যালোচনা করার এখতিয়ার আছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার মৌলিক এখতিয়ারও রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা জজের এখতিয়ার জেলা জজের এখতিয়ারের মতোই সমবিস্তৃত। তিনি জেলা জজ কর্তৃক তার উপর অর্পিত বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন। সহকারি জজ ও অধস্তন জজের প্রদত্ত রায়, ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল জেলা জজদের কাছে করা হয়। অনুরূপভাবে জেলা জজ সহকারি জজদের প্রদত্ত রায়, ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আনীত আপিলগুলো যুগ্ম জেলা জজদের কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারেন। যুগ্ম জেলা জজদের দেওয়ানি বিষয়ক সীমাহীন মৌলিক এখতিয়ার রয়েছে।দেওয়ানি আদালতগুলো উত্তরাধিকার, বিবাহ বা জাতপাত কিম্বা কোনো ধর্মীয় রীতিনীতি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত যেকোন প্রশ্নের নিষ্পত্তিকালে পক্ষগুলো যেখানে মুসলমান সেক্ষেত্রে মুসলিম আইন আর হিন্দু হলে হিন্দু আইন প্রয়োগ করে থাকে। তবে আইনসভা প্রণীত কোনো অধিনিয়মের দ্বারা এ জাতীয় আইনের পরিবর্তন বা বিলোপ ঘটে থাকলে সেসব ক্ষেত্রেই এর ব্যত্যয় ঘটে। অর্থঋণ আদালত সম্পাদনা সরকার অর্থঋণ আদালত আইন, ১৯৯০ এর বিধানাবলির অধীনে প্রতি জেলায় একটি অর্থঋণ আদালত গঠন করেছেন এবং সুপ্রীম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অধস্তন বিচারকদের এই আদালতের বিচারক পদে নিয়োগ দিয়েছেন। ব্যাংক, বিনিয়োগ কর্পোরেশন, গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, লিজিং কোম্পানি ইত্যাদির মতো অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান এবং অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর বিধানাবলির অধীনে গঠিত ব্যাংক বহির্ভূত অর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনাদায়ী ঋণ আদায়ের সকল মামলা অর্থঋণ আদালতে দায়ের করতে হয় এবং এজাতীয় মামলাগুলো এককভাবে এই শ্রেণির আদালতে বিচারযোগ্য। অর্থঋণ আদালত একটি দেওয়ানি আদালত এবং দেওয়ানি আদালতের যাবতীয় ক্ষমতা এই আদালতের রয়েছে। পারিবারিক আদালত সম্পাদনা পারিবারিক বিষয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করে পারিবারিক আদালত। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন পারিবারিক আদালতের পাঁচটি বিষয়াদির সকল অথবা যেকোনটির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে যেকোন মামলা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তি করার একক এখতিয়ার থাকবে ৷ বিষয়গুলো হলো: (ক) বিবাহবিচ্ছেদ, (খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, (গ) দেনমোহর, (ঘ) ভরণপোষণ এবং (ঙ) সন্তান-সন্ততিগণের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান ৷ দেউলিয়া আদালত সম্পাদনা দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭ এর অধীনে গঠিত হয়েছে। প্রতি জেলার জেলা আদালত সেই জেলার দেউলিয়া আদালত, এবং জেলা জজ হলেন সেই আদালতের পরিচালনাকারী বিচারক। জেলার অভ্যন্তরে উদ্ভূত দেউলিয়া মামলাগুলোর বিচার ও নিষ্পত্তি করার কর্তৃত্ব তার হাতে ন্যস্ত এবং তিনি অতিরিক্ত (জেলা) জজকে এজাতীয় যেকোন মামলার বিচার ও নিষ্পত্তি করার কর্তৃত্ব অর্পণ করতে পারেন।সহকারি জজ, সিনিয়র সহকারি জজ এবং যুগ্ম জেলা জজদের ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের মামলা এবং কোনো বাড়ির ১২ মাসের ভাড়া উপরোক্ত অংকের অর্থের সমপরিমাণ হলে সেই বাড়ির মালিক কর্তৃক মাসওয়ারি ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদের মামলা গ্রহণ ও বিচার করার জন্য স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের কাছে আপিল করা ছাড়া স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জারিকৃত ডিক্রী বা অধিকাংশ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না। তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ডিক্রি বা আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা পুনর্বিবেচনার আর্জি পেশ করতে পারেন। সহকারি জজ ও সিনিয়র সহকারি জজরা ভাড়া নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন এবং বকেয়া ভাড়া আদায়ের মামলা বা ভাড়া দেয়া জায়গা থেকে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদের মামলা বাদে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের মধ্যেকার বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করে থাকেন যেমন, বাড়ির মালিক ।Bangladesher Bichar Bibhag Gare Uthechhe Urddhatan Bichar Bibhag Supreme Court Evan Adhastan Bichar Bibhag Nimna Adalatasamuh Aare Samanwaye Bangladesh Sorcerer Tinti Bibhager Anyatam Bichar Bibhag Sorcerer Anya Duti Bibhag Hall Ain Bibhag O Nirbahi Bibhag Urddhatan Bichar Bibhag Sampadana Apil Bibhag Sampadana Bangladesher Uchch Adalat Dui Bhage Bibhakta Aare Madhye Apil Bibhag Uchchatam Pradhan Bicharapati O Anyanya Bicharapatider Niye AT Gathit Hay Haikorta Bibhag Sampadana Antarjatik Aparadh Traibyunal Sampadana Adhastan Bichar Bibhag Sampadana Dewani Bichar Bibhag Sampadana Paanch Shrenir Adhastan Dewani Adalat Ache Jatha Sahakari Jojo Adalat Urdhatan Sahakari Jajer Adalat Jugma Jela Jajer Adalat Atirikta Jela Jajer Adalat O Jela Jajer Adalat Pratiti Jelay Bichar Bibhager Pradhan Halen Jela Jojo Pabartya Jelagulote Jekhanay Prithak Kono Dewani Adalat Chhil Na Sekhane Myajistretarai Dewani Adalter Dayitba Palan Karaten Tove Samprati Sekhane Dewani Adalat Gathit Hayechhe Evan Kaj Karachhe Haikorta Bibhager Tattbabadhan Sapekshe Jela Jajer Gutta Jelar Sakal Dewani Adalter Upar Prashasnik Niyantran Rayechhe Jela Jajer Pradhanat Apil Mamlar Bichar Karar O Mamla Parjalochna Karar Ekhatiyar Ache Tove Kono Kono Xetre Taur Maulik Ekhatiyarao Rayechhe Atirikta Jela Jajer Ekhatiyar Jela Jajer Ekhatiyarer Matoi Samabistrit Tini Jela Jojo Kartrik Taur Upar Arpit Bicharik Dayitba Palan Curren Sahakari Jojo O Adhastan Jajer Pradatta Ray Decree Ba Adesher Biruddhe Apil Jela Jajader Kachhe Kara Hay Anurupbhabe Jela Jojo Sahakari Jajader Pradatta Ray Decree Ba Adesher Biruddhe Anita Apilgulo Jugma Jela Jajader Kachhe Nishpattir Janya Pathate Paren Jugma Jela Jajader Dewani Bishayak Simahin Maulik Ekhatiyar Rayechhe Dewani Adalatagulo Uttaradhikar Vivah Ba Jatpat Kimba Kono Dharmiya Ritiniti Ba Pratisthan Samparkit Jekon Prashner Nishpattikale Pakshagulo Jekhanay Musalaman Sekshetre Muslim Ain Are Hindu Hale Hindu Ain Prayog Kare Thake Tove Ainasabha Pranit Kono Adhiniymer Dwara A Jatiya Ainer Parivartan Ba Bilop Ghate Thakle Sesab Xetrei Aare Byatyay Ghate Arthrin Adalat Sampadana Sarkar Arthrin Adalat Ain 1990 Aare Bidhanablir Adhine Prati Jelay Ekati Arthrin Adalat Gathan Karechhen Evan Supreme Korter Sange Paramarshakrame Adhastan Bicharakader AE Adalter Bicharak Pode Niyog Diyechhen Bank Biniyog Corporation Grihnirman Rinadan Sanstha Lijing Company Ityadir Mato Arthalagni Pratisthan Evan Arthalagni Pratisthan Ain 1993 Aare Bidhanablir Adhine Gathit Bank Bahirbhut Earth Pratishthanagulor Anadayi Rin Adayer Sakal Mamla Arthrin Adalate Dayer Karate Hay Evan Ejatiya Mamlagulo Ekakabhabe AE Shrenir Adalate Bicharajogya Arthrin Adalat Ekati Dewani Adalat Evan Dewani Adalter Jabtiya Xamata AE Adalter Rayechhe Paribarik Adalat Sampadana Paribarik Bishay Sankranta Mokaddamar Nishpatti Kare Paribarik Adalat 1961 Saler Muslim Paribarik Ain Adhyadesh Aare Bidhanabli Sapekshe Koun Paribarik Adalter Panchati Bishyadir Sakal Athaba Jekontir Sange Samparkit Bishye Jekon Mamla Grahan Bichar Evan Nishpatti Karar Ekk Ekhatiyar Thakbe R Bishayagulo Holo Ca Bibahbichchhed Kh Dampatya Adhikar Punruddhar G Denmohar Gho Bharanaposhan Evan N Santan Santatigner Abhibhabakatba O Tattbabadhan R Deuliya Adalat Sampadana Deuliya Ain 1997 Aare Adhine Gathit Hayechhe Prati Jelar Jela Adalat Sei Jelar Deuliya Adalat Evan Jela Jojo Halen Sei Adalter Parichalnakari Bicharak Jelar Abhyantare Udbhut Deuliya Mamlagulor Bichar O Nishpatti Karar Kartritba Taur Hate Nyasta Evan Tini Atirikta Jela Jajake Ejatiya Jekon Mamlar Bichar O Nishpatti Karar Kartritba Arpan Karate Paren Sahakari Jojo Siniyar Sahakari Jojo Evan Jugma Jela Jajader Trisha Hajar Taka Parjanta Earth Adayer Mamla Evan Kono Barir 12 Maser Bhara Uparokta Anker Arther Samapariman Hale Sei Barir Malik Kartrik Maswari Bharatiyake Uchchheder Mamla Grahan O Bichar Karar Janya Swalpa Ekhatiyarasampanna Adalter Dayitba Palner Xamata Deya Hayechhe Nirdishta Katipay Adesher Biruddhe Jela Jajer Kachhe Apil Kara Chhara Swalpa Ekhatiyar Sampann Adalter Jarikrit Decree Ba Adhikangsh Adesher Biruddhe Kono Apil Kara Jay Na Tove Sankshubdha Pax Dikri Ba Apilajogya Adesher Biruddhe Haikorta Bibhage Mamla Punarbibechnar Arji Paes Karate Paren Sahakari Jojo O Siniyar Sahakari Jajara Bhara Niyantraker Dayitba Palan Kare Thaken Evan Bakeya Bhara Adayer Mamla Ba Bhara Deya Jayga Theke Bharatiya Uchchheder Mamla Bade Barir Malik O Bharatiyader Madhyekar Birodhgulor Nishpatti Kare Thaken Jeman Barir Malik
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিচার বিভাগের গঠন : বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় দুইশো বছরের বৃটিশ শাসনের কাছে বহুলাংশে ঋণী, যদিও এর কিছু কিছু উপাদান প্রাক-বৃটিশ আমলের হিন্দু এবং মুসলিম শাসন ব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। এটি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে একটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিকাশ লাভ করে। এ বিকাশের প্রক্রিয়াটি আংশিক স্বদেশী ও আংশিক বিদেশি এবং বিচার বিভাগের গঠন , আইনগত ধারণা ও নীতিমালার ক্ষেত্রে ইন্দো-মোঘল এবং বৃটিশ উভয় ব্যবস্থার সমন্বয়ে উদ্ভূত একটি মিশ্র আইনি ব্যবস্থা। ভারতীয় উপমহাদেশের বৃটিশ আমলের পূর্ববর্তী পাঁচশত বছরেরও বেশি মুসলিম ও হিন্দু শাসনের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। প্রত্যেকটি শাসনামলের নিজস্ব স্বতন্ত্র আইন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। প্রায় পনের’শ বছর আগে এবং খ্রিস্টীয় যুগ আরম্ভ হওয়ার পরে হিন্দু আমলের বিস্তৃতি ঘটে। সে সময় প্রাচীন ভারতবর্ষ কতিপয় স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল এবং রাজা ছিলেন প্রত্যেকটি রাজ্যের সর্বময় কর্তা। বিচার বিভাগের গঠন তথা ন্যায় বিচার প্রসঙ্গে রাজা ন্যায় বিচারের উৎস হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাঁর রাজত্বে বিচার প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতেন। ১১০০ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসকদের আক্রমণ ও বিজয়ের ফলে মুসলমান আমলের শুরু হয়। একাদশ শতাব্দীর শুরুতে এবং দ্বাদশ শতাব্দীর ক্রান্তিলগ্নে মুসলমান শাসকদের আক্রমণের মুখে হিন্দু রাজত্ব পর্যায়ক্রমে খণ্ড বিখণ্ড হতে শুরু করে। যখন মুসলমানরা সকল রাজ্য জয় করে, তখন তারা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কোরআনের উপর ভিত্তি করে তৈরি মতবাদও তাদের সঙ্গে করে এনেছিল। বিচার বিভাগের গঠন পবিত্র কোরআন অনুসারে সার্বভৌমত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহর হাতে ন্যস্ত এবং রাজা হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছা ও আদেশ পালনকারী এক অনুগত দাস। শাসক ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর পছন্দনীয় প্রতিনিধি এবং জিম্মাদার।
Romanized Version
বিচার বিভাগের গঠন : বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় দুইশো বছরের বৃটিশ শাসনের কাছে বহুলাংশে ঋণী, যদিও এর কিছু কিছু উপাদান প্রাক-বৃটিশ আমলের হিন্দু এবং মুসলিম শাসন ব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। এটি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে একটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিকাশ লাভ করে। এ বিকাশের প্রক্রিয়াটি আংশিক স্বদেশী ও আংশিক বিদেশি এবং বিচার বিভাগের গঠন , আইনগত ধারণা ও নীতিমালার ক্ষেত্রে ইন্দো-মোঘল এবং বৃটিশ উভয় ব্যবস্থার সমন্বয়ে উদ্ভূত একটি মিশ্র আইনি ব্যবস্থা। ভারতীয় উপমহাদেশের বৃটিশ আমলের পূর্ববর্তী পাঁচশত বছরেরও বেশি মুসলিম ও হিন্দু শাসনের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। প্রত্যেকটি শাসনামলের নিজস্ব স্বতন্ত্র আইন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। প্রায় পনের’শ বছর আগে এবং খ্রিস্টীয় যুগ আরম্ভ হওয়ার পরে হিন্দু আমলের বিস্তৃতি ঘটে। সে সময় প্রাচীন ভারতবর্ষ কতিপয় স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল এবং রাজা ছিলেন প্রত্যেকটি রাজ্যের সর্বময় কর্তা। বিচার বিভাগের গঠন তথা ন্যায় বিচার প্রসঙ্গে রাজা ন্যায় বিচারের উৎস হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাঁর রাজত্বে বিচার প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতেন। ১১০০ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসকদের আক্রমণ ও বিজয়ের ফলে মুসলমান আমলের শুরু হয়। একাদশ শতাব্দীর শুরুতে এবং দ্বাদশ শতাব্দীর ক্রান্তিলগ্নে মুসলমান শাসকদের আক্রমণের মুখে হিন্দু রাজত্ব পর্যায়ক্রমে খণ্ড বিখণ্ড হতে শুরু করে। যখন মুসলমানরা সকল রাজ্য জয় করে, তখন তারা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কোরআনের উপর ভিত্তি করে তৈরি মতবাদও তাদের সঙ্গে করে এনেছিল। বিচার বিভাগের গঠন পবিত্র কোরআন অনুসারে সার্বভৌমত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহর হাতে ন্যস্ত এবং রাজা হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছা ও আদেশ পালনকারী এক অনুগত দাস। শাসক ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর পছন্দনীয় প্রতিনিধি এবং জিম্মাদার।Bichar Bibhager Gathan : Bartaman Ain O Bichar Byabastha Bharatiya Upamahadeshe Pray Duisho Bachharer British Shasner Kachhe Bahulangshe Rini Jadio Aare Kichhu Kichhu Upadan Prak British Amaler Hindu Evan Muslim Hasn Byabasthar Abashishtangsh Hisebe Grihit Hayechhil AT Bibhinna Parjay Atikram Kare Ekati Aitihasik Prakriya Hisebe Parjayakrame Vikas Love Kare A Bikasher Prakriyati Angshik Swadeshi O Angshik Bideshi Evan Bichar Bibhager Gathan , Ainagat Dharna O Nitimalar Xetre Indo Moghal Evan British Ubhay Byabasthar Samanwaye Udbhut Ekati Mishra Aini Byabastha Bharatiya Upamahadesher British Amaler Purbabarti Panchashat Bachharerao Bedshee Muslim O Hindu Shasner Ekati Samriddha Itihas Rayechhe Pratyekati Shasnamler Nijaswa Swatantra Ain Byabastha Bidyaman Chhil Pray Panerosh Bachhar Age Evan Khristiya Jug Arambha Hwar Pare Hindu Amaler Bistriti Ghate Say Camay Prachin Bharatabarsh Katipay Sweden Rajye Bibhakta Chhil Evan Raja Chhilen Pratyekati Rajyer Sarbamay Karta Bichar Bibhager Gathan Tatha Nyay Bichar Prasange Raja Nyay Bicharer Uts Hisebe Bibechit Haten Evan Tanr Rajatbe Bichar Prashasner Sarbochch Kartripaksh Hisebe Dayitbaprapta Haten 1100 Khristabde Bharatiya Upamahadeshe Musalaman Shasakader Akraman O Bijyer Fale Musalaman Amaler Shuru Hay Ekadash Shatabdir Shurute Evan Dwadash Shatabdir Krantilagne Musalaman Shasakader Akramaner Mukhe Hindu Rajatba Parjayakrame Khand Bikhand Hate Shuru Kare Jakhan Musalamanra Sakal Rajya Jai Kare Takhan Tara Tader Dharmiya Grantha Pavitra Koraner Upar Bhitti Kare Tairi Matabadao Tader Sange Kare Enechhil Bichar Bibhager Gathan Pavitra Koran Anusare Sarbabhaumatba Sarbashaktiman Allahar Hate Nyasta Evan Raja Hachchhe Prithibite Allahar Ichchha O Adays Palanakari Ec Anugat Das Shasak Chhil Sarbashaktiman Allahar Pachhandaniya Pratinidhi Evan Jimmadar
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichar Bibhager Gathan Sampark A Ball,At The Structure Of The Judiciary Constitute Relations.,


vokalandroid