ধুমকেতু ...

আকাশে ভ্রাম্যমান সমস্ত জ্যোতিষ্কের মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর ও এর আবির্ভাব সবচেয়ে উত্তেজনাপুর্ণ। আকাশের অন্যান্য জোতিষ্কের চেয়ে ধুমকেতু র বৈশিষ্ট্য এর লেজ। ধুমকেতু র আবির্ভাবের সাথে মানুষ প্রাচীনকালের নানা অশুভ শক্তির আভাস ও ইঙ্গিত কল্পনা করত। যখন ধুমকেতু প্রথম আকাশে দেখা যায় তখন এক একটি অস্পষ্ট তারার মত মনে হয়
Romanized Version
আকাশে ভ্রাম্যমান সমস্ত জ্যোতিষ্কের মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর ও এর আবির্ভাব সবচেয়ে উত্তেজনাপুর্ণ। আকাশের অন্যান্য জোতিষ্কের চেয়ে ধুমকেতু র বৈশিষ্ট্য এর লেজ। ধুমকেতু র আবির্ভাবের সাথে মানুষ প্রাচীনকালের নানা অশুভ শক্তির আভাস ও ইঙ্গিত কল্পনা করত। যখন ধুমকেতু প্রথম আকাশে দেখা যায় তখন এক একটি অস্পষ্ট তারার মত মনে হয় Akashe Bhramyaman Samasta Jyotishker Madhye Sabacheye Bismayakar O Aare Abirbhab Sabacheye Uttejanapurna Akasher Anyanya Jotishker Cheye Dhumketu Ra Baishishtya Aare Lej Dhumketu Ra Abirbhaber Sathe Manus Prachinkaler Nana Ashubh Shaktir Abhas O Ingit Kalpana Karat Jakhan Dhumketu Pratham Akashe Dekha Jay Takhan Ec Ekati Aspashta Tarar Matt Money Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


ধুমকেতু হল ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধুমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা (একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী বায়ুমন্ডল) এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতু এর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। ধুমকেতু -র নিউক্লিয়াস বরফ, ধূলা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথুরে কণিকার একটি দুর্বল সংকলনে গঠিত। প্রস্থে কয়েকশ মিটার থেকে দশ কি.মি. এবং লেজ দৈর্ঘ্যে কয়েকশ কোটি কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে । মানুষ সুপ্রাচীন কাল থেকে ধুমকেতু পর্যবেক্ষণ করছে। একটি ধুমকেতু -র পর্যায়কাল কয়েক বছর থেকে শুরু করে কয়েকশ’ হাজার বছর পর্যন্ত হতে পারে। ধারণা করা হয় স্বল্পকালীন ধুমকেতু -র উৎপত্তি কুইপার বেল্ট থেকে যার অবস্থান নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে এবং দীর্ঘকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি ওরট মেঘ থেকে, যা সৌরজগতের বাইরে একটি বরফময় বস্তুর গোলাকার মেঘ। আমাদের সৌরজগতের বড় গ্রহগুলোর ( বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন) অথবা সৌরজগতের খুব কাছ দিয়ে পরিক্রমণকারী নক্ষত্রের কারণে ওরট মেঘে যে মাধ্যাকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাতে বস্তুগুলো সূর্যের দিকে ছুটে আসে এবং তখনি কমার উৎপত্তি হলে আমরা ধূমকেতু দেখি। বিরল কিছু ধূমকেতু অধিবৃত্তাকার কক্ষপথে সৌরজগতের ভেতরে প্রবেশ করে এসব গ্রহের মাধ্যমে আন্তনাক্ষত্রিক স্থানে নিক্ষিপ্ত হতে পারে। ধুমকেতু উল্কা বা গ্রহাণু থেকে পৃথক কারণ এর কমা ও লেজের উপস্থিতি। কিছু বিরল ধূমকেতু সূর্যের খুব নিকট দিয়ে বারবার পরিভ্রমণ করার কারণে উদ্বায়ী বরফ ও ধুলা হারিয়ে ছোট গ্রহাণুর মত বস্তুতে পরিণত হয়। এপ্রিল ২০১৫ এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৫৩৮৪ টি ধূমকেতু [১] আমাদের জানা । এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান কারণ মোট ধূমকেতুর (যা ধারণা করা হয় শত কোটি) একটি নগণ্য অংশ। খালি চোখে দেখা যাওয়া উজ্জ্বল ধূমকেতুকে বৃহৎ ধুমকেতু বলা হয়। কিছু ধুমকেতু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই স্থানে ফিরে আসে। যেমন হ্যালীর ধুমকেতু । আজ এই ধুমকেতু সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই-- ধূমকেতু সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে। সূর্যের কাছাকাছি এসে পড়লে তার একপাশে লম্বা আলোর রেখার মতো দেখা যায়, এই আলোটিকে আমরা লেজ বা ঝাড়ু বলে থাকি। একটি ধূমকেতু সূর্যের যত কাছাকাছি থাকবে ততই এর লেজ তৈরির সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। পানি, কার্বন ডাই অক্সাইড, এবং আরও কিছু যৌগ বাষ্পীভূত হয়ে তৈরি করে এই লেজ। ধুমকেতু কী দিয়ে তৈরি তা কখনও ভেবেছ কি? বরফ, ধুলো আর ছোট পাথর দিয়ে তৈরি হয় ধুমকেতু। ধুমকেতু, যার উৎপত্তি একটি গ্রীক শব্দ থেকে, যার অর্থ ছিল ‘মাথার চুল’। গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল এদের নাম দেন ‘চুল ওয়ালা তারা’। ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক। হ্যালির ধূমকেতু: হ্যালির ধূমকেতু হল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধূমকেতু। এটাকে ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতু বলা হয় কারণ সে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২০০ বছরের কম সময় নেয়। আজ থেকে হাজার বছর পূর্বেও মানুষ এই ধূমকেতু দেখত বলে জানা যায়। ব্যাবিলন, চীন এবং ইউরোপে পর্যবেক্ষকরা তখন হ্যালির ধূমকেতু দেখেছেন বলে নথিপত্রে লিখে রেখেছেন। প্রতি ৭৫ বা ৭৬ বছর পরপর খালি চোখে এ ধূমকেতু দেখা যায় পৃথিবী থেকে। ১৯৮৬ সালে সর্বশেষ একে দেখা যায়। আশা করা যাচ্ছে ২০৬১ সালে আবার এটিকে দেখা যাবে। ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি সর্বপ্রথম এই ধূমকেতুর সূর্যকে কেন্দ্র করে একবার ঘোরার সময়কাল বের করেন। তার নামানুসারেই এই ধূমকেতুর নামকরণ করা হয়। ১৯৮৬ সালে যখন শেষবার এটি দৃশ্যমান হয় তখন বিজ্ঞানীরা আকাশযান ব্যবহার করে এটি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান। এ সুযোগে পুরনো অনেক তথ্য ও ধারণা যাচাই করে নেওয়ার পাশাপাশি কিছু ভুল ধারণাও শুধরে নেওয়া সম্ভব হয়। যেমন আগে ধারণা ছিল এতে গলন্ত বরফের পরিমাণ অনেক বেশি। কিন্তু এ পর্যবেক্ষণে প্রমাণিত হয় আসলে এর পরিমাণ অনেক কম। লেজের মতো দেখতে অংশটির আসল নাম ‘কোমা’, যা কিনা পানি ও কার্বনডাই অক্সাইডের বাষ্প নিয়ে তৈরি। হ্যালির ধূমকেতুর কোমা লম্বায় ১০০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, অথচ এর নিউক্লিয়াস আকারে অনেক ছোট, যেটি লম্বায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার, প্রস্থে ৮ কিলোমিটার এবং ৮ কিলোমিটার পুরু।
Romanized Version
ধুমকেতু হল ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধুমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা (একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী বায়ুমন্ডল) এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতু এর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। ধুমকেতু -র নিউক্লিয়াস বরফ, ধূলা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথুরে কণিকার একটি দুর্বল সংকলনে গঠিত। প্রস্থে কয়েকশ মিটার থেকে দশ কি.মি. এবং লেজ দৈর্ঘ্যে কয়েকশ কোটি কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে । মানুষ সুপ্রাচীন কাল থেকে ধুমকেতু পর্যবেক্ষণ করছে। একটি ধুমকেতু -র পর্যায়কাল কয়েক বছর থেকে শুরু করে কয়েকশ’ হাজার বছর পর্যন্ত হতে পারে। ধারণা করা হয় স্বল্পকালীন ধুমকেতু -র উৎপত্তি কুইপার বেল্ট থেকে যার অবস্থান নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে এবং দীর্ঘকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি ওরট মেঘ থেকে, যা সৌরজগতের বাইরে একটি বরফময় বস্তুর গোলাকার মেঘ। আমাদের সৌরজগতের বড় গ্রহগুলোর ( বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন) অথবা সৌরজগতের খুব কাছ দিয়ে পরিক্রমণকারী নক্ষত্রের কারণে ওরট মেঘে যে মাধ্যাকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাতে বস্তুগুলো সূর্যের দিকে ছুটে আসে এবং তখনি কমার উৎপত্তি হলে আমরা ধূমকেতু দেখি। বিরল কিছু ধূমকেতু অধিবৃত্তাকার কক্ষপথে সৌরজগতের ভেতরে প্রবেশ করে এসব গ্রহের মাধ্যমে আন্তনাক্ষত্রিক স্থানে নিক্ষিপ্ত হতে পারে। ধুমকেতু উল্কা বা গ্রহাণু থেকে পৃথক কারণ এর কমা ও লেজের উপস্থিতি। কিছু বিরল ধূমকেতু সূর্যের খুব নিকট দিয়ে বারবার পরিভ্রমণ করার কারণে উদ্বায়ী বরফ ও ধুলা হারিয়ে ছোট গ্রহাণুর মত বস্তুতে পরিণত হয়। এপ্রিল ২০১৫ এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৫৩৮৪ টি ধূমকেতু [১] আমাদের জানা । এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান কারণ মোট ধূমকেতুর (যা ধারণা করা হয় শত কোটি) একটি নগণ্য অংশ। খালি চোখে দেখা যাওয়া উজ্জ্বল ধূমকেতুকে বৃহৎ ধুমকেতু বলা হয়। কিছু ধুমকেতু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই স্থানে ফিরে আসে। যেমন হ্যালীর ধুমকেতু । আজ এই ধুমকেতু সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই-- ধূমকেতু সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে। সূর্যের কাছাকাছি এসে পড়লে তার একপাশে লম্বা আলোর রেখার মতো দেখা যায়, এই আলোটিকে আমরা লেজ বা ঝাড়ু বলে থাকি। একটি ধূমকেতু সূর্যের যত কাছাকাছি থাকবে ততই এর লেজ তৈরির সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। পানি, কার্বন ডাই অক্সাইড, এবং আরও কিছু যৌগ বাষ্পীভূত হয়ে তৈরি করে এই লেজ। ধুমকেতু কী দিয়ে তৈরি তা কখনও ভেবেছ কি? বরফ, ধুলো আর ছোট পাথর দিয়ে তৈরি হয় ধুমকেতু। ধুমকেতু, যার উৎপত্তি একটি গ্রীক শব্দ থেকে, যার অর্থ ছিল ‘মাথার চুল’। গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল এদের নাম দেন ‘চুল ওয়ালা তারা’। ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক। হ্যালির ধূমকেতু: হ্যালির ধূমকেতু হল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধূমকেতু। এটাকে ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতু বলা হয় কারণ সে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২০০ বছরের কম সময় নেয়। আজ থেকে হাজার বছর পূর্বেও মানুষ এই ধূমকেতু দেখত বলে জানা যায়। ব্যাবিলন, চীন এবং ইউরোপে পর্যবেক্ষকরা তখন হ্যালির ধূমকেতু দেখেছেন বলে নথিপত্রে লিখে রেখেছেন। প্রতি ৭৫ বা ৭৬ বছর পরপর খালি চোখে এ ধূমকেতু দেখা যায় পৃথিবী থেকে। ১৯৮৬ সালে সর্বশেষ একে দেখা যায়। আশা করা যাচ্ছে ২০৬১ সালে আবার এটিকে দেখা যাবে। ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি সর্বপ্রথম এই ধূমকেতুর সূর্যকে কেন্দ্র করে একবার ঘোরার সময়কাল বের করেন। তার নামানুসারেই এই ধূমকেতুর নামকরণ করা হয়। ১৯৮৬ সালে যখন শেষবার এটি দৃশ্যমান হয় তখন বিজ্ঞানীরা আকাশযান ব্যবহার করে এটি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান। এ সুযোগে পুরনো অনেক তথ্য ও ধারণা যাচাই করে নেওয়ার পাশাপাশি কিছু ভুল ধারণাও শুধরে নেওয়া সম্ভব হয়। যেমন আগে ধারণা ছিল এতে গলন্ত বরফের পরিমাণ অনেক বেশি। কিন্তু এ পর্যবেক্ষণে প্রমাণিত হয় আসলে এর পরিমাণ অনেক কম। লেজের মতো দেখতে অংশটির আসল নাম ‘কোমা’, যা কিনা পানি ও কার্বনডাই অক্সাইডের বাষ্প নিয়ে তৈরি। হ্যালির ধূমকেতুর কোমা লম্বায় ১০০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, অথচ এর নিউক্লিয়াস আকারে অনেক ছোট, যেটি লম্বায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার, প্রস্থে ৮ কিলোমিটার এবং ৮ কিলোমিটার পুরু। Dhumketu Hall Dhulo Baraf O Gyaser Tairi Ec Dharaner Mahajagtik Bastu Dhumketu Ekati Xudra Barafabrit Saurjagtik Bastu Ja Surjer Khub Nikat Diye Paribhraman Karar Samay Darshaniya Kama Ekati Patla Xanasthayi Bayumandal Evan Kakhanao Lejao Pradarshan Kare Dhumketu Aare Niukliyaser Opar Surjer Bikiran O Saurbayur Prabhaber Karne Emanati Ghate Dhumketu Ra Niukliyas Baraf Dhula O Xudra Xudra Pathure Kanikar Ekati Durbal Sankalane Gathit Prasthe Kayekash Meter Theke Das Ki Me Evan Lej Dairghye Kayekash Koti Ki Me Parjanta Hate Pare Manus Suprachin Kaal Theke Dhumketu Parjabekshan Karachhe Ekati Dhumketu Ra Parjayakal Kayek Bachhar Theke Shuru Kare Kayekasho Hajar Bachhar Parjanta Hate Pare Dharna Kara Hay Swalpakalin Dhumketu Ra Utpatti Kuipar Belt Theke Jar Abasthan Nepchuner Kakshapather Baire Evan Dirghakalin Dhumketur Utpatti Orat Megha Theke Ja Saurajagater Baire Ekati Barafamay Bastur Golakar Megha Amader Saurajagater Bar Grahagulor ( Brihaspati Shani Yurenas O Nepchun Athaba Saurajagater Khub Kachh Diye Parikramanakari Nakshatrer Karne Orat Meghe Je Madhyakarshan Ball Kriya Kare Tate Bastugulo Surjer Dike Chhute Ase Evan Takhani Kamar Utpatti Hale Amara Dhumketu Dekhi Biral Kichhu Dhumketu Adhibrittakar Kakshapathe Saurajagater Bhetre Prabesh Kare Esab Graher Madhyame Antanakshatrik Sthane Nikshipta Hate Pare Dhumketu Ulka Ba Grahanu Theke Prithak Karan Aare Kama O Lejer Upasthiti Kichhu Biral Dhumketu Surjer Khub Nikat Diye Barbar Paribhraman Karar Karne Udwayi Baraf O Dhula Hariye Chhot Grahanur Matt Bastute Parinat Hay April 2015 Aare Parjabekshan Anujayi 5384 Te Dhumketu 1 Amader Jaana A Sankhya Kramabardhaman Karan Mot Dhumketur Ja Dharna Kara Hay Shat Koti Ekati Naganya Angsh Khali Chokhe Dekha Jawa Ujjwal Dhumketuke Briht Dhumketu Bala Hay Kichhu Dhumketu Nirdishta Samay Parapar Ekai Sthane Fire Ase Jeman Hyalir Dhumketu Az AE Dhumketu Samparke Kichhu Tathya Jene Nei Dhumketu Saurajagater Ekati Chhotta Angsh Jeti Surjake Kendra Karei Ghore Surjer Kachhakachhi Ese Parale Taur Ekapashe Lamba Alor Rekhar Mato Dekha Jay AE Alotike Amara Lej Ba Jharu Ble Thaki Ekati Dhumketu Surjer Jat Kachhakachhi Thakbe Tutti Aare Lej Tairir Sambhabana Bere Jabe Pani Karbonn Die Oxide Evan RO Kichhu Jaug Bashpibhut Huye Tairi Kare AE Lej Dhumketu Key Diye Tairi Ta Kakhanao Bhebechh Ki Baraf Dhulo Are Chhot Puthur Diye Tairi Hya Dhumketu Dhumketu Jar Utpatti Ekati Greece Shabd Theke Jar Earth Chhil ‘mathar Chulo Greece Darshanik Aristatal Eder NAM Than ‘chul Wala Tarao Xanasthayi Dhumketur Prati Ghurnanakal 200 Bachharer Niche Hya Are Dirghasthayi Dhumketur Xetre SATA 200 Bachharerao Adhik Hyalir Dhumketu Hyalir Dhumketu Hall Bishwer Sabacheye Janapriya Dhumketu Etake Xanasthayi Dhumketu Bala Hya Karan Say Surjake Ekabar Pradakshin Karate 200 Bachharer Com Camay Ney Az Theke Hajar Bachhar Purbeo Manus AE Dhumketu Dekhat Ble Jaana Jay Byabilan Seen Evan Yurope Parjabekshakara Takhan Hyalir Dhumketu Dekhechhen Ble Nathipatre Likhe Rekhechhen Prati 75 Ba 76 Bachhar Parapar Khali Chokhe A Dhumketu Dekha Jay Prithibi Theke 1986 Sale Sarbashesh Aka Dekha Jay Asha Kara Jachchhe 2061 Sale Abar ATK Dekha Jabe Ingrej Jyotirbigyani Edamand Hyali Sarbapratham AE Dhumketur Surjake Kendra Kare Ekabar Ghorar Samayakal Ber Curren Taur Namanusarei AE Dhumketur Namakaran Kara Hya 1986 Sale Jakhan Sheshbar AT Drishyaman Hya Takhan Bigyanira Akashajan Byabahar Kare AT Parjabekshan Karar Sujog Pene A Sujoge Purno Anek Tathya O Dharna Jachai Kare Newar Pashapashi Kichhu Bhool Dharnao Shudhre Newa Sambhab Hya Jeman Age Dharna Chhil Ete Galanta Barafer Pariman Anek Bedshee Kintu A Parjabekshane Pramanit Hya Ashley Aare Pariman Anek Com Lejer Mato Dekhte Angshatir Asal NAM ‘komao Ja Qina Pani O Karbanadai Aksaider Bashpa Niye Tairi Hyalir Dhumketur Koma Lambay 100 000 KM Parjanta Hate Pare Athos Aare Niukliyas Akare Anek Chhot Jeti Lambay Pray 15 KM Prasthe 8 KM Evan 8 KM Puru
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Dhumketu,Dhumketu,


vokalandroid