বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ ...

বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ ভূমিকা: আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। আজকের সভ্যতার এই বিশাল ইমারত মানুষের যুগ যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার ফসল। মানুষ সভ্যতার বেদীমূলে দিয়েছে মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান সে সভ্যতাকে করেছে গতিশীল ও অগ্রসর। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে গতি, করেছে দূর্জেয় শক্তির অধিকারী। বিজ্ঞানের বলেই আদিম বন্যচারী মানুষ সভ্যতার আলো পেয়েছে। সুদৃঢ় সমুদ্রতল থেকে মহাকাশ যাত্রা আজ তার ইচ্ছার অধীন হয়েছে। তবে বিজ্ঞান যে শুধু সভ্যতার কল্যাণ করছে তা নয়। বিজ্ঞান আজ মানুষের অকল্যাণেও ব্যবহৃত হচ্ছে। যার উপর ভর করে মানব সভ্যতা অগ্রসর হয়েছিল সেই বিজ্ঞানই আজ সভ্যতার বিনাশে মাতাল হয়ে উঠেছে। এ কারণে বিজ্ঞান আজ অনেক ক্ষেত্রেই মানব জীবনের আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা: মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই তার চারপাশের জগৎ সম্পর্কে কৌতুহলী ছিল। এই কৌতুহল থেকে বিজ্ঞান আবিষ্কার। গুহাবাসী মানুষ যেদিন থেকে আগুনের আবিষ্কার করেছিল সেদিন থেকে বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর পর ক্রমে ক্রমে মানুষ আবিষ্কার করেছিল সভ্যতা। বিজ্ঞানের ছোঁয়া লেগে সেই আদিম সভ্যতা আজ যন্ত্রসভ্যতার রূপ নিয়েছে। সেই আদিম মানুষের হাতে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল আজ পর্যন্ত তা থামেনি। মানুষ আজ শুধু নিজেকে রক্ষা করার জন্য নয় বরং জীবনের সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে প্রয়াসী হয়েছে। সভ্যতায় বিজ্ঞানের ছোঁয়া/ আশীর্বাদ: বিজ্ঞান মানুষ ও সভ্যতাকে শতভাগ এগিয়ে নিয়েছে। চলার প্রয়োজনে মানুষ আবিষ্কার করেছে নানা গাড়ি, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ওষুধ, যোগাযোগের প্রয়োজনে নানা প্রযুক্তি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনেও মানুষ আজ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আজ প্রকৃতিকেও বশ মানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজ্ঞান সভ্যতাকে করেছে আলোকজ্জ্বল, মানুষের জ্ঞান ও দৃষ্টিকে করেছে সুদূরপ্রসারী। যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে: সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষের যান ছিল দু পা। কিন্তু দূর-দূরান্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পায়ের উপর ভর করা চলে না। তাই মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দূর দূরান্তকে জয় করার প্রয়াস পেল। বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আবিষ্কার করেছে দ্রুতগামী যান- ট্রেন, জাহাজ, উড়োজাহাজ, বিমান ইত্যাদি। মহাশূন্যের অজানা জ্ঞানকে জানার জন্য আবিষ্কার করেছে রকেট, মহাকাশ যান। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তের খবর নেওয়ার জন্য আবিষ্কার করেছে ফ্যাক্স, টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, ই-মেইল, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন। এভাবে যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির আবিষ্কার ও ব্যবহার সারা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: পূর্বে মানুষ রোগমুক্তির জন্য নানা লতাপাতা ও কুসংস্কারের আশ্রয় নিত। বর্তমানকালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এক যুগান্তকারী বিপ্লবের সূচনা করেছে। যার ফলে মানুষ দূরারোগ্য ব্যাধিকে জয় করতে পেরেছে। এক্সরে, পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি জীবনকে দীর্ঘায়ু করেছে। জিন প্রতিস্থাপন, কর্ণিয়া, বৃক্ক, অস্থিমজ্জা, হৃদপি-, ফুসফুস এবং যকৃতের মতো অঙ্গ মানুষ প্রতিস্থাপন করছে। আলট্রাসোনোগ্রাম, লেজাররশ্মি ও কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষকে অসাধ্য সাধন করেছে। বিজ্ঞানের অভিশাপ: মানব সভ্যতার দ্রুত অগ্রগতির অন্যতম হাতিয়ার বিজ্ঞান। বিজ্ঞান মানব জীবনকে সহজ, সরল ও বিনোদনপূর্ণ করে তুলেছে। তবে বিজ্ঞান শুধু উপকার করছে না, তৈরি করেছে নানা সঙ্কট ও আশঙ্কারও। বিজ্ঞানের বলে মানুষ বেকারে পরিণত হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন তেজষ্ক্রিয় পদার্থ মানুষ ও পরিবেশের ক্ষতি করছে। পৃথিবীর ওজন স্তরকে নষ্ট করছে। ফলে পৃথিবীর উত্তাপ বেড়ে যাচ্ছে, মেরু অঞ্চলে বরফ গলা শুরু করেছে। এছাড়াও বর্তমানে পৃথিবীতে বৈজ্ঞানিক অস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া যুদ্ধ-বিগ্রহগুলো তার স্পষ্ট প্রমাণ। দেশে দেশে আজ বৈজ্ঞানিক মরণাস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষার মহড়া চলছে। ফলে মানব সভ্যতাই আজ ধ্বংস ও হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বিজ্ঞান আজ আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপের কারণ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞান অভিশাপ হওয়ার কারণ: বিজ্ঞানের দ্বারা উদ্ভাবিত মরণাস্ত্রের ব্যবহার মানুষকে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়াকুল করে তুলেছে। তীর ধনুকের পরিবর্তে মানুষ আজ উদ্ভাবন করেছে ট্যাংক, কামান, মর্টার এবং অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও আবিষ্কার করেছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু বোমা, জীবানু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ইত্যাদি। যা মুহূর্তে সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে। ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ ধ্বংসলীলা স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালোভী মানুষের হৃদয়কে কোমল করতে পারেনি। আজও রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে আধিপত্য ও শক্তি প্রদর্শনের জন্যে বিজ্ঞানকে কে কত ভয়ংকর ঘাতক করতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলছে। ভীয়েতনাম, ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে অগণিত নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আতঙ্কিত মানুষ শুনছে নক্ষত্রযুদ্ধের কথা, যা আরো ভয়াবহ। ফলে দেখা যাচ্ছে যে সভ্যতার গায়ে বিজ্ঞান বাসা বেঁধেছে, তারই বিনষ্টে আজ সে মেতে উঠেছে। অবশ্য এর জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়; আধিপত্য শক্তি প্রদর্শনকারী, স্বার্থান্বেষী, বর্বর মানুষরাই এর জন্য দায়ী। অভিশাপ থেকে উত্তরণের/মুক্তির উপায়: বিজ্ঞান এক অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনার উৎস। যা মানুষের উপকার ও অপকারে অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। বিজ্ঞানের অনাবিষ্কৃত ক্ষেত্র আমাদের জীবনকে দিতে পারে নতুন কোনো সম্ভাবনার আভাস। তাই বিজ্ঞানের শক্তিকে অনাকাক্সিক্ষত খাতে প্রয়োগ থেকে সরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিৎ করতে হবে। বিজ্ঞানের কারণে সৃষ্টি হওয়া যাবতীয় সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। সর্বোপরি গোটা পৃথিবীতে এক সারিতে দাড়াতে হবে যাতে বিজ্ঞানের কোনো ধ্বংসাত্মক ব্যবহার না হয়। শক্তিশালী দেশগুলোর মজুতকৃত যাবতীয় ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বিনষ্ট করতে হবে। তাহলেই বিজ্ঞান অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদে পরিণত হবে। বিজ্ঞানের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে মানব সভ্যতা। উপসংহার: বিজ্ঞান অবশ্যই মানব সভ্যতার জন্য কল্যাণময়ী। কতগুলো স্বার্থান্বেষী নরপিশাচ মানুষই বিজ্ঞানকে মানুষের অকল্যাণে নিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানকে আশীর্বাদ থেকে অভিশাপে পরিণত করেছে। বিজ্ঞান যেন এ যুগের তিলোত্তমা যার হাতে আছে অমৃতভান্ডার কিন্তু তার নয়ন কটাক্ষে প্রলয়। তাই মানুষের জীবনে বিজ্ঞানের সার্থক ও ইতিবাচক প্রয়োগ ঘটাতে হবে। বিজ্ঞানের অপব্যবহার রোধে সকল মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করলেই মানব সভ্যতার অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।
Romanized Version
বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ ভূমিকা: আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। আজকের সভ্যতার এই বিশাল ইমারত মানুষের যুগ যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার ফসল। মানুষ সভ্যতার বেদীমূলে দিয়েছে মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান সে সভ্যতাকে করেছে গতিশীল ও অগ্রসর। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে গতি, করেছে দূর্জেয় শক্তির অধিকারী। বিজ্ঞানের বলেই আদিম বন্যচারী মানুষ সভ্যতার আলো পেয়েছে। সুদৃঢ় সমুদ্রতল থেকে মহাকাশ যাত্রা আজ তার ইচ্ছার অধীন হয়েছে। তবে বিজ্ঞান যে শুধু সভ্যতার কল্যাণ করছে তা নয়। বিজ্ঞান আজ মানুষের অকল্যাণেও ব্যবহৃত হচ্ছে। যার উপর ভর করে মানব সভ্যতা অগ্রসর হয়েছিল সেই বিজ্ঞানই আজ সভ্যতার বিনাশে মাতাল হয়ে উঠেছে। এ কারণে বিজ্ঞান আজ অনেক ক্ষেত্রেই মানব জীবনের আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা: মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই তার চারপাশের জগৎ সম্পর্কে কৌতুহলী ছিল। এই কৌতুহল থেকে বিজ্ঞান আবিষ্কার। গুহাবাসী মানুষ যেদিন থেকে আগুনের আবিষ্কার করেছিল সেদিন থেকে বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর পর ক্রমে ক্রমে মানুষ আবিষ্কার করেছিল সভ্যতা। বিজ্ঞানের ছোঁয়া লেগে সেই আদিম সভ্যতা আজ যন্ত্রসভ্যতার রূপ নিয়েছে। সেই আদিম মানুষের হাতে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল আজ পর্যন্ত তা থামেনি। মানুষ আজ শুধু নিজেকে রক্ষা করার জন্য নয় বরং জীবনের সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে প্রয়াসী হয়েছে। সভ্যতায় বিজ্ঞানের ছোঁয়া/ আশীর্বাদ: বিজ্ঞান মানুষ ও সভ্যতাকে শতভাগ এগিয়ে নিয়েছে। চলার প্রয়োজনে মানুষ আবিষ্কার করেছে নানা গাড়ি, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ওষুধ, যোগাযোগের প্রয়োজনে নানা প্রযুক্তি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনেও মানুষ আজ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আজ প্রকৃতিকেও বশ মানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজ্ঞান সভ্যতাকে করেছে আলোকজ্জ্বল, মানুষের জ্ঞান ও দৃষ্টিকে করেছে সুদূরপ্রসারী। যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে: সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষের যান ছিল দু পা। কিন্তু দূর-দূরান্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পায়ের উপর ভর করা চলে না। তাই মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দূর দূরান্তকে জয় করার প্রয়াস পেল। বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আবিষ্কার করেছে দ্রুতগামী যান- ট্রেন, জাহাজ, উড়োজাহাজ, বিমান ইত্যাদি। মহাশূন্যের অজানা জ্ঞানকে জানার জন্য আবিষ্কার করেছে রকেট, মহাকাশ যান। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তের খবর নেওয়ার জন্য আবিষ্কার করেছে ফ্যাক্স, টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, ই-মেইল, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন। এভাবে যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির আবিষ্কার ও ব্যবহার সারা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: পূর্বে মানুষ রোগমুক্তির জন্য নানা লতাপাতা ও কুসংস্কারের আশ্রয় নিত। বর্তমানকালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এক যুগান্তকারী বিপ্লবের সূচনা করেছে। যার ফলে মানুষ দূরারোগ্য ব্যাধিকে জয় করতে পেরেছে। এক্সরে, পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি জীবনকে দীর্ঘায়ু করেছে। জিন প্রতিস্থাপন, কর্ণিয়া, বৃক্ক, অস্থিমজ্জা, হৃদপি-, ফুসফুস এবং যকৃতের মতো অঙ্গ মানুষ প্রতিস্থাপন করছে। আলট্রাসোনোগ্রাম, লেজাররশ্মি ও কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষকে অসাধ্য সাধন করেছে। বিজ্ঞানের অভিশাপ: মানব সভ্যতার দ্রুত অগ্রগতির অন্যতম হাতিয়ার বিজ্ঞান। বিজ্ঞান মানব জীবনকে সহজ, সরল ও বিনোদনপূর্ণ করে তুলেছে। তবে বিজ্ঞান শুধু উপকার করছে না, তৈরি করেছে নানা সঙ্কট ও আশঙ্কারও। বিজ্ঞানের বলে মানুষ বেকারে পরিণত হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন তেজষ্ক্রিয় পদার্থ মানুষ ও পরিবেশের ক্ষতি করছে। পৃথিবীর ওজন স্তরকে নষ্ট করছে। ফলে পৃথিবীর উত্তাপ বেড়ে যাচ্ছে, মেরু অঞ্চলে বরফ গলা শুরু করেছে। এছাড়াও বর্তমানে পৃথিবীতে বৈজ্ঞানিক অস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া যুদ্ধ-বিগ্রহগুলো তার স্পষ্ট প্রমাণ। দেশে দেশে আজ বৈজ্ঞানিক মরণাস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষার মহড়া চলছে। ফলে মানব সভ্যতাই আজ ধ্বংস ও হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বিজ্ঞান আজ আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপের কারণ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞান অভিশাপ হওয়ার কারণ: বিজ্ঞানের দ্বারা উদ্ভাবিত মরণাস্ত্রের ব্যবহার মানুষকে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়াকুল করে তুলেছে। তীর ধনুকের পরিবর্তে মানুষ আজ উদ্ভাবন করেছে ট্যাংক, কামান, মর্টার এবং অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও আবিষ্কার করেছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু বোমা, জীবানু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ইত্যাদি। যা মুহূর্তে সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে। ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ ধ্বংসলীলা স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালোভী মানুষের হৃদয়কে কোমল করতে পারেনি। আজও রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে আধিপত্য ও শক্তি প্রদর্শনের জন্যে বিজ্ঞানকে কে কত ভয়ংকর ঘাতক করতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলছে। ভীয়েতনাম, ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে অগণিত নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আতঙ্কিত মানুষ শুনছে নক্ষত্রযুদ্ধের কথা, যা আরো ভয়াবহ। ফলে দেখা যাচ্ছে যে সভ্যতার গায়ে বিজ্ঞান বাসা বেঁধেছে, তারই বিনষ্টে আজ সে মেতে উঠেছে। অবশ্য এর জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়; আধিপত্য শক্তি প্রদর্শনকারী, স্বার্থান্বেষী, বর্বর মানুষরাই এর জন্য দায়ী। অভিশাপ থেকে উত্তরণের/মুক্তির উপায়: বিজ্ঞান এক অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনার উৎস। যা মানুষের উপকার ও অপকারে অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। বিজ্ঞানের অনাবিষ্কৃত ক্ষেত্র আমাদের জীবনকে দিতে পারে নতুন কোনো সম্ভাবনার আভাস। তাই বিজ্ঞানের শক্তিকে অনাকাক্সিক্ষত খাতে প্রয়োগ থেকে সরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিৎ করতে হবে। বিজ্ঞানের কারণে সৃষ্টি হওয়া যাবতীয় সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। সর্বোপরি গোটা পৃথিবীতে এক সারিতে দাড়াতে হবে যাতে বিজ্ঞানের কোনো ধ্বংসাত্মক ব্যবহার না হয়। শক্তিশালী দেশগুলোর মজুতকৃত যাবতীয় ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বিনষ্ট করতে হবে। তাহলেই বিজ্ঞান অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদে পরিণত হবে। বিজ্ঞানের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে মানব সভ্যতা। উপসংহার: বিজ্ঞান অবশ্যই মানব সভ্যতার জন্য কল্যাণময়ী। কতগুলো স্বার্থান্বেষী নরপিশাচ মানুষই বিজ্ঞানকে মানুষের অকল্যাণে নিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানকে আশীর্বাদ থেকে অভিশাপে পরিণত করেছে। বিজ্ঞান যেন এ যুগের তিলোত্তমা যার হাতে আছে অমৃতভান্ডার কিন্তু তার নয়ন কটাক্ষে প্রলয়। তাই মানুষের জীবনে বিজ্ঞানের সার্থক ও ইতিবাচক প্রয়োগ ঘটাতে হবে। বিজ্ঞানের অপব্যবহার রোধে সকল মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করলেই মানব সভ্যতার অগ্রগতি নিশ্চিত হবে। Bigyan Abhishap Nay Aashirvaad Bhumika Adhunik Jug Bigyaner Jug Ajaker Sabhyatar AE Vishal Imarat Manusher Jug Jugantarer Swapna O Sadhnar Focal Manus Sabhyatar Bedimule Diyechhe Mastishker Buddhi Indriyer Anubhuti Evan Hridyer Bhalobasa Bigyan Say Sabhyatake Karechhe Gatishil O Agrasar Bigyan Manushake Diyechhe Gatti Karechhe Durjey Shaktir Adhikari Bigyaner Balei Adim Banyachari Manus Sabhyatar Alo Peyechhe Sudridh Samudratal Theke Mahakash Jatra Az Taur Issar Adhin Hayechhe Tove Bigyan Je Shudhu Sabhyatar Kalyan Karachhe Ta Noy Bigyan Az Manusher Akalyaneo Byabahrit Hachchhe Jar Upar Bhar Kare Menabe Sabhyata Agrasar Hayechhil Sei Bigyanai Az Sabhyatar Binashe Matal Huye Uthechhe A Karne Bigyan Az Anek Xetrei Menabe Jibner Aashirvaad Na Huye Abhishape Parinat Hayechhe Bigyaner Agrajatra Manus Srishtir Shuru Thekei Taur Charpasher Jagt Samparke Kautuhali Chhil AE Kautuhal Theke Bigyan Abishkar Guhabasi Manus Jedin Theke Aguner Abishkar Karechhil Sedin Theke Bigyaner Jatra Shuru Hayechhil Aare Par Krame Krame Manus Abishkar Karechhil Sabhyata Bigyaner Chhonya Lege Sei Adim Sabhyata Az Jantrasabhyatar Roopa Niyechhe Sei Adim Manusher Hate Bigyaner Agrajatra Shuru Hayechhil Az Parjanta Ta Thameni Manus Az Shudhu Nijeke Raksha Karar Janya Noy Wrong Jibner Sabakshetre Bigyanake Kaje Lagate Prayasi Hayechhe Sabhyatay Bigyaner Chhonya Aashirvaad Bigyan Manus O Sabhyatake Shatabhag Egiye Niyechhe Chalar Prayojane Manus Abishkar Karechhe Nana Gari Benche Thakur Prayojane Oshudh Jogajoger Prayojane Nana Prajukti Khadya Utpadan Baranor Prayojneo Manus Az Bigyanake Kaje Lagiye Prabhut Unnati Sadhan Karechhe Shudhu Tai Noy Bigyanake Kaje Lagiye Manus Az Prakritikeo Vs Mananor Prastuti Nichchhe Bigyan Sabhyatake Karechhe Alokajjbal Manusher Gyan O Drishtike Karechhe Suduraprasari Jatayat O Jogajog Xetre Srishtir Shuru Theke Manusher Jan Chhil Du PA Kintu Dur Durantare Jawar Xetre A Payer Upar Bhar Kara Chale Na Tai Manus Bigyanake Kaje Lagiye Dur Durantake Jai Karar Prayas Payel Bigyaner Gyanake Kaje Lagiye Manus Abishkar Karechhe Drutagami Jan Train Jahaj Urojahaj Viman Ityadi Mahashunyer Ajana Gyanake Janar Janya Abishkar Karechhe Rocket Mahakash Jan Prithibir Ec Pranta Theke Are Ec Pranter Khabar Newar Janya Abishkar Karechhe Fax Telephone Radio Television E Mail Internet O Mobile Phone Ebhabe Jatayat O Jogajog Xetre Baigyanik Prajuktir Abishkar O Byabahar Sara Bishwake Manusher Hater Muthoy Ene Diyechhe Chikitsa Xetre Purbe Manus Rogmuktir Janya Nana Latapata O Kusanskarer Ashraya Nit Bartamankale Chikitsa Xetre Bigyan Ec Jugantakari Biplaber Suchna Karechhe Jar Fale Manus Durarogya Byadhike Jai Karate Perechhe Eksare Penisilin Strepatomaisin Teramaisin Ityadi Jibanake Dirghayu Karechhe Zinn Pratisthapan Karniya Brikk Asthimajja Hridpi Fusfus Evan Jakriter Mato Ong Manus Pratisthapan Karachhe Alatrasonogram Lejararashmi O Computer Prajuktir Byabahar Chikitsar Xetre Manushake Asadhya Sadhan Karechhe Bigyaner Abhishap Menabe Sabhyatar Drut Agragatir Anyatam Hatiyar Bigyan Bigyan Menabe Jibanake Suhaj Soral O Binodanapurna Kare Tulechhe Tove Bigyan Shudhu Upakar Karachhe Na Tairi Karechhe Nana Sankt O Ashankarao Bigyaner Ble Manus Bekare Parinat Hachchhe Baigyanik Jantrapati Paribesher Bharsamya Binashta Karachhe Baigyanik Gabeshnar Bibhinna Tejashkriya Padartha Manus O Paribesher Xati Karachhe Prithibir Ojan Starake Nashta Karachhe Fale Prithibir Uttap Bere Jachchhe Meru Anchale Baraf Gola Shuru Karechhe Echharao Bartamane Prithibite Baigyanik Astrer Byapak Byabahar Manushake Atankit Karechhe Sampratik Kalle Ghate Jawa Juddha Bigrahagulo Taur Spashta Praman Deshe Deshe Az Baigyanik Maranastra Tairi O Parikshar Mahara Chalachhe Fale Menabe Sabhyatai Az Dhbans O Humkir Mukhe Parechhe Tai Bigyan Az Aashirvaad Na Huye Abhishaper Karan Huye Uthechhe Bigyan Abhishap Hwar Karan Bigyaner Dwara Udbhabit Maranastrer Byabahar Manushake Taur Astitva Samparke Sangshayakul Kare Tulechhe Tir Dhanuker Paribarte Manus Az Udbhaban Karechhe Tyank Kaman Mortar Evan Atyadhunik Agneyastra Echharao Abishkar Karechhe Durpallar Xepanastra Paramanu Boma Jibanu Boma Haidrojen Boma Ityadi Ja Muhurte Sabakichhu Dhbans Kare Dite Pare 1945 Saler 6 O 9 Agasta Japaner Hirosima O Nagasakir Bhayabah Dhbansalila Swarthanweshi Xamatalobhi Manusher Hridayake Komal Karate Pareni Ajao Rashtre Rashtre Adhipatya O Shakti Pradarshaner Janye Bigyanake K Kat Bhayankar Ghatak Karate Pare Taur Pratijogita Chalachhe Bhiyetnam Iran Iraq O Afghanistan Juddhe Aganit Nirih Manusher Mrityur Janya Dayi Az Tritiya Bishwajuddher Mukhomukhi Danriye Atankit Manus Shunchhe Nakshatrajuddher Katha Ja Aro Bhayabah Fale Dekha Jachchhe Je Sabhyatar Gaye Bigyan Basha Bendhechhe Tarai Binashte Az Say Maite Uthechhe Abashya Aare Janya Bigyan Dayi Noy Adhipatya Shakti Pradarshanakari Swarthanweshi Barbara Manushrai Aare Janya Dayi Abhishap Theke Uttaraner Muktir Upaay Bigyan Ec Afuranta Shakti O Sambhabanar Uts Ja Manusher Upakar O Apakare Anayase Byabahar Kara Jay Bigyaner Anabishkrit Kshetra Amader Jibanake Dite Pare NATUN Kono Sambhabanar Abhas Tai Bigyaner Shaktike Anakaksikshat Khate Prayog Theke Sare Asate Habe Bigyaner Sushthu Byabahar Nishchit Karate Habe Bigyaner Karne Srishti Hwa Jabtiya Samasyar Samadhane Bigyaner Gyanake Kaje Lagate Habe Sarbopari Gutta Prithibite Ec Sarite Darate Habe Jate Bigyaner Kono Dhbansatmak Byabahar Na Hay Shaktishali Deshgulor Majutkrit Jabtiya Dhbansatmak Astra Binashta Karate Habe Tahlei Bigyan Abhishap Na Huye Ashirbade Parinat Habe Bigyaner Abhishap Theke Mukti Pabe Menabe Sabhyata Upasanghar Bigyan Abashyai Menabe Sabhyatar Janya Kalyanamayi Katagulo Swarthanweshi Narapishach Manushi Bigyanake Manusher Akalyane Niye Jachchhe Bigyanake Aashirvaad Theke Abhishape Parinat Karechhe Bigyan Jen A Juger Tilottama Jar Hate Ache Amritbhandar Kintu Taur Nayan Katakshe Pralay Tai Manusher Jibne Bigyaner Sarthak O Itibachak Prayog Ghatate Habe Bigyaner Apabyabahar Rodhe Sakal Manushake Egiye Asate Habe Bigyaner Agragatike Sathik Pathe Parichalna Karalei Menabe Sabhyatar Agragati Nishchit Habe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিজ্ঞানঅভিশাপ নয় আশীর্বাদ স্বরুপ এই বিষয়টি নিয়ে স্কুল কলেজের বিতর্ক প্রতিযোগীয় উভয় পক্ষকেই অনেক যুক্তি উপস্থাপন করতে দেখেছি৷ অবশেষে বিজ্ঞানের পক্ষেই রায় যায় মানে বিজ্ঞান আশির্বাদ স্বরুপ৷ বিজ্ঞানের উৎকর্ষে পৃথিবীতে আধুনিকতার বিকাশ ঘটেছে৷ সভ্যতার ক্রমবিকাশের ফলে আদিম মানুষ থেকে আমরা আজ আধুনিক মানুষে রুপান্তরিত হয়েছি৷ কৃষি, শিল্প সহ মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে আমূল পরিবর্তন৷ বিজ্ঞানের আশির্বাদে আপনি আমি আজ এতো কাছাকাছি চলে এসেছি৷ বিজ্ঞানের গুনগান বলে কয়ে শেষ করা দুরুহ ব্যপার৷ তো মূল কথা হচ্ছে সব কিছুতে বা সব মেশিনারিতে একটা কী পয়েন্ট বা রিসেট বাটন থাকে৷ যা দিয়ে সবকিছুকে পেছনে নেয়া যায় বা শূন্যের কোঠায় পৌঁছানো যায়৷ বিজ্ঞানও অনুরূপ মানুষকে একটা সাজানো গুছানো সভ্যতা উপহার দেবার পাশাপশি আরেকটা রিসেট বাটন দিয়েছে৷ যা দিয়ে সাজানো গুছানো সভ্যতাকে শুধু পেছনেই নয় বরং আদিম কালেরও আদিম কালে পৌঁছে দিতে সক্ষম৷ সে রিসেট বাটনটি হলো বিজ্ঞানের উদ্ভাবিত মরণাস্ত্র৷ পত্রিকায় দেখলাম দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধ নিয়ে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে৷ প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই দুই দেশের মধ্যে সীমিত পর্যায়েও পারমাণবিক অস্ত্রের লড়াই হলে বিশ্বের আবহাওয়ামণ্ডলের ব্যাপক ক্ষতি ও শস্যক্ষেত্র ধ্বংস হবে। পরিণামে খাদ্যপণ্যের বিশ্ববাজারে বহু গুণ খারাপ প্রভাব পড়বে এবং এতে প্রায় ২০০ কোটি লোক মারা যাবে৷ খাদ্যশৃঙ্খলায় দেখা দেবে বিশৃঙ্খলা। নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ইন্টারন্যাশনাল ফিজিশিয়ানস ফর দ্য প্রিভেনশন অব নিউক্লিয়ার ওয়্যার এবং ফিজিশিয়ানস ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি এই দুটি সংগঠন এই গবেষণামূলক প্রতিবেদনটি তৈরি করে। গত সপ্তাহের পত্রিকায় দেখলাম পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফ পার্লামেন্টে বক্তৃতাকালে বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে যে কোন সময় পারমানবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে৷ তাই এসব পড়ে মাঝে মাঝে ভাবনা আসে বিজ্ঞান ধীরে ধীরে যা মানব সভ্যতাকে দিচ্ছে তার চেয়েও বেশি কিছু কেড়ে নিতে পারে একটা মূহুর্তে।
Romanized Version
বিজ্ঞানঅভিশাপ নয় আশীর্বাদ স্বরুপ এই বিষয়টি নিয়ে স্কুল কলেজের বিতর্ক প্রতিযোগীয় উভয় পক্ষকেই অনেক যুক্তি উপস্থাপন করতে দেখেছি৷ অবশেষে বিজ্ঞানের পক্ষেই রায় যায় মানে বিজ্ঞান আশির্বাদ স্বরুপ৷ বিজ্ঞানের উৎকর্ষে পৃথিবীতে আধুনিকতার বিকাশ ঘটেছে৷ সভ্যতার ক্রমবিকাশের ফলে আদিম মানুষ থেকে আমরা আজ আধুনিক মানুষে রুপান্তরিত হয়েছি৷ কৃষি, শিল্প সহ মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে আমূল পরিবর্তন৷ বিজ্ঞানের আশির্বাদে আপনি আমি আজ এতো কাছাকাছি চলে এসেছি৷ বিজ্ঞানের গুনগান বলে কয়ে শেষ করা দুরুহ ব্যপার৷ তো মূল কথা হচ্ছে সব কিছুতে বা সব মেশিনারিতে একটা কী পয়েন্ট বা রিসেট বাটন থাকে৷ যা দিয়ে সবকিছুকে পেছনে নেয়া যায় বা শূন্যের কোঠায় পৌঁছানো যায়৷ বিজ্ঞানও অনুরূপ মানুষকে একটা সাজানো গুছানো সভ্যতা উপহার দেবার পাশাপশি আরেকটা রিসেট বাটন দিয়েছে৷ যা দিয়ে সাজানো গুছানো সভ্যতাকে শুধু পেছনেই নয় বরং আদিম কালেরও আদিম কালে পৌঁছে দিতে সক্ষম৷ সে রিসেট বাটনটি হলো বিজ্ঞানের উদ্ভাবিত মরণাস্ত্র৷ পত্রিকায় দেখলাম দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধ নিয়ে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে৷ প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই দুই দেশের মধ্যে সীমিত পর্যায়েও পারমাণবিক অস্ত্রের লড়াই হলে বিশ্বের আবহাওয়ামণ্ডলের ব্যাপক ক্ষতি ও শস্যক্ষেত্র ধ্বংস হবে। পরিণামে খাদ্যপণ্যের বিশ্ববাজারে বহু গুণ খারাপ প্রভাব পড়বে এবং এতে প্রায় ২০০ কোটি লোক মারা যাবে৷ খাদ্যশৃঙ্খলায় দেখা দেবে বিশৃঙ্খলা। নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ইন্টারন্যাশনাল ফিজিশিয়ানস ফর দ্য প্রিভেনশন অব নিউক্লিয়ার ওয়্যার এবং ফিজিশিয়ানস ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি এই দুটি সংগঠন এই গবেষণামূলক প্রতিবেদনটি তৈরি করে। গত সপ্তাহের পত্রিকায় দেখলাম পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফ পার্লামেন্টে বক্তৃতাকালে বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে যে কোন সময় পারমানবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে৷ তাই এসব পড়ে মাঝে মাঝে ভাবনা আসে বিজ্ঞান ধীরে ধীরে যা মানব সভ্যতাকে দিচ্ছে তার চেয়েও বেশি কিছু কেড়ে নিতে পারে একটা মূহুর্তে।Bigyanabhishap Noy Aashirvaad Swarup AE Bishayati Niye School Kalejer Bitark Pratijogiya Ubhay Pakshakei Anek Jukti Upasthapan Karate Dekhechhir Abasheshe Bigyaner Pakshei Rai Jay Mane Bigyan Ashirbad Swarupar Bigyaner Utkarshe Prithibite Adhuniktar Vikas Ghatechher Sabhyatar Kramabikasher Fale Adim Manus Theke Amara Az Adhunik Manushe Rupantarit Hayechhir Krishi Shilpa Huh Menabe Jibner Pratiti Xetre Bigyan Enechhe Amul Paribartanar Bigyaner Ashirbade Apni Aami Az Eto Kachhakachhi Chale Esechhir Bigyaner Gungan Ble Kaye Sesh Kara Duruh Byaparar Toh Mul Katha Hachchhe Sab Kichhute Ba Sab Meshinarite Ekata Key Payenta Ba Reset Button Thaker Ja Diye Sabakichhuke Pechhne Neya Jay Ba Shunyer Kothay Paunchhano Jayar Bigyanao Anurup Manushake Ekata Sajano Guchhano Sabhyata Upahar Devara Pashapashi Arekata Reset Button Diyechher Ja Diye Sajano Guchhano Sabhyatake Shudhu Pechhnei Noy Wrong Adim Kalerao Adim Kalle Paunchhe Dite Sakshamar Say Reset Batanati Holo Bigyaner Udbhabit Maranastrar Patrikay Dekhlam Dui Parmanbik Shaktidhar Desh Bharat O Pakistaner Juddha Niye Ekata Pratibedan Prakash Kara Hayechher Pratibedne Bala Hay We Dui Desher Madhye Shimit Parjayeo Parmanbik Astrer Larai Hale Bishwer Abahawamandaler Byapak Xati O Shasyakshetra Dhbans Habe Pariname Khadyapanyer Bishwabajare Bahu Goon Kharap Prabhab Parabe Evan Ete Pray 200 Koti Loka Mara Jaber Khadyashrinkhalay Dekha Dewey Bishrinkhala Novel Shanti Puraskarajayi Intaranyashanal Fijishiyanas For The Prevention Av Niukliyar Oyyar Evan Fijishiyanas For Social Resapanasibiliti AE Duti Sangathan AE Gabeshnamulak Pratibedanati Tairi Kare Gata Saptaher Patrikay Dekhlam Pakistaner Pradhanamantri Newaj Sharif Parlamente Baktritakale Balechhen Kashmir Niye Je Koun Camay Parmanbik Shaktidhar Dui Desher Madhye Juddha Bendhe Jete Parer Tai Esab Pare Majhe Majhe Bhavana Ase Bigyan Dhire Dhire Ja Menabe Sabhyatake Dichchhe Taur Cheyeo Bedshee Kichhu Kere Nite Pare Ekata Muhurte
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan Abhishap Nay Aashirvaad,Science Is Not A Curse Blessing,


vokalandroid