বিজ্ঞান অভিশাপ বিতর্ক ...

বিজ্ঞান অভিশাপ বিতর্ক ভূমিকা: আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। আজকের সভ্যতার এই বিশাল ইমারত মানুষের যুগ যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার ফসল। মানুষ সভ্যতার বেদীমূলে দিয়েছে মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান সে সভ্যতাকে করেছে গতিশীল ও অগ্রসর। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে গতি, করেছে দূর্জেয় শক্তির অধিকারী। বিজ্ঞানের বলেই আদিম বন্যচারী মানুষ সভ্যতার আলো পেয়েছে। সুদৃঢ় সমুদ্রতল থেকে মহাকাশ যাত্রা আজ তার ইচ্ছার অধীন হয়েছে। তবে বিজ্ঞান যে শুধু সভ্যতার কল্যাণ করছে তা নয়। বিজ্ঞান আজ মানুষের অকল্যাণেও ব্যবহৃত হচ্ছে। যার উপর ভর করে মানব সভ্যতা অগ্রসর হয়েছিল সেই বিজ্ঞানই আজ সভ্যতার বিনাশে মাতাল হয়ে উঠেছে। এ কারণে বিজ্ঞান আজ অনেক ক্ষেত্রেই মানব জীবনের আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা: মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই তার চারপাশের জগৎ সম্পর্কে কৌতুহলী ছিল। এই কৌতুহল থেকে বিজ্ঞান আবিষ্কার। গুহাবাসী মানুষ যেদিন থেকে আগুনের আবিষ্কার করেছিল সেদিন থেকে বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর পর ক্রমে ক্রমে মানুষ আবিষ্কার করেছিল সভ্যতা। বিজ্ঞানের ছোঁয়া লেগে সেই আদিম সভ্যতা আজ যন্ত্রসভ্যতার রূপ নিয়েছে। সেই আদিম মানুষের হাতে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল আজ পর্যন্ত তা থামেনি। মানুষ আজ শুধু নিজেকে রক্ষা করার জন্য নয় বরং জীবনের সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে প্রয়াসী হয়েছে। সভ্যতায় বিজ্ঞানের ছোঁয়া/ আশীর্বাদ: বিজ্ঞান মানুষ ও সভ্যতাকে শতভাগ এগিয়ে নিয়েছে। চলার প্রয়োজনে মানুষ আবিষ্কার করেছে নানা গাড়ি, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ওষুধ, যোগাযোগের প্রয়োজনে নানা প্রযুক্তি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনেও মানুষ আজ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আজ প্রকৃতিকেও বশ মানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজ্ঞান সভ্যতাকে করেছে আলোকজ্জ্বল, মানুষের জ্ঞান ও দৃষ্টিকে করেছে সুদূরপ্রসারী। যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে: সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষের যান ছিল দু পা। কিন্তু দূর-দূরান্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পায়ের উপর ভর করা চলে না। তাই মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দূর দূরান্তকে জয় করার প্রয়াস পেল। বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আবিষ্কার করেছে দ্রুতগামী যান- ট্রেন, জাহাজ, উড়োজাহাজ, বিমান ইত্যাদি। মহাশূন্যের অজানা জ্ঞানকে জানার জন্য আবিষ্কার করেছে রকেট, মহাকাশ যান। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তের খবর নেওয়ার জন্য আবিষ্কার করেছে ফ্যাক্স, টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, ই-মেইল, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন। এভাবে যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির আবিষ্কার ও ব্যবহার সারা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: পূর্বে মানুষ রোগমুক্তির জন্য নানা লতাপাতা ও কুসংস্কারের আশ্রয় নিত। বর্তমানকালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এক যুগান্তকারী বিপ্লবের সূচনা করেছে। যার ফলে মানুষ দূরারোগ্য ব্যাধিকে জয় করতে পেরেছে। এক্সরে, পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি জীবনকে দীর্ঘায়ু করেছে। জিন প্রতিস্থাপন, কর্ণিয়া, বৃক্ক, অস্থিমজ্জা, হৃদপি-, ফুসফুস এবং যকৃতের মতো অঙ্গ মানুষ প্রতিস্থাপন করছে। আলট্রাসোনোগ্রাম, লেজাররশ্মি ও কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষকে অসাধ্য সাধন করেছে। বিপক্ষে : বিজ্ঞান অভিশাপ হওয়ার কারণ: বিজ্ঞানের দ্বারা উদ্ভাবিত মরণাস্ত্রের ব্যবহার মানুষকে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়াকুল করে তুলেছে। তীর ধনুকের পরিবর্তে মানুষ আজ উদ্ভাবন করেছে ট্যাংক, কামান, মর্টার এবং অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও আবিষ্কার করেছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু বোমা, জীবানু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ইত্যাদি। যা মুহূর্তে সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে। ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ ধ্বংসলীলা স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালোভী মানুষের হৃদয়কে কোমল করতে পারেনি। আজও রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে আধিপত্য ও শক্তি প্রদর্শনের জন্যে বিজ্ঞানকে কে কত ভয়ংকর ঘাতক করতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলছে। ভীয়েতনাম, ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে অগণিত নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আতঙ্কিত মানুষ শুনছে নক্ষত্রযুদ্ধের কথা, যা আরো ভয়াবহ। ফলে দেখা যাচ্ছে যে সভ্যতার গায়ে বিজ্ঞান বাসা বেঁধেছে, তারই বিনষ্টে আজ সে মেতে উঠেছে। অবশ্য এর জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়; আধিপত্য শক্তি প্রদর্শনকারী, স্বার্থান্বেষী, বর্বর মানুষরাই এর জন্য দায়ী। অভিশাপ থেকে উত্তরণের/মুক্তির উপায়: বিজ্ঞান এক অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনার উৎস। যা মানুষের উপকার ও অপকারে অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। বিজ্ঞানের অনাবিষ্কৃত ক্ষেত্র আমাদের জীবনকে দিতে পারে নতুন কোনো সম্ভাবনার আভাস। তাই বিজ্ঞানের শক্তিকে অনাকাক্সিক্ষত খাতে প্রয়োগ থেকে সরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিৎ করতে হবে। বিজ্ঞানের কারণে সৃষ্টি হওয়া যাবতীয় সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। সর্বোপরি গোটা পৃথিবীতে এক সারিতে দাড়াতে হবে যাতে বিজ্ঞানের কোনো ধ্বংসাত্মক ব্যবহার না হয়। শক্তিশালী দেশগুলোর মজুতকৃত যাবতীয় ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বিনষ্ট করতে হবে। তাহলেই বিজ্ঞান অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদে পরিণত হবে। বিজ্ঞানের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে মানব সভ্যতা।
Romanized Version
বিজ্ঞান অভিশাপ বিতর্ক ভূমিকা: আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। আজকের সভ্যতার এই বিশাল ইমারত মানুষের যুগ যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার ফসল। মানুষ সভ্যতার বেদীমূলে দিয়েছে মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান সে সভ্যতাকে করেছে গতিশীল ও অগ্রসর। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে গতি, করেছে দূর্জেয় শক্তির অধিকারী। বিজ্ঞানের বলেই আদিম বন্যচারী মানুষ সভ্যতার আলো পেয়েছে। সুদৃঢ় সমুদ্রতল থেকে মহাকাশ যাত্রা আজ তার ইচ্ছার অধীন হয়েছে। তবে বিজ্ঞান যে শুধু সভ্যতার কল্যাণ করছে তা নয়। বিজ্ঞান আজ মানুষের অকল্যাণেও ব্যবহৃত হচ্ছে। যার উপর ভর করে মানব সভ্যতা অগ্রসর হয়েছিল সেই বিজ্ঞানই আজ সভ্যতার বিনাশে মাতাল হয়ে উঠেছে। এ কারণে বিজ্ঞান আজ অনেক ক্ষেত্রেই মানব জীবনের আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা: মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই তার চারপাশের জগৎ সম্পর্কে কৌতুহলী ছিল। এই কৌতুহল থেকে বিজ্ঞান আবিষ্কার। গুহাবাসী মানুষ যেদিন থেকে আগুনের আবিষ্কার করেছিল সেদিন থেকে বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর পর ক্রমে ক্রমে মানুষ আবিষ্কার করেছিল সভ্যতা। বিজ্ঞানের ছোঁয়া লেগে সেই আদিম সভ্যতা আজ যন্ত্রসভ্যতার রূপ নিয়েছে। সেই আদিম মানুষের হাতে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল আজ পর্যন্ত তা থামেনি। মানুষ আজ শুধু নিজেকে রক্ষা করার জন্য নয় বরং জীবনের সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে প্রয়াসী হয়েছে। সভ্যতায় বিজ্ঞানের ছোঁয়া/ আশীর্বাদ: বিজ্ঞান মানুষ ও সভ্যতাকে শতভাগ এগিয়ে নিয়েছে। চলার প্রয়োজনে মানুষ আবিষ্কার করেছে নানা গাড়ি, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ওষুধ, যোগাযোগের প্রয়োজনে নানা প্রযুক্তি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনেও মানুষ আজ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আজ প্রকৃতিকেও বশ মানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজ্ঞান সভ্যতাকে করেছে আলোকজ্জ্বল, মানুষের জ্ঞান ও দৃষ্টিকে করেছে সুদূরপ্রসারী। যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে: সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষের যান ছিল দু পা। কিন্তু দূর-দূরান্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পায়ের উপর ভর করা চলে না। তাই মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দূর দূরান্তকে জয় করার প্রয়াস পেল। বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আবিষ্কার করেছে দ্রুতগামী যান- ট্রেন, জাহাজ, উড়োজাহাজ, বিমান ইত্যাদি। মহাশূন্যের অজানা জ্ঞানকে জানার জন্য আবিষ্কার করেছে রকেট, মহাকাশ যান। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তের খবর নেওয়ার জন্য আবিষ্কার করেছে ফ্যাক্স, টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, ই-মেইল, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন। এভাবে যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির আবিষ্কার ও ব্যবহার সারা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: পূর্বে মানুষ রোগমুক্তির জন্য নানা লতাপাতা ও কুসংস্কারের আশ্রয় নিত। বর্তমানকালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এক যুগান্তকারী বিপ্লবের সূচনা করেছে। যার ফলে মানুষ দূরারোগ্য ব্যাধিকে জয় করতে পেরেছে। এক্সরে, পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি জীবনকে দীর্ঘায়ু করেছে। জিন প্রতিস্থাপন, কর্ণিয়া, বৃক্ক, অস্থিমজ্জা, হৃদপি-, ফুসফুস এবং যকৃতের মতো অঙ্গ মানুষ প্রতিস্থাপন করছে। আলট্রাসোনোগ্রাম, লেজাররশ্মি ও কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষকে অসাধ্য সাধন করেছে। বিপক্ষে : বিজ্ঞান অভিশাপ হওয়ার কারণ: বিজ্ঞানের দ্বারা উদ্ভাবিত মরণাস্ত্রের ব্যবহার মানুষকে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়াকুল করে তুলেছে। তীর ধনুকের পরিবর্তে মানুষ আজ উদ্ভাবন করেছে ট্যাংক, কামান, মর্টার এবং অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও আবিষ্কার করেছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু বোমা, জীবানু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ইত্যাদি। যা মুহূর্তে সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে। ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ ধ্বংসলীলা স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালোভী মানুষের হৃদয়কে কোমল করতে পারেনি। আজও রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে আধিপত্য ও শক্তি প্রদর্শনের জন্যে বিজ্ঞানকে কে কত ভয়ংকর ঘাতক করতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলছে। ভীয়েতনাম, ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে অগণিত নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আতঙ্কিত মানুষ শুনছে নক্ষত্রযুদ্ধের কথা, যা আরো ভয়াবহ। ফলে দেখা যাচ্ছে যে সভ্যতার গায়ে বিজ্ঞান বাসা বেঁধেছে, তারই বিনষ্টে আজ সে মেতে উঠেছে। অবশ্য এর জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়; আধিপত্য শক্তি প্রদর্শনকারী, স্বার্থান্বেষী, বর্বর মানুষরাই এর জন্য দায়ী। অভিশাপ থেকে উত্তরণের/মুক্তির উপায়: বিজ্ঞান এক অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনার উৎস। যা মানুষের উপকার ও অপকারে অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। বিজ্ঞানের অনাবিষ্কৃত ক্ষেত্র আমাদের জীবনকে দিতে পারে নতুন কোনো সম্ভাবনার আভাস। তাই বিজ্ঞানের শক্তিকে অনাকাক্সিক্ষত খাতে প্রয়োগ থেকে সরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিৎ করতে হবে। বিজ্ঞানের কারণে সৃষ্টি হওয়া যাবতীয় সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। সর্বোপরি গোটা পৃথিবীতে এক সারিতে দাড়াতে হবে যাতে বিজ্ঞানের কোনো ধ্বংসাত্মক ব্যবহার না হয়। শক্তিশালী দেশগুলোর মজুতকৃত যাবতীয় ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বিনষ্ট করতে হবে। তাহলেই বিজ্ঞান অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদে পরিণত হবে। বিজ্ঞানের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে মানব সভ্যতা। Bigyan Abhishap Bitark Bhumika Adhunik Jug Bigyaner Jug Ajaker Sabhyatar AE Vishal Imarat Manusher Jug Jugantarer Swapna O Sadhnar Focal Manus Sabhyatar Bedimule Diyechhe Mastishker Buddhi Indriyer Anubhuti Evan Hridyer Bhalobasa Bigyan Say Sabhyatake Karechhe Gatishil O Agrasar Bigyan Manushake Diyechhe Gatti Karechhe Durjey Shaktir Adhikari Bigyaner Balei Adim Banyachari Manus Sabhyatar Alo Peyechhe Sudridh Samudratal Theke Mahakash Jatra Az Taur Issar Adhin Hayechhe Tove Bigyan Je Shudhu Sabhyatar Kalyan Karachhe Ta Noy Bigyan Az Manusher Akalyaneo Byabahrit Hachchhe Jar Upar Bhar Kare Menabe Sabhyata Agrasar Hayechhil Sei Bigyanai Az Sabhyatar Binashe Matal Huye Uthechhe A Karne Bigyan Az Anek Xetrei Menabe Jibner Aashirvaad Na Huye Abhishape Parinat Hayechhe Bigyaner Agrajatra Manus Srishtir Shuru Thekei Taur Charpasher Jagt Samparke Kautuhali Chhil AE Kautuhal Theke Bigyan Abishkar Guhabasi Manus Jedin Theke Aguner Abishkar Karechhil Sedin Theke Bigyaner Jatra Shuru Hayechhil Aare Par Krame Krame Manus Abishkar Karechhil Sabhyata Bigyaner Chhonya Lege Sei Adim Sabhyata Az Jantrasabhyatar Roopa Niyechhe Sei Adim Manusher Hate Bigyaner Agrajatra Shuru Hayechhil Az Parjanta Ta Thameni Manus Az Shudhu Nijeke Raksha Karar Janya Noy Wrong Jibner Sabakshetre Bigyanake Kaje Lagate Prayasi Hayechhe Sabhyatay Bigyaner Chhonya Aashirvaad Bigyan Manus O Sabhyatake Shatabhag Egiye Niyechhe Chalar Prayojane Manus Abishkar Karechhe Nana Gari Benche Thakur Prayojane Oshudh Jogajoger Prayojane Nana Prajukti Khadya Utpadan Baranor Prayojneo Manus Az Bigyanake Kaje Lagiye Prabhut Unnati Sadhan Karechhe Shudhu Tai Noy Bigyanake Kaje Lagiye Manus Az Prakritikeo Vs Mananor Prastuti Nichchhe Bigyan Sabhyatake Karechhe Alokajjbal Manusher Gyan O Drishtike Karechhe Suduraprasari Jatayat O Jogajog Xetre Srishtir Shuru Theke Manusher Jan Chhil Du PA Kintu Dur Durantare Jawar Xetre A Payer Upar Bhar Kara Chale Na Tai Manus Bigyanake Kaje Lagiye Dur Durantake Jai Karar Prayas Payel Bigyaner Gyanake Kaje Lagiye Manus Abishkar Karechhe Drutagami Jan Train Jahaj Urojahaj Viman Ityadi Mahashunyer Ajana Gyanake Janar Janya Abishkar Karechhe Rocket Mahakash Jan Prithibir Ec Pranta Theke Are Ec Pranter Khabar Newar Janya Abishkar Karechhe Fax Telephone Radio Television E Mail Internet O Mobile Phone Ebhabe Jatayat O Jogajog Xetre Baigyanik Prajuktir Abishkar O Byabahar Sara Bishwake Manusher Hater Muthoy Ene Diyechhe Chikitsa Xetre Purbe Manus Rogmuktir Janya Nana Latapata O Kusanskarer Ashraya Nit Bartamankale Chikitsa Xetre Bigyan Ec Jugantakari Biplaber Suchna Karechhe Jar Fale Manus Durarogya Byadhike Jai Karate Perechhe Eksare Penisilin Strepatomaisin Teramaisin Ityadi Jibanake Dirghayu Karechhe Zinn Pratisthapan Karniya Brikk Asthimajja Hridpi Fusfus Evan Jakriter Mato Ong Manus Pratisthapan Karachhe Alatrasonogram Lejararashmi O Computer Prajuktir Byabahar Chikitsar Xetre Manushake Asadhya Sadhan Karechhe Bipakshe Bigyan Abhishap Hwar Karan Bigyaner Dwara Udbhabit Maranastrer Byabahar Manushake Taur Astitva Samparke Sangshayakul Kare Tulechhe Tir Dhanuker Paribarte Manus Az Udbhaban Karechhe Tyank Kaman Mortar Evan Atyadhunik Agneyastra Echharao Abishkar Karechhe Durpallar Xepanastra Paramanu Boma Jibanu Boma Haidrojen Boma Ityadi Ja Muhurte Sabakichhu Dhbans Kare Dite Pare 1945 Saler 6 O 9 Agasta Japaner Hirosima O Nagasakir Bhayabah Dhbansalila Swarthanweshi Xamatalobhi Manusher Hridayake Komal Karate Pareni Ajao Rashtre Rashtre Adhipatya O Shakti Pradarshaner Janye Bigyanake K Kat Bhayankar Ghatak Karate Pare Taur Pratijogita Chalachhe Bhiyetnam Iran Iraq O Afghanistan Juddhe Aganit Nirih Manusher Mrityur Janya Dayi Az Tritiya Bishwajuddher Mukhomukhi Danriye Atankit Manus Shunchhe Nakshatrajuddher Katha Ja Aro Bhayabah Fale Dekha Jachchhe Je Sabhyatar Gaye Bigyan Basha Bendhechhe Tarai Binashte Az Say Maite Uthechhe Abashya Aare Janya Bigyan Dayi Noy Adhipatya Shakti Pradarshanakari Swarthanweshi Barbara Manushrai Aare Janya Dayi Abhishap Theke Uttaraner Muktir Upaay Bigyan Ec Afuranta Shakti O Sambhabanar Uts Ja Manusher Upakar O Apakare Anayase Byabahar Kara Jay Bigyaner Anabishkrit Kshetra Amader Jibanake Dite Pare NATUN Kono Sambhabanar Abhas Tai Bigyaner Shaktike Anakaksikshat Khate Prayog Theke Sare Asate Habe Bigyaner Sushthu Byabahar Nishchit Karate Habe Bigyaner Karne Srishti Hwa Jabtiya Samasyar Samadhane Bigyaner Gyanake Kaje Lagate Habe Sarbopari Gutta Prithibite Ec Sarite Darate Habe Jate Bigyaner Kono Dhbansatmak Byabahar Na Hay Shaktishali Deshgulor Majutkrit Jabtiya Dhbansatmak Astra Binashta Karate Habe Tahlei Bigyan Abhishap Na Huye Ashirbade Parinat Habe Bigyaner Abhishap Theke Mukti Pabe Menabe Sabhyata
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশির্বাদ- একটি চমৎকার বিতর্ক- মাহমুদা আক্তার বিজ্ঞান অভিশাপ বলে প্রমান করতে গিয়ে প্রথমেই বিজ্ঞানের অন্যতম আবিস্কার পারমানবিক বোমার বিধ্বংসের কথা তুলে ধরে, নিয়ে আসে বিজ্ঞানের আরেক মরন ফাঁদ মোবাইলের ক্ষতির দিক, যা কিনা ব্যাবহার করে আশ্লীল ভিডিও গান আর নষ্টামী নোংরামীতে সমাজে নেমে আসে চরম অবক্ষয়, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুব সমাজের জীবনের মূল্যবান সময়ের তীব্র অপচয়। ইসলামী সভ্যতার বুকে যন্ত্রের অপব্যাবহারের কূফল। সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে তুলে উভয় দলই। তবে তথ্য আর উপস্থাপন দক্ষতার ফলে “বিজ্ঞান আভিশাপ নয় আশীর্বাদ” এর বিপক্ষ দল বিজ্ঞান অভিশাপ বলে ওদের চোখে আঙুল ধরিয়ে প্রমানসহ দেখিয়ে দিয়ে বিজয় লাভ করে। ফলাফল প্রকাশের পর তাদের চোখে মুখে নেমে আসে খুশির জোয়ার। দর্শক স্রোতাদের জয়জয়কার। অপরপক্ষের ইষত্‍ গ্লানি অবশ্য মুছে উঠে অন্ততো তাদের দলের খাদিজা হয়েছে আজকের বিতর্কের শ্রেষ্ট বাক প্রতিদ্বন্দী বিজয়ীনি। আমাদের এই আয়োজনটুক যদি ছাত্র ছাত্রীদের জীবনের কিঞ্চিত্‍ উপকারের কারণ হয় এটাই বড় স্বার্থকতা।
Romanized Version
বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশির্বাদ- একটি চমৎকার বিতর্ক- মাহমুদা আক্তার বিজ্ঞান অভিশাপ বলে প্রমান করতে গিয়ে প্রথমেই বিজ্ঞানের অন্যতম আবিস্কার পারমানবিক বোমার বিধ্বংসের কথা তুলে ধরে, নিয়ে আসে বিজ্ঞানের আরেক মরন ফাঁদ মোবাইলের ক্ষতির দিক, যা কিনা ব্যাবহার করে আশ্লীল ভিডিও গান আর নষ্টামী নোংরামীতে সমাজে নেমে আসে চরম অবক্ষয়, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুব সমাজের জীবনের মূল্যবান সময়ের তীব্র অপচয়। ইসলামী সভ্যতার বুকে যন্ত্রের অপব্যাবহারের কূফল। সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে তুলে উভয় দলই। তবে তথ্য আর উপস্থাপন দক্ষতার ফলে “বিজ্ঞান আভিশাপ নয় আশীর্বাদ” এর বিপক্ষ দল বিজ্ঞান অভিশাপ বলে ওদের চোখে আঙুল ধরিয়ে প্রমানসহ দেখিয়ে দিয়ে বিজয় লাভ করে। ফলাফল প্রকাশের পর তাদের চোখে মুখে নেমে আসে খুশির জোয়ার। দর্শক স্রোতাদের জয়জয়কার। অপরপক্ষের ইষত্‍ গ্লানি অবশ্য মুছে উঠে অন্ততো তাদের দলের খাদিজা হয়েছে আজকের বিতর্কের শ্রেষ্ট বাক প্রতিদ্বন্দী বিজয়ীনি। আমাদের এই আয়োজনটুক যদি ছাত্র ছাত্রীদের জীবনের কিঞ্চিত্‍ উপকারের কারণ হয় এটাই বড় স্বার্থকতা।Bigyan Abhishap Noy Ashirbad Ekati Chamtkar Bitark Mahmuda Aktar Bigyan Abhishap Ble Praman Karate Giye Prathamei Bigyaner Anyatam Abiskar Parmanbik Bomar Bidhbanser Katha Tule Dhare Niye Ase Bigyaner Arek Morne Fand Mobailer Xatir Dik Ja Qina Byabahar Kare Ashlil Video Gone Are Nashtami Nongramite Samaje Neme Ase Charam Abakshay Intaraneter Madhyame Jub Samajer Jibner Mulyaban Samayer Tibra Apachay Isalami Sabhyatar Buke Jantrer Apabyabaharer Kufal Sab Miliye Ec Manomugdhakar Paribesh Srishti Kare Tule Ubhay Dolly Tove Tathya Are Upasthapan Dakshatar Fale “bigyan Abhishap Noy Ashirbad” Aare Bipaksh Dal Bigyan Abhishap Ble Oder Chokhe Angul Dhariye Pramanasah Dekhiye Diye Vijay Love Kare Falafal Prakasher Par Tader Chokhe Mukhe Neme Ase Khushir Jwar Darshak Srotader Jayajayakar Aparapaksher Isht Glani Abashya Muchhe Uthe Antato Tader Daler KHADIZA Hayechhe Ajaker Bitarker Shreshta Buck Pratidwandi Bijyini Amader AE Ayojanatuk Jodi Chhatra Chhatrider Jibner Kinchit Upakarer Karan Hay Etai Bar Swarthakata
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan Abhishap Bitark,Science Curse Debate,


vokalandroid