বিজয় স্তম্ভ বাংলাদেশ ...

বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বিজয় প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ৯মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্তম্ভ হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২] এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ই ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান মাননীয় রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।
Romanized Version
বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বিজয় প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ৯মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্তম্ভ হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২] এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ই ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান মাননীয় রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।Bangladeshe Vishesha Dinh Hisebe Rashtriyabhabe Desher Sarbatra Palan Kara Hay Prati Bachhar 16i Disembar Bangladeshe Dinti Bisheshbhabe Palit Hay 22 Januyari 1972 Tarikhe Bijay Prakashit Ec Pragyapane AE Dintike Bangladeshe Jatiya Dibas Hisebe Udajapan Kara Hay Evan Sarakaribhabe A Dintite Chhuti Ghoshna Kara Hay 9mas Juddher Par 1971 Saler 16i Disembar Dhakar Sohrawardi Udyane Stambha Hanadar Pakistani Bahinir Pray 91 634 Sadasya Bangladesh O Bharter Samanwaye Gathit Jauthbahinir Kachhe Anushthanikbhabe Atmasamarpan Kare 2 Aare Fale Prithibir Buke Bangladesh Name Ekati NATUN Sweden O Sarbabhaum Rashtrer Abhyuday Ghate A Upalakshe Prati Bachhar Bangladeshe Dibasati Jathajath Bhabgambhirjya Evan Bipul Utsah Uddipanar Sathe Palit Hay 16i Disembar Bhore 31 Bar Topadhbanir Madhyame Dibser Suchna Ghate Jatiya Parade Skayare Anushthit Sammilit Samrik Kuchkawaje Bangladesh Senabahini Bangladesh Naubahini Evan Bangladesh Bimanbahinir Sadasyara Jog Than Kuchkawajer Angsh Hisebe Salaam Grahan Curren Deshtir Pradhan Manniya Rashtrapati Kingba Pradhanamantri AE Kuchkawaj Dekhar Janya Prachurasankhyak Manus Jaro Hay Bangladesher Swadhinata Juddhe Jara Shahid Hayechhen Tader Prati Shraddha Nibedner Angsh Hisebe Dhakar Adure Sabhare Abasthit Jatiya Smritisaudhe Rashtrapati Pradhanamantri Birodhi Daliya Neta Karmi Bibhinna Samajik O Sanskritik Sangathanasah Sarbastarer Manus Pushpastabak Arpan Kare Thaken
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরদের স্মরণে বাংলাদেশে র বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে বিজয় স্তম্ভ । রাজধানী ঢাকাতেও আছে এরকম বেশ কিছু স্মৃতি স্তম্ভ ।বিজয় মাসে ঘুরে আসতে পারেন এসব জায়গা থেকে।জাতীয় স্মৃতিসৌধ: ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভারের নবীনগরে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণউৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।১৯৮২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এর স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট।সাতজোড়া ত্রিভুজাকার দেয়ালের মাধ্যমে ছোট থেকে ধাপে ধাপে উঠে গেছে সৌধটি। কংক্রিটের এ সাত জোড়া দেয়ালের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি সময়কালকে নির্দেশ করা হয়েছে।মোট ১০৮ একর উঁচু নিচু টিলা আকৃতির জায়গার উপর বিস্তৃত সবুজ ঘাসের গালিচায় আবৃত দেশি বিদেশি গাছের বাগান আর লাল ইটের রাস্তা— এই সৌধ ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে। স্মৃতিসৌধ চত্বরের পাশেই রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের দশটি গণকবর।আর এর চারপাশ ঘিরে রয়েছে কৃত্রিম লেক। জাতীয় স্মৃতিসৌধে যেতে কোনো প্রবেশ মূল্য লাগে না। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধনীতা স্তম্ভ।বঙ্গবন্ধু জাদুঘর: ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিধন্য বাড়িটি এখন জাদুঘর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এ বাড়িতেই বাস করতেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক বঙ্গবন্ধু। এই বাড়ি রূপান্তরিত করা হয়েছে জাদুঘরে। এখানে সংরক্ষিত আছে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের নানান স্মৃতি, ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস। বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে বুলেটের দাগ। দর্শনার্থী ধারণা পাবেন ১৫ আগস্টের সেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কেও। বঙ্গবন্ধুর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ সিঁড়ির যেখানে পড়েছিল সেখানে পুরানো রক্তের চিহ্ন অবশ্য প্রায় অদৃশ্য। স্থানটি এখন কাঁচ দিয়ে ঢাকা।বুধবার এবং সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত জাদুঘরটি খোলা থাকে।স্বাধীনতা স্তম্ভ: রমনা রেসকোর্স, বর্তমানের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। আমাদের স্বাধীনতার সঙ্গে এ নামটি ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তি পেলে তাঁকে এখানেই সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রমনার এই রেসকোর্সের মহাসমাবেশেই বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। দীর্ঘ নয়মাস যুদ্ধের পরে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনারা এখানেই নতি স্বীকার করে। ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বক্তব্য দেন। সেই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই গড়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতা স্তম্ভ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী স্মরণীয় করে রাখতে এর আগে ১৯৯৯ সালে এখানে স্থাপন কর হয় ‘শিখা চিরন্তনী’। প্রায় ৬৭ একর জায়গাজুড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কেন্দ্রস্থলে গড়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতা স্তম্ভ। চারপাশে রয়েছে তিনটি জলাশয়। একপাশে শিখা চিরন্তনী আর স্বাধীনতা সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত বিভিন্ন দেয়ালচিত্র।মূল আকর্ষণ প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু একটি গ্লাস টাওয়ার। রাতে এ টাওয়ারের আলোকরশ্মি বহু দূর থেকেও দেখা যায়। স্বাধীনতা স্তম্ভের ভেতরে আছে স্বাধীনতা জাদুঘর। ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও পাক হানাদারদের গণহত্যার নানান নিদর্শন সুরক্ষিত আছে এখানে।সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধনীতা স্তম্ভ।অপরাজেয় বাংলা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্য অপরাজেয় বাংলা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলার নারী পুরুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের প্রতীক এই ভাস্কর্যের স্থপতি সৈয়দ অব্দুল্লাহ খালিদ। স্বাধীনতার সংগ্রাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ফুলার রোডের ব্রিটিশ কাউন্সিল ছাড়িয়ে সামান্য দক্ষিণে দৃষ্টি নন্দন ভাস্কর্যের বাগান।এখানকার ২৫ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের প্রতিকৃতি ছাড়াও রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ইসলাম, লালন শাহ, হাসন রাজার মতো অনেক বরেণ্য ব্যক্তির ছোট প্রতিকৃতি রয়েছে।এছাড়া স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনেরও একটি প্রতিকৃতি আছে এখানে। এগুলোর স্থপতি শামীম সিকদার। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর: জাতীয় মসজিদ থেকে কিছুটা পশ্চিমে পাঁচ নম্বর সেগুন বাগিচার পুরানো দ্বিতল বাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।বাংলাদেশে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত নিদর্শন ও স্মারকচিহ্নগুলো সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য ১৯৯৬ সনের ২২ মার্চ এ জাদুঘরের যাত্রা।সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের তথ্য, প্রমাণাদি, নিদর্শন, রৈকর্ডপত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করে এখানে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ছয়টি গ্যালারি রয়েছে।প্রথম গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে বাঙালির ঐতিহ্যের পরিচয় এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চিহ্ন।
Romanized Version
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরদের স্মরণে বাংলাদেশে র বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে বিজয় স্তম্ভ । রাজধানী ঢাকাতেও আছে এরকম বেশ কিছু স্মৃতি স্তম্ভ ।বিজয় মাসে ঘুরে আসতে পারেন এসব জায়গা থেকে।জাতীয় স্মৃতিসৌধ: ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভারের নবীনগরে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণউৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।১৯৮২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এর স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট।সাতজোড়া ত্রিভুজাকার দেয়ালের মাধ্যমে ছোট থেকে ধাপে ধাপে উঠে গেছে সৌধটি। কংক্রিটের এ সাত জোড়া দেয়ালের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি সময়কালকে নির্দেশ করা হয়েছে।মোট ১০৮ একর উঁচু নিচু টিলা আকৃতির জায়গার উপর বিস্তৃত সবুজ ঘাসের গালিচায় আবৃত দেশি বিদেশি গাছের বাগান আর লাল ইটের রাস্তা— এই সৌধ ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে। স্মৃতিসৌধ চত্বরের পাশেই রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের দশটি গণকবর।আর এর চারপাশ ঘিরে রয়েছে কৃত্রিম লেক। জাতীয় স্মৃতিসৌধে যেতে কোনো প্রবেশ মূল্য লাগে না। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধনীতা স্তম্ভ।বঙ্গবন্ধু জাদুঘর: ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিধন্য বাড়িটি এখন জাদুঘর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এ বাড়িতেই বাস করতেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক বঙ্গবন্ধু। এই বাড়ি রূপান্তরিত করা হয়েছে জাদুঘরে। এখানে সংরক্ষিত আছে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের নানান স্মৃতি, ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস। বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে বুলেটের দাগ। দর্শনার্থী ধারণা পাবেন ১৫ আগস্টের সেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কেও। বঙ্গবন্ধুর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ সিঁড়ির যেখানে পড়েছিল সেখানে পুরানো রক্তের চিহ্ন অবশ্য প্রায় অদৃশ্য। স্থানটি এখন কাঁচ দিয়ে ঢাকা।বুধবার এবং সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত জাদুঘরটি খোলা থাকে।স্বাধীনতা স্তম্ভ: রমনা রেসকোর্স, বর্তমানের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। আমাদের স্বাধীনতার সঙ্গে এ নামটি ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তি পেলে তাঁকে এখানেই সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রমনার এই রেসকোর্সের মহাসমাবেশেই বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। দীর্ঘ নয়মাস যুদ্ধের পরে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনারা এখানেই নতি স্বীকার করে। ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বক্তব্য দেন। সেই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই গড়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতা স্তম্ভ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী স্মরণীয় করে রাখতে এর আগে ১৯৯৯ সালে এখানে স্থাপন কর হয় ‘শিখা চিরন্তনী’। প্রায় ৬৭ একর জায়গাজুড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কেন্দ্রস্থলে গড়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতা স্তম্ভ। চারপাশে রয়েছে তিনটি জলাশয়। একপাশে শিখা চিরন্তনী আর স্বাধীনতা সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত বিভিন্ন দেয়ালচিত্র।মূল আকর্ষণ প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু একটি গ্লাস টাওয়ার। রাতে এ টাওয়ারের আলোকরশ্মি বহু দূর থেকেও দেখা যায়। স্বাধীনতা স্তম্ভের ভেতরে আছে স্বাধীনতা জাদুঘর। ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও পাক হানাদারদের গণহত্যার নানান নিদর্শন সুরক্ষিত আছে এখানে।সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধনীতা স্তম্ভ।অপরাজেয় বাংলা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্য অপরাজেয় বাংলা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলার নারী পুরুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের প্রতীক এই ভাস্কর্যের স্থপতি সৈয়দ অব্দুল্লাহ খালিদ। স্বাধীনতার সংগ্রাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ফুলার রোডের ব্রিটিশ কাউন্সিল ছাড়িয়ে সামান্য দক্ষিণে দৃষ্টি নন্দন ভাস্কর্যের বাগান।এখানকার ২৫ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের প্রতিকৃতি ছাড়াও রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ইসলাম, লালন শাহ, হাসন রাজার মতো অনেক বরেণ্য ব্যক্তির ছোট প্রতিকৃতি রয়েছে।এছাড়া স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনেরও একটি প্রতিকৃতি আছে এখানে। এগুলোর স্থপতি শামীম সিকদার। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর: জাতীয় মসজিদ থেকে কিছুটা পশ্চিমে পাঁচ নম্বর সেগুন বাগিচার পুরানো দ্বিতল বাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।বাংলাদেশে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত নিদর্শন ও স্মারকচিহ্নগুলো সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য ১৯৯৬ সনের ২২ মার্চ এ জাদুঘরের যাত্রা।সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের তথ্য, প্রমাণাদি, নিদর্শন, রৈকর্ডপত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করে এখানে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ছয়টি গ্যালারি রয়েছে।প্রথম গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে বাঙালির ঐতিহ্যের পরিচয় এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চিহ্ন। Mahan Muktijuddhe Birder Smarane Bangladeshe Ra Bibhinna Jaygay Nirman Kara Hayechhe Bijay Stambha Rajdhani Dhakateo Ache Erakam Bash Kichhu Smriti Stambha Vijay Mase Ghure Asate Paren Esab Jayga Theke Jatiya Smritisaudh Dhaka Theke Pray 25 KM Dure Dhaka Aricha Mahasaraker PAUSE Sabharer Nabinagare Nirmit Hayechhe Jatiya Smritisaudh Swadhinata Sangrame Pranautsargakari Shahidder Smarane 1972 Saler 16i Disembar Pratham Vijay Dibse Aare Bhittiprastar Sthapan Curren Bangabandhu Shekh Mujibur Rahaman 1982 Sale Aare Nirman Kaj Sesh Hay Aare Sthapati Sayyad Mainul Hossain Jatiya Smritisaudher Uchchata 150 Foot Satjora Tribhujakar Deyaler Madhyame Chhot Theke Dhape Dhape Uthe Gechhe Saudhti Kankriter A Saat Jodhaa Deyaler Madhyame Bangladesher Swadhinata Andolaner Satti Samayakalke Nirdesh Kara Hayechhe Mot 108 Ecru Unchu Nichu Tila Akritir Jaygar Upar Bistrita Sabuj Ghaser Galichay Abrit Deshi Bideshi Gachher Bagan Are Lal Iter Rasta— AE Saudh Bhramanakarider Akarshan Kare Smritisaudh Chatbarer Pashei Rayechhe Muktijuddhe Shahidder Dosti Ganakabar Are Aare Charpash Ghire Rayechhe Kritrim Lack Jatiya Smritisaudhe Jete Kono Prabesh Mulya Lage Na Pratidin Sakal Theke Sandhya Parjanta AT Khola Thake Sohrawardi Udyane Swadhanita Stambha Bangabandhu Jadughar Dhanamandi 32 Nambare Bangladesher Sthapati Bangabandhu Shekh Mujibur Rahamaner Smritidhanya Bariti Ekhan Jadughar 1975 Saler 15 Agasta Ghatker Hate Nirmamabhabe Nihat Hwar Aug Parjanta A Baritei Bass Karaten Bangladesher Muktijuddher Agranayak Bangabandhu AE Bari Rupantarit Kara Hayechhe Jadughare Ekhane Sangrakshit Ache Bangabandhur Sangrami Jibner Nanan Smriti Byabahrit Bibhinna Zeneca Barir Deyale Deyale Buleter Dag Darshanarthi Dharna Paben 15 Agaster Sei Nrishans Hatyajagya Samparkeo Bangabandhur Gulibiddha Mritdeh Sinrir Jekhanay Presil Sekhane Purano Rakter Chihna Abashya Pray Adrishya Sthanati Ekhan Kanch Diye Dhaka Budhbar Evan Sarakari Chhuti Chhara Pratidin Sakal 10ta Theke Bikal Panchata Parjanta Jadugharati Khola Thake Swadhinata Stambha Romagna Reskors Bartamaner Sohrawardi Udyan Amader Swadhintar Sange A Namti Otopratobhabe Jarit 1969 Sale Bangabandhu Shekh Mujibur Rahaman Gel Theke Mukti Pele Tanke Ekhanei Sangbardhana Dewa Hay Evan Bangabandhu Upadhite Bhushit Kara Hay 1971 Saler 7i Marsa Ramanar AE Reskorser Mahasmabeshei Bangabandhu Tanr Aitihasik Bhashan Pradan Curren Dirgh Nayamas Juddher Pare 1971 Saler 16 Disembar Pak Senara Ekhanei Nutty Sweekar Kare 1972 Saler 17 Marsa Ec Janasabhay Bangabandhu Evan Bharter Ttkalin Pradhanamantri INDIRA Gandhi Baktabya Than Sei Aitihasik Sohrawardi Udyanei Gare Tola Hayechhe Swadhinata Stambha Bangladesher Swadhinata Juddher Aitihasik Ghatanabli Smaraniya Kare Rakhte Aare Age 1999 Sale Ekhane Sthapan Cor Hay ‘shikha Chirantanio Pray 67 Ecru Jaygajure Sohrawardi Udyaner Kendrasthale Gare Tola Hayechhe Swadhinata Stambha Charpashe Rayechhe Tinti Jalashay Ekapashe Shikha Chirantani Are Swadhinata Sangramake Kendra Kare Nirmit Bibhinna Deyalchitra Mul Akarshan Pray 150 Foot Unchu Ekati Glass Tower Rate A Tawarer Alokarashmi Bahu Dur Thekeo Dekha Jay Swadhinata Stambher Bhetre Ache Swadhinata Jadughar 71 Saler Muktijuddha O Pak Hanadarder Ganahatyar Nanan Nidarshan Surakshit Ache Ekhane Sohrawardi Udyane Swadhanita Stambha Aparajey Bangla Dhaka Bishwabidyalayer Kalabhaban Chatbare Muktijuddher Bhashkarjya Aparajey Bangla Kandhe Kandh Miliye Banglar Nari Purusher Muktijuddhe Angshagrahan Evan Bijyer Pratik AE Bhaskarjer Sthapati Sayyad Abdullah Khalid Swadhintar Sangram Dhaka Bishwabidyalay Elakar Fuller Roder British Council Chhariye Samanya Dakshine Drishti Nandan Bhaskarjer Bagan Ekhankar 25 Foot Unchu Bangabandhur 7 Marcher Pratikriti Chharao Rabindranath Najrul Islam Lalan Shah Hasn Rajar Mato Anek Baranya Byaktir Chhot Pratikriti Rayechhe Echhara Swairachar Birodhi Andolane Shahid Noor Hosenerao Ekati Pratikriti Ache Ekhane Egulor Sthapati Shamim Sikdar Muktijuddha Jadughar Jatiya Masajid Theke Kichhuta Pashchime Paanch Number Segun Bagichar Purano Dwital Barite Asthayibhabe Basechhe Muktijuddha Jadughar Bangladeshe Gaurabamay Muktijuddha Sankranta Nidarshan O Smarakachihnagulo Sangrah Sangrakshan O Pradarshaner Janya 1996 Saner 22 Marsa A Jadughrer Jatra Sampurna Besarakari Udyoge Muktijuddher Tathya Pramanadi Nidarshan Raikardapatra Ityadi Sangrah Kare Ekhane Rakha Hay Muktijuddha Jadughare Chhayati Gyalari Rayechhe Pratham Gyalarite Pradarshit Hayechhe Bangalir Aitihyer Parichay Evan British Aupanibeshik Shasner Biruddhe Sangramer Chihna
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bijay Stambha Bangladesh,Bijoy Stambhum Bangladesh,


vokalandroid