বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া কী? ...

বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া :যেসব আমলে আল্লাহ দ্রুত দোয়া কবুল করেন , মুসলমান হিসেবে আমরা কমেবেশি সবাই দোয়া করি। এটা অনেকটা স্বভাবজাত বিষয়। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। এগুলোকে আলেমরা দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন।মুসলমান হিসেবে আমরা কমেবেশি সবাই দোয়া করি। এটা অনেকটা স্বভাবজাত বিষয়। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। এগুলোকে আলেমরা দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন।পবিত্রতা অর্জন: পবিত্রতা অর্জনের পর দোয়া করলে আল্লাহতায়ালা সেই দোয়া কবুল করবেন।বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করা: বিনয়ের সঙ্গে দু’হাত তুলে দোয়া করা। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহতায়ালার নিকট হাত তুলে হাতের তালু সামনে রেখে দোয়া কর। হাত উল্টো করো না। দোয়ার শেষে উত্তোলিত হাত মুখমন্ডলে বুলিয়ে নাও।’ -আবু দাউদ।মিনতিভরা কন্ঠে দোয়া করা: মিনতি ও নম্রতার সঙ্গে দোয়া করলে তা ইবাদত হিসেবে গন্য হয়। রাসূলে মকবুল বলেছেন, ‘দোয়া সব ইবাদতের মজ্জা ও সারাংশ।’ দাসত্বের পরিচয় প্রদানই ইবাদতের উদ্দেশ্য। বান্দার নিজের দীনতা ও অক্ষমতা বুঝতে পারা এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও অপার মহিমা উপলব্দি করার মধ্যেই দাসত্বের প্রকাশ ঘটে। দোয়ার মাধ্যমে এ দু’টি বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থাৎ নিজের অক্ষমতা ও অসহায়ত্ব এবং আল্লাহর অপ্রতিহত ক্ষমতা, অপার মহিমা ও প্রতাপ অন্তরে স্থান পাওয়া আবশ্যক। দীনতা ও নম্রতা দোয়ার মধ্যে যত অধিক হবে ততই মঙ্গল। দু’হাত তুলে জয়ী হওয়ার দোয়া করা: বিনয়, নম্রতা ও দাসত্ব প্রকাশ করার জন্য দোয়ার সময় দু’হাতের তালু আসমানের দিকে রাখতে হবে এবং হাত সম্পূর্ণ সম্প্রসারিত করে দু’হাতের মধ্যে ২/১ আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রাখতে হবে। হাত কচলানো, রশি পাকানোর মতো হাতের তালু ঘষাঘষি করা দোয়ার আদবের খেলাপ। মনে রাখবেন, আপনি শাহানশাহেরর দরবারে হাত তুলেছেন, তাই এখানে কোনো ধরনের অমনোযোগিতা হওয়ার কাম্য নয়। এছাড়া দোয়া শেষে দু’হাত তুলে দোয়া করে দোয়া শেষে হাত দু’টি মুখমন্ডলে মুছে নিবে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, ‘যে হাত আল্লাহর দরবারে উত্তোলিত হয়, তা একেবারে শূণ্য অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে তিনি লজ্জাবোধ করেন। আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা বা বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া :আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা। আল্লাহর প্রশংসা যেমন, ‘আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন’ দোয়ার শুরুতে বলা। এছাড়া ইসমে আজমের সহিত দোয়া করা উত্তম। হজরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেন, ইসমে আজম এই আয়াতদ্বয়ে রয়েছে-।১. ‘ওয়া ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদুন লা ইলাহা ইল্লা হুয়ার রাহমানুর রাহিম।’ -সূরা বাক্বারা : ১৬৩।২. ‘আলীফ লাম মীম। আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।’ -সূরা আল ইমরান : ১।হজরত আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলে কারিম -এর নিকট বসেছিলাম। একজন লোক সেখানে নামাজ পড়ছিল। সে তার দোয়ার মধ্যে আরজ করল, হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার প্রয়োজন প্রার্থনা করছি এই ওসিলায় যে, প্রশংসা ও গুনকীর্তণ আপনার জন্যই উপযুক্ত। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি পরম দয়ালু ও অসীম অনুগ্রহদাতা এবং পৃথিবী ও আকাশ মন্ডলীর স্রষ্টা। আমি আপনার কাছেই আপনার অনুগ্রহ চাই। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যু! ইয়া জালজালালী ওয়াল ইকরাম! রাসূলুল্লাহ বলেন, এ বান্দা আল্লাহর ইসমে আজমের ওসিলায় দোয়া করেছে। এ ওসিলায় আল্লাহর কাছে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে, আল্লাহ তা দান করেন। -তিরমিজি ।হজরত ফুজালা ইবনে উবায়দা বর্ননা করেন, রাসূলে কারিম এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনলেন। সে দোয়ায় আল্লাহপাকের প্রশংসা করল না এবং রাসূল-এর ওপর দরুদও পাঠ করল না। এতে রাসূলে আকরাম বললেন, লোকটি তড়িঘড়ি করে দোয়া করেছে। তিনি লোকটিকে ডেকে আনলেন এবং তাকে অথবা উপস্থিত লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘যখন তোমাদের কেউ নামাজ পড়ে তখন দোয়া করার পূর্বে তার উচিত আল্লাহতায়ালার প্রশংসা করে নেয়া ও রাসূলের প্রতি দরুদ পাঠ করা। এরপর যা ইচ্ছা তা চাওয়া। -তিরমিজি ও আবু দাউদ।এক হাদিসে এসেছে হজরত রাসূলে মাকবুল বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দোয়া করার পূর্বে দরুদ শরীফ পড়ে, তার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। মহান আল্লাহতায়ালা অসীম দয়ালু; দোয়ার কিয়দাংশ কবুল করে অপর অংশ কবুল না করা তার স্বভাব নয়। এই হাদিসের সারমর্ম এই যে, দরুদ তিনি অবশ্যই কবুল করে থাকেন, সুতরাং তিনি দরুদ কবুল করে দোয়ার অবশিষ্টাংশ অর্থাৎ প্রার্থনীয় বিষয় অগ্রাহ্য করেন না। শেষ পর্যন্ত উভয় অংশই কবুল করেন।হজরত আবু সোলায়মান দারানী বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করে, তার উচিত, প্রথমে দরুদ পড়া এবং দরুদ পড়ে দোয়া শেষ করা। কেননা আল্লাহ উভয় দরুদ কবুল করেন। -কিমিয়ায়ে সাআদাত।
Romanized Version
বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া :যেসব আমলে আল্লাহ দ্রুত দোয়া কবুল করেন , মুসলমান হিসেবে আমরা কমেবেশি সবাই দোয়া করি। এটা অনেকটা স্বভাবজাত বিষয়। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। এগুলোকে আলেমরা দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন।মুসলমান হিসেবে আমরা কমেবেশি সবাই দোয়া করি। এটা অনেকটা স্বভাবজাত বিষয়। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। এগুলোকে আলেমরা দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন।পবিত্রতা অর্জন: পবিত্রতা অর্জনের পর দোয়া করলে আল্লাহতায়ালা সেই দোয়া কবুল করবেন।বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করা: বিনয়ের সঙ্গে দু’হাত তুলে দোয়া করা। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহতায়ালার নিকট হাত তুলে হাতের তালু সামনে রেখে দোয়া কর। হাত উল্টো করো না। দোয়ার শেষে উত্তোলিত হাত মুখমন্ডলে বুলিয়ে নাও।’ -আবু দাউদ।মিনতিভরা কন্ঠে দোয়া করা: মিনতি ও নম্রতার সঙ্গে দোয়া করলে তা ইবাদত হিসেবে গন্য হয়। রাসূলে মকবুল বলেছেন, ‘দোয়া সব ইবাদতের মজ্জা ও সারাংশ।’ দাসত্বের পরিচয় প্রদানই ইবাদতের উদ্দেশ্য। বান্দার নিজের দীনতা ও অক্ষমতা বুঝতে পারা এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও অপার মহিমা উপলব্দি করার মধ্যেই দাসত্বের প্রকাশ ঘটে। দোয়ার মাধ্যমে এ দু’টি বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থাৎ নিজের অক্ষমতা ও অসহায়ত্ব এবং আল্লাহর অপ্রতিহত ক্ষমতা, অপার মহিমা ও প্রতাপ অন্তরে স্থান পাওয়া আবশ্যক। দীনতা ও নম্রতা দোয়ার মধ্যে যত অধিক হবে ততই মঙ্গল। দু’হাত তুলে জয়ী হওয়ার দোয়া করা: বিনয়, নম্রতা ও দাসত্ব প্রকাশ করার জন্য দোয়ার সময় দু’হাতের তালু আসমানের দিকে রাখতে হবে এবং হাত সম্পূর্ণ সম্প্রসারিত করে দু’হাতের মধ্যে ২/১ আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রাখতে হবে। হাত কচলানো, রশি পাকানোর মতো হাতের তালু ঘষাঘষি করা দোয়ার আদবের খেলাপ। মনে রাখবেন, আপনি শাহানশাহেরর দরবারে হাত তুলেছেন, তাই এখানে কোনো ধরনের অমনোযোগিতা হওয়ার কাম্য নয়। এছাড়া দোয়া শেষে দু’হাত তুলে দোয়া করে দোয়া শেষে হাত দু’টি মুখমন্ডলে মুছে নিবে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, ‘যে হাত আল্লাহর দরবারে উত্তোলিত হয়, তা একেবারে শূণ্য অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে তিনি লজ্জাবোধ করেন। আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা বা বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া :আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা। আল্লাহর প্রশংসা যেমন, ‘আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন’ দোয়ার শুরুতে বলা। এছাড়া ইসমে আজমের সহিত দোয়া করা উত্তম। হজরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেন, ইসমে আজম এই আয়াতদ্বয়ে রয়েছে-।১. ‘ওয়া ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদুন লা ইলাহা ইল্লা হুয়ার রাহমানুর রাহিম।’ -সূরা বাক্বারা : ১৬৩।২. ‘আলীফ লাম মীম। আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।’ -সূরা আল ইমরান : ১।হজরত আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলে কারিম -এর নিকট বসেছিলাম। একজন লোক সেখানে নামাজ পড়ছিল। সে তার দোয়ার মধ্যে আরজ করল, হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার প্রয়োজন প্রার্থনা করছি এই ওসিলায় যে, প্রশংসা ও গুনকীর্তণ আপনার জন্যই উপযুক্ত। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি পরম দয়ালু ও অসীম অনুগ্রহদাতা এবং পৃথিবী ও আকাশ মন্ডলীর স্রষ্টা। আমি আপনার কাছেই আপনার অনুগ্রহ চাই। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যু! ইয়া জালজালালী ওয়াল ইকরাম! রাসূলুল্লাহ বলেন, এ বান্দা আল্লাহর ইসমে আজমের ওসিলায় দোয়া করেছে। এ ওসিলায় আল্লাহর কাছে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে, আল্লাহ তা দান করেন। -তিরমিজি ।হজরত ফুজালা ইবনে উবায়দা বর্ননা করেন, রাসূলে কারিম এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনলেন। সে দোয়ায় আল্লাহপাকের প্রশংসা করল না এবং রাসূল-এর ওপর দরুদও পাঠ করল না। এতে রাসূলে আকরাম বললেন, লোকটি তড়িঘড়ি করে দোয়া করেছে। তিনি লোকটিকে ডেকে আনলেন এবং তাকে অথবা উপস্থিত লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘যখন তোমাদের কেউ নামাজ পড়ে তখন দোয়া করার পূর্বে তার উচিত আল্লাহতায়ালার প্রশংসা করে নেয়া ও রাসূলের প্রতি দরুদ পাঠ করা। এরপর যা ইচ্ছা তা চাওয়া। -তিরমিজি ও আবু দাউদ।এক হাদিসে এসেছে হজরত রাসূলে মাকবুল বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দোয়া করার পূর্বে দরুদ শরীফ পড়ে, তার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। মহান আল্লাহতায়ালা অসীম দয়ালু; দোয়ার কিয়দাংশ কবুল করে অপর অংশ কবুল না করা তার স্বভাব নয়। এই হাদিসের সারমর্ম এই যে, দরুদ তিনি অবশ্যই কবুল করে থাকেন, সুতরাং তিনি দরুদ কবুল করে দোয়ার অবশিষ্টাংশ অর্থাৎ প্রার্থনীয় বিষয় অগ্রাহ্য করেন না। শেষ পর্যন্ত উভয় অংশই কবুল করেন।হজরত আবু সোলায়মান দারানী বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করে, তার উচিত, প্রথমে দরুদ পড়া এবং দরুদ পড়ে দোয়া শেষ করা। কেননা আল্লাহ উভয় দরুদ কবুল করেন। -কিমিয়ায়ে সাআদাত।Bichare Jayi Hwar Dwa Jesab Amole Allah Drut Dwa Kabul Curren , Musalaman Hisebe Amara Kamebeshi Sabai Dwa Kari Etah Anekata Swabhabjat Vysya Tove Dwa Karar Camay Bash Kayekati Bishyer Prati Gabhirbhabe Kheyal Rakha Darakar Eguloke Alemara Dwa Kabuler Sharta O Adb Ble Abhihit Karechhen Musalaman Hisebe Amara Kamebeshi Sabai Dwa Kari Etah Anekata Swabhabjat Vysya Tove Dwa Karar Camay Bash Kayekati Bishyer Prati Gabhirbhabe Kheyal Rakha Darakar Eguloke Alemara Dwa Kabuler Sharta O Adb Ble Abhihit Karechhen Pabitrata Arjan Pabitrata Arjaner Par Dwa Karale Allahatayala Sei Dwa Kabul Karaben Binyer Sange Dwa Kara Binyer Sange Duohat Tule Dwa Kara Hajarat Abadullah Ibane Abbas Theke Barnit Hajarat Rasulullah Baleno ‘allahatayalar Nikat Haut Tule Hater Talu Samne Rekhe Dwa Cor Haut Ulto Karo Na Dwar Sheshe Uttolit Haut Mukhamandale Buliye Now ’ Abu Daud Mintibhra Kanthe Dwa Kara Minati O Namratar Sange Dwa Karale Ta Ibadat Hisebe Ganya Hya Rasule Mokbul Balechhen ‘dwa Sab Ibadter Majja O Sarangsh ’ Dasatber Parichay Pradanai Ibadter Uddeshya Bandar Nizar Dinta O Akshamata Bujhte Para Evan Allahar Ashim Xamata O Ipper Mahima Upalabdi Karar Madhyei Dasatber Prakash Ghate Dwar Madhyame A Duoti Bishyer Parichay Powa Jay Arthat Nizar Akshamata O Asahayatba Evan Allahar Apratihat Xamata Ipper Mahima O Pratap Antare Sthan Powa Aawashyak Dinta O Namratha Dwar Madhye Jat Adhik Habe Tutti Mangal Duohat Tule Jayi Hwar Dwa Kara Vinaya Namratha O Dasatba Prakash Karar Janya Dwar Camay Duohater Talu Asamaner Dike Rakhte Habe Evan Haut Sampurna Samprasarit Kare Duohater Madhye 2 1 Angul Pariman FAQ Rakhte Habe Haut Kachalano Rashi Pakanor Mato Hater Talu Ghashaghashi Kara Dwar Adaber Khelap Money Rakhben Apni Shahanshaherar Darabare Haut Tulechhen Tai Ekhane Kono Dharaner Amanojogita Hwar Kamya Noy Echhara Dwa Sheshe Duohat Tule Dwa Kare Dwa Sheshe Haut Duoti Mukhamandale Muchhe Nibe Hadis Sharife Barnit Ache ‘je Haut Allahar Darabare Uttolit Hya Ta Ekebare Shunya Abasthay Firiye Dite Tini Lajjabodh Curren Allahar Prashansa O Darud Sharifasah Dwa Kara Ba Bichare Jayi Hwar Dwa Allahar Prashansa O Darud Sharifasah Dwa Kara Allahar Prashansa Jeman ‘alahamdu Lillahi Rabbil Alamino Dwar Shurute Bala Echhara Isame Ajmer Sahit Dwa Kara Uttam Hajarat Aasama Binte Iyajid Theke Barnit Rasulullah Baleno Isame Azam AE Ayatadwaye Rayechhe 1 ‘wa Ilahukum Ilahu Wahidun Laa Ilaha Illa Huyar Rahmanur Rahim ’ Sura Bakbara : 163 2 ‘alif Lam Meemo Allahu Laa Ilaha Illa Huyal Haiyyul Kaiyyum ’ Sura Al Imran : 1 Hajarat Anas Theke Barnit Tini Baleno Aami Ekadin Rasule Karim Aare Nikat Basechhilam Ekajan Loka Sekhane Namaj Parachhil Say Taur Dwar Madhye Araj Karal Hey Allah Aami Apanar Kachhe Amar Prayojan Prarthana Karachhi AE Osilay Je Prashansa O Gunkirtan Apanar Janyai Upajukta Apni Chhara Kono Mabud Nei Apni Param Dayalu O Ashim Anugrahadata Evan Prithibi O Aakash Mandalir Srashta Aami Apanar Kachhei Apanar Anugrah Chai Ea Haiyyu Ea Kaiyyu Ea Jaljalali Wall Ikaram Rasulullah Baleno A Banda Allahar Isame Ajmer Osilay Dwa Karechhe A Osilay Allahar Kachhe Dwa Karale Dwa Kabul Hya Evan Allahar Kachhe Kono Kichhu Chaile Allah Ta Dan Curren TIRMIJI Hajarat Fujala Ibane Ubayada BARNANA Curren Rasule Karim Ec Byaktike Dwa Karate Shunlen Say Dway Allahapaker Prashansa Karal Na Evan Rasul Aare Opar Darudao Path Karal Na Ete Rasule Akaram Balalen Lokti Tarighari Kare Dwa Karechhe Tini Loktike Deke Analen Evan Take Athaba Upasthit Lokderke Lakshya Kare Balalen ‘jakhan Tomader Keu Namaj Pare Takhan Dwa Karar Purbe Taur Uchit Allahatayalar Prashansa Kare Neya O Rasuler Prati Darud Path Kara Erapar Ja Ichchha Ta Chawa TIRMIJI O Abu Daud Ec Hadise Esechhe Hajarat Rasule Makbul Balechhen ‘je Byakti Dwa Karar Purbe Darud Shareef Pare Taur Dwa Abashyai Kabul Hya Mahan Allahatayala Ashim Dayalu Dwar Kiyadangsh Kabul Kare Apr Angsh Kabul Na Kara Taur Swabhab Noy AE Hadiser Saramarma AE Je Darud Tini Abashyai Kabul Kare Thaken Sutarang Tini Darud Kabul Kare Dwar Abashishtangsh Arthat Prarthaniya Vysya Agrahya Curren Na Sesh Parjanta Ubhay Angshai Kabul Curren Hajarat Abu Solayman Darani Baleno ‘je Byakti Allahar Kachhe Kono Dwa Kare Taur Uchit Prathame Darud Para Evan Darud Pare Dwa Sesh Kara Kenna Allah Ubhay Darud Kabul Curren Kimiyaye Saadat
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া : উচ্চারণ: ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল।’ অর্থ: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম সাহায্যকারী, কার্যসম্পাদনকারী।’ -সূরা আল ইমরান : ১৭৩ উত্তম সাহায্যকারী কে: বর্ণিত আয়াতে আল্লাহতায়ালার ওপর ভরসা করার বিষয়ে বলা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করার নানা পর্যায় রয়েছে। কেউ মুখে মুখে ভরসার কথা বলে, কেউ সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ভরসা করে, কেউ-বা সর্বদাই সব কাজে আল্লাহর ওপর ভরসা করে। এটি তাওয়াক্কুলের সর্বোচ্চ পর্যায়। তাই সকল চেষ্টায় এই দোয়া পড়ে আল্লাহর রহমত কামনা করলে আল্লাহর, রহমতে। আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন। বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া #রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন। যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।
Romanized Version
বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া : উচ্চারণ: ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল।’ অর্থ: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম সাহায্যকারী, কার্যসম্পাদনকারী।’ -সূরা আল ইমরান : ১৭৩ উত্তম সাহায্যকারী কে: বর্ণিত আয়াতে আল্লাহতায়ালার ওপর ভরসা করার বিষয়ে বলা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করার নানা পর্যায় রয়েছে। কেউ মুখে মুখে ভরসার কথা বলে, কেউ সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ভরসা করে, কেউ-বা সর্বদাই সব কাজে আল্লাহর ওপর ভরসা করে। এটি তাওয়াক্কুলের সর্বোচ্চ পর্যায়। তাই সকল চেষ্টায় এই দোয়া পড়ে আল্লাহর রহমত কামনা করলে আল্লাহর, রহমতে। আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন। বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া #রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে বিচারে জয়ী হওয়ার দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন। যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়। Bichare Jayi Hwar Dwa Uchcharan ‘hasbunallahu Wa Niomal Wakil ’ Earth ‘allahai Amader Janya Jatheshta Evan Tinii Uttam Sahajyakari Karjasampadanakari ’ Sura Al Imran : 173 Uttam Sahajyakari K Barnit Ayate Allahatayalar Opar Varsha Karar Vise Bala Hayechhe Allahar Opar Varsha Karar Nana Parjay Rayechhe Keu Mukhe Mukhe Bharasar Katha Ble Keu Sunirdishta Kichhu Bishyer Varsha Kare Keu Ba Sarbadai Sab Kaje Allahar Opar Varsha Kare AT Tawakkuler Sarbochch Parjay Tai Sakal Cheshtay AE Dwa Pare Allahar Rahmat Kamna Karale Allahar Rahamate Abu Solayman Darani Baleno Je Byakti Allahar Kachhe Koun Prarthana Karate Say Taur Uchit Pratham Darud Path Kara Evan Darud Dwara Dwa Sesh Kara Kenna Allah Ubhay Darud Kabul Curren Bichare Jayi Hwar Dwa Rasulullah Sallallahu Alaihi Wasallam Balechhen : Jakhan Tomra Allahar Nikat Chao Takhan Amar Prati Darud Path Cor Allahar Shan Erup Noy Je Keu Taur Kachhe Duiti Zeneca Chaile Ekati Purna Karaben Evan Aparati Karaben Na Sura Ekhalachh Tinbar Path Kare Allahor Darabare Bichare Jayi Hwar Dwa Karale Allah Neck Asha Purna Curren Je Byakti Dainik Eshar Namaj Par AE Pak Namti Ea Jahiru 100bar Path Kare Taur Maner Sakal Neck Bosnia Purna Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bichare Jayi Hwar Dwa Key,What Is The Blessing Of Victory?,


vokalandroid