বিজ্ঞান কি ও কেন? ...

বিজ্ঞান কি কেন বিজ্ঞানের যুগে সকাল থেকে সন্ধ্যা, ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে ঘুমানো পর্যন্ত আমাদের জীবনের প্রতি মুহূর্তে বিজ্ঞান এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে মিশে আছে। কেন চলুন তাহলে আজ জেনে নেয়া যাক এই বিজ্ঞান আসলে কি সেই সম্পর্কে! অনেকে মনে করেন, কোনো বিষয়ের বিশেষ জ্ঞান ই হল বিজ্ঞান। এটা আংশিক কি সত্যি। কিন্তু বিজ্ঞানের অর্থ আরো বড় পরিধিজুড়ে। বিজ্ঞান কি? ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সেই গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান। বিজ্ঞানীরা বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে জ্ঞান অর্জন করেন এবং প্রকৃতি ও সমাজের নানা মৌলিক বিধি ও সাধারণ সত্য আবিষ্কারের চেষ্টা করেন। বর্তমান বিশ্ব এবং এর প্রগতি নিয়ন্ত্রিত হয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যাপক অর্থ যে কোন জ্ঞানের পদ্ধতিগত বিশ্লেষণকে বিজ্ঞান বলা হলেও আরো সূক্ষ্ম অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হবে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্র মূলত দুটি: সামাজিক বিজ্ঞান এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন সহ এ ধরনের সকল বিজ্ঞান প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে মানুষের আচার-ব্যবহার এবং সমাজ নিয়ে যে বিজ্ঞান তা সমাজ বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। তবে যে ধরনেরই হোক বিজ্ঞানের আওতায় পড়তে হলে উক্ত জ্ঞানটিকে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। আর একই শর্তের অধীনে যে গবেষকই পরীক্ষণটি করুন না কেন ফলাফল একই হতে হবে। অর্থাৎ ব্যক্তি চেতনা অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষণের ফলাফল কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না। গণিতকে অনেকেই তৃতীয় একটি শ্রেণী হিসেবে দেখেন। অর্থাৎ তাদের মতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান আর গণিত এই তিনটি শ্রেণী মিলে বিজ্ঞান। সে দৃষ্টিতে গণিত হল ফরমাল (formal) বিজ্ঞান আর প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞান হল পরীক্ষণমূলক (empirical) বিজ্ঞান। প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের সাথে গণিতের মিল-অমিল উভয়ই রয়েছে। গণিত এক দিক থেকে পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে, উভয়টিই একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পদ্ধতিগত অধ্যয়ন করে। আর পার্থক্য হচ্ছে, পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানে পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণ করা হলেও গণিতে কোন কিছু প্রতিপাদন করা হয় আগের একটি সূত্রের (প্রায়োরিটি) উপর নির্ভর করে। এই ফরমাল বিজ্ঞান, যার মধ্যে পরিসংখ্যান এবং যুক্তিবিদ্যা ও পড়ে, অনেক সময়ই পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানে উন্নতি করতে হলে ফরমাল বিজ্ঞানের প্রসার আবশ্যক। কিভাবে কোন কিছু কাজ করে (প্রাকৃতিক বিজ্ঞান) বা কিভাবে মানুষ চিন্তা করে (সামাজিক বিজ্ঞান) তা বুঝতে হলে ফরমাল বিজ্ঞানের কাছে হাত পাতা ছাড়া উপায় নেই।
Romanized Version
বিজ্ঞান কি কেন বিজ্ঞানের যুগে সকাল থেকে সন্ধ্যা, ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে ঘুমানো পর্যন্ত আমাদের জীবনের প্রতি মুহূর্তে বিজ্ঞান এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে মিশে আছে। কেন চলুন তাহলে আজ জেনে নেয়া যাক এই বিজ্ঞান আসলে কি সেই সম্পর্কে! অনেকে মনে করেন, কোনো বিষয়ের বিশেষ জ্ঞান ই হল বিজ্ঞান। এটা আংশিক কি সত্যি। কিন্তু বিজ্ঞানের অর্থ আরো বড় পরিধিজুড়ে। বিজ্ঞান কি? ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সেই গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান। বিজ্ঞানীরা বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে জ্ঞান অর্জন করেন এবং প্রকৃতি ও সমাজের নানা মৌলিক বিধি ও সাধারণ সত্য আবিষ্কারের চেষ্টা করেন। বর্তমান বিশ্ব এবং এর প্রগতি নিয়ন্ত্রিত হয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যাপক অর্থ যে কোন জ্ঞানের পদ্ধতিগত বিশ্লেষণকে বিজ্ঞান বলা হলেও আরো সূক্ষ্ম অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হবে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্র মূলত দুটি: সামাজিক বিজ্ঞান এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন সহ এ ধরনের সকল বিজ্ঞান প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে মানুষের আচার-ব্যবহার এবং সমাজ নিয়ে যে বিজ্ঞান তা সমাজ বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। তবে যে ধরনেরই হোক বিজ্ঞানের আওতায় পড়তে হলে উক্ত জ্ঞানটিকে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। আর একই শর্তের অধীনে যে গবেষকই পরীক্ষণটি করুন না কেন ফলাফল একই হতে হবে। অর্থাৎ ব্যক্তি চেতনা অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষণের ফলাফল কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না। গণিতকে অনেকেই তৃতীয় একটি শ্রেণী হিসেবে দেখেন। অর্থাৎ তাদের মতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান আর গণিত এই তিনটি শ্রেণী মিলে বিজ্ঞান। সে দৃষ্টিতে গণিত হল ফরমাল (formal) বিজ্ঞান আর প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞান হল পরীক্ষণমূলক (empirical) বিজ্ঞান। প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের সাথে গণিতের মিল-অমিল উভয়ই রয়েছে। গণিত এক দিক থেকে পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে, উভয়টিই একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পদ্ধতিগত অধ্যয়ন করে। আর পার্থক্য হচ্ছে, পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানে পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণ করা হলেও গণিতে কোন কিছু প্রতিপাদন করা হয় আগের একটি সূত্রের (প্রায়োরিটি) উপর নির্ভর করে। এই ফরমাল বিজ্ঞান, যার মধ্যে পরিসংখ্যান এবং যুক্তিবিদ্যা ও পড়ে, অনেক সময়ই পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞানে উন্নতি করতে হলে ফরমাল বিজ্ঞানের প্রসার আবশ্যক। কিভাবে কোন কিছু কাজ করে (প্রাকৃতিক বিজ্ঞান) বা কিভাবে মানুষ চিন্তা করে (সামাজিক বিজ্ঞান) তা বুঝতে হলে ফরমাল বিজ্ঞানের কাছে হাত পাতা ছাড়া উপায় নেই।Bigyan Ki Can Bigyaner Juge Sakal Theke Sandhya Ghum Theke Utha Theke Shuru Kare Ghumano Parjanta Amader Jibner Prati Muhurte Bigyan Ec Abichchhedya Ong Hisebe Mishe Ache Can Chalun Tahle Az Jene Neya Jak AE Bigyan Ashley Ki Sei Samparke Aneke Money Curren Kono Bishyer Vishesha Gyan E Hall Bigyan Etah Angshik Ki Satyi Kintu Bigyaner Earth Aro Bar Paridhijure Bigyan Ki Bhaut Bishwer Ja Kichhu Parjabekshanajogya Parikshanajogya O Jachaijogya Taur Sushrinkhal Niyamatantrik Gabeshana O Sei Gabeshnalabdha Gyanabhandarer NAM Bigyan Bigyanira Vishesha Baigyanik Paddhati Anusaran Kare Gyan Arjan Curren Evan Prakriti O Samajer Nana Maulik Bidhi O Sadharan SATHYA Abishkarer Cheshta Curren Bartaman Biswa Evan Aare Pragathi Niyantrit Hay Bigyaner Madhyame Tai Aare Gurutba Aparisim Byapak Earth Je Koun Gyaner Paddhatigat Bishleshanake Bigyan Bala Haleo Aro Sukshma Arthe Shabdati Byabahar Kara Habe Bigyaner Kshetra Mulat Duti Samajik Bigyan Evan Praakritik Bigyan Jibbigyan Padarthabigyan Rasayan Huh A Dharaner Sakal Bigyan Praakritik Bigyaner Antarbhukta Anyadike Manusher Achar Byabahar Evan Samaj Niye Je Bigyan Ta Samaj Bigyaner Antarbhukta Tove Je Dharanerai Hoek Bigyaner Aotay Parate Hale Ukta Gyanatike Sunirdishta Parjabekshan Evan Parikshaner Madhyame Pramanit Hate Habe Are Ekai Shorter Adhine Je Gabeshakai Parikshanati Karoon Na Can Falafal Ekai Hate Habe Arthat Byakti Chethana Anujayi Bigyanabhittik Parikshaner Falafal Kakhanao Paribartit Hate Pare Na Ganitake Anekei Tritiya Ekati Shreni Hisebe Dekhen Arthat Tader Mate Praakritik Bigyan Samajik Bigyan Are Ganit AE Tinti Shreni Miley Bigyan Say Drishtite Ganit Hall Faramal (formal) Bigyan Are Praakritik O Samajik Bigyan Hall Parikshanamulak (empirical) Bigyan Praakritik O Samajik Bigyaner Sathe Ganiter Mill Amil Ubhayai Rayechhe Ganit Ec Dik Theke Parikshanamulak Bigyaner Sathe Samanjasyapurna Je Ubhayatii Ekati Nirdishta Bishye Paddhatigat Adhyayan Kare Are Parthakya Hachchhe Parikshanamulak Bigyane Parikshaner Madhyame Praman Kara Haleo Ganite Koun Kichhu Pratipadan Kara Hay Ager Ekati Sutrer Prayoriti Upar Nirbhar Kare AE Faramal Bigyan Jar Madhye Parisankhyan Evan Juktibidya O Pare Anek Samayai Parikshanamulak Bigyaner Agragatite Vishesha Bhumika Rakhe Tai Parikshanamulak Bigyane Unnati Karate Hale Faramal Bigyaner Prasar Aawashyak Kibhabe Koun Kichhu Kaj Kare Praakritik Bigyan Ba Kibhabe Manus Chinta Kare Samajik Bigyan Ta Bujhte Hale Faramal Bigyaner Kachhe Haut Pata Chhara Upay Nei
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


আমাদের পাঠ্য বইয়ে ‘বিজ্ঞান কী’ তার সংঙ্গা দেয়া আছে । কিন্তু সেই সংঙ্গার মর্মার্থ উদ্ধার করা বেশ দুরূহ কাজ । বিজ্ঞান বলতে আমাদের মনে বিজ্ঞানের যে ‘চেহারা’ ভেসে ওঠে তার বাইরে ‘বিজ্ঞান কী?’ এই কঠিন আলোচনাকে সহজ করে আলোচনা করেছেন দার্শনিক দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিজ্ঞান কি ও কেন বইতে । দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বই এর লেখক হিসেবে দুই বাংলায় পরিচিত । দেবীপ্রসাদ বিজ্ঞানকে আমাদের পাঠ্য বইয়ের মতো করে কোন ধরা বাঁধা নিয়মে বেঁধে রাখেন নি । বরং বিজ্ঞান কী তা বোঝাতে গিয়ে তিনি সহজ করে নানা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন । তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে সত্য মিথ্যা নির্ণয় করতে হবে । কিভাবে কু:সংস্কার, ফালতু ঘটনা বাদ দিয়ে একটি ঘটনাকে যাচাই করে দেখতে হবে। তিনি বলছেন বিজ্ঞানে প্রশ্ন করতে কোন বাঁধা নেই । বিজ্ঞানের বইতে ‘নিষিদ্ধ’ বলতে কোন প্রশ্ন নেই । বিজ্ঞান নিয়ত প্রশ্ন, যুক্তি, অনুমান, অনুসন্ধান, পরীক্ষা, নিরীক্ষা ইত্যাদির ভিতর দিয়ে এগিয়ে যায় । বিজ্ঞান তার সবকিছু সত্য প্রমাণ করে বলেই বিজ্ঞানের জ্ঞান সর্বত্র সত্য এবং সত্য হতে বাধ্য । বিজ্ঞান প্রত্যেক ঘটনার পেছনের কারণ খোঁজে, প্রমাণ চায় ।এ বইতে তিনি বিজ্ঞানকে শুধু ল্যাবরেটরী ঘরে আটকে না রেখে একে নিয়ে এসেছেন আমাদের চেনা জগতের আঙ্গিনায় । বইটির ভাষা ও ছবি খুব আকর্ষণীয় । সেই সাথে দেবীপ্রসাদের তীক্ষ্ণ যুক্তি, যুতসই উদাহরণ বইটিকে সহজ পাঠ্য করে তুলছে । ১২ থেকে ৯০ যে কোন বয়সী পাঠকের কাছে বইটি প্রয়োজনীয় মনে হবে।
Romanized Version
আমাদের পাঠ্য বইয়ে ‘বিজ্ঞান কী’ তার সংঙ্গা দেয়া আছে । কিন্তু সেই সংঙ্গার মর্মার্থ উদ্ধার করা বেশ দুরূহ কাজ । বিজ্ঞান বলতে আমাদের মনে বিজ্ঞানের যে ‘চেহারা’ ভেসে ওঠে তার বাইরে ‘বিজ্ঞান কী?’ এই কঠিন আলোচনাকে সহজ করে আলোচনা করেছেন দার্শনিক দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিজ্ঞান কি ও কেন বইতে । দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বই এর লেখক হিসেবে দুই বাংলায় পরিচিত । দেবীপ্রসাদ বিজ্ঞানকে আমাদের পাঠ্য বইয়ের মতো করে কোন ধরা বাঁধা নিয়মে বেঁধে রাখেন নি । বরং বিজ্ঞান কী তা বোঝাতে গিয়ে তিনি সহজ করে নানা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন । তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে সত্য মিথ্যা নির্ণয় করতে হবে । কিভাবে কু:সংস্কার, ফালতু ঘটনা বাদ দিয়ে একটি ঘটনাকে যাচাই করে দেখতে হবে। তিনি বলছেন বিজ্ঞানে প্রশ্ন করতে কোন বাঁধা নেই । বিজ্ঞানের বইতে ‘নিষিদ্ধ’ বলতে কোন প্রশ্ন নেই । বিজ্ঞান নিয়ত প্রশ্ন, যুক্তি, অনুমান, অনুসন্ধান, পরীক্ষা, নিরীক্ষা ইত্যাদির ভিতর দিয়ে এগিয়ে যায় । বিজ্ঞান তার সবকিছু সত্য প্রমাণ করে বলেই বিজ্ঞানের জ্ঞান সর্বত্র সত্য এবং সত্য হতে বাধ্য । বিজ্ঞান প্রত্যেক ঘটনার পেছনের কারণ খোঁজে, প্রমাণ চায় ।এ বইতে তিনি বিজ্ঞানকে শুধু ল্যাবরেটরী ঘরে আটকে না রেখে একে নিয়ে এসেছেন আমাদের চেনা জগতের আঙ্গিনায় । বইটির ভাষা ও ছবি খুব আকর্ষণীয় । সেই সাথে দেবীপ্রসাদের তীক্ষ্ণ যুক্তি, যুতসই উদাহরণ বইটিকে সহজ পাঠ্য করে তুলছে । ১২ থেকে ৯০ যে কোন বয়সী পাঠকের কাছে বইটি প্রয়োজনীয় মনে হবে।Amader Pathya Baiye ‘bigyan Kio Taur Sangnga Dea Ache Kintu Sei Sangngar Marmartha Uddhar Kara Bash Duruh Kaj Bigyan Volte Amader Money Bigyaner Je ‘cheharao Bhese Othe Taur Baire ‘bigyan Key ’ AE Kathin Alochnake Suhaj Kare Alochana Karechhen Darshanik Debiprasad Chattopadhyay Tanr Bigyan Ki O Can Baite Debiprasad Chattopadhyay Janapriya Bigyaner By Aare Lekhak Hisebe Dui Banglay Parichit Debiprasad Bigyanake Amader Pathya Baiyer Mato Kare Koun Dhara Bandha Niamey Bendhe Rakhen Ni Wrong Bigyan Key Ta Bojhate Giye Tini Suhaj Kare Nana Udaharan Diye Bujhiyechhen Tini Dekhiyechhen Kibhabe SATHYA Mithya Nirnay Karate Habe Kibhabe Ku Sanskar Faltu Ghatana Baad Diye Ekati Ghatanake Jachai Kare Dekhte Habe Tini Balachhen Bigyane Prashna Karate Koun Bandha Nei Bigyaner Baite ‘nishiddho Volte Koun Prashna Nei Bigyan Niyat Prashna Jukti Anuman Anusandhan Pariksha Niriksha Ityadir Bhitar Diye Egiye Jay Bigyan Taur Sabakichhu SATHYA Praman Kare Balei Bigyaner Gyan Sarbatra SATHYA Evan SATHYA Hate Badhya Bigyan Pratyek Ghatanar Pechhner Karan Khonje Praman Say A Baite Tini Bigyanake Shudhu Laboratory Ghare Atake Na Rekhe Aka Niye Esechhen Amader Chaina Jagater Anginay Baitir Bhasha O Sbi Khub Akarshaniya Sei Sathe Debiprasader Tikshna Jukti Jutasai Udaharan Baitike Suhaj Pathya Kare Tulchhe 12 Theke 90 Je Koun Bayasi Pathker Kachhe Baiti Prayojniya Money Habe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan Ki O Can,What Is Science And Why?,


vokalandroid