বিখ্যাত ডাকাত এর সম্পর্কে বল? ...

মধুপুরের বিখ্যাত ডাকাত ইদ্রিস আলি কে খুন করা হয়েছিল সন্ধাবেলা । মাথার পেছনে প্রথমে শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করে অজ্ঞান করা হয় , তারপর গলায় রশি পেচিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া হয় মধুপুর বিখ্যাত ডাকাত মসজিদের পাশের আম গাছটায় । ফজরের ডাকাত নামাজ পড়তে এসে গ্রামের সব চেয়ে বৃদ্ধ লালু শেখ যখন আমগাছ তলায় কিছু একটা দেখে অজ্ঞান হয়ে যায় , খবরটা তখনও কেউ জানেনি । বোবা জামাল শীতে কাপতে কাপতে খেজুর গাছ থেকে রসের হাড়িটা নিয়ে যখন নামছিল , হঠাৎ করেই তার চোখ গেল আমগাছটার দিকে , আধহাত লম্বা জিহ্বা বের করে ইদ্রিস আলি তখন তার দিকেই চেয়ে আছে ।বোবা ডাকাত জ়ামালের হাত থেকে রসের হাড়িটা পড়ে গেল , গাছ থেকে এলোপাথাড়ি নামতে গিয়ে দুই পা কেটে গেল , সেখান থেকে দরদর করে রক্ত বেরুতে লাগল । গাছ থেকে নেমেই সে বিকট চিৎকার করতে করতে গ্রামের দিকে ছুটল । যে খবর সারারাতে কেউ জানেনি , পরবর্তী আধ ঘন্টায় গ্রামের সকল মানুষ তা জেনে গেল । বিখ্যাত বোবা ডাকাত জামাল তাদের মুখে কিছুই বলতে পারে নি, কিন্তু বারবার আমগাছ তলার দিকে আঙ্গুল উচিয়ে কিছু একটা দেখানোর চেষ্টা করছিল , লোকজন কিছু একটা আন্দাজ করে আমগাছতলায় এসে থমকে যায় । ইদ্রিস আলীর বের করা জিভে তখন মাছি ভন ভন করছে ,সারা মুখ কালো হয়ে আছে রক্তে , কোটর থেকে চোখটা যেন বের হয়ে আসতে চাচ্ছে । জীবিত ইদ্রিস আলীর সাথে এ মৃত ইদ্রিস আলীর কোনই মিল নেই । এ ভয়ংকর মৃত্যু অনেকেই সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে যায় আমগাছতলা থেকে । লাশের নিচে তখনো লালু শেখ পড়ে আছে , বিড়বিড় করে কিছু একটা বলার চেষ্টা করছে ।কেউ তাকে তুলতে যাচ্ছেনা , সবাই তাকিয়ে আছে লাশের দিকে , এ যেন এক মায়া ! কুহক ! । ক্রমে মানুষ ভীড় করতে লাগল এ আমগাছতলায় । যে আমগাছতলা এতকাল ছিল নিরব নির্জন , সকাল দশটার মাঝেই সে আমগাছতলা হয়ে গেল লোকে লোকারণ্য । দশটার কিছু পরে সাবইন্সপেকটর কাওসার আহমেদ গ্রামের চেয়ারম্যান জলিল হোসেনের বাড়িতে এসে হাক ছাড়ল, –জলিল সাব বাড়িতে আছেন নি? জলিল হোসেন তখন উঠোনে পিড়িতে বসে নাপিত দিয়ে চুল কাটাচ্ছিলেন । বিরক্ত স্বরে বললেন–আছি । কেডা? –আমি কাওসার ।–ও , সাবইন্সপেকটর সাব । আসেন ভিতরে আসেন ।কাওসার বাড়ির ভিতরে ঢুকেই চেয়্যারম্যানকে বলল,–তা , লাশের কি করবেন ,কিছু ঠিক করলেন ?–না , এহনো ঠিক করি নাই ।আপনে কি কন , কি করা যায় ?–আমি কই ,লাশ কবর দিয়া ফালান । এইটা নিয়া ঝামেলা করার ইচ্ছা করতাছেনা । –ঠিক আছে , ইস্নপেকটর সাব । তাই করতাছি। আপনে কিন্তু চা খাইয়া যাইয়েন ।সাবইন্সপেকটর কাওসার চা খেয়ে চলে গেলেন ।লাশটা তখনো গাছে ঝুলছে । কেউ লাশ নামাতে যাচ্ছে না । এ মৃত্যু স্বাভাবিক নয় । মানুষ সকল অস্বাভাবিকতাকে ভয় পায় । এটা মানুষের এক সহজাত ধর্ম । এখানে কোন অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা ঘটেনি , কিন্তু ইদ্রিস আলীর মৃত্যু সব অতিপ্রাকৃতিক ঘটনাকে ছাড়িয়ে গেছে । এখানে সবাই মৌন । কিছু একটা দেখার প্রতীক্ষায় তাকিয়ে আছে সবাই ।হঠাৎ মসজিদের ইমাম সিরাজ মিয়া কোথা হতে উদয় হয়ে চেচিয়ে উঠল , –ওই মিয়ারা লাশ কি গাছেই পচব নাকি ? আসেন , লাশ নামাইতে অইব ।বলেই সিরাজ মিয়া লুঙ্গি মালকোচা মেরে তরতরিয়ে গাছে উঠে গেল । লাশের নিচে দুইজন চট বিছিয়ে ধরল । সিরাজ মিয়া উপর থেকে রশি কেটে দিতেই ধপ করে লাশটা পড়ল চটে । তীব্র মানুষ পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল এলাকাজুড়ে । বিকেল হওয়ার আগেই, জানাজা না পড়িয়েই ইদ্রিস আলীকে পুঁতে ফেলা হল গ্রামের দক্ষিণ দিকের পোড়াবাড়ির পাশের জমিতে । অপঘাতে মরা লাশ । কি না কি হয়, এই ভয়ে গ্রামের সকল ছেলেবুড়োকে নিষেধ করা হল আগামী সাতদিন যাতে এদিকে কেউ না আসে । পরদিন সকালে লাল্টুদের মুদি দোকানে বসে সিরাজ মিয়া চা খেতে খেতে আচমকা বলে উঠল –ও লাল্টুর বাপ । কালকে রাইতে তো মনে হয় ইদ্রিসরে দেখলাম ।–কি কন ইমাম সাব! ইদ্রিসরে ? –হ, ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য ওজু করতাছিলাম । আন্ধাইর তহনো যায় নাই । হঠাৎ চোখ গেলগা আম গাছটার দিকে । আন্ধাইরে ঠিকমতো কিছু দেহা যায়না । তবুও ছায়ার মতো দেখলাম আমগাছতলায় আন্ধইরে কিছু একটা বইয়া আছে । আমি পাত্তা না দিয়া ওজু করতে লাগলাম । আন্ধাইরে কত কিছুই দেহা যায় । সবকিছুকে পাত্তা দিতে নাই । কিন্তু কিছুক্ষণ পরে হুনলাম ,খুবই অদ্ভুত স্বরে কেডা জানি কানতাছে । আর কান্নার শব্দটা আইতাছিল ওই আমগাছের তল থেইকা । তহন পাইলাম ভয় । তাড়াতাড়ি ওজু শেষ কইরা মারলাম দৌড় ।এ ঘটনা সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়তে বেশী দেরি হলনা । আমগাছতলাটা সকলের কাছে হয়ে গেল ভীতিকর এক জায়গা ।এর একমাস পর ফজরের নামাজ পড়তে এসে গ্রামের লোকজন, ইমাম সিরাজ মিয়াকে মসজিদে না পেয়ে খুজতে খুজতে যখন আমগাছতলায় আসল , তখন আমগাছের ডালে সিরাজ মিয়ার ফাসিতে ঝুলানো বিকৃত লাশটা দেখতে পায় ।
Romanized Version
মধুপুরের বিখ্যাত ডাকাত ইদ্রিস আলি কে খুন করা হয়েছিল সন্ধাবেলা । মাথার পেছনে প্রথমে শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করে অজ্ঞান করা হয় , তারপর গলায় রশি পেচিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া হয় মধুপুর বিখ্যাত ডাকাত মসজিদের পাশের আম গাছটায় । ফজরের ডাকাত নামাজ পড়তে এসে গ্রামের সব চেয়ে বৃদ্ধ লালু শেখ যখন আমগাছ তলায় কিছু একটা দেখে অজ্ঞান হয়ে যায় , খবরটা তখনও কেউ জানেনি । বোবা জামাল শীতে কাপতে কাপতে খেজুর গাছ থেকে রসের হাড়িটা নিয়ে যখন নামছিল , হঠাৎ করেই তার চোখ গেল আমগাছটার দিকে , আধহাত লম্বা জিহ্বা বের করে ইদ্রিস আলি তখন তার দিকেই চেয়ে আছে ।বোবা ডাকাত জ়ামালের হাত থেকে রসের হাড়িটা পড়ে গেল , গাছ থেকে এলোপাথাড়ি নামতে গিয়ে দুই পা কেটে গেল , সেখান থেকে দরদর করে রক্ত বেরুতে লাগল । গাছ থেকে নেমেই সে বিকট চিৎকার করতে করতে গ্রামের দিকে ছুটল । যে খবর সারারাতে কেউ জানেনি , পরবর্তী আধ ঘন্টায় গ্রামের সকল মানুষ তা জেনে গেল । বিখ্যাত বোবা ডাকাত জামাল তাদের মুখে কিছুই বলতে পারে নি, কিন্তু বারবার আমগাছ তলার দিকে আঙ্গুল উচিয়ে কিছু একটা দেখানোর চেষ্টা করছিল , লোকজন কিছু একটা আন্দাজ করে আমগাছতলায় এসে থমকে যায় । ইদ্রিস আলীর বের করা জিভে তখন মাছি ভন ভন করছে ,সারা মুখ কালো হয়ে আছে রক্তে , কোটর থেকে চোখটা যেন বের হয়ে আসতে চাচ্ছে । জীবিত ইদ্রিস আলীর সাথে এ মৃত ইদ্রিস আলীর কোনই মিল নেই । এ ভয়ংকর মৃত্যু অনেকেই সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে যায় আমগাছতলা থেকে । লাশের নিচে তখনো লালু শেখ পড়ে আছে , বিড়বিড় করে কিছু একটা বলার চেষ্টা করছে ।কেউ তাকে তুলতে যাচ্ছেনা , সবাই তাকিয়ে আছে লাশের দিকে , এ যেন এক মায়া ! কুহক ! । ক্রমে মানুষ ভীড় করতে লাগল এ আমগাছতলায় । যে আমগাছতলা এতকাল ছিল নিরব নির্জন , সকাল দশটার মাঝেই সে আমগাছতলা হয়ে গেল লোকে লোকারণ্য । দশটার কিছু পরে সাবইন্সপেকটর কাওসার আহমেদ গ্রামের চেয়ারম্যান জলিল হোসেনের বাড়িতে এসে হাক ছাড়ল, –জলিল সাব বাড়িতে আছেন নি? জলিল হোসেন তখন উঠোনে পিড়িতে বসে নাপিত দিয়ে চুল কাটাচ্ছিলেন । বিরক্ত স্বরে বললেন–আছি । কেডা? –আমি কাওসার ।–ও , সাবইন্সপেকটর সাব । আসেন ভিতরে আসেন ।কাওসার বাড়ির ভিতরে ঢুকেই চেয়্যারম্যানকে বলল,–তা , লাশের কি করবেন ,কিছু ঠিক করলেন ?–না , এহনো ঠিক করি নাই ।আপনে কি কন , কি করা যায় ?–আমি কই ,লাশ কবর দিয়া ফালান । এইটা নিয়া ঝামেলা করার ইচ্ছা করতাছেনা । –ঠিক আছে , ইস্নপেকটর সাব । তাই করতাছি। আপনে কিন্তু চা খাইয়া যাইয়েন ।সাবইন্সপেকটর কাওসার চা খেয়ে চলে গেলেন ।লাশটা তখনো গাছে ঝুলছে । কেউ লাশ নামাতে যাচ্ছে না । এ মৃত্যু স্বাভাবিক নয় । মানুষ সকল অস্বাভাবিকতাকে ভয় পায় । এটা মানুষের এক সহজাত ধর্ম । এখানে কোন অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা ঘটেনি , কিন্তু ইদ্রিস আলীর মৃত্যু সব অতিপ্রাকৃতিক ঘটনাকে ছাড়িয়ে গেছে । এখানে সবাই মৌন । কিছু একটা দেখার প্রতীক্ষায় তাকিয়ে আছে সবাই ।হঠাৎ মসজিদের ইমাম সিরাজ মিয়া কোথা হতে উদয় হয়ে চেচিয়ে উঠল , –ওই মিয়ারা লাশ কি গাছেই পচব নাকি ? আসেন , লাশ নামাইতে অইব ।বলেই সিরাজ মিয়া লুঙ্গি মালকোচা মেরে তরতরিয়ে গাছে উঠে গেল । লাশের নিচে দুইজন চট বিছিয়ে ধরল । সিরাজ মিয়া উপর থেকে রশি কেটে দিতেই ধপ করে লাশটা পড়ল চটে । তীব্র মানুষ পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল এলাকাজুড়ে । বিকেল হওয়ার আগেই, জানাজা না পড়িয়েই ইদ্রিস আলীকে পুঁতে ফেলা হল গ্রামের দক্ষিণ দিকের পোড়াবাড়ির পাশের জমিতে । অপঘাতে মরা লাশ । কি না কি হয়, এই ভয়ে গ্রামের সকল ছেলেবুড়োকে নিষেধ করা হল আগামী সাতদিন যাতে এদিকে কেউ না আসে । পরদিন সকালে লাল্টুদের মুদি দোকানে বসে সিরাজ মিয়া চা খেতে খেতে আচমকা বলে উঠল –ও লাল্টুর বাপ । কালকে রাইতে তো মনে হয় ইদ্রিসরে দেখলাম ।–কি কন ইমাম সাব! ইদ্রিসরে ? –হ, ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য ওজু করতাছিলাম । আন্ধাইর তহনো যায় নাই । হঠাৎ চোখ গেলগা আম গাছটার দিকে । আন্ধাইরে ঠিকমতো কিছু দেহা যায়না । তবুও ছায়ার মতো দেখলাম আমগাছতলায় আন্ধইরে কিছু একটা বইয়া আছে । আমি পাত্তা না দিয়া ওজু করতে লাগলাম । আন্ধাইরে কত কিছুই দেহা যায় । সবকিছুকে পাত্তা দিতে নাই । কিন্তু কিছুক্ষণ পরে হুনলাম ,খুবই অদ্ভুত স্বরে কেডা জানি কানতাছে । আর কান্নার শব্দটা আইতাছিল ওই আমগাছের তল থেইকা । তহন পাইলাম ভয় । তাড়াতাড়ি ওজু শেষ কইরা মারলাম দৌড় ।এ ঘটনা সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়তে বেশী দেরি হলনা । আমগাছতলাটা সকলের কাছে হয়ে গেল ভীতিকর এক জায়গা ।এর একমাস পর ফজরের নামাজ পড়তে এসে গ্রামের লোকজন, ইমাম সিরাজ মিয়াকে মসজিদে না পেয়ে খুজতে খুজতে যখন আমগাছতলায় আসল , তখন আমগাছের ডালে সিরাজ মিয়ার ফাসিতে ঝুলানো বিকৃত লাশটা দেখতে পায় ।Madhupurer Bikhyat Dakat Idris Ali K Khoon Kara Hayechhil Sandhabela Mathar Pechhne Prathame Shakta Kichhu Diye Aghat Kare Agyan Kara Hya , Tarapar Galay Rashi Pechiye Jhuliye Dea Hya Madhupur Bikhyat Dakat Masajider Pasher Am Gachhtay Fajarer Dakat Namaj Parate Ese Gramer Sab Cheye Briddha Lalu Shekh Jakhan Amagachh Talay Kichhu Ekata Dekhe Agyan Huye Jay , Khabarata Takhanao Keu Janeni Boba Jamal Shite Kapte Kapte Khejur Gachh Theke Raser Harita Niye Jakhan Namchhil , Hathat Karei Taur Chokh Gel Amagachhtar Dike , Adhahat Lamba Jihba Ber Kare Idris Ali Takhan Taur Dikei Cheye Ache Boba Dakat J়amaler Haut Theke Raser Harita Pare Gel , Gachh Theke Elopathari Namte Giye Dui PA Kete Gel , Sekhan Theke Daradar Kare Rakta Berute Lagal Gachh Theke Nemei Say Bikat Chitkar Karate Karate Gramer Dike Chhutal Je Khabar Sararate Keu Janeni , Parabarti Adh Ghantay Gramer Sakal Manus Ta Jene Gel Bikhyat Boba Dakat Jamal Tader Mukhe Kichhui Volte Pare Ni Kintu Barbar Amagachh Talar Dike Angul Uchiye Kichhu Ekata Dekhanor Cheshta Karachhil , Lokajan Kichhu Ekata Andaz Kare Amagachhatalay Ese Thamake Jay Idris Alir Ber Kara Jive Takhan Machhi Bhan Bhan Karachhe Sara Mukha Kalo Huye Ache Rakte , Kotar Theke Chokhta Jen Ber Huye Asate Chachchhe Jibit Idris Alir Sathe A Mrit Idris Alir Kony Mill Nei A Bhayankar Mrityu Anekei Sahya Karate Na Pere Paliye Jay Amagachhatala Theke Lasher Niche Takhano Lalu Shekh Pare Ache , Birbir Kare Kichhu Ekata Balar Cheshta Karachhe Keu Take Tulte Jachchhena , Sabai Takiye Ache Lasher Dike , A Jen Ec Maya ! Kuhak ! Krame Manus Veera Karate Lagal A Amagachhatalay Je Amagachhatala Etakal Chhil Nirab Nirjan , Sakal Dashatar Majhei Say Amagachhatala Huye Gel Luke Lokaranya Dashatar Kichhu Pare Sabainsapekatar Kaosar Ahmeda Gramer Cheyaramyan Jalil Hosener Barite Ese Hak Chadala –jalil Sub Barite Achhen Ni Jalil Hossain Takhan Uthone Pirite Base Napit Diye Chul Katachchhilen Birakta Sware Balalen–achhi Keda –ami Kaosar –O , Sabainsapekatar Sub Asen Bhitre Asen Kaosar Barir Bhitre Dhukei Cheyyaramyanake Balal –ta , Lasher Ki Karaben Kichhu Thik Karalen –na , Ehano Thik Kari Nai Apane Ki Con , Ki Kara Jay –ami Kai Lush Kabar Dia Falan Eita Nia Jhamela Karar Ichchha Karatachhena –thik Ache , Isnapekatar Sub Tai Karatachhi Apane Kintu Chau Khaiya Jaiyen Sabainsapekatar Kaosar Chau Kheye Chale Gelen Lashta Takhano Gachhe Jhulchhe Keu Lush Namate Jachchhe Na A Mrityu Swabhabik Noy Manus Sakal Aswabhabiktake Vy Pay Etah Manusher Ec Sahajat Dharm Ekhane Koun Atiprakritik Ghatana Ghateni , Kintu Idris Alir Mrityu Sab Atiprakritik Ghatanake Chhariye Gechhe Ekhane Sabai Mouna Kichhu Ekata Dekhar Pratikshay Takiye Ache Sabai Hathat Masajider Imam Siraj Mia Kotha Hate Uday Huye Chechiye Uthal –OE Miyara Lush Ki Gachhei Pachab Naki ? Asen , Lush Namaite Aib Balei Siraj Mia Lungi Malkocha Mere Taratariye Gachhe Uthe Gel Lasher Niche Doesn Shot Bichhiye Dhrol Siraj Mia Upar Theke Rashi Kete Ditei Dhap Kare Lashta Paral Chate Tibra Manus Pacha Durgandha Chhariye Paral Elakajure Bikel Hwar Agei Janaja Na Pariyei Idris Alike Punte Fela Hall Gramer Dakhin Diker Porabarir Pasher Jamite Apaghate Mara Lush Ki Na Ki Hya AE Vue Gramer Sakal Chheleburoke Nishedh Kara Hall Agami Satdin Jate Edike Keu Na Ase Paradin Sakale Laltuder Maude Dokane Base Siraj Mia Chau Khete Khete Achamaka Ble Uthal –O Laltur Baap Kalke Raite Toh Money Hya Idrisare Dekhlam –ki Con Imam Sub Idrisare –h Fajarer Namaj Paranor Janya Oju Karatachhilam Andhair Tahano Jay Nai Hathat Chokh Gelga Am Gachhtar Dike Andhaire Thikamato Kichhu Deha Jayna Tabuo Chhayar Mato Dekhlam Amagachhatalay Andhaire Kichhu Ekata Baiya Ache Aami Patta Na Dia Oju Karate Laglam Andhaire Kat Kichhui Deha Jay Sabakichhuke Patta Dite Nai Kintu Kichhukshan Pare Hunlam Khubai Adbhut Sware Keda JANI Kantachhe Are Kannar Shabdata Aitachhil We Amagachher Tul Theika Tahan Pailam Vy Taratari Oju Sesh Kaira Marlam Daud A Ghatana Sara Grame Chhariye Parate Beshi Deri Halana Amagachhatalata Sakaler Kachhe Huye Gel Bhitikar Ec Jayga Aare Ekamas Par Fajarer Namaj Parate Ese Gramer Lokajan Imam Siraj Miyake Masajide Na Peye Khujte Khujte Jakhan Amagachhatalay Asal , Takhan Amagachher Dale Siraj Miyar Fasite Jhulano Bikrit Lashta Dekhte Pay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


এক বিখ্যাত ডাকাত ,সেই সময় আমার নানা বাড়িতে একসাথে ছয়টি মাটির ঘর নির্মানের কাজ চলছিল । একদিন আমার নানা দেখলেন যে, বাড়ির দূরে দাঁড়িয়ে এক লোক নির্মানাধীন ঘর নির্মান দেখছেন । নানা তখন হেঁটে ঐ লোকের কাছে গিয়ে দেখলেন যে, ঐ লোকটি আসলে বিখ্যাত ঐ ডাকাত । নানা তখন অনেকটা ভয়ই পেলেন । কিন্ত নানা তা ঐ ডাকাতকে বুঝতে না দিয়ে সাহস করে, সালাম দিয়ে ঐ ডাকাতকে বললেন চাচা, "এতোগুলি ঘর একসাথে নির্মান করা দেখে আবার আপনি মনে কইরেন যে, আমাদের অনেক টাকা পয়সা আছে ।" নানার এই কথা শুনে ডাকাত হেসে দিয়ে বললেন যে, আমারে কি তুই সেই রকম ডাকাত মনে করছ যে, তোর বাড়িতে ডাকাতি করব ? এই কথা বলে ডাকাত আমার নানাকে বলল যে, শোন তবে আমি কেমন ডাকাত,এই কথা বলে তিনি তার জীবনের এক বাস্তব ডাকাতির ঘটনার বর্ননা করতে লাগলেন যে, "আমি একবার এক কাপড়ের বেচাকেনার সাপ্তাহিক হাটে গেলাম ডাকাতির উদ্দেশ্যে । হাটে গিয়ে এক বড় কাপড় ব্যবসায়ীকে টার্গেট করে, সারাদিন তাকে ফলো করা শুরু করলাম । সারাদিন কাপড় বিক্রি করে সন্ধায় ঐ ব্যবসায়ী কাপড় বিক্রির সব টাকা নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিল । আমিও তার পিছু নিলাম । ঐ ব্যবসায়ী বাসে চড়ে বসল । আমিও তার পাসের সিটে গিয়ে বসলাম । বাস চলতে শুরু করল । বাস চলাকালীন সময়ে আমি তার সমস্ত টাকা হাতিয়ে নিলাম । কিছুক্ষন পর বাসের কন্ট্রাকটার আসল ভাড়া নেওয়ার জন্য । ঐ ব্যবসায়ী ভাড়া দেয়ার জন্য টাকার থলিতে হাত দিয়ে দেখে যে, তার থলেতে কোন টাকা নেই । এই অবস্থায় ঐ ব্যবসায়ী বেহুস হয়ে পড়ে । তখন আমি ঐ ব্যবসায়ীর মাথায় পানি ঢেলে তাকে সুস্থ করে তুললাম । আমি আমার পকেট থেকে টাকা বের করে ঐ ব্যবসায়ীর জন্য ও আমার জন্য দুটি বাসের টিকিট কিনলাম । তারপর ঐ ব্যবসায়ীকে আমি নিজে সাথে করে তার বাড়ি নিয়ে গেলাম । বাড়ি পৌছে আবার ঐ ব্যবসায়ীকে কিছু টাকা দিলাম বাজার করার জন্যে । ঐ টাকা দিয়ে বাজার করে এনে ঐ ব্যবসায়ীর স্ত্রী রান্না করে আমাকে খাওয়ালেন এবং তাদের পুরা পরিবার আমার জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে প্রান ভরে দোয়াও করলেন, আমার এইরুপ ভালোমানুষীর রুপ দেখে ।" এই হলো আমার ডাকাতি করার নমুনা অর্থ্যাৎ আমি ডাকাতিও করি আবার মানুষের দোয়াও নেই । এই কথা বলে ঐ ডাকাত আমার নানাকে অভয় দিয়ে চলে গেল । টেলিভিশনের খবরে যখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অগ্নিদগ্ধ গীতা সেনকে বলছিলেন যে, চিকিৎসায় যা খরচ লাগবে, আমরা ব্যবস্থা করব । তখন আমার মা এই গল্পটি শুনিয়ে বলল যে, "গন্ডগোল লাগাইয়া মানুষ পোড়ানোর ব্যবস্থা করল প্রধানমন্ত্রী, আবার আহতদের চিকিৎসার খরচ দিয়া তাদেরই দোয়া ও সহানুভূতি নিতে চায় প্রধানমন্ত্রী ।"
Romanized Version
এক বিখ্যাত ডাকাত ,সেই সময় আমার নানা বাড়িতে একসাথে ছয়টি মাটির ঘর নির্মানের কাজ চলছিল । একদিন আমার নানা দেখলেন যে, বাড়ির দূরে দাঁড়িয়ে এক লোক নির্মানাধীন ঘর নির্মান দেখছেন । নানা তখন হেঁটে ঐ লোকের কাছে গিয়ে দেখলেন যে, ঐ লোকটি আসলে বিখ্যাত ঐ ডাকাত । নানা তখন অনেকটা ভয়ই পেলেন । কিন্ত নানা তা ঐ ডাকাতকে বুঝতে না দিয়ে সাহস করে, সালাম দিয়ে ঐ ডাকাতকে বললেন চাচা, "এতোগুলি ঘর একসাথে নির্মান করা দেখে আবার আপনি মনে কইরেন যে, আমাদের অনেক টাকা পয়সা আছে ।" নানার এই কথা শুনে ডাকাত হেসে দিয়ে বললেন যে, আমারে কি তুই সেই রকম ডাকাত মনে করছ যে, তোর বাড়িতে ডাকাতি করব ? এই কথা বলে ডাকাত আমার নানাকে বলল যে, শোন তবে আমি কেমন ডাকাত,এই কথা বলে তিনি তার জীবনের এক বাস্তব ডাকাতির ঘটনার বর্ননা করতে লাগলেন যে, "আমি একবার এক কাপড়ের বেচাকেনার সাপ্তাহিক হাটে গেলাম ডাকাতির উদ্দেশ্যে । হাটে গিয়ে এক বড় কাপড় ব্যবসায়ীকে টার্গেট করে, সারাদিন তাকে ফলো করা শুরু করলাম । সারাদিন কাপড় বিক্রি করে সন্ধায় ঐ ব্যবসায়ী কাপড় বিক্রির সব টাকা নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিল । আমিও তার পিছু নিলাম । ঐ ব্যবসায়ী বাসে চড়ে বসল । আমিও তার পাসের সিটে গিয়ে বসলাম । বাস চলতে শুরু করল । বাস চলাকালীন সময়ে আমি তার সমস্ত টাকা হাতিয়ে নিলাম । কিছুক্ষন পর বাসের কন্ট্রাকটার আসল ভাড়া নেওয়ার জন্য । ঐ ব্যবসায়ী ভাড়া দেয়ার জন্য টাকার থলিতে হাত দিয়ে দেখে যে, তার থলেতে কোন টাকা নেই । এই অবস্থায় ঐ ব্যবসায়ী বেহুস হয়ে পড়ে । তখন আমি ঐ ব্যবসায়ীর মাথায় পানি ঢেলে তাকে সুস্থ করে তুললাম । আমি আমার পকেট থেকে টাকা বের করে ঐ ব্যবসায়ীর জন্য ও আমার জন্য দুটি বাসের টিকিট কিনলাম । তারপর ঐ ব্যবসায়ীকে আমি নিজে সাথে করে তার বাড়ি নিয়ে গেলাম । বাড়ি পৌছে আবার ঐ ব্যবসায়ীকে কিছু টাকা দিলাম বাজার করার জন্যে । ঐ টাকা দিয়ে বাজার করে এনে ঐ ব্যবসায়ীর স্ত্রী রান্না করে আমাকে খাওয়ালেন এবং তাদের পুরা পরিবার আমার জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে প্রান ভরে দোয়াও করলেন, আমার এইরুপ ভালোমানুষীর রুপ দেখে ।" এই হলো আমার ডাকাতি করার নমুনা অর্থ্যাৎ আমি ডাকাতিও করি আবার মানুষের দোয়াও নেই । এই কথা বলে ঐ ডাকাত আমার নানাকে অভয় দিয়ে চলে গেল । টেলিভিশনের খবরে যখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অগ্নিদগ্ধ গীতা সেনকে বলছিলেন যে, চিকিৎসায় যা খরচ লাগবে, আমরা ব্যবস্থা করব । তখন আমার মা এই গল্পটি শুনিয়ে বলল যে, "গন্ডগোল লাগাইয়া মানুষ পোড়ানোর ব্যবস্থা করল প্রধানমন্ত্রী, আবার আহতদের চিকিৎসার খরচ দিয়া তাদেরই দোয়া ও সহানুভূতি নিতে চায় প্রধানমন্ত্রী ।"Ec Bikhyat Dakat Sei Camay Amar Nana Barite Ekasathe Chhayati Matir Ghar Nirmaner Kaj Chalachhil Ekadin Amar Nana Dekhlen Je Barir Dure Danriye Ec Loka Nirmanadhin Ghar Nirman Dekhchhen Nana Takhan Hente Ae Loker Kachhe Giye Dekhlen Je Ae Lokti Ashley Bikhyat Ae Dakat Nana Takhan Anekata Bhayai Pelen Kinta Nana Ta Ae Dakatake Bujhte Na Diye Sahas Kare Salaam Diye Ae Dakatake Balalen Chacha Etoguli Ghar Ekasathe Nirman Kara Dekhe Abar Apni Money Kairen Je Amader Anek Taka Payasa Ache Nanar AE Katha Shune Dakat Hese Diye Balalen Je Amare Ki Tui Sei Rakam Dakat Money Karachh Je Tor Barite Dakati Karab ? AE Katha Ble Dakat Amar Nanake Balal Je Shown Tove Aami Keymon Dakat AE Katha Ble Tini Taur Jibner Ec Bastab Dakatir Ghatanar BARNANA Karate Laglen Je Aami Ekabar Ec Kaprer Bechakenar Saptahik Hate Gelam Dakatir Uddeshye Hate Giye Ec Bar Kapar Byabasayike Target Kare Saradin Take Falo Kara Shuru Karalam Saradin Kapar Bikri Kare Sandhay Ae Byabasayi Kapar Bikrir Sab Taka Niye Barir Uddeshye Rwana Dil Amio Taur Pichhu Nilam Ae Byabasayi Bace Chare Wasol Amio Taur Paser Site Giye Basalam Bass Chalate Shuru Karal Bass Chalakalin Some Aami Taur Samasta Taka Hatiye Nilam Kichhukshan Par Baser Kantrakatar Asal Bhara Newar Janya Ae Byabasayi Bhara Their Janya Takar Thalite Haut Diye Dekhe Je Taur Thalete Koun Taka Nei AE Abasthay Ae Byabasayi Behus Huye Pare Takhan Aami Ae Byabasayir Mathay Pani Dhele Take Sustha Kare Tullam Aami Amar Pocket Theke Taka Ber Kare Ae Byabasayir Janya O Amar Janya Duti Baser Tikit Kinlam Tarapar Ae Byabasayike Aami Nije Sathe Kare Taur Bari Niye Gelam Bari Pauchhe Abar Ae Byabasayike Kichhu Taka Dilam Bazaar Karar Janye Ae Taka Diye Bazaar Kare Ene Ae Byabasayir Stri Ranna Kare Amake Khawalen Evan Tader Pura Paribar Amar Janya Allahar Darabare Haut Tule Pran Bhare Dwao Karalen Amar Eirup Bhalomanushir Rup Dekhe AE Holo Amar Dakati Karar Namuna Arthyat Aami Dakatio Kari Abar Manusher Dwao Nei AE Katha Ble Ae Dakat Amar Nanake Abhay Diye Chale Gel Telibhishner Khabare Jakhan Amader Manniya Pradhanamantri Agnidagdha Geetha Senke Balachhilen Je Chikitsay Ja Kharach Lagbe Amara Byabastha Karab Takhan Amar MA AE Galpati Shuniye Balal Je Gandagol Lagaiya Manus Poranor Byabastha Karal Pradhanamantri Abar Ahatader Chikitsar Kharach Dia Taderai Dwa O Sahanubhuti Nite Say Pradhanamantri
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bikhyat Dakat Aare Samparke Ball,About The Famous Robber?,


vokalandroid