বিজ্ঞান এর অগ্রগতি কবে শুরু হয়? ...

বিজ্ঞান এর অগ্রগতি মাঝে মাঝে মনে হয় এই যে বিজ্ঞান এতদূর এগিয়ে গেছে এর কোন কি মানে হয়? গত এক শত বছরে মানুষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে খুব ভয়ংকর রকমের দ্রুততার সাথে সামনে নিয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় এত দ্রুত পরিবর্তনের পিছনে মূলত দুই-দুইটি বিশ্বযুদ্ধ প্রভাবে ফেলেছে। বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাবে আমরা শহর, বন্দর ও জনপথই যে হারিয়েছি তা নয়, সেই সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভয়ংকর রকমের অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন জাতিদের মধ্যে প্রতিযোগীতার কারণেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর বিকাশ হচ্ছে। এই প্রতিযোগীতা কিন্তু এখনও থেমে থাকেনি। প্রতিটি দেশই চেষ্টা করছে সামনের প্রযুক্তিগত যুদ্ধে যেন তারা পিছিয়ে না পরে। এখন শুধু মাত্র বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও কল্যানের জন্যই বিজ্ঞানীরা কাজ করেনা। বিজ্ঞানীরা তার বিষয়ে কাজ করে, অগ্রগামী থেকে, পেটেন্ট তুলে সেটিকে ব্যবসাতে কিভাবে রূপান্তর করা যায় সেই দিকেই মনযোগ বেশী। বিজ্ঞানেই এই বিশাল অগ্রগতী দেখে মাঝে মাঝে আমার খুব ভয় হয়, আমরা মনে হয় সেই ফ্রাঙ্কেস্টাইনের মত কিছু তৈরী করে ফেলছি নইতো। আমার যে বিষয়ে কাজ করে, ন্যানোপ্রযুক্তির কথাই ধরুন। আমরা ন্যানোপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন জিনিসপত্র তৈরী করছি যে, যার গুনাগুন আমরা নিজেরাই জানিনা। কিন্তু সেই সব জিনিসপত্রগুলি বাণিজ্যিক-করণ হচ্ছে। সেদিনে দেখি শ্যাম্পু এর বিজ্ঞাপন হচ্ছে, ন্যানোকণা বা Nano Particles ব্যবহার করে। ভঙংকর হল, এই ন্যানোকণা যে আসলেই নিরাপদ কিনা তা আমরা নিজেরাই জানিনা। ন্যানোকনাগুলি এতই ছোট আকারের যে তা ত্বক কে ভেদ করে আরো শরীরের অনেক গভীর ঢুকে যেতে পারে। এমন কি আমাদের কিডনি যা রক্তকে বিশুদ্ধ করার জন্য কাজ করে, সেটিও ন্যানোকণাকে ফিল্টার বা পরিষ্কার করে শরীর থেকে বের করে ফেলতে পারেন। আমরা রসায়ন ব্যবহার করে নিত্যনতুন অনেক পণ্য তৈরী করছি, কিন্তু সেই সব পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা অনেকেই জানিনা। হয়তো সেগুলিকে নিয়ে বছর খানেক গবেষনা হয়েছে। তারপরেই মোটামুটি নিরাপদ ফলাফল পাওয়া গেছে। কিন্তু অনেক বিষাক্ত কণা রয়েছে যা বেশ কয়েকবছর ঘুমন্ত থাকতে পারে এবং তারপরেই তার আসল রূপ ধারণ করতে পারে। আমরা অনেক সময়ই নিজেদের অজান্তে সেগুলি ব্যবহার করছি। আমরা গরম পাণীয় খাবার জন্য যে সমস্ত প্লাস্টিকের কাপ ব্যবহার করি, সেগুলি কথাই ধরা যাক। গরম পানির প্রচন্ড তাপে সেই প্লাস্টিকগুলি গলে পাণীয় এর সাথে মিশে যাচ্ছে এবং সেইগুলি আমরা খাচ্ছি। আমরা নিজেদের শরীরে এই সমস্ত অজানা রাসয়নিক কণা ঢুকাচ্ছি। জাপানে এই ধরনের অজানা কণাগুলিকে Environmental Hormon নাম দিয়েছিল এবং এগুলির ব্যবহার বন্ধের জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। সমস্যা হল এই সমস্ত পণ্য যারা তৈরী করছে ও বিপনন করছে, তারা বলছে তারা যথেষ্ট গবেষনা করেই এই পণ্যগুলি বিপনন করছে। আর গরণ পানীয় এর সাথে কণা যাবার কথা আন্দোলনকারীরা তুলছে, সেই ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানগুলি বলছে, তা এত কম মাত্রার যে আমরা সেগুরি Ignore করতে পারি। তবে বিপদের কথা হল বছরের পর বছরে সেই সমস্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করলে তার যে কিরকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে তা কিন্তু গবেষনা করতে দিচ্ছে না।
Romanized Version
বিজ্ঞান এর অগ্রগতি মাঝে মাঝে মনে হয় এই যে বিজ্ঞান এতদূর এগিয়ে গেছে এর কোন কি মানে হয়? গত এক শত বছরে মানুষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে খুব ভয়ংকর রকমের দ্রুততার সাথে সামনে নিয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় এত দ্রুত পরিবর্তনের পিছনে মূলত দুই-দুইটি বিশ্বযুদ্ধ প্রভাবে ফেলেছে। বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাবে আমরা শহর, বন্দর ও জনপথই যে হারিয়েছি তা নয়, সেই সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভয়ংকর রকমের অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন জাতিদের মধ্যে প্রতিযোগীতার কারণেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর বিকাশ হচ্ছে। এই প্রতিযোগীতা কিন্তু এখনও থেমে থাকেনি। প্রতিটি দেশই চেষ্টা করছে সামনের প্রযুক্তিগত যুদ্ধে যেন তারা পিছিয়ে না পরে। এখন শুধু মাত্র বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও কল্যানের জন্যই বিজ্ঞানীরা কাজ করেনা। বিজ্ঞানীরা তার বিষয়ে কাজ করে, অগ্রগামী থেকে, পেটেন্ট তুলে সেটিকে ব্যবসাতে কিভাবে রূপান্তর করা যায় সেই দিকেই মনযোগ বেশী। বিজ্ঞানেই এই বিশাল অগ্রগতী দেখে মাঝে মাঝে আমার খুব ভয় হয়, আমরা মনে হয় সেই ফ্রাঙ্কেস্টাইনের মত কিছু তৈরী করে ফেলছি নইতো। আমার যে বিষয়ে কাজ করে, ন্যানোপ্রযুক্তির কথাই ধরুন। আমরা ন্যানোপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন জিনিসপত্র তৈরী করছি যে, যার গুনাগুন আমরা নিজেরাই জানিনা। কিন্তু সেই সব জিনিসপত্রগুলি বাণিজ্যিক-করণ হচ্ছে। সেদিনে দেখি শ্যাম্পু এর বিজ্ঞাপন হচ্ছে, ন্যানোকণা বা Nano Particles ব্যবহার করে। ভঙংকর হল, এই ন্যানোকণা যে আসলেই নিরাপদ কিনা তা আমরা নিজেরাই জানিনা। ন্যানোকনাগুলি এতই ছোট আকারের যে তা ত্বক কে ভেদ করে আরো শরীরের অনেক গভীর ঢুকে যেতে পারে। এমন কি আমাদের কিডনি যা রক্তকে বিশুদ্ধ করার জন্য কাজ করে, সেটিও ন্যানোকণাকে ফিল্টার বা পরিষ্কার করে শরীর থেকে বের করে ফেলতে পারেন। আমরা রসায়ন ব্যবহার করে নিত্যনতুন অনেক পণ্য তৈরী করছি, কিন্তু সেই সব পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা অনেকেই জানিনা। হয়তো সেগুলিকে নিয়ে বছর খানেক গবেষনা হয়েছে। তারপরেই মোটামুটি নিরাপদ ফলাফল পাওয়া গেছে। কিন্তু অনেক বিষাক্ত কণা রয়েছে যা বেশ কয়েকবছর ঘুমন্ত থাকতে পারে এবং তারপরেই তার আসল রূপ ধারণ করতে পারে। আমরা অনেক সময়ই নিজেদের অজান্তে সেগুলি ব্যবহার করছি। আমরা গরম পাণীয় খাবার জন্য যে সমস্ত প্লাস্টিকের কাপ ব্যবহার করি, সেগুলি কথাই ধরা যাক। গরম পানির প্রচন্ড তাপে সেই প্লাস্টিকগুলি গলে পাণীয় এর সাথে মিশে যাচ্ছে এবং সেইগুলি আমরা খাচ্ছি। আমরা নিজেদের শরীরে এই সমস্ত অজানা রাসয়নিক কণা ঢুকাচ্ছি। জাপানে এই ধরনের অজানা কণাগুলিকে Environmental Hormon নাম দিয়েছিল এবং এগুলির ব্যবহার বন্ধের জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। সমস্যা হল এই সমস্ত পণ্য যারা তৈরী করছে ও বিপনন করছে, তারা বলছে তারা যথেষ্ট গবেষনা করেই এই পণ্যগুলি বিপনন করছে। আর গরণ পানীয় এর সাথে কণা যাবার কথা আন্দোলনকারীরা তুলছে, সেই ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানগুলি বলছে, তা এত কম মাত্রার যে আমরা সেগুরি Ignore করতে পারি। তবে বিপদের কথা হল বছরের পর বছরে সেই সমস্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করলে তার যে কিরকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে তা কিন্তু গবেষনা করতে দিচ্ছে না। Bigyan Aare Agragati Majhe Majhe Money Hay AE Je Bigyan Etadur Egiye Gechhe Aare Koun Ki Mane Hay Gata Ec Shat Bachhare Manus Bigyan O Prajuktike Khub Bhayankar Rakamer Drutatar Sathe Samne Niye Giyechhe Amar Money Hay Et Drut Paribartaner Pichhne Mulat Dui Duiti Bishwajuddha Prabhabe Felechhe Bishwajuddher Xatikar Prabhabe Amara Sahor Bandar O Janapathai Je Hariyechhi Ta Nay Sei Sathe Bigyan O Prajukti Bhayankar Rakamer Agragati Hayechhe Bibhinna Jatider Madhye Pratijogitar Karnei Bigyan O Prajukti Aare Vikas Hachchhe AE Pratijogita Kintu Ekhanao Theme Thakeni Pratiti Deshai Cheshta Karachhe Samner Prajuktigat Juddhe Jen Tara Pichhiye Na Pare Ekhan Shudhu Maatr Bigyaner Agragati O Kalyaner Janyai Bigyanira Kaj Karena Bigyanira Taur Bishye Kaj Kare Agragami Theke Patent Tule Setike Byabasate Kibhabe Rupantar Kara Jay Sei Dikei Manajog Beshi Bigyanei AE Vishal Agragati Dekhe Majhe Majhe Amar Khub Bhay Hay Amara Money Hay Sei Frankestainer Matt Kichhu Tairi Kare Felchhi Naito Amar Je Bishye Kaj Kare Nyanoprajuktir Kathai Dharun Amara Nyanoprajukti Byabahar Kare Eman Jinisapatra Tairi Karachhi Je Jar Gunagun Amara Nijerai Janina Kintu Sei Sab Jinisapatraguli Banijyik Karan Hachchhe Sedine Dekhi Shampoo Aare Bigyapan Hachchhe Nyanokana Ba Nano Particles Byabahar Kare Bhangankar Hall AE Nyanokana Je Asalei Nirapada Qina Ta Amara Nijerai Janina Nyanoknaguli Etai Chhot Akarer Je Ta Tbak K Bhed Kare Aro Sharirer Anek Gabhir Dhuke Jete Pare Eman Ki Amader Kidney Ja Raktake Bishuddha Karar Janya Kaj Kare Setio Nyanoknake Filter Ba Parishkar Kare Sharir Theke Ber Kare Felte Paren Amara Rasayan Byabahar Kare Nityanatun Anek Panya Tairi Karachhi Kintu Sei Sab Panyer Nirapatta Niye Amara Anekei Janina Hayato Segulike Niye Bachhar Khanek Gabeshana Hayechhe Taraparei Motamuti Nirapada Falafal Pawa Gechhe Kintu Anek Bishakta Kuna Rayechhe Ja Bash Kayekabachhar Ghumanta Thakte Pare Evan Taraparei Taur Asal Roopa Dharan Karate Pare Amara Anek Samayai Nijeder Ajante Seguli Byabahar Karachhi Amara Garam Paniya Khabar Janya Je Samasta Plastiker Cup Byabahar Kari Seguli Kathai Dhara Jak Garam Panir Prachand Tape Sei Plastikaguli Galle Paniya Aare Sathe Mishe Jachchhe Evan Seiguli Amara Khachchhi Amara Nijeder Sharire AE Samasta Ajana Rasayanik Kuna Dhukachchhi Japane AE Dharaner Ajana Kanagulike Environmental Hormon NAM Diyechhil Evan Egulir Byabahar Bandher Janya Samajik Andolan Gare Tulechhil Samasya Hall AE Samasta Panya Jara Tairi Karachhe O Bipanan Karachhe Tara Balachhe Tara Jatheshta Gabeshana Karei AE Panyaguli Bipanan Karachhe Are Garan Paniya Aare Sathe Kuna Jabar Katha Andolanakarira Tulchhe Sei Byapare Pratishthanaguli Balachhe Ta Et Com Matrar Je Amara Seguri Ignore Karate Pari Tove Bipder Katha Hall Bachharer Par Bachhare Sei Samasta Plastic Byabahar Karale Taur Je Kirakam Birup Pratikriya Habe Ta Kintu Gabeshana Karate Dichchhe Na
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সেই গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান । ল্যাটিন শব্দ সায়েনটিয়া (scientia) থেকে ইংরেজি সায়েন্স শব্দটি এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে জ্ঞান। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শব্দটির অর্থ বিশেষ জ্ঞান। সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকের মধ্যে আধুনিকতার প্রকল্প বেকন ও ডেসকার্টের দ্বারা উন্নত করা হয়েছিল যা দ্রুত বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি র দিকে এগিয়ে নিয়েছিল এবং একটি নতুন ধরনের প্রাকৃতিক বিজ্ঞান , গাণিতিক, পদ্ধতিগতভাবে পরীক্ষামূলক এবং ইচ্ছাকৃতভাবে উদ্ভাবনী এর সফল উন্নয়নের দিকে পরিচালিত হয়েছিল । নিউটন ও লিবনিজ একটি নতুন পদার্থ বিজ্ঞান তৈরিতে সফল হয়েছিলেন যা এখন ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স হিসাবে পরিচিত, যা পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত করা যায় এবং গণিত ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা যায় । লিবনিস Aristotelian পদার্থবিদ্যা থেকে পদটি নিয়েছিলেন, কিন্তু এখন এটি একটি নতুন অ-টেলিওলজিকাল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে, উদাহরণস্বরূপ, "শক্তি" এবং "সম্ভাব্যতা" । বেকনের শৈলীতে তিনি ধারণা করেছিলেন যে, বিভিন্ন ধরনের জিনিস প্রকৃতির একই সাধারণ আইন অনুযায়ী কাজ করে যার প্রতিটি ধরণের কোন বিশেষ আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত কারণ নেই। এই সময়ের মধ্যে " বিজ্ঞান " শব্দটি ধীরে ধীরে এক প্রকারের জ্ঞান বিশেষ করে প্রাকৃতিক জ্ঞানের প্রেক্ষাপট হিসাবে ব্যবহৃত হতে শুরু হয়েছিল যা পুরাতন শব্দ "প্রাকৃতিক দর্শনের" অর্থের কাছাকাছি চলে আসছে।
Romanized Version
বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সেই গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান । ল্যাটিন শব্দ সায়েনটিয়া (scientia) থেকে ইংরেজি সায়েন্স শব্দটি এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে জ্ঞান। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শব্দটির অর্থ বিশেষ জ্ঞান। সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকের মধ্যে আধুনিকতার প্রকল্প বেকন ও ডেসকার্টের দ্বারা উন্নত করা হয়েছিল যা দ্রুত বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি র দিকে এগিয়ে নিয়েছিল এবং একটি নতুন ধরনের প্রাকৃতিক বিজ্ঞান , গাণিতিক, পদ্ধতিগতভাবে পরীক্ষামূলক এবং ইচ্ছাকৃতভাবে উদ্ভাবনী এর সফল উন্নয়নের দিকে পরিচালিত হয়েছিল । নিউটন ও লিবনিজ একটি নতুন পদার্থ বিজ্ঞান তৈরিতে সফল হয়েছিলেন যা এখন ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স হিসাবে পরিচিত, যা পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত করা যায় এবং গণিত ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা যায় । লিবনিস Aristotelian পদার্থবিদ্যা থেকে পদটি নিয়েছিলেন, কিন্তু এখন এটি একটি নতুন অ-টেলিওলজিকাল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে, উদাহরণস্বরূপ, "শক্তি" এবং "সম্ভাব্যতা" । বেকনের শৈলীতে তিনি ধারণা করেছিলেন যে, বিভিন্ন ধরনের জিনিস প্রকৃতির একই সাধারণ আইন অনুযায়ী কাজ করে যার প্রতিটি ধরণের কোন বিশেষ আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত কারণ নেই। এই সময়ের মধ্যে " বিজ্ঞান " শব্দটি ধীরে ধীরে এক প্রকারের জ্ঞান বিশেষ করে প্রাকৃতিক জ্ঞানের প্রেক্ষাপট হিসাবে ব্যবহৃত হতে শুরু হয়েছিল যা পুরাতন শব্দ "প্রাকৃতিক দর্শনের" অর্থের কাছাকাছি চলে আসছে।Bishwer Ja Kichhu Parjabekshanajogya Parikshanajogya O Jachaijogya Taur Sushrinkhal Niyamatantrik Gabeshana O Sei Gabeshnalabdha Gyanabhandarer NAM Bigyan Lyatin Shabd Sayentiya (scientia) Theke Ingreji Sayens Shabdati Esechhe Jar Earth Hachchhe Gyan Bangla Bhashay Bigyan Shabdatir Earth Vishesha Gyan Saptadash O Ashtadash Shataker Madhye Adhuniktar Prakalpa Bacon O Deskarter Dwara Unnat Kara Hayechhil Ja Drut Baigyanik Agragati Ra Dike Egiye Niyechhil Evan Ekati NATUN Dharaner Praakritik Bigyan , Ganitik Paddhatigatabhabe Parikshamulak Evan Ichchhakritbhabe Udbhabani Aare Safal Unnayaner Dike Parichalit Hayechhil Niutan O Libnij Ekati NATUN Padartha Bigyan Tairite Safal Hayechhilen Ja Ekhan Classical Mekaniks Hisabe Parichit Ja Pariksha Dwara Nishchit Kara Jay Evan Ganit Byabahar Kare Byakhya Kara Jay Libnis Aristotelian Padarthabidya Theke Padati Niyechhilen Kintu Ekhan AT Ekati NATUN A Teliolajikal Paddhatite Byabahar Kara Hachchhe Udaharanaswarup Shakti Evan Sambhabyata Bekner Shailite Tini Dharna Karechhilen Je Bibhinna Dharaner Zeneca Prakritir Ekai Sadharan Ain Anujayi Kaj Kare Jar Pratiti Dharaner Koun Vishesha Anushthanik Ba Churanta Karan Nei AE Samayer Madhye " Bigyan " Shabdati Dhire Dhire Ec Prakarer Gyan Vishesha Kare Praakritik Gyaner Prekshapat Hisabe Byabahrit Hate Shuru Hayechhil Ja Puratan Shabd Praakritik Darshaner Arther Kachhakachhi Chale Ashche
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan Aare Agragati Kabe Shuru Hay,When Is The Progress Of Science?,


vokalandroid