অবৈধ দেহ ব্যবসা কি? ...

সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নতুন কৌশল অবলম্বন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে পার্ক কতৃপক্ষ। পুলিশ অথবা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের প্রবেশের আগেই খবর পাওয়ার জন্য উলাশী বাজার থেকে পার্ক পর্যন্ত ছদ্মবেশে লোক রাখা হয়েছে।উলাশী বাজারের জনৈক ব্যবসায়ী বলেন, যেখানে অবৈধ দেহ ও মাদক ব্যবসা হয় সেখানে পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থার লোক প্রবেশ করার ভয়ে পথে পথে নজরদারি বসিয়েছে পার্কের মালিক মিলন। পথে অপরিচিত লোক দেখলে মোবাইল ফোনে খবর দেওয়া হয় পার্কের পেছন দরজা দিয়ে খরিদ্দারদের বের করে দেওয়ার জন্য। জানা যায়, পার্কে ছোট ছোট ৫ টি রংমহল ঘর রয়েছে। সেখানেই চলে মাদক ও দেহ ব্যবসা।স্থানীয় আনোয়ার হোসেন বলেন- পার্কের ভিতর আলী হোসেন নামে একজন খাবারের হোটেল ব্যবসা করে, হোটেলের পেছনেই চলে দেহ ও মাদক ব্যবসা। মতিয়ার রহমানের চা দোকানের সাথে থাকা রুমেও চলে অবৈধ ব্যবসা। পার্কের প্রচিরের সাথে তোতা মিয়ার বাড়ি ও দোকান, সেখানে গ্লাস দিয়ে ঘেরা ঘরে দেহ ব্যবসা চলে। এছাড়া পার্কের পশ্চিম পাশে বড় মাটির ঘরেও এ ব্যবসা চলে। এসব ব্যবসা সার্বক্ষনিক দেখাশুনা করে পার্কের ম্যানেজার শরিফ হোসন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলকার জনৈক ব্যাক্তি বলেন, উঠতি বয়সের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের রুম ভাড়া ঘন্টায় ১০০০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। আর বাহির থেকে আসা সুন্দরী ললনা যদি কাউকে দেয় তার নিকট থেকে ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়। বেনাপোলের কাগজ পুকুর গ্রামের সেলিম বলেন, পার্কে মাঝে মাঝে যশোর থেকে রিয়া নামের এক সুন্দরী মেয়ে আসে। রিয়া যেদিন পার্কে আসে সেদিন অন্য পতিতাদের ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়ে। রিয়ার দিকে ঝুকে পড়ে খরিদ্দাররা। ঘরভাড়া বাদে প্রতিজনের নিকট থেকে একবার মেলামেশায় রিয়ার বিল ১০০০ হাজার টাকা। জানা যায়, এর আগে শার্শা উপজেলার বাগআচঁড়ায় একটি আবাসিক হোটেল খুলে অবৈধ দেহ ব্যবসা করত এ পার্কের মালিক মিলন। প্রশাসনের টনক নড়াতে সেখানে সুবিধা করতে না পেরে নীলকুঠি জঙ্গল নামক পার্ক করে সেখানে এ ব্যবসা দেদারছে রোজার মাসেও চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, মিলন একজন শীর্ষ নেতার অনুসারি হওয়ায় নীলকুঠি জঙ্গল পার্কের দেহ ব্যবসার কথা জানলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। আর ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছে না গ্রামের মানুষ।
Romanized Version
সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নতুন কৌশল অবলম্বন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে পার্ক কতৃপক্ষ। পুলিশ অথবা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের প্রবেশের আগেই খবর পাওয়ার জন্য উলাশী বাজার থেকে পার্ক পর্যন্ত ছদ্মবেশে লোক রাখা হয়েছে।উলাশী বাজারের জনৈক ব্যবসায়ী বলেন, যেখানে অবৈধ দেহ ও মাদক ব্যবসা হয় সেখানে পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থার লোক প্রবেশ করার ভয়ে পথে পথে নজরদারি বসিয়েছে পার্কের মালিক মিলন। পথে অপরিচিত লোক দেখলে মোবাইল ফোনে খবর দেওয়া হয় পার্কের পেছন দরজা দিয়ে খরিদ্দারদের বের করে দেওয়ার জন্য। জানা যায়, পার্কে ছোট ছোট ৫ টি রংমহল ঘর রয়েছে। সেখানেই চলে মাদক ও দেহ ব্যবসা।স্থানীয় আনোয়ার হোসেন বলেন- পার্কের ভিতর আলী হোসেন নামে একজন খাবারের হোটেল ব্যবসা করে, হোটেলের পেছনেই চলে দেহ ও মাদক ব্যবসা। মতিয়ার রহমানের চা দোকানের সাথে থাকা রুমেও চলে অবৈধ ব্যবসা। পার্কের প্রচিরের সাথে তোতা মিয়ার বাড়ি ও দোকান, সেখানে গ্লাস দিয়ে ঘেরা ঘরে দেহ ব্যবসা চলে। এছাড়া পার্কের পশ্চিম পাশে বড় মাটির ঘরেও এ ব্যবসা চলে। এসব ব্যবসা সার্বক্ষনিক দেখাশুনা করে পার্কের ম্যানেজার শরিফ হোসন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলকার জনৈক ব্যাক্তি বলেন, উঠতি বয়সের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের রুম ভাড়া ঘন্টায় ১০০০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। আর বাহির থেকে আসা সুন্দরী ললনা যদি কাউকে দেয় তার নিকট থেকে ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়। বেনাপোলের কাগজ পুকুর গ্রামের সেলিম বলেন, পার্কে মাঝে মাঝে যশোর থেকে রিয়া নামের এক সুন্দরী মেয়ে আসে। রিয়া যেদিন পার্কে আসে সেদিন অন্য পতিতাদের ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়ে। রিয়ার দিকে ঝুকে পড়ে খরিদ্দাররা। ঘরভাড়া বাদে প্রতিজনের নিকট থেকে একবার মেলামেশায় রিয়ার বিল ১০০০ হাজার টাকা। জানা যায়, এর আগে শার্শা উপজেলার বাগআচঁড়ায় একটি আবাসিক হোটেল খুলে অবৈধ দেহ ব্যবসা করত এ পার্কের মালিক মিলন। প্রশাসনের টনক নড়াতে সেখানে সুবিধা করতে না পেরে নীলকুঠি জঙ্গল নামক পার্ক করে সেখানে এ ব্যবসা দেদারছে রোজার মাসেও চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, মিলন একজন শীর্ষ নেতার অনুসারি হওয়ায় নীলকুঠি জঙ্গল পার্কের দেহ ব্যবসার কথা জানলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। আর ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছে না গ্রামের মানুষ।Sangbad Prakash Hwar Par NATUN Kaushal Abalamban Kare Byabasa Chaliye Jachchhe Park Katripaksh Pulish Athaba Goyenda Sansthar Sadasyader Prabesher Agei Khabar Power Janya Ulashi Bazaar Theke Park Parjanta Chhadmabeshe Loka Rakha Hayechhe Ulashi Bajarer Janaik Byabasayi Baleno Jekhanay Abaidh Deh O Madoka Byabasa Hya Sekhane Pulish Ba Goyenda Sansthar Loka Prabesh Karar Vue Pathe Pathe Najaradari Basiyechhe Parker Malik Milan Pathe Aparichit Loka Dekhle Mobile Fone Khabar Dewa Hya Parker Passion Daraja Diye Khariddarader Ber Kare Dewar Janya Jaana Jay Parke Chhot Chhot 5 Te Rangmahal Ghar Rayechhe Sekhanei Chale Madoka O Deh Byabasa Sthaniya Anwar Hossain Baleno Parker Bhitar Ali Hossain Name Ekajan Khabarer Hotel Byabasa Kare Hoteler Pechhnei Chale Deh O Madoka Byabasa Matiyar Rahamaner Chau Dokaner Sathe Thaka Rumeo Chale Abaidh Byabasa Parker Prachirer Sathe Tota Miyar Bari O Dokan Sekhane Glass Diye Ghera Ghare Deh Byabasa Chale Echhara Parker Pashchim PAUSE Bar Matir Ghareo A Byabasa Chale Esab Byabasa Sarbakshanik Dekhashuna Kare Parker Manager Sharif Hosan NAM Prakash Na Karar Sharte Elakar Janaik Byakti Baleno Uthati Bayaser School College Paruya Chhele Meyeder Room Bhara Ghantay 1000 Hajar Taka Kare Newa Hya Are Bahir Theke Asa Sundari Lalana Jodi Kauke Dey Taur Nikat Theke 1 Theke 2 Hajar Taka Parjanta Hatiye Ney Benapoler Kaagaz Pukur Gramer Selim Baleno Parke Majhe Majhe Jashor Theke Ria Namer Ec Sundari Meye Ase Ria Jedin Parke Ase Sedin Anya Patitader Byabasa Kara Kathin Huye Pare Rear Dike Jhuke Pare Khariddarara Gharabhara Bade Pratijner Nikat Theke Ekabar Melameshay Rear Bill 1000 Hajar Taka Jaana Jay Aare Age Sharsha Upajelar Bagachanray Ekati Abasik Hotel Khule Abaidh Deh Byabasa Karat A Parker Malik Milan Prashasner Tanaka Narate Sekhane Subidha Karate Na Pere Nilkuthi Jungle Namak Park Kare Sekhane A Byabasa Dedarachhe Rojar Maseo Chaliye Jachchhe Sthaniyara Baleno Milan Ekajan Shirsh Netar Anusari Hway Nilkuthi Jungle Parker Deh Byabasar Katha Janleo Byabastha Nichchhe Na Prashasan Are Vue Pratibad Karate Parchhe Na Gramer Manus
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


অবৈধ দেহ ব্যবসা নারায়নগঞ্জের পিলকুনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক আবাসিক বাসা-বাড়ীতে চলছে । ফ্ল্যাট বাসা- বাড়ীতে পুলিশের নজরদারি না থাকায় অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে অবৈধ দেহ ব্যবসা এর সাথে জড়িতেরা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পিলকুনী পাড়ার ভ্রাম্যমান পতিতাদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। যৌন ব্যবসা এর সাথে জড়িত মেয়েরা রাস্তায় পুরুষদের বিভিন্ন কৌশলে পটিয়ে ফেলে। এসব পেশায় সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে কলেজ ছাত্রী ও স্বনামধন্য পরিবারের মেয়েরা। আর এদের খদ্দের হচ্ছে চাকুরিজীবী, পেশাজীবী, প্রবাস ফেরৎ যুবক, ছাত্রসহ সবশ্রেনীর পুরুষ আর এদের সর্বাধিক ভাবে দেখাশোনা করেন এলাকায় বকে যাওয়া যুবকেরা। দেহ ব্যবসা এর সাথে জড়িত বাসা – বাড়ী ও ফ্ল্যাটগুলোতে গেলে দেখা যায় এ যেন এক পতিতাপুরী।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতারনার শিকার একজন বলেন, ফ্ল্যাট বাসা- বাড়ীতে এসব অসামাজিক কাজের সাথে জড়িতরা অনেক প্রভাবশালী তারা পুলিশ প্রশাসনকে ভয় করেনা। আমি তাদের থপ্পরে পড়েছিলাম। নিজের মান সম্মান বাঁচাতে একাধিকবার তাদেরকে টাকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছি। এভাবেই সর্বশান্ত করে যাচ্ছে তারা বন্ধুত্ব কিংবা ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, বেশিরভাগ আবাসিক বাসা-বাড়ীর খদ্দের, কাষ্টমার বা গেষ্ট জোগাড় হয় রাস্তা থেকে। আবার এ ব্যবসা এর সাথে যারা জড়িত মেয়েরা মোবাইল কিংবা ফেসবুকের মাধ্যমে অভিনব কায়দায় খদ্দের সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে মেয়েরা সুন্দর সুন্দর ছবি ফেসবুকে আপ করে সহজ সরল ছেলেদের সাথে প্রথমে বন্ধুত্ব পরে সেটাকে অল্পদিনেই গভীর প্রেমে পরিণত করে।এ ব্যবসা এর সাথে জড়িত মেয়েরা অত্যান্ত চালাক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা এতাটাই ভয়ংকর যে, যেকোন সময় যে কোন ঘটনা সাজাতে পারেন শুধু মাত্র অর্থ আদায়ের জন্য। একবার যদি ভুলেও কেউ তাদের প্রতারনায় পা বাড়ায় তার আর রক্ষা নেই। বাসা- বাড়ীগুলোতে খদ্দের গেলে অন্যান্য ভাড়াটিয়া কিংবা ভাড়িওয়ালাদের চোখ এড়াতে নিজের আপন আত্মীয় বানিয়ে ফেলে। এক সপ্তাহের মধ্যে যেকোন পুরুষ লোককে তাদের আয়ত্বে আনতে সক্ষম বলে দাবি তাদের।ইদানিং এমন ঘটনা বেশি হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের দ্বারা। একটু একটু করে ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে মেতে ওঠেন তারা। ঘনিষ্ঠতার এক পর্যায়ে নিজের আকর্ষনীয় ছবি ম্যাসেঞ্জারে দিয়ে পুরুষদের আকৃষ্ট করেন। যাতে সহজে তার প্রেমে হাবুডুবু খায়। এভাবেই বাড়তে থাকে তাদের বন্ধুত্বের বাধন। এক পর্যায়ে দেখা করার কথা বলে পুরুষদের বাসায় কিংবা তাদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায়। বাসায় নিয়ে গেলে তার দালালদের মোবাইলের মাধ্যমে জানান দিয়ে দেয় যে সে তার কাঙ্খিত মানুষটিকে পেয়েছে এবং সে তার সাথেই আছে। মোবাইল কথোপকথনে বুঝাই যাবে না তারা কোনো দালালের সাথে কথা বলছে, নিজেদের বান্ধবী বানিয়ে তাদের কথাগুলো বলে থাকে।
Romanized Version
অবৈধ দেহ ব্যবসা নারায়নগঞ্জের পিলকুনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক আবাসিক বাসা-বাড়ীতে চলছে । ফ্ল্যাট বাসা- বাড়ীতে পুলিশের নজরদারি না থাকায় অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে অবৈধ দেহ ব্যবসা এর সাথে জড়িতেরা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পিলকুনী পাড়ার ভ্রাম্যমান পতিতাদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। যৌন ব্যবসা এর সাথে জড়িত মেয়েরা রাস্তায় পুরুষদের বিভিন্ন কৌশলে পটিয়ে ফেলে। এসব পেশায় সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে কলেজ ছাত্রী ও স্বনামধন্য পরিবারের মেয়েরা। আর এদের খদ্দের হচ্ছে চাকুরিজীবী, পেশাজীবী, প্রবাস ফেরৎ যুবক, ছাত্রসহ সবশ্রেনীর পুরুষ আর এদের সর্বাধিক ভাবে দেখাশোনা করেন এলাকায় বকে যাওয়া যুবকেরা। দেহ ব্যবসা এর সাথে জড়িত বাসা – বাড়ী ও ফ্ল্যাটগুলোতে গেলে দেখা যায় এ যেন এক পতিতাপুরী।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতারনার শিকার একজন বলেন, ফ্ল্যাট বাসা- বাড়ীতে এসব অসামাজিক কাজের সাথে জড়িতরা অনেক প্রভাবশালী তারা পুলিশ প্রশাসনকে ভয় করেনা। আমি তাদের থপ্পরে পড়েছিলাম। নিজের মান সম্মান বাঁচাতে একাধিকবার তাদেরকে টাকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছি। এভাবেই সর্বশান্ত করে যাচ্ছে তারা বন্ধুত্ব কিংবা ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, বেশিরভাগ আবাসিক বাসা-বাড়ীর খদ্দের, কাষ্টমার বা গেষ্ট জোগাড় হয় রাস্তা থেকে। আবার এ ব্যবসা এর সাথে যারা জড়িত মেয়েরা মোবাইল কিংবা ফেসবুকের মাধ্যমে অভিনব কায়দায় খদ্দের সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে মেয়েরা সুন্দর সুন্দর ছবি ফেসবুকে আপ করে সহজ সরল ছেলেদের সাথে প্রথমে বন্ধুত্ব পরে সেটাকে অল্পদিনেই গভীর প্রেমে পরিণত করে।এ ব্যবসা এর সাথে জড়িত মেয়েরা অত্যান্ত চালাক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা এতাটাই ভয়ংকর যে, যেকোন সময় যে কোন ঘটনা সাজাতে পারেন শুধু মাত্র অর্থ আদায়ের জন্য। একবার যদি ভুলেও কেউ তাদের প্রতারনায় পা বাড়ায় তার আর রক্ষা নেই। বাসা- বাড়ীগুলোতে খদ্দের গেলে অন্যান্য ভাড়াটিয়া কিংবা ভাড়িওয়ালাদের চোখ এড়াতে নিজের আপন আত্মীয় বানিয়ে ফেলে। এক সপ্তাহের মধ্যে যেকোন পুরুষ লোককে তাদের আয়ত্বে আনতে সক্ষম বলে দাবি তাদের।ইদানিং এমন ঘটনা বেশি হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের দ্বারা। একটু একটু করে ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে মেতে ওঠেন তারা। ঘনিষ্ঠতার এক পর্যায়ে নিজের আকর্ষনীয় ছবি ম্যাসেঞ্জারে দিয়ে পুরুষদের আকৃষ্ট করেন। যাতে সহজে তার প্রেমে হাবুডুবু খায়। এভাবেই বাড়তে থাকে তাদের বন্ধুত্বের বাধন। এক পর্যায়ে দেখা করার কথা বলে পুরুষদের বাসায় কিংবা তাদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায়। বাসায় নিয়ে গেলে তার দালালদের মোবাইলের মাধ্যমে জানান দিয়ে দেয় যে সে তার কাঙ্খিত মানুষটিকে পেয়েছে এবং সে তার সাথেই আছে। মোবাইল কথোপকথনে বুঝাই যাবে না তারা কোনো দালালের সাথে কথা বলছে, নিজেদের বান্ধবী বানিয়ে তাদের কথাগুলো বলে থাকে।Abaidh Deh Byabasa Narayanaganjer Pilkuni Kendriya Jame Masajid Elakay Pray Ardhashatadhik Abasik Basha Barite Chalachhe Flat Basha Barite Pulisher Najaradari Na Thakay Anekata Beprwa Huye Uthachhe Abaidh Deh Byabasa Aare Sathe Jaritera Sarejmine Giye Dekha Jay Pilkuni Parar Bhramyaman Patitader Anagona Chokhe Parar Mato Jaun Byabasa Aare Sathe Jarit Meyera Rastay Purushder Bibhinna Kaushle Patiye Fele Esab Peshay Sathe Samprikta Hachchhe College Chhatri O Swanamadhanya Paribarer Meyera Are Eder Khadder Hachchhe Chakurijibi Peshajibi Prabas Fert Jubak Chhatrasah Sabashrenir Purush Are Eder Sarbadhik Bhabe Dekhashona Curren Elakay Boke Jawa Jubkera Deh Byabasa Aare Sathe Jarit Basha – Bedi O Flyatagulote Gele Dekha Jay A Jen Ec Patitapuri NAM Prakashe Anichchhuk Pratarnar Shikar Ekajan Baleno Flat Basha Barite Esab Asamajik Kajer Sathe Jaritara Anek Prabhabshali Tara Pulish Prashasanake Vy Karena Aami Tader Thappare Parechhilam Nizar Maan Samman Banchate Ekadhikbar Taderake Taka Diye Mukti Peyechhi Ebhabei Sarbashanta Kare Jachchhe Tara Bandhutba Kingba Bhalobasar Fande Fele Sthaniya O Bhuktabhogider Sutre Jaana Jay Beshirbhag Abasik Basha Barir Khadder Kashtamar Ba Geshta Jogar Hya Rostaa Theke Abar A Byabasa Aare Sathe Jara Jarit Meyera Mobile Kingba Fesbuker Madhyame Abhinav Kayday Khadder Sangrah Curren Ekshetre Meyera Sundar Sundar Sbi Fesbuke Up Kare Suhaj Soral Chheleder Sathe Prathame Bandhutba Pare Setake Alpadinei Gabhir Preme Parinat Kare A Byabasa Aare Sathe Jarit Meyera Atyanta Salak Prakritir Huye Thake Era Etatai Bhayankar Je Jekon Camay Je Koun Ghatana Sajate Paren Shudhu Maatr Earth Adayer Janya Ekabar Jodi Bhuleo Keu Tader Pratarnay PA Baray Taur Are Raksha Nei Basha Barigulote Khadder Gele Anyanya Bharatiya Kingba Bhariwalader Chokh Erate Nizar Upon Atmiya Baniye Fele Ec Saptaher Madhye Jekon Purush Lokke Tader Ayatbe Anate Saksham Ble Dabi Tader Idaning Eman Ghatana Bedshee Hachchhe Samajik Jogajog Madhyam Fesbuker Dwara Ekatu Ekatu Kare Fesbuke Chyatingye Maite Othen Tara Ghanishthatar Ec Parjaye Nizar Akarshaniya Sbi Myasenjare Diye Purushder Akrishta Curren Jate Sahaje Taur Preme Habudubu Khaya Ebhabei Barte Thake Tader Bandhutber Badhan Ec Parjaye Dekha Karar Katha Ble Purushder Basay Kingba Tader Nirdharit Sthane Niye Jay Basay Niye Gele Taur Dalalder Mobailer Madhyame Janan Diye Dey Je Say Taur Kankhit Manushtike Peyechhe Evan Say Taur Sathei Ache Mobile Kathopakathane Bujhai Jabe Na Tara Kono Dalaler Sathe Katha Balachhe Nijeder Bandhabi Baniye Tader Kathagulo Ble Thake
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Abaidh Deho Byabsa Ki,What Is Illegal Business?,


vokalandroid