বিজ্ঞান ও আধুনিক জীবন রচনা ...

বিজ্ঞান ও আধুনিক জীবন রচনা : ভূমিকা :- প্রাচীনকালে গৃহবন্দী মানুষ আত্মরক্ষার জন্য এবং প্রকৃতির রোষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছে । নিজের অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি এবং বিচারবোধ থেকে সে ক্রমশ প্রকৃতির স্বরূপ উপলব্ধি করতে পেরেছে । জানতে পেরেছে প্রত্যেকটি ঘটনার পিছনে কিছু কারণ থাকে । এই কারণগুলো বোঝার মতো মেধা ও মানসিকতা সবার থাকে না । যাদের থাকে না তাদের মধ্যে অজ্ঞতার অন্ধকার বা অন্ধ বিশ্বাসের জন্ম হয় । সেখান থেকেই শুরু হয় বিজ্ঞান চেতনা ও কুসংস্কারের সংঘাত । আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞান চেতনা :- দীর্ঘদিন ধরে অনলস অনুশীলনের ফলে মানুষ জগৎ ও জীবনের অনেক রহস্যের সমাধান সূত্র জানতে পেরেছে । বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়েই নতুন অবস্থার সৃষ্টি হয় । বিজ্ঞান সত্য নির্ভর জ্ঞান । বিজ্ঞান আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের মত । তার কাছে যা চাওয়া যায়, তাই পাওয়া যায় । প্রকৃতিকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বিদ্যুৎ । যে বিদ্যুতের সাহায্যে উৎপাদনে, শিল্পে, চিকিৎসায় সর্বত্র ঘটিয়েছে বিপ্লব । বিজ্ঞান নির্ভর প্রযুক্তি বিদ্যার সাহায্যে নিত্যনতুন যানবাহন তৈরি হয়েছে যেমন মোটরগাড়ি, ট্রেন, এরোপ্লেন যা দুরকে করেছে নিকট । আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিজ্ঞান নির্ভর । কিন্তু এখনও অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার সমাজ থেকে একেবারে দূর হয়নি । অদৃষ্টবাদী, অলৌকিকে বিশ্বাসী মানুষের কাছে বিজ্ঞান অপেক্ষা অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার বেশি প্রাধান্য পেয়েছে । কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস কি :- কুসংস্কার হল মানুষের যুক্তি-বিচারহীন অন্ধবিশ্বাস, মিথ্যা ধারণা ইংরেজিতে যাকে বলা হয় superstition । আজকের যুগে বাস করেও মানুষের তন্ত্রমন্ত্র, ঝাড়ফুঁক, তাবিজ, মাদুলি, ভুত-প্রেত, ডাইনি, জিন ইত্যাদিতে অগাধ বিশ্বাস । এখনও গ্রামেগঞ্জে অনেক নারী-পুরুষকে ডাইন অপরাধে পুড়ে মরতে হচ্ছে । অনেক শিক্ষিত মানুষের মনে টিকটিকির পতন, কালো বেড়ালের রাস্তা পার হওয়া, এক শালিক দেখা মানে খারাপ কিছু ঘটবে এরূপ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে । বহু মানুষ রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক, মাদুলি ধারণ করে । ব্যবসায় উন্নতির জন্য বা সহজে ভাগ্য ফেরানোর জন্য জ্যোতিষীদের কাছে গিয়ে রত্ন ধারণ করে । এইসব অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার একমাত্র দূর করতে পারে প্রকৃত শিক্ষা । কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা :- ধর্মান্ধতার সহায়ক শক্তি হল কুসংস্কার । বিজ্ঞানী কোপারনিকাস ও গ্যালিলিও প্রমাণ করে ছিলেন যে, পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে কিন্তু খ্রিষ্টধর্মের শাস্ত্রের সঙ্গে এই সত্যের মিল ছিল না বলে খ্রিস্টান যাজকেরা এই দুই বিজ্ঞানীর উপর অকথ্য নির্যাতন চালান । ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে সকল ভারতীয় সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইংল্যান্ড, আমেরিকায় যেতেন তাদের ধর্মচ্যুত ও জাতিচ্যুত হতে হয়েছে । এখনও অনেক জায়গায় এই ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার সমানভাবে রয়েছে । পথের দিশা:- বিজ্ঞান ও কুসংস্কার দুটোই মানব মনের ফসল । যুক্তিবাদী প্রকৃত সত্যান্বেষী সংস্কারমুক্ত মানুষ সঠিক পথের দিশা দিতে পারে । ছাত্র সমাজেরও এ বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা আছে । চির নতুনের পূজারী ছাত্রছাত্রীরা বৈজ্ঞানিক সত্যের মধ্য দিয়ে সমাজের সর্বস্তরে প্রচারে নেমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে মানুষকে সত্যের আলোয় আনতে পারে । বিভিন্ন সেমিনার করে, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ছোটখাটো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনটি সত্য আর কোনটি সত্য নয় তা বোঝাতে হবে । তাহলে কাজটি সহজ হবে । কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস মানুষকে নিম্নগামী করে, কখনো ঊর্ধ্বগামী করে না —সেটা আমাদের বুঝতে হবে তাহলেই পৃথিবীর মঙ্গল হবে ।
Romanized Version
বিজ্ঞান ও আধুনিক জীবন রচনা : ভূমিকা :- প্রাচীনকালে গৃহবন্দী মানুষ আত্মরক্ষার জন্য এবং প্রকৃতির রোষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছে । নিজের অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি এবং বিচারবোধ থেকে সে ক্রমশ প্রকৃতির স্বরূপ উপলব্ধি করতে পেরেছে । জানতে পেরেছে প্রত্যেকটি ঘটনার পিছনে কিছু কারণ থাকে । এই কারণগুলো বোঝার মতো মেধা ও মানসিকতা সবার থাকে না । যাদের থাকে না তাদের মধ্যে অজ্ঞতার অন্ধকার বা অন্ধ বিশ্বাসের জন্ম হয় । সেখান থেকেই শুরু হয় বিজ্ঞান চেতনা ও কুসংস্কারের সংঘাত । আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞান চেতনা :- দীর্ঘদিন ধরে অনলস অনুশীলনের ফলে মানুষ জগৎ ও জীবনের অনেক রহস্যের সমাধান সূত্র জানতে পেরেছে । বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়েই নতুন অবস্থার সৃষ্টি হয় । বিজ্ঞান সত্য নির্ভর জ্ঞান । বিজ্ঞান আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের মত । তার কাছে যা চাওয়া যায়, তাই পাওয়া যায় । প্রকৃতিকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বিদ্যুৎ । যে বিদ্যুতের সাহায্যে উৎপাদনে, শিল্পে, চিকিৎসায় সর্বত্র ঘটিয়েছে বিপ্লব । বিজ্ঞান নির্ভর প্রযুক্তি বিদ্যার সাহায্যে নিত্যনতুন যানবাহন তৈরি হয়েছে যেমন মোটরগাড়ি, ট্রেন, এরোপ্লেন যা দুরকে করেছে নিকট । আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিজ্ঞান নির্ভর । কিন্তু এখনও অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার সমাজ থেকে একেবারে দূর হয়নি । অদৃষ্টবাদী, অলৌকিকে বিশ্বাসী মানুষের কাছে বিজ্ঞান অপেক্ষা অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার বেশি প্রাধান্য পেয়েছে । কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস কি :- কুসংস্কার হল মানুষের যুক্তি-বিচারহীন অন্ধবিশ্বাস, মিথ্যা ধারণা ইংরেজিতে যাকে বলা হয় superstition । আজকের যুগে বাস করেও মানুষের তন্ত্রমন্ত্র, ঝাড়ফুঁক, তাবিজ, মাদুলি, ভুত-প্রেত, ডাইনি, জিন ইত্যাদিতে অগাধ বিশ্বাস । এখনও গ্রামেগঞ্জে অনেক নারী-পুরুষকে ডাইন অপরাধে পুড়ে মরতে হচ্ছে । অনেক শিক্ষিত মানুষের মনে টিকটিকির পতন, কালো বেড়ালের রাস্তা পার হওয়া, এক শালিক দেখা মানে খারাপ কিছু ঘটবে এরূপ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে । বহু মানুষ রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক, মাদুলি ধারণ করে । ব্যবসায় উন্নতির জন্য বা সহজে ভাগ্য ফেরানোর জন্য জ্যোতিষীদের কাছে গিয়ে রত্ন ধারণ করে । এইসব অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার একমাত্র দূর করতে পারে প্রকৃত শিক্ষা । কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা :- ধর্মান্ধতার সহায়ক শক্তি হল কুসংস্কার । বিজ্ঞানী কোপারনিকাস ও গ্যালিলিও প্রমাণ করে ছিলেন যে, পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে কিন্তু খ্রিষ্টধর্মের শাস্ত্রের সঙ্গে এই সত্যের মিল ছিল না বলে খ্রিস্টান যাজকেরা এই দুই বিজ্ঞানীর উপর অকথ্য নির্যাতন চালান । ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে সকল ভারতীয় সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইংল্যান্ড, আমেরিকায় যেতেন তাদের ধর্মচ্যুত ও জাতিচ্যুত হতে হয়েছে । এখনও অনেক জায়গায় এই ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার সমানভাবে রয়েছে । পথের দিশা:- বিজ্ঞান ও কুসংস্কার দুটোই মানব মনের ফসল । যুক্তিবাদী প্রকৃত সত্যান্বেষী সংস্কারমুক্ত মানুষ সঠিক পথের দিশা দিতে পারে । ছাত্র সমাজেরও এ বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা আছে । চির নতুনের পূজারী ছাত্রছাত্রীরা বৈজ্ঞানিক সত্যের মধ্য দিয়ে সমাজের সর্বস্তরে প্রচারে নেমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে মানুষকে সত্যের আলোয় আনতে পারে । বিভিন্ন সেমিনার করে, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ছোটখাটো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনটি সত্য আর কোনটি সত্য নয় তা বোঝাতে হবে । তাহলে কাজটি সহজ হবে । কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস মানুষকে নিম্নগামী করে, কখনো ঊর্ধ্বগামী করে না —সেটা আমাদের বুঝতে হবে তাহলেই পৃথিবীর মঙ্গল হবে ।Bigyan O Adhunik Jeevan Rachana : Bhumika :- Prachinkale Grihabandi Manus Atmarakshar Janya Evan Prakritir Rosh Theke Raksha Pawar Janya Nirantar Pracheshta Chaliyechhe Nizar Abhigyata Buddhi Evan Bicharbodh Theke Say Kramash Prakritir Swarup Upalabdhi Karate Perechhe Jante Perechhe Pratyekati Ghatanar Pichhne Kichhu Karan Thake AE Karanagulo Bojhar Mato Medha O Mansikta Sawaar Thake Na Jader Thake Na Tader Madhye Agyatar Andhakar Ba Unde Bishwaser Janma Hay Sekhan Thekei Shuru Hay Bigyan Chethana O Kusanskarer Sanghat Adhunik Jeevan O Bigyan Chethana :- Dirghadin Dhare Analas Anushilner Fale Manus Jagt O Jibner Anek Rahasyer Samadhan Sutra Jante Perechhe Bahu Bibartaner Madhya Diyei NATUN Abasthar Srishti Hay Bigyan SATHYA Nirbhar Gyan Bigyan Aladiner Aschorjo Pradiper Matt Taur Kachhe Ja Chawa Jay Tai Pawa Jay Prakritike Kaje Lagiye Bigyan Amader Diyechhe Bidyut Je Bidyuter Sahajye Utpadne Shilpe Chikitsay Sarbatra Ghatiyechhe Biplob Bigyan Nirbhar Prajukti Bidyar Sahajye Nityanatun Janbahan Tairi Hayechhe Jeman Motaragari Train Eroplen Ja Durke Karechhe Nikat Amader Dainandin Jibanajatra Bigyan Nirbhar Kintu Ekhanao Andhabishwas O Kusanskar Samaj Theke Ekebare Dur Hayani Adrishtabadi Alaukike Bishwasi Manusher Kachhe Bigyan Apeksha Andhabishwas O Kusanskar Bedshee Pradhanya Peyechhe Kusanskar O Unde Biswas Ki :- Kusanskar Hall Manusher Jukti Bicharhin Andhabishwas Mithya Dharna Ingrejite Jake Bala Hay Superstition Ajaker Juge Bass Kareo Manusher Tantramantra Jharafunk Tabij Maduli Bhut Pret Daini Zinn Ityadite Agadh Biswas Ekhanao Grameganje Anek Nari Purushake Dain Aparadhe Pure Marate Hachchhe Anek Shikshit Manusher Money Tiktikir Patna Kalo Beraler Rostaa Per Hwa Ec Shalik Dekha Mane Kharap Kichhu Ghatabe Erup Dharna Baddhamul Haye Ache Bahu Manus Roger Haut Theke Mukti Pawar Janya Jharafunk Maduli Dharan Kare Byabasay Unnatir Janya Ba Sahaje Bhagya Feranor Janya Jyotishider Kachhe Giye Ratna Dharan Kare Eisab Andhabishwas Ba Kusanskar Ekamatra Dur Karate Pare Prakrit Siksha Kusanskar O Dharmandhata :- Dharmandhatar Sahayak Shakti Hall Kusanskar Bigyani Koparnikas O Gyalilio Praman Kare Chhilen Je Prithibi Surjake Pradakshin Kare Kintu Khrishtadharmer Shastrer Sange AE Satyer Mill Chhil Na Ble Khristan Jajkera AE Dui Bigyanir Upar Akathya Nirjatan Chalan Unabingsh Shatabdite Je Sakal Bhartiya Saat Samudra Pari Diye Inland Amerikay Jeten Tader Dharmachyut O Jatichyut Hate Hayechhe Ekhanao Anek Jaygay AE Dharmandhata O Kusanskar Samanbhabe Rayechhe Pather Disha Bigyan O Kusanskar Dutoi Menabe Maner Focal Juktibadi Prakrit Satyanweshi Sanskaramukta Manus Sathik Pather Disha Dite Pare Chhatra Samajerao A Bishye Vishesha Bhumika Ache Chir Natuner Pujari Chhatrachhatrira Baigyanik Satyer Madhya Diye Samajer Sarbastare Prachare Neme Bibhinna Samajik O Dharmiya Anushthaner Madhyame Kusanskar O Andhabishwas Theke Manushake Satyer Aloy Anate Pare Bibhinna Seminar Kare Chalachchitrer Madhyame Chhotkhato Pariksha Nirikshar Madhyame Konti SATHYA Are Konti SATHYA Nay Ta Bojhate Habe Tahle Kajti Suhaj Habe Kusanskar Ba Andhabishwas Manushake Nimnagami Kare Kakhano Urdhbagami Kare Na —seta Amader Bujhte Habe Tahlei Prithibir Mangal Habe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


ভূমিকা : আধুনিক জীবন ও প্রযুক্তি ওতঃপ্রােতভাবে জড়িত । যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরস্পরের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত , ঠিক তেমনি । বিজ্ঞান হচ্ছে আবিষ্কার , তার নানা তত্ত্ব ও সূত্রের প্রয়ােগিক দিককেই বলা হয় প্রযুক্তি । অন্য কথায় উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি , শক্তি ও উপাদনকেই বলা হয় প্রযুক্তি । প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে , প্রযুক্তির দ্বারা তৈরি নানা পণ্যদ্রব্য ভােগ করে , আর নানা কলা - কৌশল ব্যবহার করে মানুষ হয়ে উঠেছে আধুনিক । প্রযুক্তির কল্যাণেই কৃষিতে ফলন বাড়লে , বাস , ট্রেন , বিমন - জাহাজের সাহায্যে স্থলে - জলে - আকাশে ভ্রমণ করতে পারছি আমরা । টেলিফোন , টেলিগ্রাফ , রেডিও , কৃত্রিম । উপগ্রহ , কম্পিউটার , মােবাইলের সাহায্যে অভাবনীয় যােগাযােগ কিংবা বিনােদনের সুযােগ পাচ্ছি । শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ , কাপড় ধােয়া , রান্না করা , সিড়ি না ভেঙ্গে বহুতল দালানে ওঠানামা করা - সবই মানুষের কাছে সহজ করে দিয়েছে প্রযুক্তি । তাই প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে আধুনিক জীবনের কথা চিন্তাই করা যায় না । প্রযুক্তিবিদ্যার কল্যাণেই | মাবন জীবনের যাবতীয় সুখ - স্বাচ্ছন্দ্য সম্পাদিত হচ্ছে । যা কিছু ধ্বংসাত্মক তাও প্রযুক্তিরই কল্যাণে । প্রযুক্তির চরিত্র বৈশ্বিক । এ কারণেই সমগ্র বিশ্ব আজ একটা ' গ্লোবাল সিটি ' তে পরিণত হয়েছে । এ যেন আধুনিক জীবন আধুনিক মানুষ - আধুনিক বিশ্ব । প্রযুক্তির উদ্ভব : জীবনের প্রয়ােজনে - স্বাচ্ছন্দ বিধানে বিজ্ঞানকে কাজে লাগানাের প্রয়াস মানুষের দীর্ঘদিনের কিন্তু আধুনিক রচনা যুক্তি ও প্রকৌশল বিদ্যার বয়স দু ' শ বছরের বেশি নয় । ইংল্যান্ডই প্রথম এই বিদ্যাকে প্রয়তি |
Romanized Version
ভূমিকা : আধুনিক জীবন ও প্রযুক্তি ওতঃপ্রােতভাবে জড়িত । যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরস্পরের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত , ঠিক তেমনি । বিজ্ঞান হচ্ছে আবিষ্কার , তার নানা তত্ত্ব ও সূত্রের প্রয়ােগিক দিককেই বলা হয় প্রযুক্তি । অন্য কথায় উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি , শক্তি ও উপাদনকেই বলা হয় প্রযুক্তি । প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে , প্রযুক্তির দ্বারা তৈরি নানা পণ্যদ্রব্য ভােগ করে , আর নানা কলা - কৌশল ব্যবহার করে মানুষ হয়ে উঠেছে আধুনিক । প্রযুক্তির কল্যাণেই কৃষিতে ফলন বাড়লে , বাস , ট্রেন , বিমন - জাহাজের সাহায্যে স্থলে - জলে - আকাশে ভ্রমণ করতে পারছি আমরা । টেলিফোন , টেলিগ্রাফ , রেডিও , কৃত্রিম । উপগ্রহ , কম্পিউটার , মােবাইলের সাহায্যে অভাবনীয় যােগাযােগ কিংবা বিনােদনের সুযােগ পাচ্ছি । শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ , কাপড় ধােয়া , রান্না করা , সিড়ি না ভেঙ্গে বহুতল দালানে ওঠানামা করা - সবই মানুষের কাছে সহজ করে দিয়েছে প্রযুক্তি । তাই প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে আধুনিক জীবনের কথা চিন্তাই করা যায় না । প্রযুক্তিবিদ্যার কল্যাণেই | মাবন জীবনের যাবতীয় সুখ - স্বাচ্ছন্দ্য সম্পাদিত হচ্ছে । যা কিছু ধ্বংসাত্মক তাও প্রযুক্তিরই কল্যাণে । প্রযুক্তির চরিত্র বৈশ্বিক । এ কারণেই সমগ্র বিশ্ব আজ একটা ' গ্লোবাল সিটি ' তে পরিণত হয়েছে । এ যেন আধুনিক জীবন আধুনিক মানুষ - আধুনিক বিশ্ব । প্রযুক্তির উদ্ভব : জীবনের প্রয়ােজনে - স্বাচ্ছন্দ বিধানে বিজ্ঞানকে কাজে লাগানাের প্রয়াস মানুষের দীর্ঘদিনের কিন্তু আধুনিক রচনা যুক্তি ও প্রকৌশল বিদ্যার বয়স দু ' শ বছরের বেশি নয় । ইংল্যান্ডই প্রথম এই বিদ্যাকে প্রয়তি |Bhumika : Adhunik Jeevan O Prajukti Otahpraetabhabe Jarit Jeman Bigyan O Prajukti Parasparer Sange Sarasari Samprikta , Thik Temni Bigyan Hachchhe Abishkar , Taur Nana Tattva O Sutrer Prayaegik Dikkei Bala Hay Prajukti Anya Kathay Utpadner Janya Byabahrit Jantrapati , Shakti O Upadanakei Bala Hay Prajukti Prajuktike Byabahar Kare , Prajuktir Dwara Tairi Nana Panyadrabya Bhaeg Kare , Are Nana Kala - Kaushal Byabahar Kare Manus Haye Uthechhe Adhunik Prajuktir Kalyanei Krishite Falan Barle , Bass , Train , Biman - Jahajer Sahajye Sthale - Jale - Akashe Bhraman Karate Parchhi Amara Telephone , Teligraf , Radio , Kritrim Upagrah , Computer , Maebailer Sahajye Abhabniya Jaegajaeg Kingba Binaedaner Sujaeg Passi Shitatap Niyantran , Kapar Dhaeya , Ranna Kara , Siri Na Bhenge Bahutal Dalane Othanama Kara - Sabai Manusher Kachhe Suhaj Kare Diyechhe Prajukti Tai Prajuktike Baad Diye Adhunik Jibner Katha Chintai Kara Jay Na Prajuktibidyar Kalyanei | Maban Jibner Jabtiya Sukh - Swachchhandya Sampadit Hachchhe Ja Kichhu Dhbansatmak Tao Prajuktirai Kalyane Prajuktir Charitra Baishwik A Karnei Samagra Biswa Az Ekata ' Global City ' Tye Parinat Hayechhe A Jen Adhunik Jeevan Adhunik Manus - Adhunik Biswa Prajuktir Udbhav : Jibner Prayaejane - Swachchhanda Bidhane Bigyanake Kaje Laganaer Prayas Manusher Dirghadiner Kintu Adhunik Rachana Jukti O Prakaushal Bidyar Bayas Du ' Shaw Bachharer Bedshee Nay Inglyandai Pratham AE Bidyake Prayati |
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bigyan O Adhunik Jeevan Rachana,Compose Science And Modern Life,


vokalandroid