বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কে ? ...

বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন গোপাল । গোপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ৭৫০ থেকে ৭৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। পাল রাজাদের নামের শেষে "পাল" শব্দাংশটির অর্থ "রক্ষাকর্তা"। তাঁদের সঠিক জাতি-পরিচয় জানা যায় নি। তিব্বতী বৌদ্ধ পণ্ডিত তারানাথ ও খালিমপুর তাম্রলিপির বয়ান অনুসারে, গৌড়রাজ শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক শতাব্দী কাল ছিল বাংলার ইতিহাসে ঘোর অরাজকতা ও গৃহবিবাদের যুগ। বাংলা ইতিহাসে এই যুগটি "মাৎস্যন্যায়" নামে পরিচিত। মৎস্য জগতে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, তেমনি বাংলায় এই সময় শক্তিমানেরা দুর্বলদের উপর নিরন্তর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল। দেশের জনসাধারণের দুর্দশার অন্ত ছিল না। ব্যবসাবাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। রৌপ্যমুদ্রার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সর্বোপরি বাংলার প্রধান বন্দর তাম্রলিপ্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। বাংলার এই সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার হাত থেকে মুক্তি পেতে, ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে 'প্রকৃতিপুঞ্জ' অর্থাৎ, বাংলার প্রধান নাগরিকবৃন্দ গোপাল নামে এক জনপ্রিয় সামন্ত নেতাকে বাংলার রাজপদে নির্বাচিত করেন।
Romanized Version
বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন গোপাল । গোপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ৭৫০ থেকে ৭৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। পাল রাজাদের নামের শেষে "পাল" শব্দাংশটির অর্থ "রক্ষাকর্তা"। তাঁদের সঠিক জাতি-পরিচয় জানা যায় নি। তিব্বতী বৌদ্ধ পণ্ডিত তারানাথ ও খালিমপুর তাম্রলিপির বয়ান অনুসারে, গৌড়রাজ শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক শতাব্দী কাল ছিল বাংলার ইতিহাসে ঘোর অরাজকতা ও গৃহবিবাদের যুগ। বাংলা ইতিহাসে এই যুগটি "মাৎস্যন্যায়" নামে পরিচিত। মৎস্য জগতে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, তেমনি বাংলায় এই সময় শক্তিমানেরা দুর্বলদের উপর নিরন্তর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল। দেশের জনসাধারণের দুর্দশার অন্ত ছিল না। ব্যবসাবাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। রৌপ্যমুদ্রার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সর্বোপরি বাংলার প্রধান বন্দর তাম্রলিপ্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। বাংলার এই সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার হাত থেকে মুক্তি পেতে, ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে 'প্রকৃতিপুঞ্জ' অর্থাৎ, বাংলার প্রধান নাগরিকবৃন্দ গোপাল নামে এক জনপ্রিয় সামন্ত নেতাকে বাংলার রাজপদে নির্বাচিত করেন।Banglay Pratham Bangshanukramik Hasn Shuru Curren Gopal Gopal Chhilen Banglar Paul Rajabangsher Pratishthata Tini 750 Theke 770 Khristabda Parjanta Rajatba Curren Paul Rajader Namer Sheshe Paul Shabdangshatir Earth Rakshakarta Tander Sathik JATI Parichay Jaana Jay Ni Tibbati Bauddha Pandit Taranath O Khalimpur Tamralipir Bayan Anusare Gaurraj Shashanker Mrityur Par Ec Shatabdi Kaal Chhil Banglar Itihase Ghor Arajakata O Grihbibader Jug Bangla Itihase AE Jugti Matsyanyay Name Parichit Mtsya Jagate Bar Mass Jeman Chhot Machhke Gile Khay Temni Banglay AE Samay Shaktimanera Durbalader Upar Nirantar Atyachar Chaliye Jachchhil Desher Janasadharner Durdashar Anta Chhil Na Byabasabanijya Biparjasta Haye Parechhil Raupyamudrar Adanapradan Bandh Haye Giyechhil Sarbopari Banglar Pradhan Bandar Tamralipta Dhbansaprapta Hayechhil Banglar AE Samajik Rajnaitik O Arthanaitik Bishrinkhalar Haut Theke Mukti Pete 750 Khristabde Prakritipunj Arthat Banglar Pradhan Nagrikbrinda Gopal Name Ec Janapriya SAMANTA Netake Banglar Rajapade Nirbachit Curren
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কে তথ্যের স্বল্পতার কারণে প্রাক-মুসলিম যুগের বাংলার ইতিহাস পুনর্গঠন করা শ্রমসাধ্য ও কষ্টকর। এ অসুবিধা আরও বেশি করে অনুভূত হয় প্রাচীনকালের ইতিহাস রচনায়- অর্থাৎ প্রাচীনতমকাল থেকে খ্রিস্টীয় চার শতকে বাংলায় গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত। এ সময়ের ইতিহাসের উপাদানের জন্য নির্ভর করতে হয় বৈদিক, মহাকাব্যিক ও পৌরাণিক সাহিত্যের অপর্যাপ্ত তথ্য ও প্রাপ্তিসাধ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশনাদির ওপর। গুপ্তযুগ থেকে পরবর্তী সময়ের জন্য আমরা প্রস্তরাদিতে উৎকীর্ণ লিপি ও সাহিত্যাকারে লিখিত তথ্যাদি পাই। এসব তথ্যে বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসের উপাদান পাওয়া যায়। বাঙালি জাতির উদ্ভব বাঙালি জাতির মূল কাঠামো সৃষ্টির কাল প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মুসলমান অধিকারের পূর্বপর্যন্ত বিস্তৃত। সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে দু ভাগে করা যায়-প্রাক আর্য বা অনার্য নরগোষ্ঠী এবং আর্য নরগোষ্ঠী। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠী মূলত চার শাখায় বিভক্ত-নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনীয় অস্ট্রো এশিয়াটিক বা অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে বলে ধারনা করা হয়। এদের নিষাদ জাতি নামে অভিহিঁত করা হয়। প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে বাংলায় প্রবেশ করে অস্ট্রিক জাতি নেগ্রিটোদের পরাজিত করে। অস্ট্রিক জাতির সম কালে বা কিছু পরে দ্রাবিড় জাতি খাইবার গিরিপথ দিয়ে আসে এবং সভ্যতায় উন্নততর বলে তারা অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে। অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে আর্যপূর্ব বাঙালি জাতি। অর্থাৎ বাংলার প্রাচীন জাতি অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় নরগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত। এদের ভাষা ছিল অস্ট্রিক ভাষা। নৃতাত্ত্বিকভাবে এরা আদি অস্ট্রোলয়েড নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে মঙ্গোলীয়দের আগমন ঘটে। বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতীয়দের বড় অংশ মঙ্গোলয়েড। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে আফগানিস্তানের খাইবার গিরিপথ দিয়ে ককেশীয় অঞ্চলের (ইউরাল পর্বতের দক্ষিণের তৃণভূমি অঞ্চল-বর্তমান মধ্যএশিয়া, ইরান) স্তেতকায় আর্যগোষ্ঠী ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। উপমহাদেশে আগমনের অন্তত চৌদ্দশত বছর পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে বঙ্গ ভূখন্ডে আর্যদের আগমন ঘটে। স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আর্যগণ সাফল্য লাভ করে এবং বঙ্গ ভূখন্ড দখল করে নেয়। পরবর্তীতে এরা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায়। এভাবে আর্য ও অনার্য আদিম অধিবাসীদেগর সংমিশ্রণে এক নতুন মিশ্র জাতির উদ্ভব ঘটে। খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে সেমীয় গোত্রের আরবীয়গণ ধর্মপ্রচার ও বাণিজ্যের মাধ্যমে বাঙালি জাতির সঙ্গে মিশ্রিত হয়। কাজেই বর্তমান বাঙালি জাতি অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, আর্য, মঙ্গোলীয়, সেমীয়, নিগ্রো ইত্যাদি বিভিন্ন জাতির রক্তধারায় এক বিচিত্র জনগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে এর সাথে ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীও মিশে যায়। উপমহাদেশীয় সভ্যতা উয়ারী বটেশ্বরঃ উয়ারী বটেশ্বর নামক প্রত্নস্থলটি নরসিংদী জেলায় বেলাব উপজেলায় অবস্থিত। এটি কয়রা নদীর তরে অবস্থিত। ধারণা করা হয় এই প্রত্নাবশেষ ৪৫০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের। ময়নামতিঃ ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ময়নামতি প্রত্নস্থল হলো লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন। বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংসস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃত পক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ সভ্যতার অবশিষ্টাংশ। প্রত্নতাত্বিকদের মতে ইহা ‘জয়বর্মান্তবসাক’ নামক একটি প্রাচীন নগরীর অংশ বিশেষ। ধারণা করা হয় ময়নামতির ধ্বংসস্তূপে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ অষ্টম শতাব্দীর। সিন্ধু সভ্যতাঃ সিন্ধু সভ্যতা ছিল ব্রোঞ্জ যুগীয় সভ্যতা। এই সভ্যতা ১৬০০-১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পূর্ণ বিকাশ লাভ করে। প্রথম দিকে এই সভ্যতা পাঞ্জাব অঞ্চলের সিন্ধু অববাহিকায় বিকাশ লাভ করে। বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ, ভারতের পশ্চিমদিকের রাজ্যগুলো, আফগানিস্তানের দক্ষিন-পূর্ব অংশ এবং ইরানের বেলুচিস্তান এই সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়, দয়ারাম সাহানী, স্যার জন মার্শাল, এইচ ম্যাকাল প্রমুখ ব্যাক্তিগণ পাকিস্তানের করাচি এবং লাহোরের মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা আবিস্কার করেন। পরিব্রাজক ইবন বতুতাঃ মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ভারতবর্ষে আগমন করেন। ৮ বছর তিনি মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে কাজী পদে চাকরি করেন। তিনি ১৩৪৫ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন তার মতে, চতুর্দশ শহতকে পূর্ববঙ্গে দ্রব্যমূণল্য যত কম ছিল দুনিয়ার অন্য কোথাও তিনি তেমন দেখেননি। এ সময়ে ফকির-দরবেশগণ বিনাভাড়ায় নৌকা ভ্রমণ করতেন এবং প্রয়োজন মত অর্থ পেতেন। তিনি বাংলাকে দোযখপুর নিয়ামত বা ধনসম্পদ পূর্ণ নরক বলেছেন। তার রচিত বইয়ের নাম কিতাবুল রেহালা। ইবনে বতুতার বর্ণনায় শ্রীহট্ট (সিলেট), সুনুরকাও (সোনারগাও) সাত-আল গাও (চট্টগ্রাম), সুরুনদ্বীপ প্রভৃতি স্থানের বর্ণনা রয়েছে।
Romanized Version
বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কে তথ্যের স্বল্পতার কারণে প্রাক-মুসলিম যুগের বাংলার ইতিহাস পুনর্গঠন করা শ্রমসাধ্য ও কষ্টকর। এ অসুবিধা আরও বেশি করে অনুভূত হয় প্রাচীনকালের ইতিহাস রচনায়- অর্থাৎ প্রাচীনতমকাল থেকে খ্রিস্টীয় চার শতকে বাংলায় গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত। এ সময়ের ইতিহাসের উপাদানের জন্য নির্ভর করতে হয় বৈদিক, মহাকাব্যিক ও পৌরাণিক সাহিত্যের অপর্যাপ্ত তথ্য ও প্রাপ্তিসাধ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশনাদির ওপর। গুপ্তযুগ থেকে পরবর্তী সময়ের জন্য আমরা প্রস্তরাদিতে উৎকীর্ণ লিপি ও সাহিত্যাকারে লিখিত তথ্যাদি পাই। এসব তথ্যে বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসের উপাদান পাওয়া যায়। বাঙালি জাতির উদ্ভব বাঙালি জাতির মূল কাঠামো সৃষ্টির কাল প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মুসলমান অধিকারের পূর্বপর্যন্ত বিস্তৃত। সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে দু ভাগে করা যায়-প্রাক আর্য বা অনার্য নরগোষ্ঠী এবং আর্য নরগোষ্ঠী। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠী মূলত চার শাখায় বিভক্ত-নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনীয় অস্ট্রো এশিয়াটিক বা অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে বলে ধারনা করা হয়। এদের নিষাদ জাতি নামে অভিহিঁত করা হয়। প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে বাংলায় প্রবেশ করে অস্ট্রিক জাতি নেগ্রিটোদের পরাজিত করে। অস্ট্রিক জাতির সম কালে বা কিছু পরে দ্রাবিড় জাতি খাইবার গিরিপথ দিয়ে আসে এবং সভ্যতায় উন্নততর বলে তারা অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে। অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে আর্যপূর্ব বাঙালি জাতি। অর্থাৎ বাংলার প্রাচীন জাতি অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় নরগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত। এদের ভাষা ছিল অস্ট্রিক ভাষা। নৃতাত্ত্বিকভাবে এরা আদি অস্ট্রোলয়েড নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে মঙ্গোলীয়দের আগমন ঘটে। বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতীয়দের বড় অংশ মঙ্গোলয়েড। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে আফগানিস্তানের খাইবার গিরিপথ দিয়ে ককেশীয় অঞ্চলের (ইউরাল পর্বতের দক্ষিণের তৃণভূমি অঞ্চল-বর্তমান মধ্যএশিয়া, ইরান) স্তেতকায় আর্যগোষ্ঠী ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। উপমহাদেশে আগমনের অন্তত চৌদ্দশত বছর পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে বঙ্গ ভূখন্ডে আর্যদের আগমন ঘটে। স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আর্যগণ সাফল্য লাভ করে এবং বঙ্গ ভূখন্ড দখল করে নেয়। পরবর্তীতে এরা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায়। এভাবে আর্য ও অনার্য আদিম অধিবাসীদেগর সংমিশ্রণে এক নতুন মিশ্র জাতির উদ্ভব ঘটে। খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে সেমীয় গোত্রের আরবীয়গণ ধর্মপ্রচার ও বাণিজ্যের মাধ্যমে বাঙালি জাতির সঙ্গে মিশ্রিত হয়। কাজেই বর্তমান বাঙালি জাতি অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, আর্য, মঙ্গোলীয়, সেমীয়, নিগ্রো ইত্যাদি বিভিন্ন জাতির রক্তধারায় এক বিচিত্র জনগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে এর সাথে ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীও মিশে যায়। উপমহাদেশীয় সভ্যতা উয়ারী বটেশ্বরঃ উয়ারী বটেশ্বর নামক প্রত্নস্থলটি নরসিংদী জেলায় বেলাব উপজেলায় অবস্থিত। এটি কয়রা নদীর তরে অবস্থিত। ধারণা করা হয় এই প্রত্নাবশেষ ৪৫০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের। ময়নামতিঃ ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ময়নামতি প্রত্নস্থল হলো লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন। বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংসস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃত পক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ সভ্যতার অবশিষ্টাংশ। প্রত্নতাত্বিকদের মতে ইহা ‘জয়বর্মান্তবসাক’ নামক একটি প্রাচীন নগরীর অংশ বিশেষ। ধারণা করা হয় ময়নামতির ধ্বংসস্তূপে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ অষ্টম শতাব্দীর। সিন্ধু সভ্যতাঃ সিন্ধু সভ্যতা ছিল ব্রোঞ্জ যুগীয় সভ্যতা। এই সভ্যতা ১৬০০-১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পূর্ণ বিকাশ লাভ করে। প্রথম দিকে এই সভ্যতা পাঞ্জাব অঞ্চলের সিন্ধু অববাহিকায় বিকাশ লাভ করে। বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ, ভারতের পশ্চিমদিকের রাজ্যগুলো, আফগানিস্তানের দক্ষিন-পূর্ব অংশ এবং ইরানের বেলুচিস্তান এই সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায়, দয়ারাম সাহানী, স্যার জন মার্শাল, এইচ ম্যাকাল প্রমুখ ব্যাক্তিগণ পাকিস্তানের করাচি এবং লাহোরের মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা আবিস্কার করেন। পরিব্রাজক ইবন বতুতাঃ মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ভারতবর্ষে আগমন করেন। ৮ বছর তিনি মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে কাজী পদে চাকরি করেন। তিনি ১৩৪৫ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন তার মতে, চতুর্দশ শহতকে পূর্ববঙ্গে দ্রব্যমূণল্য যত কম ছিল দুনিয়ার অন্য কোথাও তিনি তেমন দেখেননি। এ সময়ে ফকির-দরবেশগণ বিনাভাড়ায় নৌকা ভ্রমণ করতেন এবং প্রয়োজন মত অর্থ পেতেন। তিনি বাংলাকে দোযখপুর নিয়ামত বা ধনসম্পদ পূর্ণ নরক বলেছেন। তার রচিত বইয়ের নাম কিতাবুল রেহালা। ইবনে বতুতার বর্ণনায় শ্রীহট্ট (সিলেট), সুনুরকাও (সোনারগাও) সাত-আল গাও (চট্টগ্রাম), সুরুনদ্বীপ প্রভৃতি স্থানের বর্ণনা রয়েছে। Banglay Pratham Bangshanukramik Hasn Shuru Curren K Tathyer Swalpatar Karne Prak Muslim Juger Banglar Itihas Punargathan Kara Shramasadhya O Kashtakar A Asubidha RO Bedshee Kare Anubhut Hay Prachinkaler Itihas Rachanay Arthat Prachinatamakal Theke Khristiya CHAR Shatake Banglay Gupta Hasn Pratishtha Parjanta A Samayer Itihaser Upadaner Janya Nirbhar Karate Hay Baidik Mahakabyik O Pauranik Sahityer Aparjapta Tathya O Praptisadhya Pratnatattbik Nirdashanadir Opar Guptajug Theke Parabarti Samayer Janya Amara Prastaradite Utkirna Lipi O Sahityakare Likhit Tathyadi Pai Esab Tathye Bangla Anchaler Itihaser Upadan Pawa Jay Bangali Jatir Udbhav Bangali Jatir Mul Kathamo Srishtir Kaal Pragaitihasik Jug Theke Musalaman Adhikarer Purbaparjanta Bistrita Samagra Bangali Janagoshthike Du Bhage Kara Jay Prak Arya Ba Anarjya Naragoshthi Evan Arya Naragoshthi Arjapurba Janagoshthi Mulat CHAR Shakhay Bibhakta Negrito Astrik Dravid O Bhotchiniya Astro Eshiyatik Ba Astrik Goshthi Theke Bangali Jatir Pradhan Angsh Gare Uthechhe Ble Dharna Kara Hya Eder Nishad JATI Name Abhihint Kara Hya Pray Paanch Chhay Hajar Bachhar Purbe Indochin Theke Banglay Prabesh Kare Astrik JATI Negritoder Parajit Kare Astrik Jatir Some Kalle Ba Kichhu Pare Dravid JATI Khaibar Giripath Diye Ase Evan Sabhyatay Unnatatar Ble Tara Astrik Jatir Upar Prabhab Bistar Kare Astrik O Dravid Jatir Sangmishrane Srishti Hayechhe Arjapurba Bangali JATI Arthat Banglar Prachin JATI Astrik O Dravid Naragoshthir Samanwaye Gathit Eder Bhasha Chhil Astrik Bhasha Nritattbikabhabe Era Adi Astrolayed Naragoshthir Antarbhukta Pray Paanch Hajar Bachhar Purbe Uttar Purwanchal Diye Mangoliyder Aagman Ghate Bangladeshe Basabaskari Upajatiyder Bar Angsh Mangolayed Khristapurba 1500 Abde Afaganistaner Khaibar Giripath Diye Kakeshiya Anchaler Yural Parbater Dakshiner Trinbhumi Anchal Bartaman Madhyaeshiya Iran Stetakay Arjagoshthi Bharatabarshe Prabesh Kare Upamahadeshe Agamaner Antat Chauddashat Bachhar Pare Khristapurba Pratham Shatake Bong Bhukhande Arjader Aagman Ghate Sthaniya Adhibasider Sathe Niyantran Pratishthar Laraiye Arjagan Safalya Love Kare Evan Bong Bhukhand Dakhal Kare Ney Parabartite Era Sthaniya Janagoshthir Sathe Mishe Jay Ebhabe Arya O Anarjya Adim Adhibasidegar Sangmishrane Ec NATUN Mishra Jatir Udbhav Ghate Khrishtiya Ashtam Shatabdite Semiya Gotrer Arabiyagan Dharmaprachar O Banijyer Madhyame Bangali Jatir Sange Mishrit Hya Kajei Bartaman Bangali JATI Astrik Dravid Arya Mangoliya Semiya Nigro Ityadi Bibhinna Jatir Raktadharay Ec Bichitra Janagoshthi Gare Othe Parabartite Aare Sathe Yuropiya Janagoshthio Mishe Jay Upamahadeshiya Sabhyata Uyari Bateshwarah Uyari Bateshwar Namak Pratnasthalati Narasingdi Jelay Belab Upajelay Abasthit AT Kayara Nadir Tre Abasthit Dharna Kara Hya AE Pratnabashesh 450 Khrista Purbabder Mayanamatih Mayanamti Bangladesher Kumillay Abasthit Ekati Aitihasik Sthan Mayanamti Pratnasthal Holo Lalmai Anchaler Prachinatam Sabhyatar Nidarshan Bartamane Mayanamti Anchale Je Dhbansastup Dekha Jay Ta Prakrit Pakshe Ekati Prachin Nagari O Bauddha Sabhyatar Abashishtangsh Pratnatatbikader Mate Iha ‘jayabarmantabasako Namak Ekati Prachin Nagarir Angsh Vishesha Dharna Kara Hya Mayanamtir Dhbansastupe Prapta Nidarshanasamuh Ashtam Shatabdir Sindhu Sabhyatah Sindhu Sabhyata Chhil Bronj Jugiya Sabhyata AE Sabhyata 1600 1900 Khristapurbabde Purna Vikas Love Kare Pratham Dike AE Sabhyata Punjab Anchaler Sindhu Ababahikay Vikas Love Kare Bartaman Pakistan Rashtrer Pray Sampurna Angsh Bharter Pashchimadiker Rajyagulo Afaganistaner Dakshin Purba Angsh Evan Iraner Beluchistan AE Sabhyatar Antarbhukta Chhil Rakhal Das Bandopadhyay Dayaram Sahani Syar John Marshal H Myakal Pramukh Byaktigan Pakistaner Karachi Evan Lahorer Madhye Sindhu Sabhyata Abiskar Curren Paribrajak Ebon Batutah Marakkor Parjatak Ibane Batuta 1333 Khristabde Muhammed Binh Tughalaker Shasnamle Bharatabarshe Aagman Curren 8 Bachhar Tini Muhammed Binh Tughalaker Adhine Kazi Pode Chakri Curren Tini 1345 Sale Fakharuddin Mubarak Shaher Shasnamle Banglay Aagman Curren Taur Mate Chaturdash Shahatake Purbabange Drabyamunalya Jat Com Chhil Duniyar Anya Kothao Tini Teman Dekhenani A Some Fakir Darabeshagan Binabharay Nauka Bhraman Karaten Evan Prayojan Matt Earth Peten Tini Banglake Dojakhapur Niamot Ba Dhanasampad Purna Narok Balechhen Taur Rachit Baiyer NAM Kitabul Rehala Ibane Batutar Barnanay Shrihatta Silet Sunurkao Sonargao Saat Al Gao Chattagram Surunadwip Prabhriti Sthaner Barnana Rayechhe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Banglay Pratham Bangshanukramik Hasn Shuru Curren K ?,Who Started The First Hierarchical Rule In Bengal?,


vokalandroid