বিখ্যাত ফাঁসি লেখ। ...

বিখ্যাত মৃত্যুদণ্ডের জন্য ব্যবহূত সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি হচ্ছে ফাঁসিতে ঝোলানো। বিখ্যাত বিশেষত মধ্যযুগ থেকে এ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়াটা সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়। তবে এ পদ্ধতিতে অতীতে অনেক সময়ই দণ্ডপ্রাপ্তের মৃত্যু ঘটত না, ফাঁসি দেয়ার পরও বেঁচে যাওয়ার বিখ্যাত ইতিহাস আছে। কিন্তু তার পরও বহু শতক ধরে এ পদ্ধতি অপরিবর্তিত ছিল। ফাঁসি দিলে কীভাবে মানুষের মৃত্যু হয়, তার সুনির্দিষ্ট প্যাথোসাইকোলজিক্যাল প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত আত্মহত্যার জন্য গলায় ফাঁস নেয়াটা দুনিয়াজুড়েই দেখা যায়। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথম লিখিত বিবরণীটি পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ওডেসিতে। আর ওডেসি লেখা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ থেকে ৬০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। নায়ক অডিসিয়াস ও তার স্ত্রী পেনেলোপে তাদের ১২ জন চাকরকে ফাঁসি দেয়। এরপর ফাঁসির দৃষ্টান্ত দেখা যায় পঞ্চম শতকে। এ সময় বিভিন্ন জার্মান জাতি রোমান সাম্রাজ্য ও ইংল্যান্ড আক্রমণ করে। ইউরোপে শাস্তি হিসেবে ফাঁসি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রাজদ্রোহ, ডাকাতি, খুন, দস্যুতার শাস্তি হিসেবে ফাঁসিকে গ্রহণ করা হয়। রাজা অষ্টম হেনরির শাসনামলে তিনি ৭২ হাজার মানুষের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এ মৃত্যুদণ্ডের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ফাঁসিও ছিল। শুধু যে পুরুষদেরই ফাঁসিতে ঝোলানো হতো তা নয়, নারী ও শিশুদেরও দেখা যেত ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে। ফাঁসি দেয়ার কৌশল দুনিয়ায় জনপ্রিয় করেছিল অ্যাংলো, স্যাক্সন ও জার্মান গোষ্ঠী জুটস। পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যে আক্রমণ করে তারা এ শাস্তিকে বহুল ব্যবহার করেছিল এবং এ সংস্কৃতি অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়ে গেছে আজকের দুনিয়াতেও। সেই আমলে ফাঁসিকাষ্ঠ ছিল গাছের ডাল, ভুক্তভোগীদের গাছের ডাল থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। এরপর ফাঁসি দেয়ার পদ্ধতিতে নানা ধরনের সংস্কার হলেও মূল কৌশলটি একই রয়ে যায়, আর তা হলো শ্বাসরোধ।
Romanized Version
বিখ্যাত মৃত্যুদণ্ডের জন্য ব্যবহূত সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি হচ্ছে ফাঁসিতে ঝোলানো। বিখ্যাত বিশেষত মধ্যযুগ থেকে এ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়াটা সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়। তবে এ পদ্ধতিতে অতীতে অনেক সময়ই দণ্ডপ্রাপ্তের মৃত্যু ঘটত না, ফাঁসি দেয়ার পরও বেঁচে যাওয়ার বিখ্যাত ইতিহাস আছে। কিন্তু তার পরও বহু শতক ধরে এ পদ্ধতি অপরিবর্তিত ছিল। ফাঁসি দিলে কীভাবে মানুষের মৃত্যু হয়, তার সুনির্দিষ্ট প্যাথোসাইকোলজিক্যাল প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত আত্মহত্যার জন্য গলায় ফাঁস নেয়াটা দুনিয়াজুড়েই দেখা যায়। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথম লিখিত বিবরণীটি পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ওডেসিতে। আর ওডেসি লেখা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ থেকে ৬০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। নায়ক অডিসিয়াস ও তার স্ত্রী পেনেলোপে তাদের ১২ জন চাকরকে ফাঁসি দেয়। এরপর ফাঁসির দৃষ্টান্ত দেখা যায় পঞ্চম শতকে। এ সময় বিভিন্ন জার্মান জাতি রোমান সাম্রাজ্য ও ইংল্যান্ড আক্রমণ করে। ইউরোপে শাস্তি হিসেবে ফাঁসি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রাজদ্রোহ, ডাকাতি, খুন, দস্যুতার শাস্তি হিসেবে ফাঁসিকে গ্রহণ করা হয়। রাজা অষ্টম হেনরির শাসনামলে তিনি ৭২ হাজার মানুষের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এ মৃত্যুদণ্ডের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ফাঁসিও ছিল। শুধু যে পুরুষদেরই ফাঁসিতে ঝোলানো হতো তা নয়, নারী ও শিশুদেরও দেখা যেত ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে। ফাঁসি দেয়ার কৌশল দুনিয়ায় জনপ্রিয় করেছিল অ্যাংলো, স্যাক্সন ও জার্মান গোষ্ঠী জুটস। পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যে আক্রমণ করে তারা এ শাস্তিকে বহুল ব্যবহার করেছিল এবং এ সংস্কৃতি অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়ে গেছে আজকের দুনিয়াতেও। সেই আমলে ফাঁসিকাষ্ঠ ছিল গাছের ডাল, ভুক্তভোগীদের গাছের ডাল থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। এরপর ফাঁসি দেয়ার পদ্ধতিতে নানা ধরনের সংস্কার হলেও মূল কৌশলটি একই রয়ে যায়, আর তা হলো শ্বাসরোধ।Bikhyat Mrityudander Janya Byabahut Sabacheye Prachin Paddhati Hachchhe Fansite Jholano Bikhyat Bisheshat Madhyajug Theke A Paddhatite Mrityudand Deyata Sadharan Niamey Parinat Hya Tove A Paddhatite Atite Anek Samayai Dandaprapter Mrityu Ghatat Na Fansi Their Parao Benche Jawar Bikhyat Itihas Ache Kintu Taur Parao Bahu Shatak Dhare A Paddhati Aparibartit Chhil Fansi Dile Kibhabe Manusher Mrityu Hya Taur Sunirdishta Pyathosaikoljikyal Prakriya Udbhabit Hya Unish Shataker Shurur Dike Mrityudand Byatit Atmahatyar Janya Galay Phas Neyata Duniyajurei Dekha Jay Fansite Jhuliye Mrityudand Karjakar Karar Pratham Likhit Bibaraniti Powa Jay Grik Cbe Homarer Mahakabya Odesite Are Odesi Lekha Hayechhil Khristapurba 800 Theke 600 Abder Madhyabarti Some Nayak Adisiyas O Taur Stri Penelope Tader 12 John Chakarake Fansi Dey Erapar Fansir Drishtanta Dekha Jay Panchama Shatake A Camay Bibhinna Jarman JATI Roman Samrajya O Inland Akraman Kare Yurope Shasti Hisebe Fansi Janapriya Huye Othe Rajadroh Dakati Khoon Dasyutar Shasti Hisebe Fansike Grahan Kara Hya Raja Ashtam Henrir Shasnamle Tini 72 Hajar Manusher Mrityudander Adays Jari Curren A Mrityudander Janya Bibhinna Paddhati Suparish Kara Hayechhil Jar Madhye Fansio Chhil Shudhu Je Purushderai Fansite Jholano Hato Ta Noy Nari O Shishuderao Dekha Jet Fansikashthe Jhulte Fansi Their Kaushal Duniyay Janapriya Karechhil Anglo Syaksan O Jarman Goshthi Jutas Panchama Shatake Roman Samrajye Akraman Kare Tara A Shastike Bahul Byabahar Karechhil Evan A Sanskriti Anektai Aparibartit Re Gechhe Ajaker Duniyateo Sei Amole Fansikashtha Chhil Gachher Dal Bhuktabhogider Gachher Dal Theke Jhuliye Dea Hato Erapar Fansi Their Paddhatite Nana Dharaner Sanskar Haleo Mul Kaushalati Ekai Re Jay Are Ta Holo Shwasarodh
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বিখ্যাত ফাঁসি : মৃত্যুদণ্ডের জন্য ব্যবহূত সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি হচ্ছে ফাঁসিতে ঝোলানো। বিশেষত মধ্যযুগ থেকে এ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়াটা সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়। তবে এ পদ্ধতিতে অতীতে অনেক সময়ই দণ্ডপ্রাপ্তের মৃত্যু ঘটত না, ফাঁসি দেয়ার পরও বেঁচে যাওয়ার ইতিহাস আছে। কিন্তু তার পরও বহু শতক ধরে এ পদ্ধতি অপরিবর্তিত ছিল। ফাঁসি দিলে কীভাবে মানুষের মৃত্যু হয়, তার সুনির্দিষ্ট প্যাথোসাইকোলজিক্যাল প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত আত্মহত্যার জন্য গলায় ফাঁস নেয়াটা দুনিয়াজুড়েই দেখা যায়। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথম লিখিত বিবরণীটি পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ওডেসিতে। আর ওডেসি লেখা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ থেকে ৬০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। নায়ক অডিসিয়াস ও তার স্ত্রী পেনেলোপে তাদের ১২ জন চাকরকে ফাঁসি দেয়। এরপর ফাঁসির দৃষ্টান্ত দেখা যায় পঞ্চম শতকে। এ সময় বিভিন্ন জার্মান জাতি রোমান সাম্রাজ্য ও ইংল্যান্ড আক্রমণ করে। ইউরোপে শাস্তি হিসেবে ফাঁসি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রাজদ্রোহ, ডাকাতি, খুন, দস্যুতার শাস্তি হিসেবে ফাঁসিকে গ্রহণ করা হয়। রাজা অষ্টম হেনরির শাসনামলে তিনি ৭২ হাজার মানুষের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এ মৃত্যুদণ্ডের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ফাঁসিও ছিল। শুধু যে পুরুষদেরই ফাঁসিতে ঝোলানো হতো তা নয়, নারী ও শিশুদেরও দেখা যেত ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে। ফাঁসি দেয়ার কৌশল দুনিয়ায় জনপ্রিয় করেছিল অ্যাংলো, স্যাক্সন ও জার্মান গোষ্ঠী জুটস। পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যে আক্রমণ করে তারা এ শাস্তিকে বহুল ব্যবহার করেছিল এবং এ সংস্কৃতি অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়ে গেছে আজকের দুনিয়াতেও। সেই আমলে ফাঁসিকাষ্ঠ ছিল গাছের ডাল, ভুক্তভোগীদের গাছের ডাল থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। এরপর ফাঁসি দেয়ার পদ্ধতিতে নানা ধরনের সংস্কার হলেও মূল কৌশলটি একই রয়ে যায়, আর তা হলো শ্বাসরোধ। তবে পুরনো দিনে ফাঁসি দেয়ার পর অনেকে বেঁচে যাওয়ারও উদাহরণ আছে। এমনকি আদালতের বিচারে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অনেকেও ফাঁসি দেয়ার পর বেঁচে গেছে। ফাঁসি দেয়ার আদর্শ পদ্ধতির যাত্রা হয় উনিশ শতকে। ১৮৬৬ সালে ডা. স্যামুয়েল হগটন ফাঁসির একটি আদর্শ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যা স্ট্যান্ডার্ড ড্রপ পদ্ধতি নামে পরিচিত। এরপর ১৮৭২ সালে চালু হয় উইলিয়াম মারউডের তথাকথিত লঙ ড্রপ পদ্ধতি। তবে গিঁটের পিছলে যাওয়া রোধ করতে সাবঅরাল গিঁটের পরিবর্তে ঐতিহ্যবাহী সাবমেন্টাল গিঁট ব্যবহার শুরু হলো। সাবঅরাল গিঁটের বেশকিছু দুর্বলতা ছিল। এরপর এ পদ্ধতিকে আরো আদর্শকরণ করেন জন বেরি। এই জন বেরি ছিলেন একজন জল্লাদ, যিনি ফাঁসি কার্যকর করতেন। বেরি ফাঁসি দেয়ার আগে প্রত্যেকজনের জন্য কত উঁচু থেকে ফেলতে হবে, তার আলাদা হিসাব করতেন। লর্ড অ্যাবেরডেয়ারের নেতৃত্বে মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে একটি ব্রিটিশ কমিটি গঠিত হয়, যারা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করে। এ কমিটি সাবমেন্টাল গিঁটকেই সুপারিশ করে। ১৯১৩ সালে ফ্রেডেরিক উড জোনস ফাঁসিতে মৃত্যু সম্পর্কে তার আলোচিত কাজ প্রকাশ করেন। তিনিই প্রথম ফাঁসিতে মানুষের শারীরিক বৃত্তান্ত প্রকাশ করেন। তিনি দেখান যে, ঘাড় ভেঙে মানুষের মৃত্যু হয় আর এটা নিশ্চিত হয় লং ড্রপ ও সাবমেন্টাল গিঁটের মাধ্যমে। শ্নেইডার ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম ‘হ্যাঙম্যানস ফ্রাকচার’ টার্মটি ব্যবহার করেন। তিনি বিচারিক ফাঁসি ও মোটরগাড়ি দুর্ঘটনার ফলে মানুষের ঘাড় ভাঙার যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করেন।
Romanized Version
বিখ্যাত ফাঁসি : মৃত্যুদণ্ডের জন্য ব্যবহূত সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি হচ্ছে ফাঁসিতে ঝোলানো। বিশেষত মধ্যযুগ থেকে এ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়াটা সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়। তবে এ পদ্ধতিতে অতীতে অনেক সময়ই দণ্ডপ্রাপ্তের মৃত্যু ঘটত না, ফাঁসি দেয়ার পরও বেঁচে যাওয়ার ইতিহাস আছে। কিন্তু তার পরও বহু শতক ধরে এ পদ্ধতি অপরিবর্তিত ছিল। ফাঁসি দিলে কীভাবে মানুষের মৃত্যু হয়, তার সুনির্দিষ্ট প্যাথোসাইকোলজিক্যাল প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত আত্মহত্যার জন্য গলায় ফাঁস নেয়াটা দুনিয়াজুড়েই দেখা যায়। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথম লিখিত বিবরণীটি পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ওডেসিতে। আর ওডেসি লেখা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ থেকে ৬০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। নায়ক অডিসিয়াস ও তার স্ত্রী পেনেলোপে তাদের ১২ জন চাকরকে ফাঁসি দেয়। এরপর ফাঁসির দৃষ্টান্ত দেখা যায় পঞ্চম শতকে। এ সময় বিভিন্ন জার্মান জাতি রোমান সাম্রাজ্য ও ইংল্যান্ড আক্রমণ করে। ইউরোপে শাস্তি হিসেবে ফাঁসি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রাজদ্রোহ, ডাকাতি, খুন, দস্যুতার শাস্তি হিসেবে ফাঁসিকে গ্রহণ করা হয়। রাজা অষ্টম হেনরির শাসনামলে তিনি ৭২ হাজার মানুষের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এ মৃত্যুদণ্ডের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ফাঁসিও ছিল। শুধু যে পুরুষদেরই ফাঁসিতে ঝোলানো হতো তা নয়, নারী ও শিশুদেরও দেখা যেত ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে। ফাঁসি দেয়ার কৌশল দুনিয়ায় জনপ্রিয় করেছিল অ্যাংলো, স্যাক্সন ও জার্মান গোষ্ঠী জুটস। পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যে আক্রমণ করে তারা এ শাস্তিকে বহুল ব্যবহার করেছিল এবং এ সংস্কৃতি অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়ে গেছে আজকের দুনিয়াতেও। সেই আমলে ফাঁসিকাষ্ঠ ছিল গাছের ডাল, ভুক্তভোগীদের গাছের ডাল থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। এরপর ফাঁসি দেয়ার পদ্ধতিতে নানা ধরনের সংস্কার হলেও মূল কৌশলটি একই রয়ে যায়, আর তা হলো শ্বাসরোধ। তবে পুরনো দিনে ফাঁসি দেয়ার পর অনেকে বেঁচে যাওয়ারও উদাহরণ আছে। এমনকি আদালতের বিচারে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অনেকেও ফাঁসি দেয়ার পর বেঁচে গেছে। ফাঁসি দেয়ার আদর্শ পদ্ধতির যাত্রা হয় উনিশ শতকে। ১৮৬৬ সালে ডা. স্যামুয়েল হগটন ফাঁসির একটি আদর্শ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যা স্ট্যান্ডার্ড ড্রপ পদ্ধতি নামে পরিচিত। এরপর ১৮৭২ সালে চালু হয় উইলিয়াম মারউডের তথাকথিত লঙ ড্রপ পদ্ধতি। তবে গিঁটের পিছলে যাওয়া রোধ করতে সাবঅরাল গিঁটের পরিবর্তে ঐতিহ্যবাহী সাবমেন্টাল গিঁট ব্যবহার শুরু হলো। সাবঅরাল গিঁটের বেশকিছু দুর্বলতা ছিল। এরপর এ পদ্ধতিকে আরো আদর্শকরণ করেন জন বেরি। এই জন বেরি ছিলেন একজন জল্লাদ, যিনি ফাঁসি কার্যকর করতেন। বেরি ফাঁসি দেয়ার আগে প্রত্যেকজনের জন্য কত উঁচু থেকে ফেলতে হবে, তার আলাদা হিসাব করতেন। লর্ড অ্যাবেরডেয়ারের নেতৃত্বে মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে একটি ব্রিটিশ কমিটি গঠিত হয়, যারা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করে। এ কমিটি সাবমেন্টাল গিঁটকেই সুপারিশ করে। ১৯১৩ সালে ফ্রেডেরিক উড জোনস ফাঁসিতে মৃত্যু সম্পর্কে তার আলোচিত কাজ প্রকাশ করেন। তিনিই প্রথম ফাঁসিতে মানুষের শারীরিক বৃত্তান্ত প্রকাশ করেন। তিনি দেখান যে, ঘাড় ভেঙে মানুষের মৃত্যু হয় আর এটা নিশ্চিত হয় লং ড্রপ ও সাবমেন্টাল গিঁটের মাধ্যমে। শ্নেইডার ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম ‘হ্যাঙম্যানস ফ্রাকচার’ টার্মটি ব্যবহার করেন। তিনি বিচারিক ফাঁসি ও মোটরগাড়ি দুর্ঘটনার ফলে মানুষের ঘাড় ভাঙার যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করেন। Bikhyat Fansi : Mrityudander Janya Byabahut Sabacheye Prachin Paddhati Hachchhe Fansite Jholano Bisheshat Madhyajug Theke A Paddhatite Mrityudand Deyata Sadharan Niamey Parinat Hya Tove A Paddhatite Atite Anek Samayai Dandaprapter Mrityu Ghatat Na Fansi Their Parao Benche Jawar Itihas Ache Kintu Taur Parao Bahu Shatak Dhare A Paddhati Aparibartit Chhil Fansi Dile Kibhabe Manusher Mrityu Hya Taur Sunirdishta Pyathosaikoljikyal Prakriya Udbhabit Hya Unish Shataker Shurur Dike Mrityudand Byatit Atmahatyar Janya Galay Phas Neyata Duniyajurei Dekha Jay Fansite Jhuliye Mrityudand Karjakar Karar Pratham Likhit Bibaraniti Powa Jay Grik Cbe Homarer Mahakabya Odesite Are Odesi Lekha Hayechhil Khristapurba 800 Theke 600 Abder Madhyabarti Some Nayak Adisiyas O Taur Stri Penelope Tader 12 John Chakarake Fansi Dey Erapar Fansir Drishtanta Dekha Jay Panchama Shatake A Camay Bibhinna Jarman JATI Roman Samrajya O Inland Akraman Kare Yurope Shasti Hisebe Fansi Janapriya Huye Othe Rajadroh Dakati Khoon Dasyutar Shasti Hisebe Fansike Grahan Kara Hya Raja Ashtam Henrir Shasnamle Tini 72 Hajar Manusher Mrityudander Adays Jari Curren A Mrityudander Janya Bibhinna Paddhati Suparish Kara Hayechhil Jar Madhye Fansio Chhil Shudhu Je Purushderai Fansite Jholano Hato Ta Noy Nari O Shishuderao Dekha Jet Fansikashthe Jhulte Fansi Their Kaushal Duniyay Janapriya Karechhil Anglo Syaksan O Jarman Goshthi Jutas Panchama Shatake Roman Samrajye Akraman Kare Tara A Shastike Bahul Byabahar Karechhil Evan A Sanskriti Anektai Aparibartit Re Gechhe Ajaker Duniyateo Sei Amole Fansikashtha Chhil Gachher Dal Bhuktabhogider Gachher Dal Theke Jhuliye Dea Hato Erapar Fansi Their Paddhatite Nana Dharaner Sanskar Haleo Mul Kaushalati Ekai Re Jay Are Ta Holo Shwasarodh Tove Purno Dine Fansi Their Par Aneke Benche Jawarao Udaharan Ache Emanaki Adalter Bichare Mrityudand Powa Anekeo Fansi Their Par Benche Gechhe Fansi Their Adarsh Paddhatir Jatra Hya Unish Shatake 1866 Sale Da Syamuyel Hagatan Fansir Ekati Adarsh Paddhati Udbhaban Curren Ja Styandard Drop Paddhati Name Parichit Erapar 1872 Sale Chalu Hya Uiliyam Marauder Tathakthit Lang Drop Paddhati Tove Ginter Pichhle Jawa Rodh Karate Sabaral Ginter Paribarte Aitihyabahi Sabmental Gint Byabahar Shuru Holo Sabaral Ginter Beshkichhu Durbalata Chhil Erapar A Paddhatike Aro Adarshakaran Curren John Beri AE John Beri Chhilen Ekajan Jallad Jini Fansi Karjakar Karaten Beri Fansi Their Age Pratyekajaner Janya Kat Unchu Theke Felte Habe Taur Alada Hisab Karaten Lord Aberdeyarer Netritbe Mrityudand Vise Ekati British Kamiti Gathit Hya Jara Mrityudand Karjakar Karar Bibhinna Paddhati Alochana Kare A Kamiti Sabmental Gintakei Suparish Kare 1913 Sale Frederik Would Jona Fansite Mrityu Samparke Taur Alochit Kaj Prakash Curren Tinii Pratham Fansite Manusher Sharirik Brittanta Prakash Curren Tini Dekhan Je Ghar Bhenge Manusher Mrityu Hya Are Etah Nishchit Hya Long Drop O Sabmental Ginter Madhyame Shneidar 1965 Sale Sarbapratham ‘hyangamyanas Frakacharo Tarmati Byabahar Curren Tini Bicharik Fansi O Motaragari Durghatanar Fale Manusher Ghar Bhangar Je Sadrishya Rayechhe Ta Byakhya Curren
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bikhyat Fansi Lekh,Wrote Famous Hanging.,


vokalandroid