অ্যালভিওলাসের গঠন সম্পর্কে লেখ। ...

অ্যালভিওলাসের গঠন - অ্যালভিওলাসের গঠন : অ্যালভিওলাসের গঠন হল স্তন্যপায়ীর ফুসফুসের বুনট স্পঞ্জের মত এবং এপিথেলিয়ামের স্তর দ্বারা গঠিত এর কুন্চিত অন্তস্থঃতল বহিস্থঃতল অপেক্ষা অনেক বড়। মানুষের ফুসফুস এজাতীয় ফুসফুসের প্রতিনিধিত্বকারী। আজকের ভূচরী মেরুদন্ডীর ফুসফুস এবং মাছের গ্যাস ব্লাডার প্রাণীর ইন্টেস্টাইনের উপরের অংশের সামান্য ভাঁজ হতে বিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, যা প্রাণীকে অক্সিজেন-সল্পতায় বায়ু ধরে রাখতে সাহায্য করতো। সেই জন্য মেরুদন্ডীর ফুসফুস মাছের গ্যাস ব্লাডারের সদৃশ্য (কিন্তু তাদের ফুলকার সঙ্গে নয়)। এই বিষয়টি দ্বারা প্রতিফলিত হয় যে ভ্রুণের ফুসফুস ইন্টেস্টাইনের উর্ধাংশের পার্শ্ব বিকাশের ফল এবং গ্যাস ব্লাডারের ক্ষেত্রে, এই অন্ত্রের সাথের সংযোগ নিউমেটিক ডাক্ট হিসাবে ‘আদিম” টেলিওষ্ট-দের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আছে এবং উচ্চ শ্রেণীগুলোতে যা বিলুপ্ত হয়েছে। ফুসফুস ও গ্যাস ব্লাডার উভয় প্রত্যঙ্গ বিশিষ্ট কোন প্রাণীর অস্তিত্ব নেই।
Romanized Version
অ্যালভিওলাসের গঠন - অ্যালভিওলাসের গঠন : অ্যালভিওলাসের গঠন হল স্তন্যপায়ীর ফুসফুসের বুনট স্পঞ্জের মত এবং এপিথেলিয়ামের স্তর দ্বারা গঠিত এর কুন্চিত অন্তস্থঃতল বহিস্থঃতল অপেক্ষা অনেক বড়। মানুষের ফুসফুস এজাতীয় ফুসফুসের প্রতিনিধিত্বকারী। আজকের ভূচরী মেরুদন্ডীর ফুসফুস এবং মাছের গ্যাস ব্লাডার প্রাণীর ইন্টেস্টাইনের উপরের অংশের সামান্য ভাঁজ হতে বিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, যা প্রাণীকে অক্সিজেন-সল্পতায় বায়ু ধরে রাখতে সাহায্য করতো। সেই জন্য মেরুদন্ডীর ফুসফুস মাছের গ্যাস ব্লাডারের সদৃশ্য (কিন্তু তাদের ফুলকার সঙ্গে নয়)। এই বিষয়টি দ্বারা প্রতিফলিত হয় যে ভ্রুণের ফুসফুস ইন্টেস্টাইনের উর্ধাংশের পার্শ্ব বিকাশের ফল এবং গ্যাস ব্লাডারের ক্ষেত্রে, এই অন্ত্রের সাথের সংযোগ নিউমেটিক ডাক্ট হিসাবে ‘আদিম” টেলিওষ্ট-দের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আছে এবং উচ্চ শ্রেণীগুলোতে যা বিলুপ্ত হয়েছে। ফুসফুস ও গ্যাস ব্লাডার উভয় প্রত্যঙ্গ বিশিষ্ট কোন প্রাণীর অস্তিত্ব নেই।Albhiolaser Gathan - Albhiolaser Gathan : Albhiolaser Gathan Hall Stanyapayir Fusfuser Bunat Spanjer Matt Evan Epitheliyamer Stor Dwara Gathit Aare Kunchit Antasthahtal Bahisthahtal Apeksha Anek Bar Manusher Fusfus Ejatiya Fusfuser Pratinidhitbakari Ajaker Bhuchri Merudandir Fusfus Evan Machher Gas Bladar Pranir Intestainer Uparer Angsher Samanya Bhanj Hate Bibartaner Madhyame Gathit Hayechhe Ja Pranike Oxygen Salpatay Bayu Dhare Rakhte Sahajya Karato Sei Janya Merudandir Fusfus Machher Gas Bladarer Sadrishya Kintu Tader Fulkar Sange Nay AE Bishayati Dwara Pratiflit Hay Je Bhruner Fusfus Intestainer Urdhangsher Parshwa Bikasher Fall Evan Gas Bladarer Xetre AE Antrer Sather Sangjog Pneumatic Duct Hisabe ‘adim” Telioshta Their Xetre Bidyaman Ache Evan Uchch Shrenigulote Ja Bilupta Hayechhe Fusfus O Gas Bladar Ubhay Pratyanga Bishishta Koun Pranir Astitva Nei
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান-প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ গঠন দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভীওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্য কাজও আছে। অ্যারোবিক রেসপিরেশন গঠন দ্বারা শক্তি উৎপাদনে অক্সিজেন প্রয়োজন এবং উপজাত হিসাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। ফলে কার্যকরভাবে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ এবং কোষ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করার প্রযোজনীয়তা তৈরি হয়। ক্ষুদ্রজীবে, যেমন এককোষী ব্যাকটেরিয়ায়, এই বায়ু বিনিময় পদ্ধতি পুরোপুরিভাবে সরল ব্যপনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। বৃহৎ জীবে যা সম্ভব নয়, কারণ বায়ুমন্ডল হতে ব্যপনের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করার জন্য ক্ষুদ্র একটি অংশই মাত্র তার বহিরাবরনের নিকটে থাকে। দুটি প্রধান অভিযোজন জীবের জন্য বহুকোষীয়তা অর্জন সম্ভব করেছে: একটি কার্যকারী সংবহনতন্ত্র (circulatory system) যা দেহের গভীরতম কলাসমূহে রক্তের মাধ্যমে গ্যাসের আদান প্রদান করে, এবং একটি বৃহৎ অভ্যন্তরীণায়ীত শ্বসনতন্ত্র (respiratory system) যা বায়ুমন্ডল হতে অক্সিজেন আহরন করে দেহে সর্বরাহ করার কাজকে কেন্দ্রীভূত করে, যেখান থেকে একে দ্রুত সংবহনতন্ত্রে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। বায়ু-শ্বাসী মেরুদন্ডীদের শ্বাসপ্রশ্বাস একটি ধারাবাহিক পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। বায়ু শ্বাসনালীর মাধ্যমে প্রাণীর ভেতরে প্রবেশ করে- যা সরিসৃপ, পাখী এবং স্তন্যপায়ী প্রানীর ক্ষেত্রে প্রায়শ নাক, ফ্যারিংক্স, ল্যারিংক্স, ট্রাকিয়া (বায়ুনালীও বলা হয়), ব্রাংকাই ও ব্রাংকিওল; এবং শ্বসন বৃক্ষের (respiratory tree) প্রান্তিক প্রশাখা সমূহ দ্বারা গঠিত। স্তন্যপায়ী প্রানীর ফুসফুসগুলো প্রচুর অ্যালভিওলাসের দ্বারা গঠিত, যা বায়ু বিনিময়ের জন্য বৃহৎ পৃষ্ঠতল সরবরাহ করে থাকে। অ্যালভিওলাইয়ের গঠন পৃষ্ঠদেশের উপরে সূক্ষ কৌশিকনালীর একটি জালিকার ভেতর দিয়ে রক্ত চলাচল করে। বায়ু হতে প্রাপ্ত অক্সিজেন অ্যালভিওলাসের ভিতরে রক্তপ্রবাহে ব্যপিত হয়, এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত হতে অ্যালভিওলাসের ব্যপিত হয়, উভয়ই পাতলা অ্যালভিওলিয় পর্দার গঠন (alveolar membrane) ভেতর দিয়ে সম্পন্ন হয়। শ্বাসকষ্ট— বাজি পোড়ালে বেরয় ধোঁয়া। এই ধোঁয়ার মধ্যে মিশে থাকে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস ও রাসায়নিক। এক্ষেত্রে বাজি পোড়ানোর সময় সরাসরি সেই ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছে জটিলতার সৃষ্টি করে। সমস্যা হয় বিভিন্ন রকম। রেসিপিরেটরি ট্র্যাকের প্রদাহ থেকে ছোট ছোট শ্বাসনালীর গঠন সংকুচিত হয়ে যায়। শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। এছাড়া অনেকসময় ফুসফুসে গ্যাস আদানপ্রদানকারী অ্যালভিওলাস, অ্যালভিওলাসের ইন্টারস্টিসিয়াম ও ইন্টারস্টিসিয়ামের বাইরের রক্তনালীগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের শ্বাসগ্রহণের ক্ষমতা কমে যেতে পারে। আবার অন্যদিক থেকে দেখলে, বাজির ধোঁয়ায় থাকা ক্ষতিকারক গ্যাস ও রাসায়নিক মিশছে বাতাসে। এমনিতেই বাতাসে দূষণের পরিমাণ অত্যধিক। তার মধ্যে বাজির ধোঁয়া বাতাসে মিশে সমস্যাকে আরও ঘোরালো করে তুলছে। সেক্ষেত্রে সমস্যা হল, কোনও ব্যক্তি আতসবাজি পোড়াক আর না পোড়াক, দূষিত বায়ুতে শ্বাস নিতে গিয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় পড়ছেন। ব্যক্তিভেদে শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বিভিন্ন রকম হয়। এই সমস্যা যে কোনও ব্যক্তিরই হতে পারে। এই রোগের পূর্ব ইতিহাস থাকলে সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলেই প্রথমেই রোগীকে একটু ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান। শান্ত হয়ে বসতে দিন। রোগী ইনহেলার নিলে, শীঘ্রই সেটা নিতে হবে। অহেতুক অন্যান্য কোনও ওষুধ দেবেন না। এর থেকে সমস্যা আরও বিগড়ে যেতে পারে। সমস্যা একটু বাড়লেই রোগীকে কাছাকাছি কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যান।
Romanized Version
ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান-প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ গঠন দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভীওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্য কাজও আছে। অ্যারোবিক রেসপিরেশন গঠন দ্বারা শক্তি উৎপাদনে অক্সিজেন প্রয়োজন এবং উপজাত হিসাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। ফলে কার্যকরভাবে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ এবং কোষ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করার প্রযোজনীয়তা তৈরি হয়। ক্ষুদ্রজীবে, যেমন এককোষী ব্যাকটেরিয়ায়, এই বায়ু বিনিময় পদ্ধতি পুরোপুরিভাবে সরল ব্যপনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। বৃহৎ জীবে যা সম্ভব নয়, কারণ বায়ুমন্ডল হতে ব্যপনের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করার জন্য ক্ষুদ্র একটি অংশই মাত্র তার বহিরাবরনের নিকটে থাকে। দুটি প্রধান অভিযোজন জীবের জন্য বহুকোষীয়তা অর্জন সম্ভব করেছে: একটি কার্যকারী সংবহনতন্ত্র (circulatory system) যা দেহের গভীরতম কলাসমূহে রক্তের মাধ্যমে গ্যাসের আদান প্রদান করে, এবং একটি বৃহৎ অভ্যন্তরীণায়ীত শ্বসনতন্ত্র (respiratory system) যা বায়ুমন্ডল হতে অক্সিজেন আহরন করে দেহে সর্বরাহ করার কাজকে কেন্দ্রীভূত করে, যেখান থেকে একে দ্রুত সংবহনতন্ত্রে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। বায়ু-শ্বাসী মেরুদন্ডীদের শ্বাসপ্রশ্বাস একটি ধারাবাহিক পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। বায়ু শ্বাসনালীর মাধ্যমে প্রাণীর ভেতরে প্রবেশ করে- যা সরিসৃপ, পাখী এবং স্তন্যপায়ী প্রানীর ক্ষেত্রে প্রায়শ নাক, ফ্যারিংক্স, ল্যারিংক্স, ট্রাকিয়া (বায়ুনালীও বলা হয়), ব্রাংকাই ও ব্রাংকিওল; এবং শ্বসন বৃক্ষের (respiratory tree) প্রান্তিক প্রশাখা সমূহ দ্বারা গঠিত। স্তন্যপায়ী প্রানীর ফুসফুসগুলো প্রচুর অ্যালভিওলাসের দ্বারা গঠিত, যা বায়ু বিনিময়ের জন্য বৃহৎ পৃষ্ঠতল সরবরাহ করে থাকে। অ্যালভিওলাইয়ের গঠন পৃষ্ঠদেশের উপরে সূক্ষ কৌশিকনালীর একটি জালিকার ভেতর দিয়ে রক্ত চলাচল করে। বায়ু হতে প্রাপ্ত অক্সিজেন অ্যালভিওলাসের ভিতরে রক্তপ্রবাহে ব্যপিত হয়, এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত হতে অ্যালভিওলাসের ব্যপিত হয়, উভয়ই পাতলা অ্যালভিওলিয় পর্দার গঠন (alveolar membrane) ভেতর দিয়ে সম্পন্ন হয়। শ্বাসকষ্ট— বাজি পোড়ালে বেরয় ধোঁয়া। এই ধোঁয়ার মধ্যে মিশে থাকে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস ও রাসায়নিক। এক্ষেত্রে বাজি পোড়ানোর সময় সরাসরি সেই ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছে জটিলতার সৃষ্টি করে। সমস্যা হয় বিভিন্ন রকম। রেসিপিরেটরি ট্র্যাকের প্রদাহ থেকে ছোট ছোট শ্বাসনালীর গঠন সংকুচিত হয়ে যায়। শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। এছাড়া অনেকসময় ফুসফুসে গ্যাস আদানপ্রদানকারী অ্যালভিওলাস, অ্যালভিওলাসের ইন্টারস্টিসিয়াম ও ইন্টারস্টিসিয়ামের বাইরের রক্তনালীগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের শ্বাসগ্রহণের ক্ষমতা কমে যেতে পারে। আবার অন্যদিক থেকে দেখলে, বাজির ধোঁয়ায় থাকা ক্ষতিকারক গ্যাস ও রাসায়নিক মিশছে বাতাসে। এমনিতেই বাতাসে দূষণের পরিমাণ অত্যধিক। তার মধ্যে বাজির ধোঁয়া বাতাসে মিশে সমস্যাকে আরও ঘোরালো করে তুলছে। সেক্ষেত্রে সমস্যা হল, কোনও ব্যক্তি আতসবাজি পোড়াক আর না পোড়াক, দূষিত বায়ুতে শ্বাস নিতে গিয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় পড়ছেন। ব্যক্তিভেদে শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বিভিন্ন রকম হয়। এই সমস্যা যে কোনও ব্যক্তিরই হতে পারে। এই রোগের পূর্ব ইতিহাস থাকলে সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলেই প্রথমেই রোগীকে একটু ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান। শান্ত হয়ে বসতে দিন। রোগী ইনহেলার নিলে, শীঘ্রই সেটা নিতে হবে। অহেতুক অন্যান্য কোনও ওষুধ দেবেন না। এর থেকে সমস্যা আরও বিগড়ে যেতে পারে। সমস্যা একটু বাড়লেই রোগীকে কাছাকাছি কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যান। Fusfus Merudandi Pranir Ekati Ong Ja Shwas Prashwaser Kaje Byabahrit Hay AE Shwasajantratir Pradhan Kaj Holo Bates Theke Aksijenke Raktaprabahe Newa Evan Raktaprabah Hate Karbonn Die Aksaidake Batase Nishkashan Kara AE Gas Adana Pradan Kara Hay Bisheshayit Kosh Gathan Dwara Tairi Khubai Patla Deyal Bishishta Lakshadhik Bayu Thalir Dwara Jake Albhiolai Ble Aare Shwasakarjya Chhara Anya Kajao Ache Aerobic Respiration Gathan Dwara Shakti Utpadne Oxygen Prayojan Evan Upajat Hisabe Karbonn Die Oxide Utpanna Hay Fale Karjakarabhabe Koshe Oxygen Sarabarah Evan Kosh Hate Karbonn Die Oxide Nishkashan Karar Prajojniyta Tairi Hay Xudrajibe Jeman Ekakoshi Byakateriyay AE Bayu Binimay Paddhati Puropuribhabe Soral Byapaner Madhyame Haye Thake Briht Jibe Ja Sambhab Nay Karan Bayumandal Hate Byapaner Madhyame Oxygen Grahan Karar Janya Xudra Ekati Angshai Maatr Taur Bahirabaraner Nikte Thake Duti Pradhan Abhijojan Jiber Janya Bahukoshiyta Arjan Sambhab Karechhe Ekati Karjakari Sangbahanatantra (circulatory System) Ja Deher Gabhiratam Kalasmuhe Rakter Madhyame Gyaser Adana Pradan Kare Evan Ekati Briht Abhyantarinayit Shwasanatantra (respiratory System) Ja Bayumandal Hate Oxygen Aharan Kare Dehe Sarbarah Karar Kajke Kendribhut Kare Jekhan Theke Aka Drut Sangbahanatantre Chhariye Dewa Jay Bayu Shwasi Merudandider Shwasaprashwas Ekati Dharabahik Parjaye Sampann Hay Bayu Shwasanalir Madhyame Pranir Bhetre Prabesh Kare Ja Sarisrip Pakhi Evan Stanyapayi Pranir Xetre Prayash Nako Fyarinks Lyarinks Trakiya Bayunalio Bala Hay Brankai O Brankiol Evan Shwasan Briksher (respiratory Tree) Prantik Prashakha Samuh Dwara Gathit Stanyapayi Pranir Fusfusgulo Prachur Albhiolaser Dwara Gathit Ja Bayu Binimyer Janya Briht Prishthatal Sarabarah Kare Thake Albhiolaiyer Gathan Prishthadesher Upare Suksh Kaushiknalir Ekati Jalikar Bhetar Diye Rakta Chalachal Kare Bayu Hate Prapta Oxygen Albhiolaser Bhitre Raktaprabahe Byapit Hay Evan Karbonn Die Oxide Rakta Hate Albhiolaser Byapit Hay Ubhayai Patla Albhioliya Pardar Gathan (alveolar Membrane) Bhetar Diye Sampann Hay Shwasakashta— Baji Porale Beray Dhonya AE Dhonyar Madhye Mishe Thake Bibhinna Xatikarak Gas O Rasaynik Ekshetre Baji Poranor Camay Sarasari Sei Dhonya Shwaser Madhyame Fusfuse Paunchhe Jatiltar Srishti Kare Samasya Hya Bibhinna Rakam Resipiretri Tryaker Pradah Theke Chhot Chhot Shwasanalir Gathan Sankuchit Huye Jay Shuru Hya Shwasakashta Echhara Anekasamay Fusfuse Gas Adanapradankari Albhiolas Albhiolaser Intarastisiyam O Intarastisiyamer Bairer Raktanaligulio Xatigrasta Hya Ekshetre Prathamikbhabe Shwasakashter Samasya Dekha Dileo Dirghameyade Fusfuser Shwasagrahaner Xamata Kame Jete Pare Abar Anyadik Theke Dekhle Bajir Dhonyay Thaka Xatikarak Gas O Rasaynik Mishchhe Batase Emanitei Batase Dushner Pariman Atyadhik Taur Madhye Bajir Dhonya Batase Mishe Samasyake RO Ghoralo Kare Tulchhe Sekshetre Samasya Hall Konao Byakti Atasabaji Porak Are Na Porak Dushit Bayute Shwas Nite Giye Shwasakashter Samasyay Padosan Byaktibhede Shwasakashter Tibrata Bibhinna Rakam Hya AE Samasya Je Konao Byaktirai Hate Pare AE Roger Purba Itihas Thakle Samasyay Akranta Hwar Ashanka RO Bedshee AE Dharaner Samasya Dekha Dilei Prathamei Rogike Ekatu Fanka Jaygay Niye Jan Shanta Huye Basate Dinh Rogi Inahelar Nile Shighrai SATA Nite Habe Ahetuk Anyanya Konao Oshudh Deven Na Aare Theke Samasya RO Bigre Jete Pare Samasya Ekatu Barlei Rogike Kachhakachhi Konao Swasthyakendra Niye Jan
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Albhiolaser Gathan Somporke Lekho,Write About The Structure Of The Alveolus.,


vokalandroid