মাকে হারানোর কষ্ট লেখ। ...

যাদের মা আছে সেই কষ্ট তারা বুঝতে ঠিক পারবে না। বোঝানো সম্ভবও নয়। জীবনের সকল দুঃখ-আনন্দ একসাথে যাকে বলা যেতো, সে ছিল আমার মা। মায়ের চেয়ে বড় বন্ধু পৃথিবীতে নাই। যারা মা হারিয়েছে তাদের চেয়ে অভাগা আর কে হতে পারে! ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি আমি মাকে হারাই। মাকে হারানোর সেই বেদনা আজো সমান ভাবে বুকের গহীনে বাজে। নিরন্তর সেই ..
Romanized Version
যাদের মা আছে সেই কষ্ট তারা বুঝতে ঠিক পারবে না। বোঝানো সম্ভবও নয়। জীবনের সকল দুঃখ-আনন্দ একসাথে যাকে বলা যেতো, সে ছিল আমার মা। মায়ের চেয়ে বড় বন্ধু পৃথিবীতে নাই। যারা মা হারিয়েছে তাদের চেয়ে অভাগা আর কে হতে পারে! ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি আমি মাকে হারাই। মাকে হারানোর সেই বেদনা আজো সমান ভাবে বুকের গহীনে বাজে। নিরন্তর সেই .. Jader MA Ache Sei Kashta Tara Bujhte Thik Parbe Na Bojhano Sambhabao Nay Jibner Sakal Duhkh Ananth Ekasathe Jake Bala Jeto Say Chhil Amar MA Mayer Cheye Bar Bandhu Prithibite Nai Jara MA Hariyechhe Tader Cheye Abhaga Are K Hate Pare 2009 Saler 27 Januyari Aami Make Harai Make Haranor Sei Bedna Ajo Saman Bhabe Buker Gahine Baje Nirantar Sei ..
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


মাকে হারানোর কষ্ট :-আবার সেই ৩ ডিসেম্বর। আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন। ২০০৮ সালের এই দিন ভোরে আমি আমার মাকে হারিয়েছি। চার বছর পেরিয়ে গেলো। জীবনে যতোদিন বেঁচে থাকবো ততোদিন প্রতি বছরের ৩ ডিসেম্বর আমার জীবনের শোকের দিন হয়ে থাকবে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আমার এখনো বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় আমার মা নেই। মনে হয়, ঢাকা ছেড়ে বাসায় গেলেই বোধহয় মা ছুটে আসবে। ব্যাস্ত হয়ে পড়বে আমাকে নিয়ে।২০০৮ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তায়, কোরবানির ঈদের কয়েকদিন আগে আমরা মাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সুস্থ্য একজন মানুষ, সামান্য একটি সমস্যার কারনে হাসপাতালে। আমরা কেউই বুঝতেই পারিনি এভাবে হুট করে মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। হাসপাতালে তিনদিন সবই ভালো। কিন্তু ১ ডিসেম্বর কিছু বুঝে উঠার আগেই হঠাৎ আইসিইউতে নিতে হয়। দুদিন সেন্ট্রাল হাসপাতালের আইসিইউতে থাকার পর আমার মা চলে গেলেন আমাদের চোখের জলে ভাসিয়ে। আমরা কোনভাবেই মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তার এই হঠাৎ চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছি না।চট্টগ্রামে আমার বাবার সরকারী চাকুরি। সরকারী কলোনীতে আমরা যে বাসায় থাকতাম সেখানে একবার যে গেছে সে মায়ের রান্না খেয়ে, তার আন্তরিকতা দেখে ভক্ত হয়ে গেছে। মা মানুষকে খাইয়ে খুব আনন্দ পেতেন। সবসময় তিনি বাসায় অনেক লোকজন, উৎসব দেখতে পছন্দ করতেন। আমরা দিন নেই, রাত নেই বাসায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে যেতাম। মা কখনো বিরক্ত হয়ে বলতেন না অসময়ে কেন এতো বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসিস? এমন অসাম্প্রদায়িক মানুষ, উচ্চ মনের মানুষ আমি জীবনে খুব কম দেখেছি।মা মারা যাওয়ার পর আমার ছোট বোন জানালো, কয়েকদিন আগে নাকি সকাল ১১ টার দিকে এক ভিক্ষুক আমাদের বাসায় এসে মাকে বললো তার খুব খিদে লেগেছে। ১১ টার সময় রান্না থাকার কথা নয়, তাই বাসায় ভাত নেই। কিন্তু আমার মা গরম ভাত রান্না করে তাকে খাইয়ে বিদায় করলেন। এমন হাজারো ঘটনা আছে আমার মায়ের জীবনে। ছুটিতে বাসায় গেলেই মা আমার কাছে বলতেন হাসান টাকা দে তো। আমি বলতাম মা কি করবে? তিনি হাসতেন। সেই টাকা চলে যেতো গরীবদের কাছে। আমরা বাসায় আছি-ড্রয়িং রুমে টিভি দেখছি-হঠাৎ দেখি কোন এক ভিক্ষুক। আমরা তাকে বলি মাফ করো। সে বলে, তোমার মাকে ডাকো। তোমার মা আমাদের কখনো খালি হাতে বিদায় করে না। আমরা চুপসে যাই তখন। মাঝে মাঝে এ নিয়ে মায়ের সাথে ঝগড়াও বাঁধে। বলি মা ভিক্ষকু-গরিব এরা কি তোমার বান্ধবী? সবসময় এতো জ্বালাতন করে কেন? মা হাসে। প্রতিবেলা রান্নার আগে মা পুরনো ভাত বাইরে কাক বা শালিককে দিতেন। মার রান্না করার সময় রান্নাঘরের সামনে সবসময় পাখি থাকতো।
Romanized Version
মাকে হারানোর কষ্ট :-আবার সেই ৩ ডিসেম্বর। আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন। ২০০৮ সালের এই দিন ভোরে আমি আমার মাকে হারিয়েছি। চার বছর পেরিয়ে গেলো। জীবনে যতোদিন বেঁচে থাকবো ততোদিন প্রতি বছরের ৩ ডিসেম্বর আমার জীবনের শোকের দিন হয়ে থাকবে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আমার এখনো বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় আমার মা নেই। মনে হয়, ঢাকা ছেড়ে বাসায় গেলেই বোধহয় মা ছুটে আসবে। ব্যাস্ত হয়ে পড়বে আমাকে নিয়ে।২০০৮ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তায়, কোরবানির ঈদের কয়েকদিন আগে আমরা মাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সুস্থ্য একজন মানুষ, সামান্য একটি সমস্যার কারনে হাসপাতালে। আমরা কেউই বুঝতেই পারিনি এভাবে হুট করে মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। হাসপাতালে তিনদিন সবই ভালো। কিন্তু ১ ডিসেম্বর কিছু বুঝে উঠার আগেই হঠাৎ আইসিইউতে নিতে হয়। দুদিন সেন্ট্রাল হাসপাতালের আইসিইউতে থাকার পর আমার মা চলে গেলেন আমাদের চোখের জলে ভাসিয়ে। আমরা কোনভাবেই মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তার এই হঠাৎ চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছি না।চট্টগ্রামে আমার বাবার সরকারী চাকুরি। সরকারী কলোনীতে আমরা যে বাসায় থাকতাম সেখানে একবার যে গেছে সে মায়ের রান্না খেয়ে, তার আন্তরিকতা দেখে ভক্ত হয়ে গেছে। মা মানুষকে খাইয়ে খুব আনন্দ পেতেন। সবসময় তিনি বাসায় অনেক লোকজন, উৎসব দেখতে পছন্দ করতেন। আমরা দিন নেই, রাত নেই বাসায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে যেতাম। মা কখনো বিরক্ত হয়ে বলতেন না অসময়ে কেন এতো বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসিস? এমন অসাম্প্রদায়িক মানুষ, উচ্চ মনের মানুষ আমি জীবনে খুব কম দেখেছি।মা মারা যাওয়ার পর আমার ছোট বোন জানালো, কয়েকদিন আগে নাকি সকাল ১১ টার দিকে এক ভিক্ষুক আমাদের বাসায় এসে মাকে বললো তার খুব খিদে লেগেছে। ১১ টার সময় রান্না থাকার কথা নয়, তাই বাসায় ভাত নেই। কিন্তু আমার মা গরম ভাত রান্না করে তাকে খাইয়ে বিদায় করলেন। এমন হাজারো ঘটনা আছে আমার মায়ের জীবনে। ছুটিতে বাসায় গেলেই মা আমার কাছে বলতেন হাসান টাকা দে তো। আমি বলতাম মা কি করবে? তিনি হাসতেন। সেই টাকা চলে যেতো গরীবদের কাছে। আমরা বাসায় আছি-ড্রয়িং রুমে টিভি দেখছি-হঠাৎ দেখি কোন এক ভিক্ষুক। আমরা তাকে বলি মাফ করো। সে বলে, তোমার মাকে ডাকো। তোমার মা আমাদের কখনো খালি হাতে বিদায় করে না। আমরা চুপসে যাই তখন। মাঝে মাঝে এ নিয়ে মায়ের সাথে ঝগড়াও বাঁধে। বলি মা ভিক্ষকু-গরিব এরা কি তোমার বান্ধবী? সবসময় এতো জ্বালাতন করে কেন? মা হাসে। প্রতিবেলা রান্নার আগে মা পুরনো ভাত বাইরে কাক বা শালিককে দিতেন। মার রান্না করার সময় রান্নাঘরের সামনে সবসময় পাখি থাকতো। Make Haranor Kashta Abar Sei 3 Disembar Amar Jibner Sabacheye Kashter Dinh 2008 Saler AE Dinh Bhore Aami Amar Make Hariyechhi CHAR Bachhar Periye Gelo Jibne Jatodin Benche Thakbo Tatodin Prati Bachharer 3 Disembar Amar Jibner Shoker Dinh Huye Thakbe Dui Bachhar Periye Geleo Amar Ekhano Biswas Karate Kashta Hya Amar MA Nei Money Hya Dhaka Chhere Basay Gelei Bodhahay MA Chhute Asabe Byasta Huye Parabe Amake Niye 2008 Saler Nabhembarer Sesh Saptay Korbanir Ider Kayekdin Age Amara Make Haspatale Bharti Kari Susthya Ekajan Manus Samanya Ekati Samasyar Karne Haspatale Amara Keui Bujhtei Parini Ebhabe Hut Kare MA Amader Chhere Chale Jaben Haspatale Tindin Sabai Valu Kintu 1 Disembar Kichhu Bujhe Uthar Agei Hathat Aisiiute Nite Hya Dudin Sentral Haspataler Aisiiute Thakur Par Amar MA Chale Gelen Amader Chokher Jale Bhasiye Amara Konbhabei Maatr 45 Bachhar Bayase Taur AE Hathat Chale Jawa Mene Nite Parchhi Na Chattagrame Amar Babar Sarakari Chakuri Sarakari Kalonite Amara Je Basay Thaktam Sekhane Ekabar Je Gechhe Say Mayer Ranna Kheye Taur Antarikta Dekhe BHAKTA Huye Gechhe MA Manushake Khaiye Khub Ananth Peten Sabasamay Tini Basay Anek Lokajan Utsab Dekhte Pachhanda Karaten Amara Dinh Nei Raat Nei Basay Bandhubandhab Niye Jetam MA Kakhano Birakta Huye Balaten Na Asamaye Can Eto Bandhubandhab Niye Asis Eman Asampradayik Manus Uchch Maner Manus Aami Jibne Khub Com Dekhechhi MA Mara Jawar Par Amar Chhot Bone Janalo Kayekdin Age Naki Sakal 11 Tar Dike Ec Bhikshuk Amader Basay Ese Make Balalo Taur Khub Khide Legechhe 11 Tar Camay Ranna Thakur Katha Noy Tai Basay Vata Nei Kintu Amar MA Garam Vata Ranna Kare Take Khaiye Biday Karalen Eman Hajaro Ghatana Ache Amar Mayer Jibne Chhutite Basay Gelei MA Amar Kachhe Balaten HASAN Taka They Toh Aami Balatam MA Ki Karabe Tini Hasten Sei Taka Chale Jeto Garibder Kachhe Amara Basay Achhi Draying Rume TV Dekhchhi Hathat Dekhi Koun Ec Bhikshuk Amara Take Bali Maf Karo Say Ble Tomar Make Dako Tomar MA Amader Kakhano Khali Hate Biday Kare Na Amara Chupse Jai Takhan Majhe Majhe A Niye Mayer Sathe Jhagarao Bandhe Bali MA Bhikshaku Garib Era Ki Tomar Bandhabi Sabasamay Eto Jbalatan Kare Can MA Hase Pratibela Rannar Age MA Purno Vata Baire Kak Ba Shalikake Diten Mar Ranna Karar Camay Rannagharer Samne Sabasamay Pakhi Thakto
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Make Haranor Kashta Lekho ,Writing Hard To Lose Mother.,


vokalandroid