অর্থনীতির ১০ টি নীতি কি ? ...

অর্থনীতির ১০ টি নীতি :- আইসিসিবির ত্রৈমাসিক বুলেটিনের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চায়নার রাষ্ট্রীয় জলসীমার মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে এবং উভয় দেশেরই বিভিন্ন সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এ দুটি বৃহৎ দেশের কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক বিভাজন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেই প্রথম প্রদর্শিত হবে বলে অনুমান করা হয়। কৌশলগতভাবে বিশ্ব অর্থ এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চায়না সতর্কতা এবং চতুরতার সাথে প্রতিযোগিতা করবে। এতে বলা হয়, প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুডের মতে বিশ্বব্যাপী অথনৈতিক শক্তি স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যার ফলে আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের শ্রেষ্ঠত্ব এবং রাজনৈতিক ভূমিকাকে আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ইউরোপে চায়নার অর্থনৈতিক উপস্থিতির ফলে ভিন্ন আঙ্গিকে নিয়ে যাবে। এ প্রক্রিয়ার ফলে ভৌগোলিক রাজনীতি, বিশ্ব বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মূলধন প্রবাহ, মুদ্রার সঞ্চয় অবস্থা, জলবায়ু এবং অন্যান্য পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও বিশ্বব্যাপী মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন ঘটবে। তিনি আরও বলেন, যে এর ফলে ভবিষ্যৎ দশকগুলোতে যুদ্ধ এবং শান্তির প্রশ্নকেও প্রভাবিত করবে। সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর মতে পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি অনুযায়ী চায়নার অর্থনীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ইতোমধ্যেই অতিক্রম করেছে। আইএমএফ এর হিসাব অনুযায়ী চায়নার জিডিপি ১৭.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি ১৭.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। চায়নার অর্থনীতি ১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১০ ভাগের এক ভাগ ছিল এবং বর্তমানে অনুমান করা হচ্ছে যে খুব দ্রুতই চায়নার অর্থনীতির আকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকারের চেয়ে ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে প্রায় ১৫০ বছর পর বৃহৎ অর্থনীতি হিসাবে চায়না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকেছে, এটা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটা “প্রতীকী” মুহূর্তও বটে! জর্জ-৩য় এর সময় থেকে এটাই প্রথমবার যেখানে কোন পশ্চিমা ইংলিশ ভাষাভাষী দেশের পরিবর্তে একটি অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এরং তাইওয়ানের ব্যাপক ও দ্রুত শিল্পায়নকে বুঝানোর জন্য 'টাইগার' অর্থনীতি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এই চার টাইগার অন্যান্য এশীয় অর্থনীতি-চীন এবং জাপানের সাথে অনেকক্ষেত্রে সাদৃশ্যপূর্ণ। যারা এশীয় ধাচের রপ্তানীমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথিকৃৎ। এই দেশসমূহ পশ্চিমা শিল্পোন্নত দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পণ্য উৎপাদন শুরু করে এবং সরকারী নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে। এ জাতিগুলোর দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, তাদের উন্নয়ন ছিল সম্পূর্ণ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত, সরকারী ভতুর্কি এবং রক্ষণশীল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভের পর সিঙ্গাপুর ছোট আভ্যন্তরীণ বাজার ও সম্পদের অপ্রতুলতা অনুভব করে। ফলশ্রুতিতে ১৯৬৮ সালে সিঙ্গাপুর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠন করে। এর দায়িত্ব ছিল সিঙ্গাপুরের উৎপাদিত পণ্যকে উৎসাহিত করবার জন্য অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন। সিঙ্গাপুরের প্রশাসন বেকারত্বকে কমিয়ে নিয়ে আসে, জীবনমান উন্নয়নের জন্য গণগৃহায়ন প্রকল্প চালু করে। সাথে সাথে ব্যবসাবান্ধব, বিদেশী বিনিয়োগ নির্ভর, রপ্তানীমুখী ব্যবসায়ী নীতি প্রণয়ন ও জাতীয় করপোরেশনগুলোতে সরাসরি সরকারী বিনিয়োগ করা হয়। সরকারী হস্তক্ষেপের কারণে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি অনেক উন্নত হয়, বিশেষত: ইলেকট্রনিক্স, কেমিক্যাল এবং সেবাশিল্পে। সিঙ্গাপুর সরকার তার অর্থনীতিকে তেমাসে-লিংকড্‌ কোম্পানীর (টি.এল.সি) দিকে পরিচালিত করতে থাকে। এই কোম্পানীসমূহের রয়েছে সার্বভৌম সম্পদের তহবিল। টি.এল.সি গুলো বিশেষত উৎপাদনখাতে কাজ করে এবং এরা বাণিজ্যিক সত্ত্বা হিসেবে পরিগণিত হয়। জিডিপির শতকরা ৬০ ভাগের অবদান ছিল এ কোম্পানীসমূহের। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর তাইওয়ানের প্রথম নেতা কমিটঙের শাসনামলে ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশটির উন্নয়ন শুরু হয়। তখন কিছু অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। নতুন মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা প্রচুর অর্থনৈতিক সাহায্য উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করে। সরকার প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। কৃষিখাতের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদকে কাজে লাগানো হত শিল্পখাতে। শিল্পখাতকে উন্নয়ন করবার জন্য শস্য রপ্তানীর মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করা হত কলকারখানার মেশিনারী ক্রয়ের জন্য। সরকার আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, বিদেশের সাথে ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রন করে এবং দেশীয় শিল্পকে রক্ষার জন্য আমদানিকে নিরুৎসাহিত করে। ১৯৬০ এর মধ্যে তাইওয়ানের শিল্পসমূহ অনুধাবন করতে পারল ইতোমধ্যে আভ্যন্তরীণ বাজার সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। তখন দেশটি অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করে। চিয়াং চিং কুয়ু'র ১০ টি প্রধান অবকাঠামোগত প্রকল্প এবং বিশ্বের সর্বপ্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চলের মাধ্যমে তাইওয়ানে ব্যাপক শিল্পায়নের ভিত্তি রচিত হয়।
Romanized Version
অর্থনীতির ১০ টি নীতি :- আইসিসিবির ত্রৈমাসিক বুলেটিনের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চায়নার রাষ্ট্রীয় জলসীমার মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে এবং উভয় দেশেরই বিভিন্ন সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এ দুটি বৃহৎ দেশের কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক বিভাজন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেই প্রথম প্রদর্শিত হবে বলে অনুমান করা হয়। কৌশলগতভাবে বিশ্ব অর্থ এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চায়না সতর্কতা এবং চতুরতার সাথে প্রতিযোগিতা করবে। এতে বলা হয়, প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুডের মতে বিশ্বব্যাপী অথনৈতিক শক্তি স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যার ফলে আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের শ্রেষ্ঠত্ব এবং রাজনৈতিক ভূমিকাকে আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ইউরোপে চায়নার অর্থনৈতিক উপস্থিতির ফলে ভিন্ন আঙ্গিকে নিয়ে যাবে। এ প্রক্রিয়ার ফলে ভৌগোলিক রাজনীতি, বিশ্ব বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মূলধন প্রবাহ, মুদ্রার সঞ্চয় অবস্থা, জলবায়ু এবং অন্যান্য পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও বিশ্বব্যাপী মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন ঘটবে। তিনি আরও বলেন, যে এর ফলে ভবিষ্যৎ দশকগুলোতে যুদ্ধ এবং শান্তির প্রশ্নকেও প্রভাবিত করবে। সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর মতে পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি অনুযায়ী চায়নার অর্থনীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ইতোমধ্যেই অতিক্রম করেছে। আইএমএফ এর হিসাব অনুযায়ী চায়নার জিডিপি ১৭.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি ১৭.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। চায়নার অর্থনীতি ১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১০ ভাগের এক ভাগ ছিল এবং বর্তমানে অনুমান করা হচ্ছে যে খুব দ্রুতই চায়নার অর্থনীতির আকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকারের চেয়ে ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে প্রায় ১৫০ বছর পর বৃহৎ অর্থনীতি হিসাবে চায়না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকেছে, এটা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটা “প্রতীকী” মুহূর্তও বটে! জর্জ-৩য় এর সময় থেকে এটাই প্রথমবার যেখানে কোন পশ্চিমা ইংলিশ ভাষাভাষী দেশের পরিবর্তে একটি অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এরং তাইওয়ানের ব্যাপক ও দ্রুত শিল্পায়নকে বুঝানোর জন্য 'টাইগার' অর্থনীতি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এই চার টাইগার অন্যান্য এশীয় অর্থনীতি-চীন এবং জাপানের সাথে অনেকক্ষেত্রে সাদৃশ্যপূর্ণ। যারা এশীয় ধাচের রপ্তানীমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথিকৃৎ। এই দেশসমূহ পশ্চিমা শিল্পোন্নত দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পণ্য উৎপাদন শুরু করে এবং সরকারী নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে। এ জাতিগুলোর দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, তাদের উন্নয়ন ছিল সম্পূর্ণ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত, সরকারী ভতুর্কি এবং রক্ষণশীল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভের পর সিঙ্গাপুর ছোট আভ্যন্তরীণ বাজার ও সম্পদের অপ্রতুলতা অনুভব করে। ফলশ্রুতিতে ১৯৬৮ সালে সিঙ্গাপুর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠন করে। এর দায়িত্ব ছিল সিঙ্গাপুরের উৎপাদিত পণ্যকে উৎসাহিত করবার জন্য অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন। সিঙ্গাপুরের প্রশাসন বেকারত্বকে কমিয়ে নিয়ে আসে, জীবনমান উন্নয়নের জন্য গণগৃহায়ন প্রকল্প চালু করে। সাথে সাথে ব্যবসাবান্ধব, বিদেশী বিনিয়োগ নির্ভর, রপ্তানীমুখী ব্যবসায়ী নীতি প্রণয়ন ও জাতীয় করপোরেশনগুলোতে সরাসরি সরকারী বিনিয়োগ করা হয়। সরকারী হস্তক্ষেপের কারণে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি অনেক উন্নত হয়, বিশেষত: ইলেকট্রনিক্স, কেমিক্যাল এবং সেবাশিল্পে। সিঙ্গাপুর সরকার তার অর্থনীতিকে তেমাসে-লিংকড্‌ কোম্পানীর (টি.এল.সি) দিকে পরিচালিত করতে থাকে। এই কোম্পানীসমূহের রয়েছে সার্বভৌম সম্পদের তহবিল। টি.এল.সি গুলো বিশেষত উৎপাদনখাতে কাজ করে এবং এরা বাণিজ্যিক সত্ত্বা হিসেবে পরিগণিত হয়। জিডিপির শতকরা ৬০ ভাগের অবদান ছিল এ কোম্পানীসমূহের। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর তাইওয়ানের প্রথম নেতা কমিটঙের শাসনামলে ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশটির উন্নয়ন শুরু হয়। তখন কিছু অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। নতুন মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা প্রচুর অর্থনৈতিক সাহায্য উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করে। সরকার প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। কৃষিখাতের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদকে কাজে লাগানো হত শিল্পখাতে। শিল্পখাতকে উন্নয়ন করবার জন্য শস্য রপ্তানীর মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করা হত কলকারখানার মেশিনারী ক্রয়ের জন্য। সরকার আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, বিদেশের সাথে ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রন করে এবং দেশীয় শিল্পকে রক্ষার জন্য আমদানিকে নিরুৎসাহিত করে। ১৯৬০ এর মধ্যে তাইওয়ানের শিল্পসমূহ অনুধাবন করতে পারল ইতোমধ্যে আভ্যন্তরীণ বাজার সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। তখন দেশটি অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করে। চিয়াং চিং কুয়ু'র ১০ টি প্রধান অবকাঠামোগত প্রকল্প এবং বিশ্বের সর্বপ্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চলের মাধ্যমে তাইওয়ানে ব্যাপক শিল্পায়নের ভিত্তি রচিত হয়। Arthanitir 10 Te Niti Aisisibir Traimasik Buletiner Sampadakiyte Bala Hayechhe Asia Prashanth Mahasagriya Anchale Markin Juktarashtra Evan Chaynar Rashtriya Jalasimar Madhyame Sarasari Jogajog Rayechhe Evan Ubhay Desherai Bibhinna Sena Nou Evan Viman Bahinir Upasthiti Rayechhe A Duti Briht Desher Kaushalagat Evan Arthanaitik Bibhajan Asia Prashanth Mahasagriya Anchalei Pratham Pradarshit Habe Ble Anuman Kara Hya Kaushalagatabhabe Biswa Earth Evan Biniyoger Xetre Markin Juktarashtrer Sathe Chaina Satarkata Evan Chaturtar Sathe Pratijogita Karabe Ete Bala Hya Praktan Australian Pradhanamantri Kevin Ruder Mate Bishwabyapi Athanaitik Shakti Sthanantarer Prakriya Shuru Hayechhe Jar Fale Antarjatik Niyam Niti Evan Pratishthanasamuher Opar Markin Juktarashtrer Dirghadiner Shreshthatba Evan Rajnaitik Bhumikake Afrika Lyatin America Evan Yurope Chaynar Arthanaitik Upasthitir Fale Bhinna Angike Niye Jabe A Prakriyar Fale Bhaugolik Rajniti Biswa Banijya Biniyog Muladhan Pravah Mudrar Sanchay Abastha Jalabayu Evan Anyanya Paribeshagat Challenge O Bishwabyapi Manusher Chalachler Xetre Aare Pratifalan Ghatabe Tini RO Baleno Je Aare Fale Bhabishyt Dashakagulote Juddha Evan Shantir Prashnakeo Prabhabit Karabe Sampadakiyte Aro Bala Hya Antarjatik Mudra Tahabil IMF Aare Mate Parchejing Power Pyariti Anujayi Chaynar Arthaniti Markin Juktarashtrer Arthanitike Itomadhyei Atikram Karechhe IMF Aare Hisab Anujayi Chaynar GDP 17 6 Trillion Markin Dollar Evan Markin Juktarashtrer GDP 17 4 Trillion Markin Dollar Chaynar Arthaniti 1980 Sale Markin Juktarashtrer 10 Bhager Ec Bhag Chhil Evan Bartamane Anuman Kara Hachchhe Je Khub Drutai Chaynar Arthanitir Akar Markin Juktarashtrer Arthanitir Akarer Cheye 20 Shatangsh Bere Jabe Bisheshagyara Money Curren Je Pray 150 Bachhar Par Briht Arthaniti Hisabe Chaina Markin Juktarashtrake Tapakechhe Etah Biswa Arthanitir Janya Ekata “pratiki” Muhurtao Bate George 3y Aare Camay Theke Etai Prathamabar Jekhanay Koun Pashchima Inglish Bhashabhashi Desher Paribarte Ekati Aganatantrik Rashtra Bishwer Sabacheye Bar Arthaniti Huye Danriyechhe 1960 Evan 1970 Aare Dashake Dakhin Koriya Singapore Hankang Erang Taiwaner Byapak O Drut Shilpayanake Bujhanor Janya Tiger Arthaniti Shabdati Byabahar Kara Hya AE CHAR Tiger Anyanya Eshiya Arthaniti Seen Evan Japaner Sathe Anekakshetre Sadrishyapurna Jara Eshiya Dhacher Raptanimukhi Arthanaitik Unnayaner Pathikrit AE Deshasamuh Pashchima Shilponnat Deshguloke Lakshya Kare Panya Utpadan Shuru Kare Evan Sarakari Niti Grahaner Madhyame Abhyantarin Byabaharke Nirutsahit Kare A Jatigulor Dike Bhalbhabe Lakshya Karale Dekha Jabe Je Tader Unnayan Chhil Sampurna Kendra Niyantrit Sarakari Bhaturki Evan Rakshanashil Nitir Upar Pratishthit 1965 Sale Swadhinata Labher Par Singapore Chhot Abhyantarin Bazaar O Sampader Apratulta Anubhav Kare Falashrutite 1968 Sale Singapore Ikonmik Development Board Gathan Kare Aare Dayitba Chhil Singapurer Utpadit Panyake Utsahit Karabar Janya Arthanaitik Parikalpana Pranayan Singapurer Prashasan Bekaratbake Kamiye Niye Ase Jibanaman Unnayaner Janya Ganagrihayan Prakalpa Chalu Kare Sathe Sathe Byabasabandhab Bideshi Biniyog Nirbhar Raptanimukhi Byabasayi Niti Pranayan O Jatiya Karaporeshanagulote Sarasari Sarakari Biniyog Kara Hya Sarakari Hastaksheper Karne Singapurer Arthaniti Anek Unnat Hya Bisheshat Ilekatraniks Chemical Evan Sebashilpe Singapore Sarkar Taur Arthanitike Temase Linkad‌ Kompanir Te L C Dike Parichalit Karate Thake AE Kompanismuher Rayechhe Sarbabhaum Sampader Tahabil Te L C Gulo Bisheshat Utpadanakhate Kaj Kare Evan Era Banijyik Sattba Hisebe Parignit Hya Jidipir Shatakara 60 Bhager Abadan Chhil A Kompanismuher Dwitiya Mahajuddher Par Taiwaner Pratham Neta Kamitnger Shasnamle Xudra Dwip Deshtir Unnayan Shuru Hya Takhan Kichhu Arthanaitik Niti O Parikalpana Hate Neya Hya NATUN Mudraniti Pranayan Kara Hya Evan Juktarashtra Theke Asa Prachur Arthanaitik Sahajya Unnayaner Gatike Tbaranwit Kare Sarkar Pratisthapan Prakriyar Madhyame Arthanitite Sarasari Hastakshep Kare Krishikhater Madhyame Arjit Sampadake Kaje Lagano Hato Shilpakhate Shilpakhatke Unnayan Karabar Janya Shasya Raptanir Madhyame Arjit Baideshik Mudra Kharach Kara Hato Kalakarkhanar Meshinari Krayer Janya Sarkar Amadani Shulk Bariye Dey Bidesher Sathe Byabasake Niyantran Kare Evan Deshiya Shilpake Rakshar Janya Amadanike Nirutsahit Kare 1960 Aare Madhye Taiwaner Shilpasamuh Anudhaban Karate Paral Itomadhye Abhyantarin Bazaar Samprikta Huye Gechhe Takhan Deshti Arthanaitik Nitir Madhyame Raptani Baranor Dike Manonibesh Kare Siang Sing Kuyu Ra 10 Te Pradhan Abakathamogat Prakalpa Evan Bishwer Sarbapratham Raptani Prakriyakaran Anchaler Madhyame Taiwane Byapak Shilpayaner Bhitti Rachit Hya
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


অর্থনীতির ১০ টি নীতি গুলি আলোচনা করা হল । আইন ও অর্থনীতি অথবা আইনের অর্থনৈতিক বিশ্লেষন হচ্ছে প্রকৃত তত্ত্বের প্রতিফলন যা আইনে অর্থনৈতিক পদ্ধতিকে প্রয়োগ করে। ইহা প্রকৃত আইনের প্রভাব ব্যাখ্যার অর্থনৈতিক ধারণা, কোন অর্থনীতির আইন প্রয়োগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও কোনটি প্রয়োগে কি প্রভাব ফেলে এইসব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৯৬১ সালে রোনাল্ড কজ এর একটি নিবন্ধে পরামর্শ দেয়া হয় যে, সম্পত্তির অধিকার সংঙ্গায়িত করা যায় বাহ্যিকতার সমস্যা দিয়ে।পরিবেশ অর্থনীতি পরিবেশ দূষণ, উৎসাহ প্রদান বা পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করে। বাস্তবিক পক্ষে উৎপাদন বা ভোগের উপর খারাপ প্রভাব যেমন বায়ু দূষণ বাজার ব্যাবস্থাকে ব্যর্থ করে দিতে পারে। পরিবেশ অর্থনীতি মূলতঃ সরকারী নীতি এইসব ব্যর্থতাকে কিভাবে সমাধান করবে তা নিয়ে আলোচনা করে। সরকারী নীতি কিছু নিয়মকে প্রতিফলিত করে যা ব্যয়-মূনাফা বিশ্লেষন নামে পরিচিত বা বাজার এসব সমাধান করে বিভিন্ন ফি পুণঃনির্ধারণের মাধ্যমে বা সম্পদের অধিকারের সংজ্ঞা পরিবর্তনের মাধ্যমে।শ্রম অর্থনীতি শ্রম বাজার কার্যক্রম ও শ্রম প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করে। শ্রমিক ও মালিকের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রম বাজার কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। শ্রম অর্থনীতি শ্রম সেবা প্রদানকারী (শ্রমিক), যে ব্যক্তির শ্রমের চাহিদা রয়েছে (মালিক), মজুরী নির্ধারণের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, কর্মরত ও বেকার শ্রমিক এবং বেকার সমস্যা সমাধান নিয়ে পর্যালোচনা করে।ব্যাস্টিক অর্থনীতি মুলতঃ ব্যক্তি এবং ফার্ম এর অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বাজার, বিরাজমান দুষ্প্রাপ্যতা ও সরকারি নিয়মাবলির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে। ব্যাস্টিক অর্থনীতি হচ্ছে অর্থনীতির একটি শাখা যা ব্যক্তি, পরিবার ও ফার্ম কিভাবে বাজারে তাদের বণ্টনকৃত সীমিত সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা নিয়ে আলোচনা করে। বাজার বলতে এখানে দ্রব্য অথবা সেবাসমূহকে বোঝায় যা কেনা-বেচা করা হয়। দ্রব্য অথবা সেবাসমূহের চাহিদা ও যোগান এইসব সিদ্ধান্ত ও আচরণের উপর কী-ভাবে প্রভাব ফেলে ব্যাস্টিক অর্থনীতি তা নিরীক্ষা করে। বাজারে অবশ্যই একটি দ্রব্য বিদ্যমান থাকবে। এই তত্ত্বে প্রতিটি উপাদানকে ক্রেতা সামগ্রিক চাহিদার পরিমাণকে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতা সামগ্রিক যোগানের পরিমাণকে বিবেচনা করে।ব্যাষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কিত সাম্প্রতিক উন্নয়নে আচরণিক অর্থনীতি ও পরীক্ষামূলক অর্থনীতি নামে দুটি শাখা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও সামাজিক বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেমন, অর্থনৈতিক ভূগোল, অর্থনৈতিক ইতিহাস, সাধারণ পছন্দ, সাংস্কৃতিক অর্থনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি। অন্যভাবে অর্থনীতিকে দুই ভাবে ভাগ করা হয়। নীতিবাচক অর্থনীতি অর্থনৈতিক আচরণকে ব্যাখ্যা করে, অন্য দিকে ইতিবাচক অর্থনীতি পছন্দ এবং মূল্য নির্ধারণ ইত্যাদি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়।
Romanized Version
অর্থনীতির ১০ টি নীতি গুলি আলোচনা করা হল । আইন ও অর্থনীতি অথবা আইনের অর্থনৈতিক বিশ্লেষন হচ্ছে প্রকৃত তত্ত্বের প্রতিফলন যা আইনে অর্থনৈতিক পদ্ধতিকে প্রয়োগ করে। ইহা প্রকৃত আইনের প্রভাব ব্যাখ্যার অর্থনৈতিক ধারণা, কোন অর্থনীতির আইন প্রয়োগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও কোনটি প্রয়োগে কি প্রভাব ফেলে এইসব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৯৬১ সালে রোনাল্ড কজ এর একটি নিবন্ধে পরামর্শ দেয়া হয় যে, সম্পত্তির অধিকার সংঙ্গায়িত করা যায় বাহ্যিকতার সমস্যা দিয়ে।পরিবেশ অর্থনীতি পরিবেশ দূষণ, উৎসাহ প্রদান বা পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করে। বাস্তবিক পক্ষে উৎপাদন বা ভোগের উপর খারাপ প্রভাব যেমন বায়ু দূষণ বাজার ব্যাবস্থাকে ব্যর্থ করে দিতে পারে। পরিবেশ অর্থনীতি মূলতঃ সরকারী নীতি এইসব ব্যর্থতাকে কিভাবে সমাধান করবে তা নিয়ে আলোচনা করে। সরকারী নীতি কিছু নিয়মকে প্রতিফলিত করে যা ব্যয়-মূনাফা বিশ্লেষন নামে পরিচিত বা বাজার এসব সমাধান করে বিভিন্ন ফি পুণঃনির্ধারণের মাধ্যমে বা সম্পদের অধিকারের সংজ্ঞা পরিবর্তনের মাধ্যমে।শ্রম অর্থনীতি শ্রম বাজার কার্যক্রম ও শ্রম প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করে। শ্রমিক ও মালিকের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রম বাজার কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। শ্রম অর্থনীতি শ্রম সেবা প্রদানকারী (শ্রমিক), যে ব্যক্তির শ্রমের চাহিদা রয়েছে (মালিক), মজুরী নির্ধারণের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, কর্মরত ও বেকার শ্রমিক এবং বেকার সমস্যা সমাধান নিয়ে পর্যালোচনা করে।ব্যাস্টিক অর্থনীতি মুলতঃ ব্যক্তি এবং ফার্ম এর অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বাজার, বিরাজমান দুষ্প্রাপ্যতা ও সরকারি নিয়মাবলির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে। ব্যাস্টিক অর্থনীতি হচ্ছে অর্থনীতির একটি শাখা যা ব্যক্তি, পরিবার ও ফার্ম কিভাবে বাজারে তাদের বণ্টনকৃত সীমিত সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা নিয়ে আলোচনা করে। বাজার বলতে এখানে দ্রব্য অথবা সেবাসমূহকে বোঝায় যা কেনা-বেচা করা হয়। দ্রব্য অথবা সেবাসমূহের চাহিদা ও যোগান এইসব সিদ্ধান্ত ও আচরণের উপর কী-ভাবে প্রভাব ফেলে ব্যাস্টিক অর্থনীতি তা নিরীক্ষা করে। বাজারে অবশ্যই একটি দ্রব্য বিদ্যমান থাকবে। এই তত্ত্বে প্রতিটি উপাদানকে ক্রেতা সামগ্রিক চাহিদার পরিমাণকে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতা সামগ্রিক যোগানের পরিমাণকে বিবেচনা করে।ব্যাষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কিত সাম্প্রতিক উন্নয়নে আচরণিক অর্থনীতি ও পরীক্ষামূলক অর্থনীতি নামে দুটি শাখা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও সামাজিক বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেমন, অর্থনৈতিক ভূগোল, অর্থনৈতিক ইতিহাস, সাধারণ পছন্দ, সাংস্কৃতিক অর্থনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি। অন্যভাবে অর্থনীতিকে দুই ভাবে ভাগ করা হয়। নীতিবাচক অর্থনীতি অর্থনৈতিক আচরণকে ব্যাখ্যা করে, অন্য দিকে ইতিবাচক অর্থনীতি পছন্দ এবং মূল্য নির্ধারণ ইত্যাদি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়।Arthanitir 10 Te Niti Gully Alochana Kara Hall Ain O Arthaniti Athaba Ainer Arthanaitik Bishleshan Hachchhe Prakrit Tattber Pratifalan Ja Aine Arthanaitik Paddhatike Prayog Kare Iha Prakrit Ainer Prabhab Byakhyar Arthanaitik Dharna Koun Arthanitir Ain Prayoger Arthanaitik Gurutba O Konti Prayoge Ki Prabhab Fele Eisab Bishayake Antarbhukta Kare 1961 Sale Ronaldo Cause Aare Ekati Nibandhe Paramarsh Deya Hay Je Sampattir Adhikar Sangngayit Kara Jay Bahyikatar Samasya Diye Paribesh Arthaniti Paribesh Dushan Utsah Pradan Ba Paribesh Rakshar Janya Sachetanata Niye Alochana Kare Bastabik Pakshe Utpadan Ba Bhoger Upar Kharap Prabhab Jeman Bayu Dushan Bazaar Byabasthake Byartha Kare Dite Pare Paribesh Arthaniti Mulatah Sarakari Niti Eisab Byarthatake Kibhabe Samadhan Karabe Ta Niye Alochana Kare Sarakari Niti Kichhu Niyamake Pratiflit Kare Ja Byay Munafa Bishleshan Name Parichit Ba Bazaar Esab Samadhan Kare Bibhinna Fee Punahnirdharaner Madhyame Ba Sampader Adhikarer Sanggya Paribartaner Madhyame Shram Arthaniti Shram Bazaar Karjakram O Shram Pravah Parjabekshan Kare Shramik O Maliker Parasparik Pratikriyar Madhyame Shram Bazaar Karjakram Parichalit Haye Thake Shram Arthaniti Shram Seva Pradankari Shramik Je Byaktir Shramer Sahida Rayechhe Malik Majuri Nirdharaner Prakriya Parjabekshan Karmarat O Baker Shramik Evan Baker Samasya Samadhan Niye Parjalochna Kare Byastik Arthaniti Mulatah Byakti Evan Firm Aare Arthanaitik Acharan Niye Evan Tader Parasparik Sampark Bazaar Birajman Dushprapyata O Sarakari Niymablir Madhyame Bishleshan Kare Byastik Arthaniti Hachchhe Arthanitir Ekati Shakha Ja Byakti Paribar O Firm Kibhabe Bajare Tader Bantanakrit Shimit Sampada Niye Siddhanta Grahan Kare Ta Niye Alochana Kare Bazaar Volte Ekhane Drabya Athaba Sebasmuhke Bojhay Ja Cena Becha Kara Hay Drabya Athaba Sebasmuher Sahida O Jogan Eisab Siddhanta O Acharaner Upar Key Bhabe Prabhab Fele Byastik Arthaniti Ta Niriksha Kare Bajare Abashyai Ekati Drabya Bidyaman Thakbe AE Tattbe Pratiti Upadanke Kreta Samagrik Chahidar Parimanke Bibechana Kare Evan Bikreta Samagrik Joganer Parimanke Bibechana Kare Byashtik Arthaniti Samparkit Sampratik Unnayane Acharanik Arthaniti O Parikshamulak Arthaniti Name Duti Shakha Antarbhukta Kara Hayechhe Echharao Samajik Bigyaner Anyanya Shakhake Antarbhukta Kara Hayechhe Jeman Arthanaitik Bhugol Arthanaitik Itihas Sadharan Pachhanda Sanskritik Arthaniti Evan Pratishthanik Arthaniti Anyabhabe Arthanitike Dui Bhabe Bhag Kara Hay Nitibachak Arthaniti Arthanaitik Acharanake Byakhya Kare Anya Dike Itibachak Arthaniti Pachhanda Evan Mulya Nirdharan Ityadi Bishayake Pradhanya Dey
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Arthanitir 10 Te Niti Ki ?,What Are The 10 Policies Of The Economy?,


vokalandroid