বিখ্যাত তবলা বাদক নিয়ে বল? ...

বিখ্যাত তবলা বাদক এক খণ্ড কাঠ ওপর থকে কুঁদে বাটির মত করা। তার উপর গরুর চামড়া টানটান করে বসান। তাকে ঘিরে গোল ছেদযুক্ত আরেকটি চামড়া দিয়ে কিনারা বা কানি। বিখ্যাত বাদক চামড়া পেঁচিয়ে প্রস্তুত পাগড়ী এদের ধরে রেখেছে। মাঝখানে কালো গাব (গাবগাছের আঠায় কাঠকয়লা মিশিয়ে) বা স্যাহী। কিনারা ও গাবের মধ্যে উন্মুক্ত পাতলা প্রথম চামড়া হল "সুর"। উপরের পাগড়িকে টেনে রাখার জন্য নিচে দ্বিতীয় চামড়ার পাগড়ি। দুটি পাগড়ি "ছট" দিয়ে বাঁধা। ছটের টান কমবেশী করার জন্য ছটে গোঁজা কাঠের "গুলি"। বিখ্যাত নিম কাচে থেকে ভাল তবলা হয় যা সহজে ঘূণে নষ্ট হয় না। খিরন সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম স্যাহী, গাব। তবলার ছাউনির মধ্যস্থলে যে গোলাকার কালো অংশ থাকে, তাকে খিরন বলা হয়। গাবগাছের আঠার সাথে কাঠকয়লা মিশিয়ে আঠালো লেই তৈরি করে, উক্ত লেই দিয়ে কয়েকটি পর্যায়ে প্রলেপ দেওয়া হয়। খিরণ গাব-ফল দিয়ে তৈরি হয় বলে, একে অনেক সময় গাব নামেই অভিহিত করা হয়। খিরন তবলার মূল চামড়ার উপরে বসানো হয়। কানি সম্পাদনা এর অন্য নাম চাঁটি। তবলার ছাউনির প্রান্তভাগে একটি পৃথক চামড়ার আচ্ছাদন থাকে। এই অংশকে বলা হয় কানি। ময়দান সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম লব, সুর। তবলার খিরন এবং প্রান্তদেশীয় কানি অংশের ভিতরে যে বৃত্তাকার অংশ দেখা যায়, তাকে ময়দান বলে। পাগড়ি সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম গজরা, বেষ্টনী, বেড়। তবলার মূল চামড়া এবং কানির চামড়াকে একত্রিত করে কাঠের উপরে বসানো হয়। পরে চামড়ার ফিতা দিয়ে তৈরিকৃত বিনুনি তবলার কানি ও মূল চামড়ার সাথে যুক্ত করে, চামড়ার দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়। এই বিনুনি অংশকে পাগড়ি বলা হয়। পাগড়িতে মোট ১৬টি ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্র পথে চামড়ার ফিতা তৈরি করে কাঠের নিম্নাংশের গুড়রি অংশের সাথে দৃঢ় করে বাঁধা হয়। ডোরি সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম ছোট্, বদ্ধি, দোয়ানী। পাগড়ির ১৬টি ছিদ্র পথে যে চামড়া ফিতা প্রবেশ করিয়ে, কাঠের নিম্নাংশের গুড়রি অংশের সাথে দৃঢ় করে বাঁধা হয়, তাকে ডোরি বলা হয়। গুলি সম্পাদনা এর অন্যা নাম গট্টা। তবলার উপরের ছাউনির সটান অবস্থা এবং কাঙ্ক্ষিত সুর পাওয়ার জন্য ডোরি ভিতরে কয়েকটি কাঠের তৈরি লম্বাটে গোলাকার গুলি ব্যবহার করা হয়। এই ডোরি উপরে নিচে নামিয়ে তবলা সুরকে নিম্ন বা চড়া সুর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উঁচু-সুর বাঁধার পদ্ধতি: বেশী সংখ্যক ছটকে টেনে গুলির উপর স্থাপন করা হাতুড়ি মেরে বা জোরে ঠেলে "গুলি"কটি নীচের দিকে করা উপরের পাগড়ীতে উপর হতে হাতুড়ি মেরে নীচে বসানোর চেষ্টা ডুগি সম্পাদনা দেহ কাঠর নয়, মাটির বা ধাতব; বড় ক্ষেত্রফল, গাব উৎকেন্দ্রিক। গুলি নেই বা খুব পাতলা গুলি, অথবা ছোটগুলি জোড়ায় জোড়ায় একত্রিত করে আংটা লাগানো। দুই খণ্ডের তবলা-বাঁয়ার সেটের একটি অংশ। সাধারণত এই অংশটি বাম হাতে বাজানো হয় বলে, একে বাঁয়া বলা হয়। কিছু কিছু বাদক এই অংশটি ডান হাতেও বাজিয়ে থাকেন। ডুগির মূল দেহকাঠামো মাটি বা ধাতু দিয়ে তৈরি হয়। সাধারণত এর ধাতু হিসেবে পিতল, তামা বা এররূপ কোনো সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়। এর গঠন অনেকটা হাঁড়ির মতো। এর অন্য নাম কুড়ি। তবলার তুলনায় ডুগি খাটো। সাধারণত ৮-৯ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। এর মুখও তবলার চেয়ে অনেক বড় হয়। উপরিভাগের ছাউনি অংশের ব্যাস হয় প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি। এবং নিম্ন-মধ্যাংশের ব্যাস অপেক্ষাকৃত বেশি। এর গঠনবৈশিষ্ট্য তবলার মতই। তবে এর ডোরির ভিতর দিয়ে কাঠের তৈরি গুলির পরিবর্তে ধাতব আংটি ব্যবহার করা হয়। খিরনের অবস্থানের বিচারে পার্থক্য রয়েছে। তবলার খিরন ছাউনির মধ্যভাগে থাকে। পক্ষান্তরে ডুগির খিরণ থাকে ছাউনির একটি প্রান্ত ঘেঁষে। ফলে এর একদিকে কানি ও ময়দান কাছাকাছি থাকলেও এর বিপরীত দিকের ময়দান অনেক বড় হয়। এছাড়া তবলার চেয়ে ডুগির খিরন বড় হয়।
Romanized Version
বিখ্যাত তবলা বাদক এক খণ্ড কাঠ ওপর থকে কুঁদে বাটির মত করা। তার উপর গরুর চামড়া টানটান করে বসান। তাকে ঘিরে গোল ছেদযুক্ত আরেকটি চামড়া দিয়ে কিনারা বা কানি। বিখ্যাত বাদক চামড়া পেঁচিয়ে প্রস্তুত পাগড়ী এদের ধরে রেখেছে। মাঝখানে কালো গাব (গাবগাছের আঠায় কাঠকয়লা মিশিয়ে) বা স্যাহী। কিনারা ও গাবের মধ্যে উন্মুক্ত পাতলা প্রথম চামড়া হল "সুর"। উপরের পাগড়িকে টেনে রাখার জন্য নিচে দ্বিতীয় চামড়ার পাগড়ি। দুটি পাগড়ি "ছট" দিয়ে বাঁধা। ছটের টান কমবেশী করার জন্য ছটে গোঁজা কাঠের "গুলি"। বিখ্যাত নিম কাচে থেকে ভাল তবলা হয় যা সহজে ঘূণে নষ্ট হয় না। খিরন সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম স্যাহী, গাব। তবলার ছাউনির মধ্যস্থলে যে গোলাকার কালো অংশ থাকে, তাকে খিরন বলা হয়। গাবগাছের আঠার সাথে কাঠকয়লা মিশিয়ে আঠালো লেই তৈরি করে, উক্ত লেই দিয়ে কয়েকটি পর্যায়ে প্রলেপ দেওয়া হয়। খিরণ গাব-ফল দিয়ে তৈরি হয় বলে, একে অনেক সময় গাব নামেই অভিহিত করা হয়। খিরন তবলার মূল চামড়ার উপরে বসানো হয়। কানি সম্পাদনা এর অন্য নাম চাঁটি। তবলার ছাউনির প্রান্তভাগে একটি পৃথক চামড়ার আচ্ছাদন থাকে। এই অংশকে বলা হয় কানি। ময়দান সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম লব, সুর। তবলার খিরন এবং প্রান্তদেশীয় কানি অংশের ভিতরে যে বৃত্তাকার অংশ দেখা যায়, তাকে ময়দান বলে। পাগড়ি সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম গজরা, বেষ্টনী, বেড়। তবলার মূল চামড়া এবং কানির চামড়াকে একত্রিত করে কাঠের উপরে বসানো হয়। পরে চামড়ার ফিতা দিয়ে তৈরিকৃত বিনুনি তবলার কানি ও মূল চামড়ার সাথে যুক্ত করে, চামড়ার দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়। এই বিনুনি অংশকে পাগড়ি বলা হয়। পাগড়িতে মোট ১৬টি ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্র পথে চামড়ার ফিতা তৈরি করে কাঠের নিম্নাংশের গুড়রি অংশের সাথে দৃঢ় করে বাঁধা হয়। ডোরি সম্পাদনা এর অন্যান্য নাম ছোট্, বদ্ধি, দোয়ানী। পাগড়ির ১৬টি ছিদ্র পথে যে চামড়া ফিতা প্রবেশ করিয়ে, কাঠের নিম্নাংশের গুড়রি অংশের সাথে দৃঢ় করে বাঁধা হয়, তাকে ডোরি বলা হয়। গুলি সম্পাদনা এর অন্যা নাম গট্টা। তবলার উপরের ছাউনির সটান অবস্থা এবং কাঙ্ক্ষিত সুর পাওয়ার জন্য ডোরি ভিতরে কয়েকটি কাঠের তৈরি লম্বাটে গোলাকার গুলি ব্যবহার করা হয়। এই ডোরি উপরে নিচে নামিয়ে তবলা সুরকে নিম্ন বা চড়া সুর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উঁচু-সুর বাঁধার পদ্ধতি: বেশী সংখ্যক ছটকে টেনে গুলির উপর স্থাপন করা হাতুড়ি মেরে বা জোরে ঠেলে "গুলি"কটি নীচের দিকে করা উপরের পাগড়ীতে উপর হতে হাতুড়ি মেরে নীচে বসানোর চেষ্টা ডুগি সম্পাদনা দেহ কাঠর নয়, মাটির বা ধাতব; বড় ক্ষেত্রফল, গাব উৎকেন্দ্রিক। গুলি নেই বা খুব পাতলা গুলি, অথবা ছোটগুলি জোড়ায় জোড়ায় একত্রিত করে আংটা লাগানো। দুই খণ্ডের তবলা-বাঁয়ার সেটের একটি অংশ। সাধারণত এই অংশটি বাম হাতে বাজানো হয় বলে, একে বাঁয়া বলা হয়। কিছু কিছু বাদক এই অংশটি ডান হাতেও বাজিয়ে থাকেন। ডুগির মূল দেহকাঠামো মাটি বা ধাতু দিয়ে তৈরি হয়। সাধারণত এর ধাতু হিসেবে পিতল, তামা বা এররূপ কোনো সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়। এর গঠন অনেকটা হাঁড়ির মতো। এর অন্য নাম কুড়ি। তবলার তুলনায় ডুগি খাটো। সাধারণত ৮-৯ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। এর মুখও তবলার চেয়ে অনেক বড় হয়। উপরিভাগের ছাউনি অংশের ব্যাস হয় প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি। এবং নিম্ন-মধ্যাংশের ব্যাস অপেক্ষাকৃত বেশি। এর গঠনবৈশিষ্ট্য তবলার মতই। তবে এর ডোরির ভিতর দিয়ে কাঠের তৈরি গুলির পরিবর্তে ধাতব আংটি ব্যবহার করা হয়। খিরনের অবস্থানের বিচারে পার্থক্য রয়েছে। তবলার খিরন ছাউনির মধ্যভাগে থাকে। পক্ষান্তরে ডুগির খিরণ থাকে ছাউনির একটি প্রান্ত ঘেঁষে। ফলে এর একদিকে কানি ও ময়দান কাছাকাছি থাকলেও এর বিপরীত দিকের ময়দান অনেক বড় হয়। এছাড়া তবলার চেয়ে ডুগির খিরন বড় হয়।Bikhyat Tabala Badak Ec Khand Kath Opar Thake Kunde Batir Matt Kara Taur Upar Garur Chamra Tantan Kare Basan Take Ghire GOAL Chhedajukta Arekati Chamra Diye Quinara Ba Kani Bikhyat Badak Chamra Penchiye Prastut Pagri Eder Dhare Rekhechhe Majhkhane Kalo Gav Gabgachher Athay Kathakayala Mishiye Ba Syahi Quinara O Gaber Madhye Unmukt Patla Pratham Chamra Hall Sur Uparer Pagrike Tene Rakhar Janya Niche Dwitiya Chamrar Pagri Duti Pagri Chhot Diye Bandha Chhater Tan Kamabeshi Karar Janya Chhate Gonja Kather Gully Bikhyat Nyma Kache Theke Bhal Tabala Hay Ja Sahaje Ghune Nashta Hay Na Khiran Sampadana Aare Anyanya NAM Syahi Gav Tabalar Chhaunir Madhyasthale Je Golakar Kalo Angsh Thake Take Khiran Bala Hay Gabgachher Athar Sathe Kathakayala Mishiye Athalo Lei Tairi Kare Ukta Lei Diye Kayekati Parjaye Pralep Dewa Hay Khiran Gav Fall Diye Tairi Hay Ble Aka Anek Samay Gav Namei Abhihit Kara Hay Khiran Tabalar Mul Chamrar Upare Basano Hay Kani Sampadana Aare Anya NAM Chanti Tabalar Chhaunir Prantabhage Ekati Prithak Chamrar Achchhadan Thake AE Angshake Bala Hay Kani Mayadan Sampadana Aare Anyanya NAM Luv Sur Tabalar Khiran Evan Prantadeshiya Kani Angsher Bhitre Je Brittakar Angsh Dekha Jay Take Mayadan Ble Pagri Sampadana Aare Anyanya NAM Gojora Beshtani Ber Tabalar Mul Chamra Evan Kanir Chamrake Ekatrit Kare Kather Upare Basano Hay Pare Chamrar Fita Diye Tairikrit Binuni Tabalar Kani O Mul Chamrar Sathe Jukta Kare Chamrar Dari Diye Bandha Hay AE Binuni Angshake Pagri Bala Hay Pagrite Mot 16ti Chhidra Thake AE Chhidra Pathe Chamrar Fita Tairi Kare Kather Nimnangsher Gurri Angsher Sathe Dridh Kare Bandha Hay Dori Sampadana Aare Anyanya NAM Chhot Baddhi Dwani Pagrir 16ti Chhidra Pathe Je Chamra Fita Prabesh Kariye Kather Nimnangsher Gurri Angsher Sathe Dridh Kare Bandha Hay Take Dori Bala Hay Gully Sampadana Aare Aanya NAM Gutta Tabalar Uparer Chhaunir Satan Abastha Evan Kankshit Sur Pawar Janya Dori Bhitre Kayekati Kather Tairi Lambate Golakar Gully Byabahar Kara Hay AE Dori Upare Niche Namiye Tabala Surke Nimna Ba Chara Sur Niyantran Kara Hay Unchu Sur Bandhar Paddhati Beshi Sankhyak Chhatake Tene Gulir Upar Sthapan Kara Haturi Mere Ba Jore Thele Gully Katty Nicher Dike Kara Uparer Pagrite Upar Hate Haturi Mere Niche Basanor Cheshta Dugi Sampadana Deh Kathar Nay Matir Ba Dhatab Bar Xetrafal Gav Utkendrik Gully Nei Ba Khub Patla Gully Athaba Chhotguli Joray Joray Ekatrit Kare Angta Lagano Dui Khander Tabala Banyar Seter Ekati Angsh Sadharanat AE Angshati Bam Hate Bajano Hay Ble Aka Banya Bala Hay Kichhu Kichhu Badak AE Angshati Done Hateo Bajiye Thaken Dugir Mul Dehkathamo Mete Ba Dhatu Diye Tairi Hay Sadharanat Aare Dhatu Hisebe Pital Tama Ba Erarup Kono Sankar Dhatu Byabahar Kara Hay Aare Gathan Anekata Hanrir Mato Aare Anya NAM Kuri Tabalar Tulnay Dugi Khato Sadharanat 8 9 Inch Lamba Haye Thake Aare Mukhao Tabalar Cheye Anek Bar Hay Uparibhager Chhauni Angsher Byas Hay Pray 10 12 Inch Evan Nimna Madhyangsher Byas Apekshakrit Bedshee Aare Gathanabaishishtya Tabalar Matai Tove Aare Dorir Bhitar Diye Kather Tairi Gulir Paribarte Dhatab Anti Byabahar Kara Hay Khirner Abasthaner Bichare Parthakya Rayechhe Tabalar Khiran Chhaunir Madhyabhage Thake Pakshantare Dugir Khiran Thake Chhaunir Ekati Pranta Ghenshe Fale Aare Ekadike Kani O Mayadan Kachhakachhi Thakleo Aare Biprit Diker Mayadan Anek Bar Hay Echhara Tabalar Cheye Dugir Khiran Bar Hay
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


ওস্তাদ জাকির হুসেইন বিখ্যাত ভারতীয় তবলা বাদক।হুসেইন ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৫১ সালের ৯ই মার্চ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।.[১] তিনি "মাহিম সেন্ট মাইকেল হাই স্কুলে" পড়াশোনা করেন এবং "সেন্ট জেভিয়ার্স" মুম্বাই থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।"সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৪।ওয়ান ডলার কিউরী (২০০৩) মি. এ্যান্ড মিসেস. লায়ার (২০০২) দ্যা মায়েস্টিক ম্যাজিউর (২০০১) বানাপ্রাসথাম (১৯৯৯) লিটল বুদ্ধা (১৯৯৩) ইন কাস্টডি (১৯৯৩) এ্যাপোকালিসপে নাউ (১৯৭৯)
Romanized Version
ওস্তাদ জাকির হুসেইন বিখ্যাত ভারতীয় তবলা বাদক।হুসেইন ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৫১ সালের ৯ই মার্চ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।.[১] তিনি "মাহিম সেন্ট মাইকেল হাই স্কুলে" পড়াশোনা করেন এবং "সেন্ট জেভিয়ার্স" মুম্বাই থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।"সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৪।ওয়ান ডলার কিউরী (২০০৩) মি. এ্যান্ড মিসেস. লায়ার (২০০২) দ্যা মায়েস্টিক ম্যাজিউর (২০০১) বানাপ্রাসথাম (১৯৯৯) লিটল বুদ্ধা (১৯৯৩) ইন কাস্টডি (১৯৯৩) এ্যাপোকালিসপে নাউ (১৯৭৯)Ustad Zakir Husein Bikhyat Bhartiya Tabala Badak Husein Bharter Mumbaiye 1951 Saler 9i Marsa Tarikhe Janmagrahan Curren 1 Tini Mahim Sent Maikel High Skule Parashona Curren Evan Sent Jebhiyars Mumbai Theke Snatakottar Degree Arjan Curren Sangrakshanagarbhukta Anulipi 17 Disembar 2008 Tarikhe Mul Theke Arkaibh Kara Sangraher Tarikh 12 May 2014 Wan Dollar Kiuri 2003 Me Eyand Mrs Layar 2002 Dya Mayestik Myajiur 2001 Banaprasatham 1999 Little Buddha 1993 In Kastadi 1993 Eyapokalispe Now 1979
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Bikhyat Tabala Badak Niye Ball,Tell The Famous Tabla Player?,


vokalandroid