আচার বিচার সংস্কার বইটি কে লিখেছেন? ...

আচার বিচার সংস্কার , এই বইটির স্বত্বাধিকার লেখক বা লেখক নির্ধারিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের, অর্থাৎ বইটি পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত নয়৷ কেননা, যে সকল বইয়ের উৎস দেশ ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা আচার বিচার সংস্কার গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, আচার বিচার সংস্কার ১ জানুয়ারি, ২০১৯ সাল হতে ১৯৫৯ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে। এবং ১৯৫৯ সালের পরে প্রকাশিত বা মৃত লেখকের বইসমূহ পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত হবে না৷ আইনি সতর্কতা প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এই বইয়ের কোনও অংশেরই কোনওরূপ পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, কোন যান্ত্রিক উপায়ের (গ্রাফিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনও মাধ্যম, যেমন ফটোকপি, টেপ বা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সম্বলিত তথ্য-সঞ্চয় করে রাখার কোনও পদ্ধতি) মাধ্যমে প্রতিলিপি করা যাবে না বা কোন ডিস্ক, টেপ, পারফোরেটেড মিডিয়া বা কোনও তথ্য সংরক্ষণের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরুৎপাদন করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। গল্পগুচ্ছ আচার বিচার সংস্কার চিত্রগুপ্ত এমন অনেক পাপের হিসাব বড়ো অক্ষরে তাঁর খাতায় জমা করেন যা থাকে পাপীর নিজের অগোচরে । তেমনি এমন পাপও ঘটে যাকে আমিই চিনি পাপ বলে, আর কেউ না। যেটার কথা লিখতে বসেছি সেটা সেই জাতের। চিত্রগুপ্তের কাছে জবাবদিহি করবার পবে আগে-ভাগে কবল করলে অপরাধের মাত্রাটা হালকা হবে। ব্যাপারটা ঘটেছিল কাল শনিবার দিনে। সেদিন আমাদের পাড়ায় জৈনদের মহলে কী-একটা পরব ছিল। আমার সন্ত্ৰী কলিকাকে নিয়ে মোটরে করে বেরিয়েছিলম— চায়ের নিমন্ত্রণ ছিল বন্ধ নয়নমোহনের বাড়িতে। সন্ত্রীর কলিকা নামটি শবশর-দত্ত, আমি ওর জন্য দায়ী নই। নামের উপযুক্ত তাঁর স্বভাব নয়, মতামত খুবই পরিসফট। বড়োবাজারে বিলিতি কাপড়ের বিপক্ষে যখন পিকেট করতে বেরিয়েছিলেন, তখন দলের লোক ভক্তি করে তাঁর নাম দিয়েছিল ধ্ৰুবৱতা। আমার নাম গিরীন্দ্র; দলের লোক আমাকে আমার পত্নীর পতি বলেই জানে, স্বনামের সাথকতার প্রতি লক্ষ করে না। বিধাতার কৃপায় পৈতৃক উপাজনের গণে আমারও কিঞ্চিৎ সাথকতা আছে। তার প্রতি দলের লোকের দটি পড়ে চাঁদাআদায়ের সময় { সন্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর সবভাবের অমিল থাকলেই মিল ভালো হয়, শুকনো মাটির সঙ্গে জলধারার মতো। আমার প্রকৃতি অত্যন্ত ঢিলে, কিছুই বেশি করে চেপে ধরি নে। আমার স্ত্রীর প্রকৃতি অত্যন্ত অটি, যা ধরেন তা কিছুতেই ছাড়েন না। আমাদের এই বৈষম্যের গুণেই সংসারে শান্তিরক্ষা হয়। কেবল একটা জায়গায় আমাদের মধ্যে যে অসামঞ্জস্য ঘটেছে তার আর মিটমাট হতে পারল না। কলিকার বিশ্ববাস, আমি স্বদেশকে ভালোবাসি নে । নিজের বিশবাসের উপর তাঁর বিশ্ববাস অটল— তাই আমার আন্তরিক দেশ-ভালোবাসার যতই প্রমাণ দিয়েছি, তাঁদের নিদিষ্ট বাহ্য লক্ষণের সঙ্গে মেলে না বলে কিছুতেই তাকে দেশভালোবাসা বলে স্বীকার করাতে পারি নে। ছেলেবেলা থেকে আমি গ্রন্থবিলাসী, নতুন বইয়ের খবর পেলেই কিনে আনি । আমার শত্ররাও কবলে করবে যে, সে বই পড়েও থাকি ; বন্ধুরা খুবই জানেন যে, পড়ে তা নিয়ে তক-বিতক করতেও ছাড়ি নে – সেই আলোচনার চোটে বন্ধরা পাশ কাটিয়ে চলাতে অবশেষে একটিমাত্র মানুষে এসে ঠেকেছে, বনবিহারী, যাকে নিয়ে আমি রবিবারে আসর জমাই। আমি তার নাম দিয়েছি কোণ-বিহারী । ছাদে বসে তার সঙ্গে আলাপ করতে করতে এক-একদিন রাত্তির দটো হয়ে যায়। আমরা যখন এই নেশায় ভোর তখন আমাদের পক্ষে সদিন ছিল না। তখনকার পলিস কারও বাড়িতে গীতা দেখলেই সিডিশনের প্রমাণ পেত। তখনকার দেশভক্ত যদি দেখত কারও ঘরে বিলিতি বইয়ের পাতা কাটা তবে তাকে জানত দেশবিদ্রোহী। আমাকে ওরা শ্যামবণের প্রলেপ দেওয়া বেত-দ্বৈপায়ন ব'লেই গণ্য করত। সরস্বতীর বর্ণ সাদা বলেই সেদিন দেশভক্তদের কাছ থেকে তাঁর পজা মেলা শক্ত হয়েছিল। যে সরোবরে তাঁর শেবতপদ্ম ফোটে সেই সরোবরের জলে দেশের কপাল-পোড়ানো আগন নেবে সংস্কার না, বরঞ্চ বাড়ে, এমনি একটা রব উঠেছিল। সহধর্মিণীর সদদষ্টান্ত ও নিরন্তর তাগিদ সত্ত্বেও আমি খন্দর পরি নে; তার কারণ এ নয় যে, খন্দরে কোনো দোষ আছে বা গণ নেই, বা বেশভূষায় আমি শৌখিন । একেবারে উলেট-সবাদেশিক চাল-চলনের বিরদ্ধে অনেক অপরাধ আমার আছে, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা তার অন্তগত নয়। ময়লা মোটা রকমের সাজ, আল-থাল রকমে ব্যবহার করাটাই আমার অভ্যাস। কলিকার ভাবান্তর ঘটবার পববতী যাগে চীনেবাজারের আগা-চওড়া জাতো পরতুম, সে জাতোয় প্রতিদিন কালিমা-লেপন করিয়ে নিতে ভুলতুম, মোজা পরতে আপদ বোধ হত, শাট না পরে পাঞ্জাবি পরতে আরাম পেতুম, আর সেই পাঞ্জাবিতে দটো-একটা বোতামের অভাব ঘটলেও খেয়াল করতুম না— ইত্যাদি কারণে কলিকার সঙ্গে আমার সম্পণে বিচ্ছেদ হবার আশঙ্কা ঘটেছিল। সে বলত, “দেখো, তোমার সঙ্গে কোথাও বেরোতে আমার লক্ষজা করে।” আমি বলতুম, “আমার অন্যগত হবার দরকার নেই, আমাকে বাদ দিয়েই তুমি বেরিয়ো ।” আজ যাগের পরিবতন হয়েছে, আমার ভাগ্যের পরিবতন হয় নি। আজও কলিকা । বলে, “তোমার সঙ্গে বেরোতে আমার লজ্জা করে।” তখন কলিকা যে দলে ছিল । তাদের উদি আমি ব্যবহার করি নি, আজ যে দলে ভিড়েছে তাদের উদিও গ্রহণ করতে পারলাম না। আমাকে নিয়ে আমার স্ত্রীর লজ্জা সমানই রয়ে গেল। এটা আমারই স্বভাবের দোষ। যে-কোনো দলেরই হোক, ভেক ধারণ করতে আমার সংকোচ লাগে। কিছুতেই এটা কাটাতে পারলাম না। অপর পক্ষে মতান্তর জিনিসটা কলিকা খতম করে মেনে নিতে পারে না। ঝনার ধারা যেমন মোটা পাথরটাকে বারে বারে দিনে রাত্রে ঠেলা না দিয়ে কলিকা থাকতে পারে না; পথক মত নামক পদার্থের সংপশমাত্র ওর নায়তে যেন দনিবারভাবে সড়সুড়ি লাগায়, ওকে একেবারে ছটফটিয়ে তোলে। কাল চায়ের নিমন্মণে যাবার পবেই আমার নিষখন্দর বেশ নিয়ে একসহস্ৰএকতম বার কলিকা যে আলোচনা উত্থাপিত করেছিল তাতে তার কণ্ঠস্বরে মাধবেমাত্র ছিল না। বধির অভিমান থাকাতে বিনা তকে তার ভৎসনা শিরোধাষ করে নিতে পারি নি—সবভাবের প্রবতনায় মানুষকে এত ব্যর্থ চেষ্টাতেও উৎসাহিত করে । তাই আমিও একসহস্র-একতম বার কলিকাকে খোঁটা দিয়ে বললাম, “মেয়েরা বিধিদত্ত চোখটার উপর কালাপেড়ে মোটা ঘোমটা টেনে আচারের সঙ্গে অাঁচলের গটি বোধে চলে। মননের চেয়ে মাননেই তাদের আরাম। জীবনের সকল ব্যবহারকেই রচি ও পারলে তারা বাঁচে । আমাদের এই আচারজীণ দেশে খন্দর-পরাটা সেইরকম মালাতিলকধারী ধামিকতার মতোই একটা সংস্কারে পরিণত হতে চলেছে বলেই মেয়েদের ওতে এত আনন্দ * কলিকা রেগে অস্থির হয়ে উঠল। তার আওয়াজ শনে পাশের ঘর থেকে দাসীটা মনে করলে, ভাষাকে পরো ওজনের গয়না দিতে ভতা বাকি ফাঁকি দিয়েছে।
Romanized Version
আচার বিচার সংস্কার , এই বইটির স্বত্বাধিকার লেখক বা লেখক নির্ধারিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের, অর্থাৎ বইটি পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত নয়৷ কেননা, যে সকল বইয়ের উৎস দেশ ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা আচার বিচার সংস্কার গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, আচার বিচার সংস্কার ১ জানুয়ারি, ২০১৯ সাল হতে ১৯৫৯ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে। এবং ১৯৫৯ সালের পরে প্রকাশিত বা মৃত লেখকের বইসমূহ পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত হবে না৷ আইনি সতর্কতা প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এই বইয়ের কোনও অংশেরই কোনওরূপ পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, কোন যান্ত্রিক উপায়ের (গ্রাফিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনও মাধ্যম, যেমন ফটোকপি, টেপ বা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সম্বলিত তথ্য-সঞ্চয় করে রাখার কোনও পদ্ধতি) মাধ্যমে প্রতিলিপি করা যাবে না বা কোন ডিস্ক, টেপ, পারফোরেটেড মিডিয়া বা কোনও তথ্য সংরক্ষণের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরুৎপাদন করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। গল্পগুচ্ছ আচার বিচার সংস্কার চিত্রগুপ্ত এমন অনেক পাপের হিসাব বড়ো অক্ষরে তাঁর খাতায় জমা করেন যা থাকে পাপীর নিজের অগোচরে । তেমনি এমন পাপও ঘটে যাকে আমিই চিনি পাপ বলে, আর কেউ না। যেটার কথা লিখতে বসেছি সেটা সেই জাতের। চিত্রগুপ্তের কাছে জবাবদিহি করবার পবে আগে-ভাগে কবল করলে অপরাধের মাত্রাটা হালকা হবে। ব্যাপারটা ঘটেছিল কাল শনিবার দিনে। সেদিন আমাদের পাড়ায় জৈনদের মহলে কী-একটা পরব ছিল। আমার সন্ত্ৰী কলিকাকে নিয়ে মোটরে করে বেরিয়েছিলম— চায়ের নিমন্ত্রণ ছিল বন্ধ নয়নমোহনের বাড়িতে। সন্ত্রীর কলিকা নামটি শবশর-দত্ত, আমি ওর জন্য দায়ী নই। নামের উপযুক্ত তাঁর স্বভাব নয়, মতামত খুবই পরিসফট। বড়োবাজারে বিলিতি কাপড়ের বিপক্ষে যখন পিকেট করতে বেরিয়েছিলেন, তখন দলের লোক ভক্তি করে তাঁর নাম দিয়েছিল ধ্ৰুবৱতা। আমার নাম গিরীন্দ্র; দলের লোক আমাকে আমার পত্নীর পতি বলেই জানে, স্বনামের সাথকতার প্রতি লক্ষ করে না। বিধাতার কৃপায় পৈতৃক উপাজনের গণে আমারও কিঞ্চিৎ সাথকতা আছে। তার প্রতি দলের লোকের দটি পড়ে চাঁদাআদায়ের সময় { সন্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর সবভাবের অমিল থাকলেই মিল ভালো হয়, শুকনো মাটির সঙ্গে জলধারার মতো। আমার প্রকৃতি অত্যন্ত ঢিলে, কিছুই বেশি করে চেপে ধরি নে। আমার স্ত্রীর প্রকৃতি অত্যন্ত অটি, যা ধরেন তা কিছুতেই ছাড়েন না। আমাদের এই বৈষম্যের গুণেই সংসারে শান্তিরক্ষা হয়। কেবল একটা জায়গায় আমাদের মধ্যে যে অসামঞ্জস্য ঘটেছে তার আর মিটমাট হতে পারল না। কলিকার বিশ্ববাস, আমি স্বদেশকে ভালোবাসি নে । নিজের বিশবাসের উপর তাঁর বিশ্ববাস অটল— তাই আমার আন্তরিক দেশ-ভালোবাসার যতই প্রমাণ দিয়েছি, তাঁদের নিদিষ্ট বাহ্য লক্ষণের সঙ্গে মেলে না বলে কিছুতেই তাকে দেশভালোবাসা বলে স্বীকার করাতে পারি নে। ছেলেবেলা থেকে আমি গ্রন্থবিলাসী, নতুন বইয়ের খবর পেলেই কিনে আনি । আমার শত্ররাও কবলে করবে যে, সে বই পড়েও থাকি ; বন্ধুরা খুবই জানেন যে, পড়ে তা নিয়ে তক-বিতক করতেও ছাড়ি নে – সেই আলোচনার চোটে বন্ধরা পাশ কাটিয়ে চলাতে অবশেষে একটিমাত্র মানুষে এসে ঠেকেছে, বনবিহারী, যাকে নিয়ে আমি রবিবারে আসর জমাই। আমি তার নাম দিয়েছি কোণ-বিহারী । ছাদে বসে তার সঙ্গে আলাপ করতে করতে এক-একদিন রাত্তির দটো হয়ে যায়। আমরা যখন এই নেশায় ভোর তখন আমাদের পক্ষে সদিন ছিল না। তখনকার পলিস কারও বাড়িতে গীতা দেখলেই সিডিশনের প্রমাণ পেত। তখনকার দেশভক্ত যদি দেখত কারও ঘরে বিলিতি বইয়ের পাতা কাটা তবে তাকে জানত দেশবিদ্রোহী। আমাকে ওরা শ্যামবণের প্রলেপ দেওয়া বেত-দ্বৈপায়ন ব'লেই গণ্য করত। সরস্বতীর বর্ণ সাদা বলেই সেদিন দেশভক্তদের কাছ থেকে তাঁর পজা মেলা শক্ত হয়েছিল। যে সরোবরে তাঁর শেবতপদ্ম ফোটে সেই সরোবরের জলে দেশের কপাল-পোড়ানো আগন নেবে সংস্কার না, বরঞ্চ বাড়ে, এমনি একটা রব উঠেছিল। সহধর্মিণীর সদদষ্টান্ত ও নিরন্তর তাগিদ সত্ত্বেও আমি খন্দর পরি নে; তার কারণ এ নয় যে, খন্দরে কোনো দোষ আছে বা গণ নেই, বা বেশভূষায় আমি শৌখিন । একেবারে উলেট-সবাদেশিক চাল-চলনের বিরদ্ধে অনেক অপরাধ আমার আছে, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা তার অন্তগত নয়। ময়লা মোটা রকমের সাজ, আল-থাল রকমে ব্যবহার করাটাই আমার অভ্যাস। কলিকার ভাবান্তর ঘটবার পববতী যাগে চীনেবাজারের আগা-চওড়া জাতো পরতুম, সে জাতোয় প্রতিদিন কালিমা-লেপন করিয়ে নিতে ভুলতুম, মোজা পরতে আপদ বোধ হত, শাট না পরে পাঞ্জাবি পরতে আরাম পেতুম, আর সেই পাঞ্জাবিতে দটো-একটা বোতামের অভাব ঘটলেও খেয়াল করতুম না— ইত্যাদি কারণে কলিকার সঙ্গে আমার সম্পণে বিচ্ছেদ হবার আশঙ্কা ঘটেছিল। সে বলত, “দেখো, তোমার সঙ্গে কোথাও বেরোতে আমার লক্ষজা করে।” আমি বলতুম, “আমার অন্যগত হবার দরকার নেই, আমাকে বাদ দিয়েই তুমি বেরিয়ো ।” আজ যাগের পরিবতন হয়েছে, আমার ভাগ্যের পরিবতন হয় নি। আজও কলিকা । বলে, “তোমার সঙ্গে বেরোতে আমার লজ্জা করে।” তখন কলিকা যে দলে ছিল । তাদের উদি আমি ব্যবহার করি নি, আজ যে দলে ভিড়েছে তাদের উদিও গ্রহণ করতে পারলাম না। আমাকে নিয়ে আমার স্ত্রীর লজ্জা সমানই রয়ে গেল। এটা আমারই স্বভাবের দোষ। যে-কোনো দলেরই হোক, ভেক ধারণ করতে আমার সংকোচ লাগে। কিছুতেই এটা কাটাতে পারলাম না। অপর পক্ষে মতান্তর জিনিসটা কলিকা খতম করে মেনে নিতে পারে না। ঝনার ধারা যেমন মোটা পাথরটাকে বারে বারে দিনে রাত্রে ঠেলা না দিয়ে কলিকা থাকতে পারে না; পথক মত নামক পদার্থের সংপশমাত্র ওর নায়তে যেন দনিবারভাবে সড়সুড়ি লাগায়, ওকে একেবারে ছটফটিয়ে তোলে। কাল চায়ের নিমন্মণে যাবার পবেই আমার নিষখন্দর বেশ নিয়ে একসহস্ৰএকতম বার কলিকা যে আলোচনা উত্থাপিত করেছিল তাতে তার কণ্ঠস্বরে মাধবেমাত্র ছিল না। বধির অভিমান থাকাতে বিনা তকে তার ভৎসনা শিরোধাষ করে নিতে পারি নি—সবভাবের প্রবতনায় মানুষকে এত ব্যর্থ চেষ্টাতেও উৎসাহিত করে । তাই আমিও একসহস্র-একতম বার কলিকাকে খোঁটা দিয়ে বললাম, “মেয়েরা বিধিদত্ত চোখটার উপর কালাপেড়ে মোটা ঘোমটা টেনে আচারের সঙ্গে অাঁচলের গটি বোধে চলে। মননের চেয়ে মাননেই তাদের আরাম। জীবনের সকল ব্যবহারকেই রচি ও পারলে তারা বাঁচে । আমাদের এই আচারজীণ দেশে খন্দর-পরাটা সেইরকম মালাতিলকধারী ধামিকতার মতোই একটা সংস্কারে পরিণত হতে চলেছে বলেই মেয়েদের ওতে এত আনন্দ * কলিকা রেগে অস্থির হয়ে উঠল। তার আওয়াজ শনে পাশের ঘর থেকে দাসীটা মনে করলে, ভাষাকে পরো ওজনের গয়না দিতে ভতা বাকি ফাঁকি দিয়েছে। Achar Bichar Sanskar , AE Baitir Swatbadhikar Lekhak Ba Lekhak Nirdharit Byakti Ba Pratishthaner Arthat Baiti Pablik Domeiner Aotabhukta Nayar Kenna Je Sakal Baiyer Uts Desh Bharat Evan Bharatiya Copyright Ain 1957 Anusare Lekhker Mrityur Saat Bachhar Par Swaname O Jibaddashay Prakashit Athaba Bename Ba Chhadmaname O Maranottar Prakashit Rachana Ba Achar Bichar Sanskar Granthasamuh Pratham Prakasher Saat Bachhar Par Panjikabarsher Suchna Theke Copyright Meyad Uttirna Huye Jayar Arthat Achar Bichar Sanskar 1 Januyari 2019 Saala Hate 1959 Saler Purbe Prakashit Ba Purbe Mrit Lekhker Sakal Rachana Pablik Domeiner Aotabhukta Habe Evan 1959 Saler Pare Prakashit Ba Mrit Lekhker Baisamuh Pablik Domeiner Aotabhukta Habe Nar Aini Satarkata Prakashak Evan Swatbadhikarir Likhit Anumati Chhara AE Baiyer Konao Angsherai Konaorup Punrutpadan Ba Pratilipi Kara Jabe Na Koun Jantrik Upayer Graphic Ilekatranik Ba Anya Konao Madhyam Jeman Fatokapi Tap Ba Punruddharer Sujog Sambalit Tathya Sanchay Kare Rakhar Konao Paddhati Madhyame Pratilipi Kara Jabe Na Ba Koun Disk Tap Parforeted Media Ba Konao Tathya Sangrakshaner Jantrik Paddhatite Punrutpadan Kara Jabe Na AE Sharta Langhit Hale Upajukta Aini Byabastha Grahan Kara Jabe Galpaguchchh Achar Bichar Sanskar Chitragupta Eman Anek Paper Hisab Baro Aksaray Tanr Khatay Zama Curren Ja Thake Papir Nizar Agochare Temni Eman Papao Ghate Jake Amii Cine Papa Ble Are Keu Na Jetar Katha Likhte Basechhi SATA Sei Jater Chitragupter Kachhe Jababdihi Karabar Pabe Age Bhage Qabala Karale Aparadher Matrata Halka Habe Byaparata Ghatechhil Kaal Shanibar Dine Sedin Amader Paray Jainder Mohale Key Ekata Parab Chhil Amar Santri Kalikake Niye Motre Kare Beriyechhilam— Chayer Nimantran Chhil Bandh Nayanamohner Barite Santrir Klika Namti Shabashar Dutt Aami Wore Janya Dayi Noi Namer Upajukta Tanr Swabhab Nay Matamat Khubai Parisafat Barobajare Biliti Kaprer Bipakshe Jakhan Picket Karate Beriyechhilen Takhan Daler Loka Bhakti Kare Tanr NAM Diyechhil Dhrubawata Amar NAM Girindra Daler Loka Amake Amar Patnir Pti Balei Jaane Swanamer Sathakatar Prati Laksha Kare Na Bidhatar Kripay Paitrik Upajner Gane Amarao Kinchit Sathakata Ache Taur Prati Daler Loker Dati Pare Chandaadayer Samay { Santrir Sange Swamir Sababhaber Amil Thaklei Mill Valu Hay Shukno Matir Sange Jaladharar Mato Amar Prakriti Atyanta Dhile Kichhui Bedshee Kare Chepe Dhari Noi Amar STREER Prakriti Atyanta Ati Ja Dharen Ta Kichhutei Chharen Na Amader AE Baishamyer Gunei Sansare Shantiraksha Hay Cable Ekata Jaygay Amader Madhye Je Asamanjasya Ghatechhe Taur Are Mitmat Hate Paral Na Kalikar Bishwabas Aami Swadeshake Bhalobasi Noi Nizar Bishbaser Upar Tanr Bishwabas Atal— Tai Amar Antarik Desh Bhalobasar Jatai Praman Diyechhi Tander Nidishta Bahya Lakshaner Sange Mele Na Ble Kichhutei Take Deshbhalobasa Ble Sweekar Karate Pari Noi Chhelebela Theke Aami Granthabilasi NATUN Baiyer Khabar Pelei Kine Any Amar Shatrarao Kabale Karabe Je Say By Pareo Thaki ; Bandhura Khubai Janen Je Pare Ta Niye Taka Bitak Karateo Chhari Noi – Sei Alochnar Chote Bandhara Pash Katiye Chalate Abasheshe Ekatimatra Manushe Ese Thekechhe Banabihari Jake Niye Aami Rabibare Asar Jamai Aami Taur NAM Diyechhi Koun Bihari Chhade Base Taur Sange Alap Karate Karate Ec Ekadin Rattir Dato Haye Jay Amara Jakhan AE Neshay Bhor Takhan Amader Pakshe Sadin Chhil Na Takhanakar Palis Karao Barite Geetha Dekhlei Sidishner Praman Pet Takhanakar Deshabhakta Jodi Dekhat Karao Ghare Biliti Baiyer Pata Kata Tove Take Janat Deshbidrohi Amake Ora Shyamabaner Pralep Dewa Bet Dwaipayan B Lei Ganya Karat Saraswatir Burn Sadda Balei Sedin Deshabhaktader Kachh Theke Tanr Paja MELA Shakta Hayechhil Je Sarobare Tanr Shebatapadma Fote Sei Sarobrer Jale Desher Kapal Porano Agan Nebe sanskar Na Baranch Bare Emani Ekata Raw Uthechhil Sahadharminir Sadadashtanta O Nirantar Tagid Sattbeo Aami Khandar Pari Noi Taur Karan A Nay Je Khandare Kono Dos Ache Ba Gan Nei Ba Beshbhushay Aami Shaukhin Ekebare Ulet Sabadeshik Challa Chalaner Biraddhe Anek Aparadh Amar Ache Kintu Parichchhannata Taur Antagat Nay Mayala Mota Rakamer Saj Al Thal Rakame Byabahar Karatai Amar Abhyas Kalikar Bhabantar Ghatabar Pababati Jage Chinebajarer Agha Chaora Jato Paratum Say Jatoy Pratidin Kalima Lepan Kariye Nite Bhultum Moza Parte Apad Bodha Hato Shut Na Pare Panjabi Parte Aram Petum Are Sei Panjabite Dato Ekata Botamer Abhab Ghataleo Kheyal Karatum Na— Ityadi Karne Kalikar Sange Amar Sampane Bichchhed Habar Ashanka Ghatechhil Say Volta “dekho Tomar Sange Kothao Berote Amar Lakshaja Kare ” Aami Balatum “amar Anyagat Habar Darakar Nei Amake Baad Diyei Tumi Beriyo ” Az Jager Paribatan Hayechhe Amar Bhagyer Paribatan Hay Ni Ajao Klika Ble “tomar Sange Berote Amar Lajja Kare ” Takhan Klika Je Dale Chhil Tader Udi Aami Byabahar Kari Ni Az Je Dale Bhirechhe Tader Udio Grahan Karate Parlam Na Amake Niye Amar STREER Lajja Samanai Raye Gel Etah Amaury Swabhaber Dos Je Kono Dalerai Hoek Bhaika Dharan Karate Amar Sankoch Lage Kichhutei Etah Katate Parlam Na Apr Pakshe Matantar Jinisata Klika Khatma Kare Mene Nite Pare Na Jhanar Dhara Jeman Mota Patharatake Bare Bare Dine Ratre Thela Na Diye Klika Thakte Pare Na Pathak Matt Namak Padarther Sangpashamatra Wore Nayte Jen Danibarbhabe Sarasuri Lagay Ok Ekebare Chhatafatiye Tole Kaal Chayer Nimanmane Jabar Pabei Amar Nishakhandar Bash Niye Ekasahasraekatam Bar Klika Je Alochana Utthapit Karechhil Tate Taur Kanthasware Madhbematra Chhil Na Badhir Abhiman Thakate Vinaa Take Taur Bhtsana Shirodhash Kare Nite Pari Ni—sababhaber Prabatanay Manushake Et Byartha Cheshtateo Utsahit Kare Tai Amio Ekasahasra Ekatam Bar Kalikake Khonta Diye Balalam “meyera Bidhidatta Chokhtar Upar Kalapere Mota Ghomta Tene Acharer Sange Anchaler Gati Bode Chale Manner Cheye Mannei Tader Aram Jibner Sakal Byabaharkei Rachi O Parle Tara Banche Amader AE Acharjin Deshe Khandar Parata Seirakam Malatilakadhari Dhamiktar Matoi Ekata Sanskare Parinat Hate Chalechhe Balei Meyeder Aute Et Ananth * Klika Rege Asthir Haye Uthal Taur Awaj Shane Pasher Ghar Theke Dasita Money Karale Bhashake Paro Ojaner Gayana Dite Bhata Bace Fanki Diyechhe
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon
500000+ दिलचस्प सवाल जवाब सुनिये 😊

Similar Questions

More Answers


বইয়ের নাম, 'আচার বিচার সংস্কার'। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে বইয়ের বিষয়। বইয়ের শুরুতেই নৃসিংপ্রসাদ ভাদুড়ী লিখছেন, 'এই বইটা লেখার কোনো প্রয়োজন ছিল না, আজকের দিনে আচার-বিচার বড়ো অশ্রদ্ধেয় কথা। ... মানুষের এই প্রাচীন বিশ্বাসগুলি শুধুমাত্র কতগুলি বিচ্ছিন্ন কুসংস্কারের ওপর গড়ে ওঠেনি। ... এই সংস্কারগুলির পিছনে এমন কিছু যুক্তি আছে, যেগুলি আমাদের সভ্যতার ঊধ্বমূল অধঃশাখ বটবৃক্ষটির একটা অন্যতর বিশ্লেষণ তৈরি করে।' বইটিতে দুটি লেখা আছে। একটি 'আচার বিচার সংস্কার'। অন্যটি 'সমাজ, ব্যবহার এবং আমৃদের শ্রুতিমূল'। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে যখন গ্লোবালাইজেশনের কুফল হিসাবে আমাদের জড়িয়ে ধরছে পাশ্চাত্যের জীবনযাপনের চিহ্নগুলি, তখন নিজেদের শিকড়ের দিকে ফিরে তাকানো আরও জরুরি হয়ে উঠছে। আমাদের ধর্মাচরণের পাশাপাশি আমাদের প্রচলিত সংস্কার ও আচার-বিচারগুলি তাই নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। আধুনিক সময়ের প্রেক্ষিতে তার অবস্থানই তো নির্দেশ করে দিতে পারে আমাদের প্রকৃত সামাজিক কাঠামোর গঠন ও তার বিবর্তন। 'আচার বিচার সংস্কার' নিবন্ধে লেখক ফিরে তাকিয়েছেন 'গর্ভাধান', 'অন্নপ্রাশন', 'উপনয়ন', 'বিবাহ' প্রভৃতির দিকে। স্বভাবজাত অনায়াস ভঙ্গিতে তিনি তাঁর পরিপাটি গদ্যে লিখেছেন এইসব প্রাচীন অনুষ্ঠানগুলির উৎপত্তি, নিয়ম ইত্যাদি নিয়ে। যা পাঠককে আরও একবার সেই সুদূর বৈদিক যুগ থেকে চলে আসা ইতিহাসস্রোতের মুগোমুখি করে দেবে। সবচেয়ে বড়ো কথা লেখকের আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক মন একদম খোলামেলাভাবে এইসব সংস্কারের গোড়ায় পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে। যেমন একজায়গায় তিনি লিখেছেন, 'সংস্কারগুলি সৃষ্টির পিছনে মনস্তত্ত্বের একটা বড়ো ভূমিকা আছে। গভীর বিশ্বাস সেই মনস্তত্ত্বকে আরও পুষ্ট করেছে। চুল কাটা, নখ কাটা কি স্নান করার পর শারীরিক মানসিক স্ফূর্তি আসে না বটে, তবে অন্নপ্রাশন, উপনয়ন ইত্যাদির মাধ্যমে যে সামাজিক তুষ্টি বা আত্মসচেতনতা তৈরি হয়, হয়তো সেই তুষ্টি বা সচেতনতা সেকালের মানুষকে এক ধরনের প্রত্যয় দিত।' বোধহয় আর উদাহরণের দরকার নেই। সুধী পাঠক এই অংশটুকু থেকেই বুঝে নিতে পারবেন এই বইয়ের অন্তরাত্মাকে। ..." বই : আচার বিচার সংস্কার (প্রবন্ধের বই। চতুর্থ সংস্করণ) লেখক : নৃসিংপ্রসাদ ভাদুড়ী প্রচ্ছদ : শোভন পাত্র মুদ্রিত মূল্য 180 টাকা প্রকাশনা : অভিযান পাবলিশার্স
Romanized Version
বইয়ের নাম, 'আচার বিচার সংস্কার'। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে বইয়ের বিষয়। বইয়ের শুরুতেই নৃসিংপ্রসাদ ভাদুড়ী লিখছেন, 'এই বইটা লেখার কোনো প্রয়োজন ছিল না, আজকের দিনে আচার-বিচার বড়ো অশ্রদ্ধেয় কথা। ... মানুষের এই প্রাচীন বিশ্বাসগুলি শুধুমাত্র কতগুলি বিচ্ছিন্ন কুসংস্কারের ওপর গড়ে ওঠেনি। ... এই সংস্কারগুলির পিছনে এমন কিছু যুক্তি আছে, যেগুলি আমাদের সভ্যতার ঊধ্বমূল অধঃশাখ বটবৃক্ষটির একটা অন্যতর বিশ্লেষণ তৈরি করে।' বইটিতে দুটি লেখা আছে। একটি 'আচার বিচার সংস্কার'। অন্যটি 'সমাজ, ব্যবহার এবং আমৃদের শ্রুতিমূল'। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে যখন গ্লোবালাইজেশনের কুফল হিসাবে আমাদের জড়িয়ে ধরছে পাশ্চাত্যের জীবনযাপনের চিহ্নগুলি, তখন নিজেদের শিকড়ের দিকে ফিরে তাকানো আরও জরুরি হয়ে উঠছে। আমাদের ধর্মাচরণের পাশাপাশি আমাদের প্রচলিত সংস্কার ও আচার-বিচারগুলি তাই নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। আধুনিক সময়ের প্রেক্ষিতে তার অবস্থানই তো নির্দেশ করে দিতে পারে আমাদের প্রকৃত সামাজিক কাঠামোর গঠন ও তার বিবর্তন। 'আচার বিচার সংস্কার' নিবন্ধে লেখক ফিরে তাকিয়েছেন 'গর্ভাধান', 'অন্নপ্রাশন', 'উপনয়ন', 'বিবাহ' প্রভৃতির দিকে। স্বভাবজাত অনায়াস ভঙ্গিতে তিনি তাঁর পরিপাটি গদ্যে লিখেছেন এইসব প্রাচীন অনুষ্ঠানগুলির উৎপত্তি, নিয়ম ইত্যাদি নিয়ে। যা পাঠককে আরও একবার সেই সুদূর বৈদিক যুগ থেকে চলে আসা ইতিহাসস্রোতের মুগোমুখি করে দেবে। সবচেয়ে বড়ো কথা লেখকের আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক মন একদম খোলামেলাভাবে এইসব সংস্কারের গোড়ায় পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে। যেমন একজায়গায় তিনি লিখেছেন, 'সংস্কারগুলি সৃষ্টির পিছনে মনস্তত্ত্বের একটা বড়ো ভূমিকা আছে। গভীর বিশ্বাস সেই মনস্তত্ত্বকে আরও পুষ্ট করেছে। চুল কাটা, নখ কাটা কি স্নান করার পর শারীরিক মানসিক স্ফূর্তি আসে না বটে, তবে অন্নপ্রাশন, উপনয়ন ইত্যাদির মাধ্যমে যে সামাজিক তুষ্টি বা আত্মসচেতনতা তৈরি হয়, হয়তো সেই তুষ্টি বা সচেতনতা সেকালের মানুষকে এক ধরনের প্রত্যয় দিত।' বোধহয় আর উদাহরণের দরকার নেই। সুধী পাঠক এই অংশটুকু থেকেই বুঝে নিতে পারবেন এই বইয়ের অন্তরাত্মাকে। ..." বই : আচার বিচার সংস্কার (প্রবন্ধের বই। চতুর্থ সংস্করণ) লেখক : নৃসিংপ্রসাদ ভাদুড়ী প্রচ্ছদ : শোভন পাত্র মুদ্রিত মূল্য 180 টাকা প্রকাশনা : অভিযান পাবলিশার্সBaiyer NAM Achar Bichar Sanskar NAM Thekei Bojha Jachchhe Baiyer Vysya Baiyer Shurutei Nrisingprasad Bhadury Likhchhen AE Baita Lekhar Kono Prayojan Chhil Na Ajaker Dine Achar Bichar Boro Ashraddhey Katha ... Manusher AE Prachin Bishwasaguli Shudhumatra Kataguli Bichchhinna Kusanskarer Opar Gare Otheni ... AE Sanskaragulir Pichhne Eman Kichhu Jukti Ache Jeguli Amader Sabhyatar Udhbamul Adhahshakh Batabrikshatir Ekata Anyatar Bishleshan Tairi Kare Baitite Duti Lekha Ache Ekati Achar Bichar Sanskar Anyati Samaj Byabahar Evan Amrider Shrutimul Bartaman Some Danriye Jakhan Globalaijeshner Kufal Hisabe Amader Jariye Dharachhe Pashchatyer Jibanajapner Chihnaguli Takhan Nijeder Shikrer Dike Fire Takano RO Jaruri Huye Uthachhe Amader Dharmacharaner Pashapashi Amader Prachalit Sanskar O Achar Bicharguli Tai NATUN Kare Alochnar Prayojan Huye Parachhe Adhunik Samayer Prekshite Taur Abasthanai Toh Nirdesh Kare Dite Pare Amader Prakrit Samajik Kathamor Gathan O Taur Bibartan Achar Bichar Sanskar Nibandhe Lekhak Fire Takiyechhen Garbhadhan Annaprashan Upanayan Vivah Prabhritir Dike Swabhabjat Anayas Bhangite Tini Tanr Paripati Gadye Likhechhen Eisab Prachin Anushthanagulir Utpatti Niyam Ityadi Niye Ja Pathakake RO Ekabar Sei Sudur Baidik Jug Theke Chale Asa Itihasasroter Mugomukhi Kare Dewey Sabacheye Boro Katha Lekhker Adhunik Bigyanamanask Mon Ekadam Kholamelabhabe Eisab Sanskarer Goray Paunchhate Cheshta Karechhe Jeman Ekajaygay Tini Likhechhen Sanskaraguli Srishtir Pichhne Manastattber Ekata Boro Bhumika Ache Gabhir Biswas Sei Manastattbake RO Pushta Karechhe Chul Kata Nakh Kata Ki Snan Karar Par Sharirik Mansik Sfurti Ase Na Bate Tove Annaprashan Upanayan Ityadir Madhyame Je Samajik Tusti Ba Atmasachetanata Tairi Hya Hayato Sei Tusti Ba Sachetanata Sekaler Manushake Ec Dharaner Pratyay Dit Bodhahay Are Udaharaner Darakar Nei Sudhi Pathak AE Angshatuku Thekei Bujhe Nite Paraben AE Baiyer Antaratmake By : Achar Bichar Sanskar Prabandher By Chaturtha Sanskaran Lekhak : Nrisingprasad Bhadury Prachchhad : Sovan Patra Mudrit Mulya 180 Taka Prakashana : Abhijan Pablishars
Likes  0  Dislikes
WhatsApp_icon

Vokal is India's Largest Knowledge Sharing Platform. Send Your Questions to Experts.

Related Searches:Achar Bichar Sanskar Baiti Ke Likhechhen,Who Wrote The Book For The Reform Of The Book?,


vokalandroid